হোম গদ্য গল্প বই থেকে : চেরাগের নিজস্ব বর্বরতা

বই থেকে : চেরাগের নিজস্ব বর্বরতা

বই থেকে : চেরাগের নিজস্ব বর্বরতা
811
0

প্রজাপতি ডানায় রোদ খেলে, অথচ—

ফোসকার যন্ত্রণায় আমেনা কাতরাচ্ছে। আমেনার গায়ে গৃহিণী উম্মে শাকুরা গরম তেলের ছিটা দিয়েছে। যেখানে তেলের ছিটা লেগেছে সেখানেই ফোসকা পড়েছে। সারারাত বিছানায় এক পাশ হয়ে শুয়ে ছিল। তবু ঘুমের ভেতর কিছু ঠোস গলে গিয়েছে। সেখান থেকে পানি বের হয়ে ক্ষত স্থানে জামা আটকে আছে। জামা ছাড়াতে গেলেই রক্ত পানি বের হয়, সেই সাথে অসহনীয় যন্ত্রণা!

সকালে ঘুম থেকে ওঠেই আমেনা কাজে মন দিল। যন্ত্রণা এখন কাজ আটকে রাখে না। আমেনা এত দিনে এটা বুঝে গেছে। এখানে পেট চালাতে হলে এসব যন্ত্রণা সয়েই কাজ করতে হবে। শাকুরা কাজ বুঝিয়ে দিয়ে বেরিয়ে গেল। আমেনা সে-অনুযায়ী কাজ করছে। একটু পরে ঘরের কর্তা ইবনে তুহুর ফিরে এল। শাদা জুব্বা খুলে আমেনাকে ডেকে বলল, ধর, এটা রাখ। রেখে ঠান্ডা পানি নিয়ে আস। আমেনা পানির গ্লাস হাতে ফিরে এল। একটানে পানি শেষ করে বলল, শুকরান। আমেনা রান্না ঘরে ফিরে যাচ্ছিল, তখনই বলল, এ দিকে এসে বস। আমার বউটা ঘরে নাই, তাই না? এখন কোনো বাধা নেই। আমেনা তুহুরের কথায় কান না দিয়ে রান্না ঘরে চলে গেল। চুলায় তরকারি পুড়ে গেলে আবারও হয়তো আগুনের ছ্যাঁকা খেতে হবে। তাই খুব সচেতন হয়েই রান্না করছে। একটু বাদে তুহুর রান্না ঘরে এসে বলল, হাইওয়ান, আমার কথা কানে যায় নি। আমেনা বলল, চুলায় তরকারি। গল্প করার সময় নাই। তুহুর পেছনে থেকে জড়িয়ে ধরে বলল, আহারে কাজ। আমেনা ব্যথায় চিৎকার দিল। ঠোসের ক্ষত স্থানে চাপ লেগেছে। ঠোস থেকে রক্ত পানি বেরিয়ে জামায় ছিটাছিটা দাগ পড়ে গেছে। আমেনা তুহুরের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে চাইছে। জোরাজোরি করে মুক্ত হতে চাইলে বাকি ফোসকার চামড়া ওঠে যায়। আমেনার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। তুহুর বলল, আহারে! কিচ্ছু বুঝে না।


সুশীলরা একটা ব্যানার হাতে দাঁড়ায় নি আমেনার পক্ষ নিয়ে, সত্যের পক্ষ নিয়ে। আর মন্ত্রীরা তো বলে আমরা গল্প ফাঁদি। আহারে মাতৃভূমি!


আমেনা চোখের জল মুছে বলল, কর্তা, আমার শরীর ভালো না। জ্বর। আপা গরম তেলের ছিটা দিয়ে শরীর ঝলসে দিয়েছে। যন্ত্রণায় মরে যাচ্ছি। দয়া করে আপনি যান। ইবনে তুহুর খিলখিলেয়ে হেসে ওঠে। আমেনার নিতম্বে থাপ্পড় দিয়ে বলল, কী পাছা বানিয়েছিসরে। আহারে, এখানে তেলের ছিটা দেয় নি? ঠোস ফুটে নি? দাঁড়া, ব্যবস্থা করছি। তুহুর একটানে আমেনার সেলোয়ার খুলে ফেলল। নিতম্বে নিষ্ঠুরের মতো কয়েকটা থাপ্পড় দিল। এরপর আমেনার হাত থেকে লোহার চটা নিয়ে চুলার আগুনে ধরল। চটা আগুনে তেতে লাল হয়ে গেল। গোঁয়ারের হাতে আমেনাকে শক্ত করে ধরে গরম চটা ওর নিতম্বে চেপে ধরল। আমেনা ‘ও মাগো, মরে গেলাম, আর তো পারি না’ বলে চিৎকার করছে। গরম চটা যতবার আমেনার শরীরে লাগাচ্ছে, ততবার ছ্যাঁৎ করে শব্দ হয়। আমেনা চিৎকার দিয়ে বেঁকে ওঠে। চামড়া পোড়া গন্ধে নিষ্ঠুর ইবনে তুহুর হা হা হা করে হেসে ওঠে। বলে, আহা এত ভারী পাছায় আজ ফুল ফুটেছে। কাউকে দেখাস না যেন। আবার দুটো থাপ্পড় কষে বলল, পাছাটা খুলে রাখ। ফুলগুলো দেখে আনন্দ করব। আমেনা ফুঁপিয়ে ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদছে। রান্না এলোমেলো হয়ে গেল।

উম্মে শাকুরার ঘরে ফেরার সময় হয়ে গেল। আমেনা দ্রুত রান্নাঘর পরিষ্কার করল। কলিং বেল বেজে উঠতেই তুহুর চেঁচিয়ে ওঠে, ওই মাগি পাছাটা ভালো করে ঢেকে রাখ। আমার মালটা যাতে না দেখে। ও তোর ভারী পাছা দেখে হিংসায় মরে। আজ আবার পাছায় ফুল ফুটেছে। ভুলেও যাতে দেখে না। আমেনা খুব কষ্টে সালোয়ার আরো উপরে টেনে তুলল। চামড়া খুব জ্বলছে আর ঠোস ফুটে টনটন করছে। ওর হাঁটতেও কষ্ট হচ্ছে।

আমেনা গোসল করার জন্য হাম্মামখানায় গেল। শরীরের নানান জাগায় ক্ষত, চামড়া ওঠে গেছে। এ অবস্থায় গোসল করার সাহস পেল না। খুব সাবধানে হাতমুখ ধুয়ে অজু করল। শরীর মুছতে পারে নি, গামছার ঘষায় চামড়া ওঠে যায়। যদ্দুর সম্ভব শরীর মুছে জায়নামাজ পেতেছে। মনে পড়ল আজ বসেও নামাজ পড়তে পারবে না। জাহেল ইবনে তুহুর ওর নিতম্বের মাংস নিয়ে নিষ্ঠুর খেলা খেলেছে। ঠোস পড়েছে পুরো পেছন দিকে। শুধু চোখের পানি ছেড়ে বলল, রব, এই জানোয়ার আমাকে তোমার নৈকট্য থেকে বঞ্চিত করল। আল্লাহ্! এটা বুঝি পবিত্র নগরী? এত নিষ্ঠুরতা কী করে পবিত্র হয়! আমেনা কাঁদতে কাঁদতে জায়নামাজে ওপর হয়ে শুয়ে গেল। নীরবে কেঁদে যায়। এখানে শব্দ করে কান্নায় বারণ আছে। দুপুর বিকাল সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নেমেছে আরবের আকাশে। আমেনা একই ভাবে শুয়ে থাকে। জ্বরে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। ওষুধ নাই, যত্ন নাই, মায়ের হাতের আলতো ছোঁয়া নাই। শুধু যন্ত্রণার জোয়ার বেড়ে চলছে।

আমেনার দেশের কথা মনে পড়েছে। লেখাপড়া শেষে বহু জায়গায় ঘুরে কাজ না পেয়ে চলে এল গৃহপরিচারিকার ভিসায় আরব দেশে। সংসার চালানোর মতো ওর হাতে আর কোনো উপায় ছিল না। এখানে এসে এক ভিন্ন জীবনে আবদ্ধ হলো। চির জাহান্নাম। জাহান্নাম আরও ভালো মনে হয়। ওখানে শাস্তির জন্য হাউমাউ করে কাঁদা যায়, আর এখানে সহস্র যন্ত্রণা সয়ে হাসি মুখে থাকতে হয়। কান্নার স্বাধীনতাও নাই। বাড়িতে থেকে কল এলে, আমেনা দিব্যি হাসি মুখে কথা বলে। এমনটা ভাব যেন ও সুখের সাগরে আছে। শিক্ষিত আমেনা জানে, যে রাষ্ট্র বা সরকার তাকে চাকরি দিতে পারে নি, সে রাষ্ট্র, জনগণ আমেনার এত যন্ত্রণার আয়ের রেমিটেন্স ভোগ করছে। আমেনার রক্তে ভর করে আছে। কিন্তু কী অদ্ভুত ব্যাপার! চাকরি দিতে পারে নি ভালো কথা। কিন্তু একটু প্রতিবাদও করে নি আরবের বুকে তাদের মা বোন এমন নির্যাতিত হচ্ছে দেখেও। যাদের টাকায় দেশ সমৃদ্ধ হচ্ছে তাদের প্রতি রাষ্ট্র ও জনগণের এমন উদাসীনতা আমেনাকে আরো বিষিয়ে তোলে। পোড় খাওয়া যন্ত্রণার চেয়েও অধিক যন্ত্রণা পায় নিজ দেশের এমন নিষ্ঠুর আচরণে। সুশীলরা একটা ব্যানার হাতে দাঁড়ায় নি আমেনার পক্ষ নিয়ে, সত্যের পক্ষ নিয়ে। আর মন্ত্রীরা তো বলে আমরা গল্প ফাঁদি। আহারে মাতৃভূমি!


তুহুর চটাচট আমেনার নিতম্বে থাপ্পড় দিয়ে বলল, মাগি এ পাছা নিয়ে থাকিস কিভাবে?


ইবনে তুহুর স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে রুম থেকে বেরিয়ে এল। উম্মে শাকুরা আজ তাকে সঙ্গম করতে দেয় নি। তার ঋতুস্রাব চলছে। তাই তুহুর পাগলা কুকুরের মতো ক্ষেপেছে। হাম্মামখানায় যেতে দেখে আমেনা উবু হয়ে শুয়ে রয়েছে। ওখানে বসে ভাবল, আজ আমেনাকে দিয়ে খেলিয়ে নিব। ওখান থেকে বেরিয়ে আমেনার কাছে গিয়ে বসল। বলল, এই মাগি ওঠ। আমাকে শান্ত কর। আমেনা তখনো কাঁদছে। কান্নামুখে হাসি এনে বলল, কর্তা আজ শরীর খারাপ। জ্বর। তুহুর চটাচট আমেনার নিতম্বে থাপ্পড় দিয়ে বলল, মাগি এ পাছা নিয়ে থাকিস কিভাবে? উঠে আয়, না হয় খুন করব। আমেনা চিৎকার দিয়ে ওঠে। মাগো, মরে গেলাম। থাপ্পড়ের আঘাতে কিছু ঠোস গলে গেছে। চিরিক করে পানি বেরিয়ে সালোয়ার ভিজে গেল। তুহুর জোর করে আমেনার ওড়না কেড়ে নিল। ঠোঁট টেনে নিয়ে কুকুরের মতো কামড়ানো শুরু করল। আমেনা আর চিৎকার করতে পারছে না। তুহুরের হাত থেকে ছুটে আসতে ধস্তাধস্তি করছে অথচ দানবের সাথে পেরে ওঠছে না। তুহুর বাঘের মতো গর্জে ওঠে আমেনার পায়জামা টেনে ছিঁড়ে ফেলে। উরুদেশে ঝাপটে পড়ে। যোনিতে কামড়াচ্ছে। আমেনা ডুকরে ডুকরে কাঁদছে। ইবনে তুহুর নিজের পায়জামা খুলে ফেলল। তার শিশ্ন ফুলে শাবল হয়ে গেছে। তেড়ে এসে আমেনার দু’পা দুদিকে ছড়িয়ে দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল। ওর যোনিতে তুহুরের শাবল দিয়ে খুঁচিয়ে চলছে। আমেনা শ্বাস নিতে পারছে না। ব্যথায় জ্ঞান হারানোর দশা। তুহুর তার শিশ্ন দিয়ে আমেনার যোনিতে আঘাত করে যাচ্ছে।

যখন সে টের পেল, আমেনার যোনি থেকে কামরস বেরোয় নি, তখন ক্ষেপে ওঠে। বলে, মাগি, হাইওয়ান, তোর রস কী করছিস? রস ছাড়। না হয় খুন করব। আমেনা কেঁদে যাচ্ছে। এমন প্রতিনিয়ত অত্যাচারে ওর ভেতর আর কাম জাগে না। যন্ত্রণার ভেতর একটাই চাওয়া আল্লার কাছে। এই জানোয়ার যখন ওর যোনি দাঁত দিয়ে কামড়ে খায় তখন যেন পেশাব চাপে, যাতে জানোয়ারের মুখে মুতে দিতে পারে। প্রচণ্ড ব্যথায় আর ভয়ে পেশাবও চাপে না। তুহুর চেঁচিয়ে ওঠে বলে, তোর রস বের করার ব্যবস্থা করতেছি। মুখ নামিয়ে দিল আমেনার উরুসন্ধিতে। কামড়ে ছিড়ে দিচ্ছে। আমেনা মা-গো-মা, আল্লারে আল্লারে বলে চিৎকার করছে। তুহুরের কামড়েও কোনো কাজ হয় নি। এবার তার মাথায় নতুন শয়তানি চাপল। আমেনাকে জোর করে উল্টে দিল। বলল, রস তো ছাড়লি না! এবার মজা দেখ।

আমেনার নিতম্বে ঠাসঠাস থাপ্পড় দিল আর ঠোসগুলো দাঁত কামড়ে ফাটিয়ে দিচ্ছে। চিরিক করে ঠোস গলা পানি বেরোচ্ছে। আমেনা যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। তুহুর ঠোস গলা পানিতে হাত নাড়াচ্ছে আর আমেনার চিৎকারে পৈচাশিক আনন্দ করছে। বলে, চিল্লা, ভালো করে চিল্লা, হাইওয়ান কোথাকার! নির্যাতনে একসময় আমেনা নিথর হয়ে যায়। ক্ষত-বিক্ষত শরীর। ঠোস গলা পানি চুয়াচ্ছে। চোখের নোনা জল বেরোতে বেরোতে প্রায় শুকিয়ে গেছে। আমেনার বুঝে আসে না, এই শাদা লম্বা জুব্বার ভেতর এত হিংস্রতা কী করে থাকতে পারে! জুব্বা উল্টাতেই বেরিয়ে আসে শাবলের মতো শিশ্ন। আরবে এসে আমেনা যেনার শাস্তি দেখেছে কিন্তু এমন ধর্ষণ আর নির্যাতনের শাস্তি দেখে নি। দেখলেও আরবের মেয়েদের ক্ষেত্রে হয়েছে। অনারব আমেনা কখনো বিচার চায় নি, চাওয়ার অধিকার নাই। শুধু সয়ে গেছে। আমেনার মনে পড়ে ছোট্ট বেলার কথা, মসজিদের হুজুর ‘আমেনা’ নামটি রেখেছিল নবিজি সা.-এর মায়ের নামের সাথে মিল রেখে।

এই নাম নাকি সম্মানি, নামের ওসিলায় বহু জাগায় পার পাওয়া যাবে। অথচ এই বর্বর জাতি কি ভুলে গেল যে, আমেনা নবিজি সা.-এর মা ছিল! এরা সে সম্মানটুকু দিতে জানে না। সারাদিনে মাগি আর হাইওয়ান ছাড়া কথাই বলে না। আমেনা ভাবে, এরা আমাকে নয় বরং প্রকারান্তে নবিজি সা.-এর মা’কে ধর্ষণ করে চলছে। বড় অদ্ভুত, যুগে যুগে বহু কিতাব বহু প্রেরিত পুরুষ এই ভূমিতে এসেছে, অথচ এদের জুব্বার ভেতর থেকে পশুটা বের হয় নি। এরা কী করে আলো হতে পারে? নিজেদের মুসলিম বিশ্বের চেরাগ বলে দাবি করে। পবিত্রতা জাহির করে। আমেনার বুঝে আসে না, একটা বাতি বা চেরাগ কী করে এত বর্বর হয়! কত পশুত্ব নিয়ে আরবের চেরাগ জ্বলে আছে, এখনো বোকা মুসলিম বিশ্ব জানে না! এসব ভাবতে ভাবতে আমেনার চোখ লেগে আসে।


আমিই এই বর্বরতার মুখে পেশাব করে মরতে চাই। 


ফজরের সময় ঘুম থেকে ওঠে যায়। ব্যথায় নড়াচড়া করতে পারছে না। নামাজ পড়ার শক্তি নেই। শুয়ে থেকেই স্রষ্টার কাছে হাত তুলে বলল, প্রভু আমাকে মুক্তি দাও। এর আগে চেরাগের ববর্রতার মুখে মুতে দেওয়ার শক্তি দাও। এটাই তোমার কাছে চাওয়া। আমার দেশ আমাকে বিশ্বাস করে না, আরব আমাকে কী করে চলছে দেখতেই পাচ্ছ। দেশে আন্দোলন নেই, এখানে বিচার নেই। তাই আমিই এই বর্বরতার মুখে পেশাব করে মরতে চাই। এসব বলতে বলতে কেঁদে ওঠে। কান্নায় আর চোখে জল আসে না। এক জোড়া চোখে কত জলই বা থাকে!

ইবনে তুহুর সারারাত মদ খেয়ে মাতাল হয়েছিল। মোটেও ঘুমায় নি। সকালে লাল চোখ নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে সোজা আমেনার কাছে। গতরাতে আমেনার শরীর থেকে কাপড় কেড়ে নিয়েছে। আমেনা যদ্দুর সম্ভব শরীর ঢেকেছে, বেশিরভাগ অনাবৃত রয়ে গেছে। ও খুব ঘনঘন নিশ্বাস নিচ্ছে। এখনি যেন দম বেরিয়ে যাবে। হাত পা ছেড়ে শুয়ে আছে। টলতে টলতে তুহুর আমেনার শরীর শুঁকছে। স্তন দলনমলন করছে। আমেনা ভেবে পায় না, আরবের জাহেলগুলো বাঙালির কালচে আর বাদামি যোনির প্রতি এত হিংস্র হয় কেন! তুহুর শরীর শুঁকতে শুঁকতে আমেনার বুক থেকে তলপেটে নেমে এল। এদিকে আমেনার একটাই প্রার্থনা, যাতে ওর পেশাব চাপে। অন্যদিকে বেদনায় নিশ্বাস টানছে। দম যায়-আসে অবস্থা। আমেনাকে আরো কিছুক্ষণ বাঁচতে হবে। তুহুরের মুখ এখন ওর উরুসন্ধির কাছাকাছি। নাকটা কেবলই আমেনার যোনিকে স্পর্শ করেছে, তখন আমেনা শরীর ঝাঁকি দিয়ে চিৎকার করে মুতে দিল ইবনে তুহুরের মুখে। চেরাগের বর্বরতার মুখে। আমেনার দেহটি নিথর হতে হতে মুখ দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ শব্দটি বেরিয়ে আসে। বুকের ওঠানামা সেখানেই থেমে যায়।

(811)

Latest posts by মারুফ কামরুল (see all)