হোম সাক্ষাৎকার এর্নেস্তো কার্দেনালের সাক্ষাৎকার

এর্নেস্তো কার্দেনালের সাক্ষাৎকার

এর্নেস্তো কার্দেনালের সাক্ষাৎকার
711
0

[১৯৭৪-এর বসন্তে কবি-যাজক এর্নেস্তো কার্দেনাল নিকারাগুয়ার গ্রেট লেকের দ্বীপে অবস্থিত নির্জনাবাস হতে নিউ ইয়র্কের সেইন্ট জনের ক্যাথিড্রাল চার্চের এক অনুষ্ঠানে মানাগুয়ায় ভূমিকম্পে আক্রান্তদের পক্ষ হতে এক বিরল সফরে আসেন।

পঞ্চাশোর্ধ দুর্বল শরীরের একজন মানুষ, পাকা চুলগুলো পিছনের দিকে আঁচড়ানো, শুভ্র দাড়ি, করুণাময় ভাবপ্রবণ চোখদুটোকে ঘিরে রেখেছে কালো ফ্রেমের চশমা, কার্দেনাল তার রচনা পড়লেন দিব্যকণ্ঠে, যা কেবল তার ওই গভীর ও রহস্যময় দুচোখের সাথেই মানানসই। এক মহিলা আমাকে বললেন, তার কাছে মনে হয়েছে যে কার্দেনাল দেখতে আধুনিক কালের খ্রিষ্টের মতন। নিকারাগুয়ার অনেকেই অবশ্যই এরকমই ভাবেন তাকে, বিশেষত সলেনটিনামি দ্বীপে তার প্রতিষ্ঠিত দরিদ্রসেবক সংঘে যারা বাস করেন।

এরপর নদীতীরবর্তী এক ফ্ল্যাটে তার সাময়িক অবস্থানে যখন আমি তার সাথে দেখা করতে গেলাম, আমাকে অভ্যর্থনার সময়ে তার পরনে ছিল কালো ব্যাগি ট্রাউজার আর ঢোলাঢালা কুঁচকানো সাদা শার্ট, যা ছিল কিষাণের জামার মতো ছাঁটের। তার মাথায় ছিল ডান দিকে হেলে-থাকা কালো বেরেট টুপি। আমি ভাবলাম, হ্যাঁ, একরকম ক্যাস্ট্রো-খ্রিষ্ট।

নিউ ইয়র্কে থাকাকালে কার্দেনাল বেশি একটা লোকের সাথে দেখা করেন নাই। নিজের দেশে যেমন নির্জনভাবে থাকতেন, এখানেও তেমনি রইলেন। একজন প্রকাশকের সাথে আলাপ করেছিলেন তিনি তার রচনা প্রকাশ বিষয়ে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনের সাবেক ছাত্র কার্দেনাল এক সময় টমাস মের্টনের (লেখক, ধর্মবিশারদ, মরমিবাদী, কবি, সমাজকর্মী ও সন্ন্যাসী) শিষ্য ছিলেন। রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে একদা তিনি কারাবরণও করেছিলেন।]


রোনাল্ড ক্রাইস্ট

ঠিক কী কারণে এখন আপনি নিউ ইয়র্কে আছেন?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

গির্জায় এক সমাবেশে অংশ নিতে তারা আমাকে দাওয়াত দিয়েছে। মানাগুয়ায় আহতদের সাহায্যার্থে কিছু শৈল্পিক পরিবেশনার আয়োজন হয়েছে এখানে। আর যেহেতু বিভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন সাধু-সন্ন্যাসী ও ধ্যানী এখানে যোগ দিয়েছেন তাই আমার মনে হয়েছে এখানে আমার যোগ দেওয়াটা দরকারি; যদিও আমার দ্বীপটি ছেড়ে আমি কমই বের হই। ওখানে আমার নির্জনাবাসটি ছেড়ে আসা আমার পছন্দ নয়।


আমি চেষ্টা করেছি কলাকৌশলটা নিতে, কিন্তু সেটা এমনভাবে যেন জনগণ সহজেই বুঝতে পারে। 


রোনাল্ড ক্রাইস্ট

এই সমাবেশে আপনি কী করলেন?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

মানাগুয়া সম্পর্কে লেখা আমার শেষ কবিতাটির কিছু অংশ পড়েছি আমি। মূলত শহরটিকে নিয়েই কবিতাটি লেখা, তবে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের কথা দিয়ে এটি শেষ হয়েছে। কবিতাটি প্রায় তিরিশ পৃষ্ঠা দীর্ঘ। ছাত্ররা এর একটি সংস্করণ তৈরি করছে যেন লোকজনকে বিতরণ করতে পারে। আর্জেন্টিনায় কিছু লোক এটিকে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করছে।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

এদেশে আপনার সবচেয়ে পরিচিত কবিতা সম্ভবত ‘মেরিলিন মনরোর জন্য প্রার্থনা।’ কবিতাটি কিভাবে লিখলেন?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

তখন আমি কলম্বিয়ায় এক সেমিনারিতে পাদরি হবার জন্য পড়াশোনা করছিলাম। আমাদের এক শিক্ষকের কাছ থেকে মেরিলিন মনরোর মৃত্যুর খবরটা জানলাম। টাইম ম্যাগাজিনে মনরোর জীবন সম্পর্কে একটা লেখা পড়ি, সেটাও কবিতাটি লিখতে প্রেরণা জোগায়। আবার ঠিক ওই সময়েই আমরা উপাসনালয় হতে সুদখোরদের বিতাড়িত করা বিষয়ক বাইবেলের সুসমাচার পাঠ করছিলাম। এইটিও আমাকে কবিতাটি লিখতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

আপনার কি মনে হয় যে আমেরিকার পাঠকেরা কেবল ওই একটি কবিতার কথাই জেনে আপনার অন্য সমস্ত কবিতা থেকে বঞ্চিত রয়ে গেল?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

হ্যাঁ, ঠিক তাই। অন্যান্য দেশের তুলনায় এখানে আমার কবিতা কম পরিচিত। সারা ইউরোপে, বিশেষ করে জার্মানিতে, আমার কবিতা আরও অনেক বেশি পরিচিত। কিন্তু এখন জন হপকিনস প্রেস আমার একটি বই প্রকাশ করতে যাচ্ছে, যার শিরোনাম ‘মার্কিনি ইনডিয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য’ (Homage to the American Indians)। এই সংকলনের কবিতাবলির বিষয়বস্তু আমেরিকার– উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকার—আদিবাসী সংস্কৃতি, আদিবাসী গোত্রগুলোর প্রজ্ঞা, মরমিবাদ ও আধ্যাত্মিকতা। আমার কবিতায় এই বিষয়বস্তু আমি চর্চা করি : আদিবাসী ভাবধারা।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

আপনি প্রথমে কিভাবে কবিতা লিখতে শুরু করেন?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

চার বছর বয়সে থেকে আমি কবিতা লিখতে শুরু করি। অন্য কথায়, আমি সব সময়েই কবিতা লিখি।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

কোন-কোন কবির লেখা আপনি বেশি পড়েন ও পছন্দ করেন?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

আমার উপরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রেখেছে উত্তর আমেরিকার কবিতা। আজকের সমস্ত নিকারাগুয়ার সাহিত্যের উপরই এই প্রভাব রয়েছে বলা যায়। হুইটম্যান থেকে শুরু করে একেবারে সাম্প্রতিকতম কবি পর্যন্ত এর আওতায় পড়েন। আমার উপর এজরা পাউন্ডের বিশেষ প্রভাব রয়েছে। পাউন্ডের কলাকৌশল আমার জন্য সর্বোত্তম শিক্ষা। ক্যানটোস, হ্যাঁ ক্যানটোসই—আগের কবিতা নয়। সমস্ত দক্ষিণ আমেরিকার কবিতা ইউরোপীয় কবিতার দ্বারা প্রভাবিত, বিশেষত ফরাশি কবিতার দ্বারা। কিন্তু নিকারাগুয়ার কবিতায় রয়েছে উত্তর আমেরিকার প্রভাব। আর এখন নিকারাগুয়ার প্রভাব অন্যান্য দেশে বিস্তৃত হচ্ছে, বিশেষত কিউবায়। কিউবার সাম্প্রতিক বিপ্লবী কবিতা নিকারাগুয়া ও উত্তর আমেরিকার  কবিতার দ্বারা প্রভাবিত।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

কিন্তু ক্যানটোস-এর প্রতিতুলনায় আপনার কবিতা সহজবোধ্য। আপনার কবিতা সরাসরি ধরনের ও এর শব্দশৈলী সহজ-সরল।

এর্নেস্তো কার্দেনাল

আমি চেষ্টা করেছি যেন পাউন্ডের মতো দুর্বোধ্য না হই। আমি চেষ্টা করেছি কলাকৌশলটা নিতে, কিন্তু সেটা এমনভাবে যেন জনগণ সহজেই বুঝতে পারে। তারা তার কবিতা বুঝুক এমন কোনো আগ্রহ পাউন্ডের ছিল না। হ্যাঁ, এখানেই তার ও আমার কবিতার পার্থক্য।


বর্তমান পুঁজিবাদী অর্থনীতি হলো মানুষের সকল দিক দিয়েই সাংস্কৃতিক নিপীড়ন। 


রোনাল্ড ক্রাইস্ট

কিন্তু আপনি বিশেষভাবে বৈপ্লবিক রীতিতেও লেখেন নি, লিখেছেন কি?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

ভালো প্রশ্ন। পাউন্ড অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক কবিতা লিখেছেন—প্রধানত অর্থনৈতিক—আমিও এক ধরনের অর্থনৈতিক কবিতা লিখেছি এবং ওই আদিবাসী ভাবধারার কবিতাগুলোয় এই মূলভাব রয়েছে। ইনকা সংস্কৃতি নিয়ে আমার একটি কবিতা আছে যা ইনকাদের সমাজতন্ত্র নিয়ে রচিত একটি অর্থনৈতিক কবিতা। কবিতাটির শিরোনাম ‘তাহুয়ানতিনসুয়োর অর্থনীতি’। ইনকা সম্রাটকে কোয়েচা ভাষায় তাহুয়ানতিনসুয়ো বলে। মায়াদের নিয়েও আমার কবিতা রয়েছে যেগুলোর ভাববস্তু হিসাবে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয় রয়েছে।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

কিন্তু পাউন্ডের মতো স্থির দৃষ্টিভঙ্গিতে নয়।

এর্নেস্তো কার্দেনাল

আমার মনে হয় পাউন্ডের প্রধান বিষয় হলো—আর আজ এটা প্রত্যেকেরই বিবেচনা করা উচিত—বর্তমান পুঁজিবাদী অর্থনীতি হলো মানুষের সকল দিক দিয়েই সাংস্কৃতিক নিপীড়ন এবং আমাদের কর্তব্য হচ্ছে এই নিপীড়ন হতে নিজেদের মুক্ত করা। তিনি একে কুসীদবৃত্তি তথা সুদখোরিতা বলতেন, যা  হচ্ছে টাকার ক্ষমতা দিয়ে নিপীড়ন। আদিবাসী সংস্কৃতি বিষয়ক কবিতায় ও সাম্রাজ্যবাদ বিষয়ক কবিতায় আমি এই ভাববস্তুকে ব্যবহার করেছি। এইসব কবিতায় আমি মানুষের ধর্মীয় ও মরমি দিকটারও প্রয়োগ ঘটিয়েছি, কেবল অর্থনৈতিক দিকেরই নয়। ইনকাদের সম্পর্কে বলতে গিয়ে আমি বলেছি যে তাদের সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি ছিল ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত অর্থনীতি। সমস্ত মানুষটির মুক্তি ছাড়া কেবল অর্থনৈতিক মুক্তিতে আমার আগ্রহ নাই।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

কেউ-কেউ নিকানোর পাররার প্রতি-কবিতা (অ্যান্টি-পোয়েট্রি)-র সাথে আপনার সাহিত্যকর্মের তুলনা করেন। এই তুলনা আপনার কাছে কেমন মনে হয়?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

আমার মনে হয় তার আর আমার কবিতায় একই রকম কিছু ব্যাপার আছে; বাস্তববাদী ধরনের কবিতা লেখবার আমাদের প্রয়াসের মধ্যেই সেটা আছে; সেটা হলো আমাদের বর্তমান ও বাস্তব জগৎ হতে কবিতার চিত্রকল্প গ্রহণ করা। কিন্তু আমি কখনও আমার রচনাকে প্রতি-কবিতা (অ্যান্টি-পোয়েট্রি) বলি না। আমি আরও ভাবি, আমার কবিতা কেবল এর্নেস্তো কার্দেনাল-এর কবিতা হিসাবে নয়, বরং নিকারাগুয়ার কবিতা হিসাবেই পরিচিত হোক।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

গ্রাফিতি বা দেয়াল-লিখন আর স্লোগান যেমন পাররার কবিতায় দেখা যায়, এই বিষয়ে আপনি কী বলেন?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

আমি ওইসবে আগ্রহী না, কারণ ওগুলো কবিতা নয়। কিন্তু কিছু প্রতি-কবি বলেন যে ওগুলো কবিতা। স্লোগান-রচনা কবিতা নয়।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

নিজের রচনার জন্য কি কোনো কার্যকর নন্দনতত্ত্ব আছে আপনার?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

হোসে করোনেল উর্তেকো নামে আমার এক নিকারাগুয়ার বন্ধু আছেন যিনি আমাকে বলেছিলেন, পাউন্ডের জন্য কবিতা ছিল ‘ইতিহাসকে ধারণ-করা কবিতা’, আর আমার কবিতা হলো ‘ইতিহাস-ও-প্রজ্ঞাকে ধারণ-করা কবিতা’। আসলে কবিতা লেখবার বিষয়ে আমার আকাঙ্ক্ষা হলো, অন্যদের কাছে এর অর্থ বোধগম্য হোক। আর উর্তেকা প্রজ্ঞা বলতে বাইবেলীয় অর্থেই বুঝিয়েছে, পয়গম্বরগণ শব্দটিকে যে তাৎপর্য দিয়েছেন। আমার কাছে মনে হয়, সর্বোচ্চ তাৎপর্যে কবিতা হলো নবিকর্ম, বাইবেলীয় অর্থে নির্দেশনা প্রদান।


কবিতার জন্য কবিতায় আমার আগ্রহ নাই। আমার কবিতা গীতিকবিতা নয়।


রোনাল্ড ক্রাইস্ট

এপিগ্রাম বিষয়ে কী বলবেন? ওগুলোর বিষয় তো না বিপ্লব না অর্থনীতি।

এর্নেস্তো কার্দেনাল

বেশ কথা। জীবনে বিপ্লব ছাড়াও আরও বিষয় আছে। প্রেমও রয়েছে। আমি যখন যুবক ছিলাম তখন এপিগ্রামগুলো লেখা হয়েছিল। ওগুলো ভালোবাসা ও ঘৃণার কবিতা, কোনো-কোনোটি একই সাথে ভালোবাসা ও ঘৃণার কবিতা। কারণ ওগুলো রাজনৈতিক কবিতার পাশাপাশি প্রেমের কবিতাও। আরও অনেক পরে আমি ভিন্ন ধরনের কবিতা লিখতে শুরু করি—সামাজিক, রাজনৈতিক ও নবিসুলভ কবিতা। আমি বলব, আমাদের সমস্যাসমূহ সমাধানের চেষ্টায় এগুলো এমন কবিতা যা নতুন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ভূমিকা রাখে, এমন কবিতা যা দরকারি হয়ে ওঠে, কেবল কিছু ভাব প্রকাশের মাধ্যম হয়ে থাকে না। কবিতার জন্য কবিতায় আমার আগ্রহ নাই। আমার কবিতা গীতিকবিতা নয়। এপিগ্রামগুলো গীতল ছিল, কারণ ওগুলো আমার গীতিময় যৌবনকালে রচিত হয়েছিল। কিন্তু আমার অন্য কবিতাগুলো লিরিক নয়।

রোনাল্ড ক্রাইস্ট

কোন অর্থে ‘মেরিলিন মনরোর জন্য প্রার্থনা’ কবিতাটি গীতিকবিতা (লিরিক) নয়?

এর্নেস্তো কার্দেনাল

আসলে এখন আমি যে-সমস্ত কবিতা লিখছি—উদাহরণস্বরূপ রাজনৈতিক  ভাববস্তুর কবিতা—সেগুলোর কথাই বলছিলাম। আপনি বলতে পারেন যে ‘মেরিলিন মনরোর জন্য প্রার্থনা’ একটি গীতিকবিতা, কিন্তু এটা ঠিক একজন ব্যক্তিবিশেষ সম্পর্কে কবিতা নয়, কারণ তার ও আমার মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল না। বরং তাকে বিষয়বস্তু হিসাবে নিয়ে বর্তমান সভ্যতা সম্পর্কে বলেছি আমি। আর, আমি তাকে প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করি না, তাকে আমি শিকার (ভিক্টিম) মনে করি।  আসলেই সে এই বাস্তব দুনিয়ার বাণিজ্যিকীকরণ ও মিথ্যাময়তার শিকার। এইটাই আমার কবিতাটির ভাবকথা।

সৈয়দ তারিক

জন্ম ১০ আগস্ট, ১৯৬৩; বাড্ডা, ঢাকা। পেশা : মুক্ত।

প্রকাশিত বই :

কবিতা—
ছুরি হাতে অশ্ব ছুটে যায় [নিত্য প্রকাশ, ১৯৯৬]
মগ্ন তখন মোরাকাবায় [মাওলা ব্রাদার্স, ২০০৯]
নাচে দরবেশ মাস্ত্ হালে [সাঁকোবাড়ি প্রকাশন, ২০১১]
আমার ফকিরি [সুফিবাদ প্রকাশনালয়, ২০১১]
ঊনসন্ন্যাসী [ঐতিহ্য, ২০১৫]
আত্মায় ছিল তৃষ্ণা [বৈভব, ২০১৯]
ছুরি হাতে অশ্ব ছুটে যায় (বর্ধিত সংস্করণ) [উড়কি, ২০১৯]

প্রবন্ধ—
সাহিত্যের আলাপ [বাঙ্গালা গবেষণা, ২০২০]

ই-মেইল : syedtarik63@gmail.com