হোম গদ্য ‘তোমাদের আলোকিত করে বসে থাকি অন্ধকারে’

‘তোমাদের আলোকিত করে বসে থাকি অন্ধকারে’

‘তোমাদের আলোকিত করে বসে থাকি অন্ধকারে’
428
0

কবি অনিকেত শামীম। শামীম ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় চলমান শতাব্দীর শুরুতে। আজিজ মার্কেট থেকে তখনো বইয়ের দোকানগুলো উঠে যায় নি। তখন হয়তো পঠন-পাঠনের আরো একটু গুরুত্ব ছিল। কাপড়ের দোকানের চাপে ধীরে ধীরে বইয়ের দোকানগুলো উঠে যেতে থাকল। নিচতলায় এখনো কিছু দোকান টিকে আছে, যাদের অপেক্ষাকৃত বেশি পুঁজি এবং খুঁটির জোর বেশি। দ্বিতীয় তলায় সম্ভবত এখন আর কোনো বইয়ের দোকান অবশিষ্ট নেই। আছে শুধু লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণ বা লোক। সারাদেশের লিটলম্যাগওয়ালা এবং বিকল্প লেখালেখিওয়ালাদের একমাত্র ঠিকানা।

যদিও লিটলম্যাগ ধারণাটাই এখন ধোঁয়াশাপূর্ণ হয়ে গেছে। প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশে লিটলম্যাগ আছে হাতে-গোনা দু-চারটি। এখনো ছোটকাগজ নামে প্রকাশিত হচ্ছে অজস্র সংকলন (সংকলন; অবশ্যই লিটলম্যাগ নয়, আর সংকলনগুলোতে সম্পাদক নামে যারা মুদ্রিত থাকেন তারা মূলত সংকলক অথবা সংগ্রাহক), অতি সম্প্রতি বাংলা একাডেমির উত্তরাধিকার পত্রিকা করেছে ছোটকাগজ/ লিটলম্যাগ সংখ্যা (মূলত ছোট সংকলন সংখ্যা), সেখানে লেখক তালিকায় যারা আছেন তারা কেউই ছোট কাগজের লোক নন এবং ছোটকাগজ সম্পর্কিত ধারণায় তাদের গণ্ডমূর্খ বললেও শ্রদ্ধা দেখানো হয়। ছোটকাগজ বিষয়ে অত্যন্ত গর্হিত বিভ্রান্তি ছড়িয়ে উত্তরাধিকার হয়তো কারো কারো ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে, যা ইতিহাসের ভাগাড়ে আরো একটু উচ্চতাই বাড়াবে। উত্তরাধিকার কর্তৃপক্ষ অনিকেত শামীমকে মনে করতে পারে নি, যিনি ছোটকাগজের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছেন, দিয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বছর বছর করে যাচ্ছেন ‘জাতীয় লিটল ম্যাগাজিন উৎসব’ এবং প্রবর্তন করেছেন বছরের শ্রেষ্ঠ লিটলম্যাগের জন্য ‘লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণ পুরস্কার’। অথচ বাংলা একাডেমির মতো একটি জনগণের করের টাকায় চলা প্রতিষ্ঠান এতটা মূর্খের স্বর্গে বাস করা লোকজন খুব চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশে লিটলম্যাগ বিষয়ে অনিকেত শামীমকে উপেক্ষা করার অর্থ হয় শত্রুতা অথবা অজ্ঞতা। তার সম্পাদিত ‘লোক’ পত্রিকাকে লিটলম্যাগ বলা যাবে কিনা সেটি আলাদা বিতর্ক। কিন্তু লিটলম্যাগ ঘরানায় ‘লোক’-এর অবদান তথা অনিকেত শামীমের ভূমিকাকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। আমরা জানি, বিশুদ্ধতা-পন্থিরা ভিন্ন মত পোষণ করেন। এই উত্তরাধুনিক সময়ে ভিন্ন মতের বৈচিত্র্যই দিতে পারে স্বাধীনতার প্রকৃত আস্বাদ। আজিজ মার্কেটে এখনো কবি-লেখকদের আড্ডা দেয়া বা তর্ক-বিতর্ক-ঝগড়াঝাঁটির ঐ একটাই জায়গা অবশিষ্ট আছে, সেটি অনিকেত শামীমের ‘লোক’। আমার জানা মতে লোক লাভজনক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিকতা নিয়ে নিয়মিত লোকসানি একটি প্রকল্প। কথা হলো এই যে, ধারাবাহিকভাবে নিজের গাঁটের টাকা খরচ করে কবি-লেখকদের জন্য একটি জায়গা ধরে রেখেছেন, এর বিনিময়ে তিনি কী পাচ্ছেন? প্রচুর মানুষের ভালোবাসা? সম্মান? কবি খ্যাতি? না তো! অনিকেত শামীমের বিষয়ে আড়ালে-আবডালে অনেক কুৎসাই ঘুরে বেড়ায়, রটনাকারীর সংখ্যাও কম নয়; শামীম ভাই কি এসব জানেন না? জানেন। তাহলে পয়সা খরচ করে তিনি বদনাম কুড়াচ্ছেন কেন? ঠিক এই প্রশ্নের উত্তরেই আমার মনে হয় তার নিখাদ ভালোবাসা, শিল্প-সাহিত্যের প্রতি তার নিবেদন, কবি-শিল্পী-সাহিত্যিকদের বিষয়ে তার দরদ, একটি প্রশ্নাতীত অবস্থায় থাকার কারণেই এসব সম্ভব হয়। সবাই পারে না, সবার আত্মা অতখানি প্রশস্ত হয় না। শামীম ভাই পেরেছেন, পারছেন। নিঃস্বার্থ সাহিত্যপ্রীতির এমন উদাহরণ অন্তত সমসাময়িক বাংলাদেশে দ্বিতীয়টি নেই। যিনি নিজের কর্ম নয়, বরং অপরের কর্ম পরিবেশ তৈরির পিছনে অকাতরে মেধা, শ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ করে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশের বিকল্প সাহিত্যধারার প্রতি তার যে নিবেদন এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোজন এবং এর পিছনে এককভাবে ভূমিকা রেখেছন কবি অনিকেত শামীম। লেখকদের জন্য একটি পরিবেশ তৈরিতে তার অবদান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এখনো আজিজ-কেন্দ্রিক একটি পাঠক-লেখক মিলনকেন্দ্র হিশেবে একমাত্র ‘লোক’-ই আছে। সারাদেশের লিটলম্যাগ বা অল্টারনেটিভ ধারা সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পেতে, তরুণদের ভাবনার সাথে পরিচিত হতে এবং সমসাময়িক সাহিত্য প্রবণতাগুলো বোঝার একটি কেন্দ্র হলো এই লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণ বা লোক। শামীম ভাই সারা বাংলাদেশ থেকে লিটলম্যাগ সংগ্রহ করে তার লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণে প্রদর্শনী ও বিক্রয়ের জন্য রাখার ব্যবস্থা করেছেন। লিটলম্যাগওয়ালারা সাধারণত আর্থিক সংকটে থাকেন, এক সংখ্যা বিক্রির পয়সায় পরবর্তী সংখ্যার পরিকল্পনা করেন, কিন্তু বিক্রি বিষয়টি তাদের জন্য অনেক কঠিন, কারণ বিপণন একটি আলাদা শিল্প, ফলত খরচ ওঠানো হয়েই ওঠে না। শামীম ভাই বিক্রির ব্যবস্থা করে দেয়া থেকে শুরু করে টাকা পৌঁছে দেয়ার কাজটি পর্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে সম্পাদন করেন। ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি, আমাদের লিটলম্যাগ ‘অর্বাক’ নিয়ে নানান লাইব্রেরিতে সরবরাহ করেছেন এবং সম্পাদকের হাতে যথাসময়ে বিক্রয়লব্ধ টাকা পৌঁছে দিয়েছেন। এটা বাংলাদেশের বিকল্প সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে বিরাট সহযোগিতা।

পয়সাঅলা ক্ষমতাবান লেখকদের হাঁক-ডাকে যখন প্রকৃত শিল্প থেকে আমরা ক্রমাগত দূরে সরে যাচ্ছি এবং প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হচ্ছি, তখন একটি ভালো বিকল্পের সন্ধান আমাদের করতেই হবে। অনিকেত শামীম সেই বিকল্পের রাস্তা আমাদের দেখাচ্ছেন। লোকের আয়োজনে নানা ধরনের লেখক সমাবেশ লেখক-পাঠক মিলনে বিভিন্ন রকম আয়োজন তিনি নিয়মিতই করছেন। কেন করছেন? প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার নাম করে প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠার কোনো আকাঙ্ক্ষা? হ্যাঁ, প্রতিষ্ঠানের মোড়লিপনা এবং খবরদারিকে রুখে দিতে পালটা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আছে। প্রচলিত ব্যবসা প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলো মুনাফার বাইরে অন্য কোনোকিছু ভাবতে রাজি নয়, পোষা-লেখক এবং গৃহপালিত কোনো টেক্সটের বাইরে কোনো কিছুই তারা হজম করতে পারে না। কাজেই অনিকেত শামীমের ‘লোক’ আরো শক্তিশালী পালটা প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠলেই বাংলা সাহিত্যের জন্য মঙ্গলজনক হবে। অনেকেরই মনে প্রশ্ন উদয় হতে পারে, ‘লোক’ বা লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণ এমন কী জিনিস, যা বাংলা সাহিত্যের চর্চায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাকে ধারণ করে? যদি এখনো এমন কিছুর থাকে, তবে সেই সম্ভাবনা বিকল্প শক্তিরই আছে, যথাযথ পরিকল্পনা ও পরিচর্যায় তা সামনে আসার ক্ষমতা পূর্ণমাত্রায় রাখে। প্রথাগত চর্চায় খ্যাতি ও প্রাপ্তির সুযোগ অনেক বেশি কিন্তু কাজের কাজটি নিভৃতেই হয়, বড় প্রচলিত প্রতিষ্ঠান যাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে।

লেখালেখির প্রতি, লেখকদের প্রতি, কবিতার প্রতি, কবিতা-কর্মীদের প্রতি অসম্ভব ভালোবাসার প্রমাণ নিয়মিতই রেখে যাচ্ছেন অনিকেত শামীম। যা আমাদের ভাষাকে সমৃদ্ধ করায় সংগোপনে কাজ করে যাচ্ছে। তার একেবারে নিজের উদ্যোগে প্রবর্তিত লিটলম্যাগ প্রাঙ্গণ পুরস্কার এবং লোক সাহিত্য পুরস্কার, বছরে একটি আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ পুরস্কার দুটি প্রদান এবং এ পুরস্কারকে কেন্দ্র করে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের উপরে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেন, এই বিশেষ সংখ্যাটির পরিকল্পনাও গতানুগতিক নয়। এটা প্রত্যেক লেখকেরই ব্যক্তিগত অর্জন হিশেবে থেকে যাবে। শিল্প-সাহিত্যে অনেক পুরস্কারই প্রচলিত আছে আমাদের দেশে। কিন্তু ‘লোক’ পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখককে নিয়ে যে আয়োজন করে এটা লেখক জীবনে একটি বিরাট অর্জনের চিহ্ন হিশেবে থেকে যাবে। এই ঘটনাগুলো অনেকটা ব্যক্তিগতভাবেই ঘটাচ্ছেন শামীম ভাই। সাথে তার বন্ধুবান্ধব, সুহৃদ, অনেক কবিতাকর্মীও সহযোগিতা করছেন সংগঠক তিনি নিজেই, যিনি সাহিত্যের সেবাকেই জীবনব্রত করে নিয়েছেন বলে মনে করা যায়।

বাংলাদেশের সাহিত্যবলয় প্রায় প্রত্যেকেই তাদের ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে, ব্যক্তিগত প্রচার প্রচারণা নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত আছেন অথবা সর্বোচ্চ বন্ধু-বৃত্তির কিছু কাজকর্ম করে যাচ্ছেন, প্রত্যেকেই খুব দ্রুত বিখ্যাত হয়ে যাওয়া এবং খুব দ্রুত কোনো একটি ফলাফল পাওয়ার পিছনে ছুটছেন। নানারকম চটকদার বক্তব্য মতামত ফেইসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণের প্রাণান্তকর চেষ্টা প্রতিনিয়তই চোখে পড়ে। সৃষ্টিশীলতা অথবা মৌলিক ভাবনার কোনো বালাই নাই। কবিতা হলো কি হলো না, লেখা হয়ে উঠল কি উঠল না, সেসব নিয়ে কারোরই তেমন মাথাব্যথা নেই। কবি অনিকেত শামীম এখানেই ব্যতিক্রম, লেখকদের তৈরি হয়ে ওঠার, লেখকদের লেখক হয়ে ওঠার, লেখার প্রতি আরো বেশি মনোনিবেশ করার, আরো বেশি সময় দেয়ার যে পরিবেশ তৈরি করার পিছনে কাজ করে যাচ্ছন অবিরাম। তিনি আখের গোছাচ্ছেন বা অনেক কিছুই বাগিয়ে নিচ্ছেন ধরনের মন্তব্য আছে তাকে নিয়ে, এমন নিন্দাবাক্য হতাশাগ্রস্ত অথবা অপ্রাপ্তির ক্ষোভ থেকেই বের হয়ে আসে। পছন্দ-অপছন্দ থাকবেই কিন্তু তার সাংগঠনিক জায়গাটি এবং লেখকের সত্তাকে জাগিয়ে তোলা লেখকদের পিছনে অজস্র অর্থ, সময় এবং শ্রম ব্যয় করা বাংলাদেশের সাহিত্যের ইতিহাসে অবশ্যই থেকে যাবে।

প্রগতিশীল চিন্তাধারার পক্ষে তার অবস্থান সুস্পষ্ট। বাংলার জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা অনেক মরুপন্থি, পাথর-বরফপন্থি মৌলবাদী পশ্চাৎমুখী লেখক কবির সংখ্যাও এখন কম নয়, বরং তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে পারে। সংখ্যা-ওজন-ক্ষমতার দাপটে অনেকেই এখন বিভ্রান্তির চরম সীমায় বসবাস করে। অনিকেত শামীম মৌলবাদী গোষ্ঠীর সাথে কোনো আপোষ করেন নি, গণজাগরণ মঞ্চের সময় লেখকদের নিয়ে তিনি দাঁড়িয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষে। বন্যার্তদের জন্য তিনি দাঁড়িয়ে যান, যে কোনো লেখক-সাহিত্যিকের বিপদ-আপদে তাকে ভরসা রাখার মতো পাশে পাওয়া যায়। লেখকরা তাদের ব্যক্তির বাইরে, নিজের সৃষ্টির বাইরে অন্যকিছু ভাবতেই পারেন না; কবি-লেখকরা এতটাই আত্ম-অহমিকায় ভোগেন যে, আয়নায় তাদের নিজের চেহারা প্রতিফলিত হয় না। দেশ-জাতি-রাষ্ট্র ও জনগণ অন্যান্য লেখক সব গোল্লায় যাক, ওসব ভাবার সময় নেই, নিজের পশ্চাৎদেশের প্রশস্তি এত বেশি আর কারো বসারই জায়গা নেই। এখানেই কবি অনিকেত শামীম ব্যতিক্রম। নিজের লেখালেখিকে অনেকটাই পাশে রেখে অন্য লেখকদের পাশে যেভাবে দাঁড়াচ্ছেন এযুগে, অন্তত এই হট্টগোলের সময়ে এমন দ্বিতীয়টি চোখে পড়ে না।

কবি অনিকেত শামীমের প্রাপ্য প্রশংসায় অধিকাংশ লেখককেই দ্বিধাগ্রস্ত হতে দেখেছি। তাদের প্রশস্তিগাথায় আবার শামীম বড় হয়ে যায় কিনা, খ্যাতি বৃদ্ধির বিষয়টি জোরালো হয়ে যায় কিনা, এমন সংশয়ে থাকতে দেখেছি অনেককেই। মজার ব্যাপার হলো, শামীম ভাই এদের অনেককে বড় করার পেছনে অবদান রাখছেন। সবাই নিজের বিষয়ে, নিজের সুনাম, নিজের প্রসার, নিজের প্রচার, নিজের বৃদ্ধি নিয়ে অতিমাত্রায় চিন্তিত থাকেন, কবি অনিকেত শামীম সম্ভবত নিজের চিন্তাটাই করেন নি, ভেবেছেন অপরের হয়ে ওঠা নিয়ে। আমরা চাই এমন মানুষ সমাজে আরো বেড়ে উঠুক। কবি অনিকেত শামীম দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবেন বাংলা ভাষায়, বাংলা সাহিত্যের তুমুল সৃষ্টিশীল সময়ের প্রতিনিধি হয়ে। শামীম ভাই দীর্ঘদিন আমাদের বাংলা সাহিত্যের সেবা করে যাবেন, আমরা তার সেবায় শুশ্রূষায় সুস্থ সাহিত্যের পরিবেশ পরিবর্তন এবং বাংলার মানুষের পক্ষে বাংলা ভাষার পক্ষে বাংলার জনগণের পক্ষে এবং সাহিত্য রচিত হতে থাকবে এবং আপনি, কবি অনিকেত শামীম, আনন্দের সাথে দেখুন আপনার তৈরি করা উঠোনে কত শত শত হাজার হাজার কবি-সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিককর্মী বিচরণ করছে, যারা আপনার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি, বড় আনন্দ হয়ে ধরা দেবে।

দ্রাবিড় সৈকত

জন্ম ৪ জানুয়ারি ১৯৮১; নরসিংদী। এমএফএ (ড্রইং এন্ড পেইন্টিং) চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সহকারী অধ্যাপক, চারুকলা বিভাগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রকাশিত বই :
বয়াংসি চরকায় লাঙল কাব্য, পাঠক সমাবেশ, ২০১১
কদাচিৎ কুত্রাপি, পাঠক সমাবেশ, ২০১৫
বিকস্বর কুত্রাপি, পাঠক সমাবেশ, ২০১৮

ই-মেইল : saikot81@gmail.com