হোম গদ্য বাংলাদেশের কবিতা : আশির দশক

বাংলাদেশের কবিতা : আশির দশক

বাংলাদেশের কবিতা : আশির দশক
983
0

সত্তরে বিপুল অকবিতার যে-বোঝা বাঙলা কবিতার কাঁধে চেপেছিল, আশির দশক পার হয়েছে সেই বোঝা সরিয়ে ফেলার সংগ্রামে; যদিও দশকটির প্রথমার্ধ্বে কবিরা বুঝে উঠতে পারেন নি যে, কবিতা বন্দিদশায় রয়েছে। আগেই বলা হয়েছে, সত্তরে বাঙলা কবিতায় দূষণ ঘটেছে ব্যাপক, আশিতে এর বিস্ফোরণ ঘটেছে; অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, কোনটি কবিতা আর কোনটি নয়, তা রীতিমতো ধাঁধা হয়ে গেছে, কেননা, কিছু ভালো কবিতা তখনও লেখা হয়েছে। কিন্তু এদেশের পাঠক এই ধাঁধার কাছে অসহায়, আর বাজে কবিতায় আত্মসমর্পণের ঐতিহ্য ইতোমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। এর সঙ্গে রাজনীতি যুক্ত হওয়ায় পাঠক খুব উপভোগ করেছে বিপুল-অজস্র মানহীন বা নিম্নমানের সেন্টিমেন্টাল কবিতা। আমাদের রাজনীতির শক্তি বিপুল; এত যে, কবিতার ভাষাও এর সামনে টিকতে পারে না। না-পারায়, দেয়াল লিখনের ভাষা ও কথিত কবিতার ভাষার মধ্যে কোনও পার্থক্য থাকে না। আশির দশকেও তা থাকে নি, না-থাকায় কবিতা হয়ে গেছে মামুলি এক শিল্পকলা এবং অবধারিতভাবেই কবির সংখ্যায়ও ঘটেছে বিস্ফোরণ। সেই উত্তাল পরিস্থিতি শমিত হয়েছে আশির অন্তিমে, যখন কিছু তরুণ সৃষ্টিশীল কবিতাকে তার নিজস্ব ও সার্বভৌম নন্দনের দিকে ফেরাতে পেরেছিলেন। তাঁরা সম্ভবত বুঝতে পেরেছিলেন, বাঙলা কবিতাকে প্রচল ধারা থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে ‘লিটলম্যাগ’ হতে পারে নির্ভরযোগ্য একটি মাধ্যম; কেননা, বেশ আগেই দৈনিকের সাহিত্য সম্পাদকরা বাজে কবিতায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। লিটলম্যাগ থেকে আশির দশকে গোষ্ঠিবদ্ধ কবিতাচর্চার সূত্রপাত ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত এতেও দূষণ ঘটে। ঘটলেও, এই সংক্ষিপ্ত সময়ে কবিরা অসৌন্দর্য থেকে বাঙলা কবিতাকে সৌন্দর্যে ফেরানোর ক্ষেত্রে যে-অবদান রেখেছেন, তা অসামান্য। এই প্রসঙ্গে কোনো উপক্রমিণিকা ছাড়াই সাজ্জাদ শরিফ, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, শোয়েব শাদাব, মাসুদ খান, শান্তনু চৌধুরীর নাম মনে আসে। তবে প্রথমজন অল্প ক’টি শিল্পোত্তীর্ণ কবিতা লিখে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন এবং সম্ভবত অবসর নিয়েছেন কবিতারচনা থেকে।

আশির দশকে কবির সংখ্যা নেহাৎ কম নয়। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ফরিদ কবির, খোন্দকার আশরাফ হোসেন, রেজাউদ্দিন স্টালিন, তুষার দাশ, জাহিদ হায়দার, হাফিজ রশিদ খান, মোহাম্মদ সাদিক, মারুফ রায়হান, সুহিতা সুলতানা, শামীম আজাদ, আবদুল হাই শিকদার, জুয়েল মাজহার, আহমেদ নকীব, বিষ্ণু বিশ্বাস, সরকার মাসুদ, রিফাত চৌধুরী, কাজল শাহনেওয়াজ, মঈন চৌধুরী, কফিল আহমেদ, সৈয়দ তারিক, সমরেশ দেবনাথ, কামরুল হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, মজিদ মাহমুদ, ফয়েজ আলম প্রমুখ। অকবিতা সত্তরের দশককে পেয়ে বসেছিল; কিন্তু পুরোপুরি গ্রাস করতে পারে নি আশির সব কবিকে; যাঁদের পারেনি, তাঁদের মধ্যে উপরোল্লিখিত কয়েকজন রয়েছেন। কেউ কেউ শুরুতে অকবিতার ফাঁদে পড়েছেন, পরে শুধরে নিয়েছেন। প্রত্যেকেই যে প্রচলিত কবিতাভাষার ঊর্ধ্বে উঠতে পেরেছেন, এমন নয়; বিশেষত খোন্দকার আশরাফ হোসেন, আবদুর হাই শিকদার, সমরেশ দেবনাথ, কামরুল হাসান ও মজিদ মাহমুদ মেনেছেন প্রথাগত ভাষার দাসত্ব; তবে ভাব বা চিন্তনের সৌন্দর্যনির্মাণে এঁদের চেষ্টা লক্ষ করার মতো। বেশির ভাগ কবিই অবশ্য প্রচলিত কবিতাভাষার সঙ্গে আপস করেছেন। তবে মাসুদ খানের কবিতা আশির অন্তিমে অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। এর মূলে ছিল শব্দ ও অনুষঙ্গের নতুনত্ব। বিশেষত বিজ্ঞানের অনুষঙ্গ ও বস্তুরাশির আন্তঃসম্পর্ক সন্ধানের প্রয়াস তাঁর কবিতায় বিশেষত্ব সঞ্চার করেছিল।

আগেই বলা হয়েছে, অকবিতা থেকে কবিতায় ফেরার কালপর্ব আশির দশক। আরও বলা যেতে পারে, তারল্য থেকে গাঢ়তায়, কাতরতা থেকে দৃঢ়তায়, স্লোগান থেকে ব্যক্তির অন্তর্মুখ-উচ্চারণে প্রত্যাবর্তনের কাল এটি। কিন্তু কেমন করে তা হলো? আজ বোধগম্য এবং খুব ভালো করেই বোঝা যায়, আশির অন্তিমের ওই চেষ্টায় কবিতা যতটা ফিরেছে শিল্পে, ততটা জীবনবোধে ফিরতে পারে নি। সেই লক্ষ্যটিও তখনকার কবিতায় তেমন প্রকাশ্য হতে দেখা যায় না। এই ফেরা বাধ্যতামূলক নয়; অন্তত তখন, কেননা সৌন্দর্যে ফেরার প্রয়োজনটাই ছিল সে-সময়ের বাস্তবতা। এই বাস্তবতায় আঙ্গিক-কাঠামোর নিরীক্ষা কবিদের পেয়ে বসে; প্রচলিত শব্দের বিকল্প সন্ধানে কবিরা ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। মোট কথা, সমকালীন কবিতায় যা-কিছু সংস্কার ব’লে বিবেচিত হয়েছে এই কালপর্বের কবির কাছে, তা-ই বর্জন করার অভিপ্রায় তাকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। এতে প্রত্যেকের নিজস্বপৃথক ভাষা সৃষ্টি হওযার কথা। কিন্তু দু’তিনজন কবি ছাড়া কারোর ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটে নি। বিশেষত লিটলম্যাগের কবিদের (দু’একজন বাদে) নাম মুছে দিলে কে কোন কবিতাটি লিখেছেন, বোঝা যায় না। তবে বোঝা যায় কবিতার নন্দনের প্রতি তাঁদের বিশেষ মনোযোগ; প্রকরণগত নতুনত্বের তৃষ্ণাও লক্ষ করা যায়। সৌন্দর্য ও প্রকাশকৌশলের অভিনবত্বের জন্যে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন চমকের; এই চমক কিছু কবিতার ঐশ্বর্য হয়েছে, অনেক কবিতার সর্বনাশ করেছে। বলা বাহুল্য নয়, কবিতায় চমক প্রদর্শনের দিক থেকে আশির দশক অপ্রতিদ্বন্দ্বী; এবং চমকের ধারণায় বিপর্যয়ও ঘটেছে এই সময়ের কবিদের হাতে। চমক মূলত ফরাসি প্রতীকবাদের অবদান; ওই সংবেদনশীলতায় রচিত কবিতায় হেঁয়ালির মধ্য দিয়ে মনোযোগ আকর্ষণের এক রকম চেষ্টা থাকে। চমক হলো সেই চেষ্টা; এর কৃতিত্ব হলো, শেষ পর্যন্ত এটি প্রতিপাদ্যের খোলস হয়ে ওঠে। আশির দশকের শেষ তিন বছরে রচিত অসংখ্য কবিতা শুরু হয়েছে চমক দিয়ে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা পর্যবসিত হয়েছে অর্থহীন অভিজ্ঞতায়। কেননা, এটি কেবল দৃষ্টি আকর্ষণের অবলম্বন হয়েছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাববস্তুর সঙ্গে এর কোনও সম্পর্কই থাকে নি। উল্লৈখে নিঃশেষিত চমকের এই চর্চা অবশ্য এখনও রয়ে গেছে।


আশির অন্তত শেষার্ধ্ব বাঙলা কবিতার উজ্জ্বল একটি সময়; মূলত এ-সময় থেকে কবিতার মোচড় শুরু হয়েছে।


এইসব দুর্বলতার প্রসঙ্গ বাদ দিলে, আশির অন্তত শেষার্ধ্ব বাঙলা কবিতার উজ্জ্বল একটি সময়; মূলত এ-সময় থেকে কবিতার মোচড় শুরু হয়েছে। একটু আগে অকবিতা থেকে কবিতায় প্রত্যাবর্তনের কথা বলা হয়েছে। প্রসারিত অর্থে, এই কালপর্ব বাঙলা কবিতাকে অতীতে ফিরিয়ে নেয় নি; একটা বাঁক সৃষ্টির অভিপ্রায়ে, নিয়েছে শিল্পের দিকেই। কবিতা সম্পর্কে পাঠকের ধারণায়ও, ফলে, ঘটেছে পরিবর্তন। ফরিদ কবিরের কবিতায় লক্ষ করার বিষয়, তিনি প্রচলিত অলঙ্কার বর্জন করেছেন, তাঁর ছন্দচর্চাও ভিন্ন—ছন্দকে কবিতার ওপর প্রভুত্ব করতে দেয় নি; শব্দকেও নয়; ফলে, অন্য অনেক কবির চেয়ে তাঁর কবিতায় ছন্দ বেশি আড়াল হয়েছে, শব্দও পাঠকের কাছে বড় হয়ে দেখা দেয় না; যা দেখা দেয়, তা কবিতা; এবং এর রসদগুলো আড়ালে চলে যায়। এসবের মধ্য দিয়ে কবিতা সম্পর্কে তাঁর প্রতীতি প্রামাণ্য ও নিজস্বপৃথক হয়ে ওঠে। এ রকম পৃথকত্ব এই কালপর্বে আর কারও আছে কি-না বলা কিছুটা কঠিন। তবে নিজস্ব ভাষাভঙ্গি কয়েকজনের রয়েছে:

ক.
কাল সারারাত একটি স্বপ্নের তাড়া খেয়ে দৌড়েছি,
হাতের তালুতে বরফের টুকরো নিয়ে মানুষ যেমন দৌড়ায়
তৃষ্ণা এবং গেলাসের গহীন দূরত্ব।
(স্বপ্নযাত্রা, পার্থ তোমার তীব্র তীর/খোন্দকার আশরাফ হোসেন)

খ.
যদি ভাবে কেউ এই রাত্রি যাবে সকালে
এই চন্দ্র শাদা মার্বেল সেজে গড়াবে নীল চাদরে
কালো রাত্রি গিলে খাবে সেই লাল রৌদ্র
সেটা ঠিক নয়
(যদি ভাবে কেউ; ওড়ে ঘুম ওড়ে গাঙচিল/ফরিদ কবির)

গ.
দূরবর্তী দুই তীরে জন্ম ও মৃত্যুর রহস্যজরক চোখ
সেতুর বিরুদ্ধে পাহারায় থাকে
মাঝখানে আমাদের অনন্ত সম্পর্কের নদী বয়ে যায়
(সম্পর্কের নদীজলে, ফিরিনি অবাধ্য আমি/রেজাউদ্দিন স্টালিন)

ঘ.
সমুদ্র, ভূগর্ভ, মহাকাশ ব্যেপে আমার বিছানা
মূলত ব্রহ্মাণ্ডজুড়ে আমার অবাধ পর্যটন
তোমাদের পৃথিবীতে আমি আছি আলিঙ্গনাবদ্ধ
সাংগীতিক সমন্বয়ে;
(জলের বরফমৃত্যু, স্বপ্নভস্মের চারুকর্ম/ মারুফ রায়হান)

লক্ষ্যযোগ্য, প্রথাগত সৌন্দর্যে আশির এই কবিদের আগ্রহ নেই; যদিও বিবৃতিধর্মিতা রয়ে গেছে অনেকের মধ্যে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, এই সময়ের কবিতা পার্থক্য সৃষ্টি করতে পেরেছে পূর্ববর্তী কবিতা থেকে। তবে কখনও-কখনও ষাটের স্পন্দন টের পাওয়া যায়। ফলে, ধরে নেয়া যায়, আশির কবিরা বাঙলা কবিতার ধারাবাহিকতা মান্য করেছেন; কিন্তু নির্বিচারে নয়; কেননা, তাঁদের মধ্যে একরকম সিলেকশন রয়েছে। তবে এই সিলেকশন আংশিকতার পথেই এগিয়েছে। কেননা, কেবল সৌন্দর্য আর কাঠামোচিন্তা এর নিয়ন্ত্রক হয়েছে। বিপুল-অধিকাংশ কবি কোনও চেতনা বা সংবেদনশীলতার অনুশীলন করেন নি।

অনেক সৃষ্টিশীর ও প্রতিভাবান কবির জন্ম হয়েছে আশির দশকে। অনেকেই কিছু কবিতা লিখে হারিয়ে গেছেন; অনেকে লিখেই চলেছেন, কিন্তু তাঁদের কবিতা আগের মতোই রয়ে গেছে; কেউ-কেউ বদলে নিয়েছেন কবিতার ভাষা; আবার কারও-কারও ঘটেছে পতন, তাঁরা লিখে চলেছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কবিতা আর আগের লাবণ্যে নেই। এই দশকের কোনও-কোনও কবি যোগ্যতার চেয়ে বেশি সমাদর ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। গোষ্ঠিভিত্তিক চর্চা যাঁরা করেছেন, তাঁদের ভাগ্য কিছুটা ভালো, নিজের ‘লোক’রা তাঁদের জন্যে যথেষ্ট ‘করেছেন’। এর মূল্যও তাঁদের দিতে হয়েছে; পারস্পরিক পিঠ চুলকে তাঁরা নিজেদের মোটামুটি সন্দেহজনক ক’রে তুলেছেন। লিটলম্যাগ, প্রপাগাণ্ডা, পারস্পরিক শ্রেষ্ঠত্ব বিনিময়ের এইসব ডামাডোলে কোনও-কোনও প্রতিভা থেকে গেছেন একেবারেই আড়ালে। এরকম একজন কবি জুয়েল মাজহার। কিছু অসামান্য কবিতা রচিত হয়েছে তাঁর হাতে; একটি উদাহরণ :

আমি ভাবছি, মেগাস্থিনিসের হাসিও কি মেগাস্থিনিস?
শক্তিচালিত এই তামাশার মধ্যে বহু
বাদামি ঘোটক উড়ে যায়;
এঞ্জিনের শব্দ আর রোবটের কাশি শোনা যায়।
নিঃশব্দ কামানে তুমি এখনো কি ভরছো বারুদ?

(মেগাস্থিনিসের হাসি, দর্জিঘরে একরাত/জুয়েল মাজহার)

এ-কালপর্বের কবিদের মধ্যে জুয়েল মাজহারকে ভাষা আর চিন্তনের দিক থেকে অনেকের চেয়ে বহুগুণে সপ্রতিভ মনে হয়। প্রত্যুত্তরের মতো যে-প্রশ্নরাশি তিনি উত্থাপন করেন, তাতে তাঁর কবিতা দাবি করে অন্যতর অর্থ এবং সৌন্দর্য।

সমকালীন অশৈল্পিক গড্ডলপ্রবাহ থেকে বাঙলা কবিতার মুক্তি ঘটিয়েছেন আশির কবিরা। কাজটি সহজ ছিল না; কেননা, স্লোগান আর বক্তৃতাসর্বস্ব কবিতায় ভরেছিল বেশ ক’টি বছরের সাময়িকীগুলো আর এসবের সম্পাদকরা সম্ভবত একে অপরিবর্তনীয় ও পরম ব’লে জ্ঞান করেছিলেন। বাজে কবিতার এমন নিশ্চিতির মধ্যে কেমন ক’রে বদল ঘটাতে হয়, আশির দশকের কবিরা সেই শিক্ষা দিয়েছেন।

চঞ্চল আশরাফ

চঞ্চল আশরাফ

জন্ম ১২ জানুয়ারি, ১৯৬৯; দাগনভুইয়া, ফেনী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। পেশা : সাংবাদিকতা।

প্রকাশিত বই :
কবিতাগ্রন্থ : চোখ নেই দৃশ্য নেই (১৯৯৩), অসমাপ্ত শিরদাঁড়া (১৯৯৬), ও-মুদ্রা রহস্যে মেশে (২০০২), গোপনতাকামী আগুনের প্রকাশ্য রেখাগুলো (২০০৮), খুব গান হলো, চলো (২০১৩)।

উপন্যাস : কোনো এক গহ্বর থেকে (১৯৯৭), যে মৎস্যনারী (২০১১)।

গল্পগ্রন্থ : শূন্যতার বিরুদ্ধে মানুষের জয়ধ্বনি (১৯৯৯), সেই স্বপ্ন, যেখানে মানুষের মৃত্যু ঘটে (২০০৭), কোথাও না অথচ সবখানে (২০১৩)।

স্মৃতিগ্রন্থ : আমার হুমায়ুন আজাদ (২০১০)।
প্রবন্ধগ্রন্থ : কবিতার সৌন্দর্য ও অন্যান্য বিবেচনা (২০১১)

ই-মেইল : chanchalpoetry@gmail.com
চঞ্চল আশরাফ