হোম চলচ্চিত্র ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দহন’: নারীর জীবনের অজানা অধ্যায়

ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দহন’: নারীর জীবনের অজানা অধ্যায়

ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দহন’: নারীর জীবনের অজানা অধ্যায়
360
0

কানাডা প্রবাসী বড় বোনকে একমনে চিঠি লিখছিল গৃহবধূ রমিতা। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির নতুন পরিবেশে তার কেমন সময় কাটছে, তার শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেকে কে কোন সময়ে কী করে, তার সংক্ষিপ্ত অথচ সরস বর্ণনায় তার চারপাশটা ক্রমশ দর্শকের কাছে পরিষ্কার হয়ে ওঠে। একটু পরেই সন্ধ্যার পর স্বামী পলাশের সাথে মার্কেটে যেতে হবে, এ কথা বোনকে জানিয়ে সে চিঠি লেখা শেষ করে।

কে জানত, মার্কেট থেকে ফেরার পথে ভর সন্ধ্যাবেলায় এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটবে। সদ্য বিবাহের সব রং মুছে তার বিয়েটাকে পুরনো করে দেওয়ার পাশাপাশি তার জীবনটাকেও এমন বিষণ্ন এবং বিবর্ণ করে দিবে? মেট্রো স্টেশনের সামনে বিত্তবান এবং ক্ষমতাসীন পরিবারের উচ্ছন্নে যাওয়া বখাটে কয়েকজন ছেলের হাতে শ্লীলতাহানির শিকার হয় সে। সেই বখাটেদেরকে প্রতিহত করতে গিয়ে আরেকটু দূরেই আহত হয়ে পড়ে থাকে তার স্বামী পলাশ। তাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য রমিতা প্রাণপণে ‘বাঁচাও’, ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার করতে থাকে। পথ দিয়ে যেতে যেতে এই নির্মম ঘটনাটি অনেকের চোখেও পড়ে। কৌতূহল নিয়ে তারা তাকিয়েও দেখে। কিন্তু সাহায্যের জন্য কেউ এগিয়ে আসে না। কী দরকার খামোখা এমন একটা সমস্যায় নিজেকে জড়ানো?


শ্লীলতাহানির ঘটনা বা শ্রবণার সাহসিকতার গল্প নিয়ে ‘দহন’ চলচ্চিত্রটি নয়। 


এক পর্যায়ে বখাটেরা রমিতাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য মোটর সাইকেল নিয়ে আসে। ঠিক সেই মুহূর্তে রমিতার সাহায্যার্থে এগিয়ে আসে স্কুল শিক্ষক শ্রবণা সরকার, যার ডাকনাম ‘ঝিনুক’। তার সাহসিকতায় বখাটেদের হাত থেকে রক্ষা পায় রমিতা। পরদিন প্রতিটি খবরের পাতায় ছাপা হয় তার বীরত্বের কথা, “স্কুল শিক্ষিকা শ্রবণা সরকারের সাহসিকতায় শ্লীলতাহানি থেকে রক্ষা পেল গৃহবধূ।”

না, এই শ্লীলতাহানির ঘটনা বা শ্রবণার সাহসিকতার গল্প নিয়ে ‘দহন’ চলচ্চিত্রটি নয়। বরং এই একটি ঘটনা দু’জন নারীর স্বাভাবিক জীবনকে কিভাবে বদলে দেয় তার নিখুঁত বাস্তব রূপায়ণেই ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দহন’ চলচ্চিত্রটির মূল পরিচয়।

১৯৯২ সালের ২৪ জুন কলকাতা শহরের বুকেই ঘটেছিল এক নির্মম ঘটনা। তাকে কেন্দ্র করে সুচিত্রা ভট্টাচার্য রচনা করেন উপন্যাস ‘দহন’। উপন্যাসটি অবলম্বনে ঋতুপর্ণ ঘোষ ১৯৯৭ সালে একই নামে এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।

বখাটেদের হাতে যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার সময় এই সমাজের কেউই রমিতার সাহায্যার্থে এগিয়ে আসে নি, অথচ এই ঘটনার পর দেখা গেল ‘সেদিন সন্ধ্যায় রমিতার সাথে কী হয়েছিল’, তা নিয়ে মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। ‘চার চারটা ছেলে তোমার গায়ে হাত দিয়েছে’, ‘গলায় আঁচড় দিয়েছে, না কি বুকে আঁচড় দিয়েছে’, এসবের সূক্ষ্ম বর্ণনায় চারপাশের মানুষের প্রবল আগ্রহ। দলে দলে মানুষজন তার শ্বশুরবাড়িতে এই ঘটনা জানতে উপস্থিত হতে লাগল, আত্মীয়-স্বজনরা টেলিফোনে বর্ণনা শোনার আগ্রহে কান পেতে রইল। রমিতার স্বাভাবিক জীবন এতটা বিঘ্নিত হল যে, সে বাড়ির বাইরে বের হতেও ভয় পেতে থাকল।অন্যদিকে শ্রবণাকে প্রশংসার জোয়ারে ভাসতে দেখা গেল। তার বীরত্বের গল্প প্রতিটি পত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হল।

এ চলচ্চিত্রে রমিতা চরিত্রে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং শ্রবণার চরিত্রে অভিনয় করেছে ইন্দ্রানী হালদার।

এক পর্যায়ে রমিতাকে পীড়িত করা ছেলে চারটাকে ধরাও সম্ভব হয়। জেলে তাদেরকে চিহ্নিত করার পর তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য যে সাক্ষ্য প্রমাণের প্রয়োজন ছিল, তাতে শ্রবণার পূর্ণ আগ্রহ এবং প্রচেষ্টা প্রকাশ পেলেও রমিতার পরিবারের পক্ষ থেকে এক ধরনের নিস্পৃহতা লক্ষ করা যায়। কাজেই সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে ছেলে চারটি ছাড়া পেয়ে যায়। আসামিপক্ষের আইনজীবী উল্টো ‘শ্রবণার দেরি করে বাড়ি ফেরা’র ব্যাপারটিকে ইঙ্গিত করে তাকেই ‘চরিত্রহীন’ বলে ইঙ্গিত দিতে শুরু করে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রাণপণে লড়াই করেও পরাজিত হওয়ার বেদনা একদিকে শ্রবণাকে প্রচণ্ডরূপে পীড়িত করতে থাকে, অন্যদিকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বেড়াজালে আটকে পড়ে ক্লান্ত রমিতা সংসার-জীবন সম্পর্কে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এমন এক পরিস্থিতিতেই এই চলচ্চিত্রের সমাপ্তি ঘটেছে।

images (1)


কয়েকজন বখাটে কাপুরুষের অপরাধে একটি সাময়িক দুর্ঘটনা নারীর জীবনকে কিভাবে বিবর্ণ এবং বিষণ্ন করে দিতে পারে, আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে নারীর লড়াই পুরুষ শাসিত সমাজে কিভাবে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়, তার নিখুঁত চিত্রায়ণেই ‘দহন’ চলচ্চিত্রের প্রধান সার্থকতা। এই শ্লীলতাহানির ঘটনা বা ধর্ষণের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এগুলো বর্তমান সমাজের নিত্যকার একটি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। নারীর জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করায় আগ্রহ না থাকলেও এসব ঘটনার শিকার নারীদের নিয়ে পত্র-পত্রিকা এবং চারপাশের মানুষের একটি কুশ্রী আগ্রহ লক্ষ করা যায়। কিন্তু খুব কম সময়েই আমরা ভেবে দেখি, এই অশোভন ও অনাকাঙ্ক্ষিত আগ্রহ কিভাবে একজন নারীর স্বাভাবিক জীবনকে দুঃসহ করে তোলে। কবি উত্তম দত্ত তার কবিতা ‘কবিকে পাঠানো সুইসাইড নোটে’ নারীর জীবনের এই ভয়ংকর মুহূর্তটিকে ফুটিয়ে তুলেছেন খুব নিখুঁতভাবে—”তারপর এক ডজন সাংবাদিক, শুনলে মরে যেতে ইচ্ছে করে এমন সব প্রশ্ন, ক্যামেরার লেন্স, সন্ধ্যার দূরদর্শন, ডাক্তার, নার্স, মহিলা সমিতি, হোমের লোকজন, প্রিয় প্রতিবেশীদের অষ্টপ্রহর আনাগোনা, মুখ্যমন্ত্রীর টেলিফোন, স্বজনবর্গের সান্ত্বনা, লোকাল এমএলএ-র আশ্বাস, ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি, মায়ের চোখের জল, বাবার প্রতিদিন থানায় ছোটাছুটি, প্রিয় বন্ধুদের দীর্ঘশ্বাস ও অলীক জল্পনা, লোকাল থানার মেজ বাবুর ইন্টারোগেশন, স্কুলের মাস্টারমশায় ও দিদিমণিদের উদ্বিগ্ন গম্ভীর মুখ…।


তোমার জন্য সংবাদপত্রের বিক্রি বেড়ে গেছে। শুনলাম ফিল্ম হবে তোমাকে নিয়ে। তুমি তো এখন সেলিব্রেটি। 


সকলেই জানতে চায় : ঘটনাটা কিভাবে ঘটল? ওরা কারা? চিনতে পেরেছিলে কাউকে? কতবার হয়েছিল ব্যাপারটা? কতক্ষণ জ্ঞান ছিল তোমার? ডাক্তার কী বলছে? সেইসব প্রমাণ পেয়েছে কিছু, আদালতে যেসব লাগে? ডাক্তার পুরুষ ছিল, না মেয়ে? কিভাবে দেখল? কিভাবে বের করে আনল সেসব? আমাদের বলো… বলো… বলো… অনুভূতিটা কেমন?

আমরা সবাই তোমার ভালো চাই। দোষীদের ভয়ানক শাস্তি চাই।

ওই দ্যাখো, পথে পথে মিছিল ও মোমবাতি হেঁটে চলেছে। তোমার জন্য পথের ধুলোয় নেমে এসেছেন মহানগরীর বুদ্ধিজীবীরা। তোমার জন্য সংবাদপত্রের বিক্রি বেড়ে গেছে। শুনলাম ফিল্ম হবে তোমাকে নিয়ে। তুমি তো এখন সেলিব্রেটি। টিভি-তে রোজ দেখাচ্ছে তোমার ওড়না-ঢাকা মুখ। কবিরাও বসে নেই। তারাও মাত্রা গুণে গুণে তোমার জন্য রাত জেগে কবিতা লিখছেন। ছন্দে এক চিমটে ভুল হলে পাঠক দুয়ো দেবে।”

দেখা গেছে, রমিতার স্বামী পলাশ ঘটনার সময় রমিতার সাথেই ছিল এবং সে খুব নিশ্চিতভাবেই জানে, এমন একটি দুর্ঘটনার কবলে রমিতা কতটা অসহায় ছিল, সেও তার প্রতি বিরূপ হয়ে ওঠে। রাত্রিবেলায় নানা কটুকথায় তাকে আহত করে রমিতার অসম্মতিতে তার সাথে জোরপূর্বক যৌন মিলনে সে দ্বিধাবোধ করে না। এমন একটি দৃশ্যায়নের মাধ্যমে ‘ম্যারিটাল রেপে’র মতো সামাজিক ব্যধির প্রতি চলচ্চিত্রকারের ঘৃণা প্রদর্শিত হয়েছে।

এই চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো শ্রবণার ঠাম্মি চরিত্রে সুচিত্রা মিত্রের উপস্থিতি। তার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ সংলাপগুলো যেন অল্প কথায় বলে দেয় অনেক কিছু। তিনি এখানে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন সমাজের চারপাশে যখন অনাচার প্রকট হয়ে ওঠে, তখন অস্বাভাবিকতাগুলোই কিভাবে ‘স্বাভাবিকতা’য় পরিণত হয়। নিতান্তই না চাইলেও সমাজের বশবর্তী হয়ে কিভাবে নারীকে সারাটা জীবন পার করতে হয়।

images (2)


আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র শ্রবণার প্রেমিক তূণীরের চরিত্রে প্রকট হয়ে উঠেছে আত্মনিমগ্নতা ও স্বার্থপরতা। তারা দু’জন দু’জনকে ভালোবাসে। তবে তূণীর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে আগ্রহী নয়, অন্যায়ের সাথে সমঝোতায় আগ্রহী। নিজের পদোন্নতি অথবা বাইরের দেশে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়াই তার কাছে মুখ্য। এজন্য যখনই সে জানতে পারে, শ্রবণা সাক্ষ্য দিতে হাজির না হলে তার বাইরে যাওয়ার পথটি সুগম হতে পারে, সে শ্রবণাকে সাক্ষ্য দিতে না যাওয়ার জন্য প্ররোচিত করতে থাকে। অন্যদিকে, রমিতার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে অন্যায়ের প্রতিবাদের চেয়ে তাদের বাড়ির ‘মানসম্মানে’র প্রশ্ন বড় হয়ে ওঠে। তাদের কাছে ‘চেপে যাওয়াই শ্রেয়’ বোধ হওয়ায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিয়ে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে রমিতাকে আদালতে প্রভাবশালী বখাটে যুবকদেরকে না চেনার ভান করতে হয়।পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর অন্যায়ের প্রতিবাদকে কিভাবে দমিয়ে দেওয়া হয়, তার যথার্থ প্রতিফলন ঘটে আদালতের দৃশ্যগুলোতে। বখাটেদের অপরাধ নয়, বরং শ্রবণার রাত করে বাড়ি ফেরাটাই সেখানে মুখ্য হয়ে ওঠে। ‘মেয়েদের জন্য রাত করে বাড়ি ফেরাটা চরিত্রহীনতার লক্ষণ’, এমন বোধে অপরাধ সংঘটনের সেই মুহূর্তে শ্রবণার উপস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রতিপক্ষের উকিল। আদালতের সকলের নীরব উপস্থিতি যেন তাতে সম্মতিই প্রদান করে।


এটি হয়ে ওঠে আত্মকেন্দ্রিক এবং স্বার্থনিমগ্ন সমাজের নির্মম অথচ নির্ভুল প্রতিচ্ছবি।


মূলত এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঋতুপর্ণ ঘোষ সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে একটি স্পর্শকাতর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একই ফ্রেমে আনার চেষ্টা করেছেন। ১৯৯৮ সালে এই চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য বিভাগে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এবং এর দুই অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও ইন্দ্রাণী হালদার একসঙ্গে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

‘দহন’ চলচ্চিত্রে কোনো কিছুকে মহিমান্বিত করতে গিয়ে বাস্তবের নিরেট কঠিন রূপটি থেকে কোনোভাবেই সরে আসেন নি ঋতুপর্ণ ঘোষ। প্রত্যেকটি চরিত্রের দুর্বলতা, শক্তি এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে আপন রূপে অক্ষুণ্ণ রেখেছেন তিনি। চলচ্চিত্রটির দুর্বলতা বলতে এর প্রথম দিকের দৃশ্যায়নে কিছুটা বিক্ষিপ্তভাব পরিলক্ষিত হয়। যদিও চলচ্চিত্রের শেষে এই অনুভূতি আর থাকে না। এছাড়াও এর মন্থরভাব চলচ্চিত্রটি শেষ পর্যন্ত দেখে যেতে দর্শককে যথেষ্ট প্রণোদনা দেয় না।

‘দহনে’র গল্প শেষমেশ আর যৌন হয়রানির শিকার হওয়া নারীর দহনে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি হয়ে ওঠে আত্মকেন্দ্রিক এবং স্বার্থনিমগ্ন সমাজের নির্মম অথচ নির্ভুল প্রতিচ্ছবি। নিজের চারপাশের এমন নগ্ন উন্মোচন প্রত্যেক সচেতন দর্শককে যথেষ্ট পরিমাণে লজ্জিত করে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে, সর্বোপরি সাধারণ মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছা কিভাবে বলি হয়ে যায়, তার নির্মম বহিঃপ্রকাশ আমাদেরকে পীড়িত করে। তবে শ্রবণার মতো সাহসী মেয়েরা যে এভাবেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে যায়, তার নিখুঁত চিত্রায়ণ আমাদেরকে আশাবাদী করে তোলে। অন্যায়কে রুখে দিয়ে তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগায়।

নাফিস সাদিক

জন্ম ২ এপ্রিল, ১৯৯৯; কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা। নিজ এলাকাতেই শিক্ষাজীবনের সূচনা। কৈশোর কেটেছে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৩য় বর্ষে অধ্যয়নরত।

ই-মেইল : nafissadik72@gmail.com