হোম গদ্য চিনুয়া আচেবের লেখায় কালোদের রক্তক্ষরণ

চিনুয়া আচেবের লেখায় কালোদের রক্তক্ষরণ

চিনুয়া আচেবের লেখায় কালোদের রক্তক্ষরণ
308
0

চিনুয়া আচেবে আফ্রিকার সবচেয়ে প্রভাবশালী সাহিত্যিক। তাঁর সাহিত্যকর্মে উঠে এসেছে আফ্রিকানদের রক্তক্ষরণ, বিচ্ছিন্নতাবোধ ও ঔপনিবেশিক শক্তি কর্তৃক তাদের ন-মানুষ হিসেবে চিত্রায়ণের হীন চেষ্টা। আচেবে ঔপনিবেশিক ও নব্য ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে তার অবস্থানকে দৃঢ় করেছেন ঔপনিবেশিক বা বিদেশি ভাষাকে ব্যবহার করে। আফ্রিকান আরেক বিখ্যাত সাহিত্যিক ও তাত্ত্বিক নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গে সাহিত্যচর্চার মাঝপথে ইংরেজি ভাষা ত্যাগ করে তাঁর নিজস্ব ভাষায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। নগুগি তাঁর Decolonizing the Mind গ্রন্থে আচেবের মতো সেই সাহিত্যিকদের সমালোচনা করেছেন যারা ঔপনিবেশিক প্রভুর ভাষাকে ব্যবহার করেন। কারণ এতে করে আফ্রিকার নিজেদের ভাষাকে সাহিত্যের ক্ষেত্রে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ ভাষাই হচ্ছে ব্যক্তির আত্মপ্রকাশ ও সংস্কৃতির প্রসারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা।

আচেবে অবশ্য ভাষা সম্পর্কিত সমালোচনার জবাব দিয়েছেন তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে। তিনি ইংরেজি ভাষাকে অবলম্বন করে সাহিত্য রচনার কারণ হিসেবে বলেছেন, এ ভাষার মধ্যদিয়ে আফ্রিকান সাহিত্য এবং সমাজকে সহজেই সারা বিশ্বে উপস্থাপন করা যায়। কারণ এ ভাষাটি বৈশ্বিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।


বাস্তব জীবনে জোসেফ কনরাড কালোদের প্রতি খুব একটা ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতেন না।


অন্যদিকে আচেবেকে ছোটবেলা থেকে বাধ্য করা হয় নিজ ভাষাকে এড়িয়ে বিদেশি আধিপত্যশীল ভাষা চর্চা করতে। তাঁর উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইংরেজি ভাষা। এর পিছনে কাজ করছে ঔপনিবেশিক আধিপত্যবাদ। আচেবের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঔপনিবেশিক শাসকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি স্কুলের মধ্যে। এসব স্কুলের মূল উদ্দেশ্য ছিল ঔপনিবেশিক ভাবাদর্শ বিস্তার করা, একই সাথে স্থানীয়দের সংস্কৃতিকে অবদমন করা। এ অবদমন বাস্তবায়ন হতো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের মধ্যদিয়ে। এজন্য আচেবে যে স্কুলে পড়ালেখা করতেন সে স্কুলে ইংরেজি ভাষা ব্যতীত স্থানীয় ভাষায় কথা বলা ছিল কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অন্যদিকে ঔপনিবেশিক দেশের মিশনারিরা যখন বাইবেল প্রচার করে তখন তাঁরা আফ্রিকান প্রতিটি আঞ্চলিক ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করে।

স্কুলজীবনে আচেবকে একবার শাস্তি পেতে হয়েছিল তাঁর স্থানীয় ভাষা ব্যবহারের জন্য। এ শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যদিয়ে সবচেয়ে পরিবর্তনশীল যে বিষয়টি আচেবে লক্ষ করলেন সেটি হলো, তিনি ক্রমশ আফ্রিকাবিদ্বেষী হয়ে উঠছেন। উপন্যাস ও বিভিন্ন গল্প পাঠের মধ্য দিয়ে তাঁর কাছে শেতাঙ্গ প্রভুরাই নায়ক হয়ে উঠলেন। অন্যদিকে আচেবে উপন্যাস-চিত্রিত কালো মানুষদের প্রতি একটু হলেও বিরূপ ধারণা পোষণ করতে শুরু করলেন।

আচেবের জন্ম হয়েছিল এক খ্রিস্টান পরিবারে। যুবক বয়েসে আচেবের পিতা স্ব-ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। আচেব তাঁর জন্মের পর থেকেই দেখেছেন খ্রিস্টান এবং অ-খ্রিস্টানদের মধ্যে বিভেদরেখা। যুবক বয়সে তিনি খ্রিস্টান হিসেবে নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করতেন। কখনো কখনো অন্যদেরকে তিনি হেয় জ্ঞান করতেন, তাঁদেরকে ‘পৌত্তলিক’ হিসেবে অভিহিত করতেন।

আচেবে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তখন ক্রমশ তাঁর চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আসে। তিনি বুঝতে সক্ষম হন ঔপনিবেশিক প্রভুরা তাদের সূক্ষ্ম বর্ণবাদী চিন্তা-চেতনার মাধ্যমে আফ্রিকাকে শুধু ন-মানুষ হিসেবেই উপস্থাপন করছে। আচেবেকে ব্যাপটাইজ করার সময় তাঁর নাম দেওয়া হয় ‘আলাবার্ট চিনুয়ালুমোগু’। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে তিনি তাঁর এ নাম প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি তখন থেকে সক্রিয় হন পশ্চিমা সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ ও ঔপনিবেশিক বর্ণবাদের বিরুদ্ধে। যার ফলস্বরূপ ১৯৭৫ সালে আচেবে উপস্থাপন করেন তাঁর An Image of Africa : Racism in Conrad’s ‘Hearts of Darkness’ নামক প্রবন্ধটি। ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি তাঁর এ প্রবন্ধটি পাঠ করেন। তখন পশ্চিমা বিশ্বে জোসেফ কনরাডকে দেখা হতো ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধী এবং আফ্রিকানদের প্রতি সহানুভূতিশীল সাহিত্যিক হিসেবে৷ এ প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি কনরাডের বর্ণবাদী মুখোশ উন্মোচন করেন। কনরাডের লেখায় যে বর্ণবাদের উপস্থিতি রয়েছে এবং পাশ্চাত্যের বাইরে অন্যদের যে তিনি প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, তা ছিল পশ্চিমাদের নিকট অজ্ঞাত। কারণ তাঁরা তাদের আধিপত্যশীল জ্ঞানকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে এ বাস্তবসত্যকে দেখতে সক্ষম নয়। পরবর্তী সময়ে আরেক বিখ্যাত তাত্ত্বিক এডওয়ার্ড সাঈদ তার Culture and Imperialism গ্রন্থে কনরাডের বর্ণবাদী মনোভাব ও আফ্রিকাকে একরৈখিকভাবে উপস্থাপনের সমালোচনা করেন।

আচেবের মতে কনরাড তাঁর হার্ড অব ডার্কনেস উপন্যাসে আফ্রিকাকে উপস্থাপন করেছেন এক ভিন্ন জগৎ হিসেবে। এই জগৎ সম্পূর্ণভাবে ইউরোপের বিপরীত। উপন্যাসে আফ্রিকান নরখাদকদের নিজস্ব কোনো ভাষা নেই। তাঁরা ভাষার পরিবর্তে ঘোঁৎ ঘোঁৎ শব্দ করে। উপন্যাসের শেষ মুহূর্তে কনরাড তাঁদের মুখে ভাষা দেন। এই ভাষাটি আফ্রিকান কোনো ভাষা নয়, তা ইংরেজি ভাষা। আচেবের মতে এটি কনরাডের উদারতা তো নয়ই, বরং এর মাধ্যমে তিনি আফ্রিকান নরখাদররা যে কতটুকু ভয়ংকর তা ইউরোপীয়দের কাছে উপস্থাপন করেন।

বাস্তব জীবনে জোসেফ কনরাড কালোদের প্রতি খুব একটা ইতিবাচক ধারণা পোষণ করতেন না। এজন্য তিনি কৃষ্ণাঙ্গদের সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে, এরা ‘মানুষরূপে পশুর মতো অন্ধ, ভয়ংকর এবং যুক্তিহীন’। এখানে কনরাড শেতাঙ্গদের শ্রেষ্ঠত্ব খুঁজে পান কালোকে হীনভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে। এ শ্রেষ্ঠত্বের তাড়নায় কালোদের সম্পর্কে তিনি এমন কিছু গুণাবলি নির্মাণ করেন যা অত্যন্ত হীন। এ নির্মাণ তখন পশ্চিমাদের নিকট বাস্তব হিসেবে উপস্থাপিত হলেও বাস্তবে তা অনুপস্থিত।


ঔপনিবেশিক শাসন শুধু অপরকে সভ্য করতে চায়।


কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি পশ্চিমা সাহিত্যিক ও চিন্তকদের এরূপ মনোভাব আচেবের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। তাই তিনি পশ্চিমা বিশ্বকে অনুরোধ জানান ‘আফ্রিকাকে একটি মানুষের মহাদেশ হিসেবে দ্যাখো’। এখানে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে আচেবে একধরনের পরিচয়ের সংকটে ভুগছেন, যে সংকট তৈরি হয়েছে ঔপনিবেশিক শাসন ও তাদের আধিপত্যশীল ডিসকোর্সের মধ্য দিয়ে। এ সংকট কালোদের অস্তিত্বকে খাটো করে মানসিক নিপীড়নের শেষ পর্যায়ে নিয়ে যায়। আচেবে এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য কালো এবং সাদার পারস্পরিক স্বীকৃতি চান।

কিন্তু সে-স্বীকৃতি আচেবে পান না বলে তাকে ফিরে যেতে হয় আত্মপরিচয় নির্মাণের দিকে। তাঁর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির দিকে। আচেবে স্বাধীনতা পরবর্তী আফ্রিকায় দেখেছেন অনেকের মধ্যে ঔপনিবেশিক মতাদর্শ বিরাজমান। আচেবে সেসব মতাদর্শের বিরুদ্ধে চরমভাবে আঘাত হানেন। তিনি পরিচয় করিয়ে দিতে চান আফ্রিকার নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি, যা থেকে তাঁরা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পিছনে কাজ করেছে ঔপনিবেশিক জ্ঞানকাণ্ড। এ জ্ঞানকাণ্ড আফ্রিকার সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে মুছে ফেলে এবং প্রতিটি আফ্রিকাকে বিচ্ছিন্ন করে তাঁর নিজের থেকে। তৈরি হয় আত্মপরিচয়ের সংকট, পরনির্ভরশীলতা। আচেবে গল্প লেখা শুরু করেন কালোদের এ সংকট দূর করার জন্য।

তিনি গল্প লেখা শুরু করেন আফ্রিকাকে যে ভয়ংকরভাবে উপস্থাপন করা হয় তা প্রতিহত করার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনে তিনি যেসব সাহিত্য পাঠ করতেন তাতে বিভিন্ন সময় আফ্রিকাকে উপস্থাপনের বিষয়টি তাঁকে মনঃক্ষুণ্ন করে। আচেবের ভাষায় ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনে আফ্রিকাকে নিয়ে কিছু লেখা আমাকে মর্মাহত করে, যেমন Joyce Cary লিখিত বিখ্যাত বই Mister Johnson.’

ঔপনেবেশিক শাসনের প্রভাবে কালোদের যে আত্মপরিচয়ের সংকট তৈরি হয় তার পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণ করতে চেয়েছেন আচেবে। কারণ আত্মজ্ঞান ও আত্মপরিচয় ব্যতীত সমাজ ও ব্যক্তির আত্মবিচ্ছিন্নতা থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই। আচেবের সাংস্কৃতিক পুনরুদ্ধারের প্রভাব দেখতে পাই আমরা তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস থিংস ফল অ্যাপার্ট-এ। উপন্যাসের শিরোনামটি নেওয়া হয়েছে ইয়েটসের একটি কবিতা থেকে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে, পশ্চিমা সভ্যতা ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু সভ্যতায় পরিণত হচ্ছে। এ উপন্যাসে তিনি তাঁর নিজ সমাজ ইগবোকে উপস্থাপন করেছেন। ইগবো সমাজের পতন, তার বিভিন্ন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিলুপ্তির পেছনে ঔপনিবেশিক শাসন-ক্ষমতা কিভাবে কাজ করেছে তা ফুটে উঠেছে।

উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ওকোনকুয়ো। ঔপনিবেশিক আধিপত্যের প্রভাবে দেখা যায় ওকোনকুয়োর সমাজের বিশ্বাস, নৈতিকতা ও চিন্তাভাবনা কিভাবে পরাজিত হয়। কারণ শেতাঙ্গরা চাচ্ছে ইগবো সমাজ শুধুমাত্র তাদের অনুসরণ করুক। উপন্যাসের তৃতীয় পর্বে দেখা যায় ইগবো সমাজে নতুন নিয়মকানুনের আগমন হচ্ছে। জেলা প্রশাসক ইগবো সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করেন নতুন আইনের মাধ্যমে। যারা এই আইনের অবাধ্য হয় তাদের শৃঙ্খলিত করা হয়। জেলা প্রশাসক আফ্রিকান অসভ্য নিয়মকানুনের বিপরীত তথাকথিত সভ্য নিয়মকানুনের প্রচলনে নিবেদিত। তিনি এদের নিয়ে বই লেখারও চিন্তা করেন, যার নাম হবে ‘The Pacification of the Primitive Tribes of Lower Niger’। নামের মধ্য দিয়েই প্রশাসকের আধিপত্যশীল মনোভাব স্পষ্ট। প্রশাসক মনে করেন অশান্ত আদিবাসীদের নতুন নিয়মশৃঙ্খলা শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সভ্য এবং শান্ত করতে পারবেন। এটি ঔপনিবেশিক শাসনের মূল প্রবণতা। ঔপনিবেশিক শাসন শুধু অপরকে সভ্য করতে চায়। মূলত সভ্যকরণের নামে তারা অপরকে শৃঙ্খিলত, নিয়ন্ত্রিত এবং মানসিকভাবে নিপীড়িত করে।


আচেবে কালোদের অতীতে ফিরে গিয়ে তাদের ভবিষ্যতের মুক্তির পথ দেখান।


উপন্যাসের শেষ পর্যায়ে দেখা যায় ওকোনকুয়ো শেতাঙ্গ শাসকদের নিকট পরাজিত হয়ে আত্মহত্যা করে। তাঁর এ পরাজয় শুধু ব্যক্তিগত পরাজয় নয়, সমস্ত ইগবো সমাজের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরাজয়। যে সংস্কৃতিকে পরাজিত ও ধ্বংস ক’রে ঔপনিবেশিক শক্তি তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে প্রতিস্থাপন করে, সে-সংস্কৃতির অধীন হতে ওকোনকুয়ো নারাজ। কারণ এ সংস্কৃতি তাকে বিচ্ছিন্ন করে, নিপীড়িত ও অবদমন করে রাখে।

ঔপনিবেশিক শক্তি যে তার সাংস্কৃতিক আধিপত্য বিস্তারে কতটুকু মরিয়া হয়, এ চিত্র আচেবে তাঁর উপন্যাসে উপস্থাপন করেছেন। যখন গোত্রপ্রধান খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করতে অস্বীকার করল তখন তাকে চরমভাবে অপমান করা হয়। আচেবে খুব সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেন ইগবো সমাজের প্রাচীন বিশ্বাস ও আচরণ। এ উপস্থানের মধ্যে কোনো বিদ্রূপ বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ নেই। তিনি ঔপনিবেশিক সমাজ এবং ইগবো সমাজকে সমান্তরালভাবে চিত্রিত করেন। গল্পের নায়ক ওকোনকুয়োও এসব বিশ্বাস দ্বারা তাড়িত। তাঁর নিজস্ব সামাজিক বিশ্বাস ও মূল্যবোধের প্রমাণস্বরূপ পালকপুত্রকে হত্যা করেন। ওকোনকুয়ো নিজেকে তাঁর সমাজের মূল্যবোধের রক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

এ উপন্যাসে আচেবে কালোদের অতীতে ফিরে গিয়ে তাদের ভবিষ্যতের মুক্তির পথ দেখান। আচেবে-পাঠ আফ্রিকান অথবা সামগ্রিক অর্থে অ-ইউরোপীয়দের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে বুঝতে এবং তা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে।


তথ্যসূত্র :

১) Chinua Achebe,The African Writer and the English Language
২) Chinua Achebe,An Image of Africa :Racism in conrad’s ” Hearts of Darkness ”
৩) Jhon Raskin,The Mythology of Imperialism, page :143
৪) প্রাগুক্ত
৫) Chinua Achebe,Named for Victoria:Queen of England

জাহিদুল ইসলাম

জন্ম ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭; সুনামগঞ্জ। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।

ই-মেইল : imjahid9@gmail.com

Latest posts by জাহিদুল ইসলাম (see all)