নিম্মি

নিম্মি
270
0

কলেজ থেকে ফিরছি। চারখাই পেরুতে না পেরুতেই বৃষ্টি ধেয়ে এল। ভাদ্র-আশ্বিনের বৃষ্টি। ভাদ্র-আশ্বিনের বৃষ্টির কি কোনো ঠিকঠিকানা আছে? না, কোনো ঠিকঠিকানা নেই। এই চারখাইতে ঝরছে তো গাছতলায় নেই, কিংবা গাছতলায় ঝরছে তো চারখাই ফকফকা! বৃষ্টির এই লুকোচুরি লুকোচুরি খেলার মধ্যে গেইটলক তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের দিকে ঝড়ের গতিতে এগুচ্ছে। এই সার্ভিসটি এখানে নতুন চালু হয়েছে। মানুষও গ্রহণ করেছে। এখন মানুষ দ্রুত ও আরামে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক। আসলে আমাদের দেশের মানুষের পয়সা হয়েছে তো, তাই স্বাভাবিকভাবে মধ্যবিত্ত ভোক্তা শ্রেণিও একটি গড়ে উঠেছে, যারা সকল সুযোগ-সুবিধা অর্থের বিনিময়ে ভোগ করতে ইচ্ছুক। এখন এসি সার্ভিস দিলেও চলবে।

তো যা বলছিলাম, এটি দুইটা দশের গেইটলক। ঠিক সময়ে ছেড়েছে কোনো উনিশ-বিশ হয় নি। পৌনে দুইটায় এসেও পেছনে জানালার পাশে বসেছি, সম্মুখে সিট পাই নি। অবশ্য পেছনে গিয়ে মনে হয়েছে, সম্মুখে পেলেও পেছনে এসে জানালার পাশে বসতে চেষ্টা করতাম। আমার চোখে তো ভুল হওয়ার কথা না। তারওপর মাস ছয়েক হয় চক্ষুবিশেষজ্ঞ দেখিয়ে চোখে চশমা নিয়েছি, হোক না তা + ১.৫। কাছের জিনিস তো ফকফকা! আর দূরের জিনিস? আমি নিশ্চিত ও নিম্মি। সাজসজ্জা, গেটআপ সবকিছু এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ও নিম্মি। নিম্মি এদিকে কোত্থেকে এল? তাও আবার একা! ওর হাসবেন্ড কি সঙ্গে নেই? কী জানি, হয়তো বড়লেখাতে ওর ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল, এখন এখানে এসে বাস বদলিয়ে আবার ফিরে যাচ্ছে।

এই নিম্মি এখন আমাকে পছন্দ করে না! অথচ একটা সময় আমার জন্যে, কী বলা যায়, হাঁ দিওয়ানা ছিল। দিওয়ানা হুয়া বাদাল! ওকে সঙ্গে নিয়ে শাম্মি কাপুরের ছবি কাশ্মির কা কলি দেখেছিলাম ওদের বাড়িতে কোনো এক চ্যানেলে। শাম্মি কাপুর আর শর্মিলা ঠাকুর যখন রোমান্টিক গানে লিপসিং করছিল, ওর কী চাহনি! তাও তো আমি সে সময় ওকে ছুঁয়ে দেখি নি! সে সময় আমার এই ছোঁয়াছুঁয়ির ভাবনা ছিল না! বয়সও তখন কম ছিল। কেবল আঠারো পেরিয়েছে। মাস তিনেক পরে এইচএসসি ফাইনাল পরীক্ষা দেবো। এসএসসিতে বিজ্ঞানে ৪.৮৫ ছিল বলে প্রত্যাশাও বেশি ছিল। আর ও তখন ইলেভেনে আমার-ই কলেজে পড়ছে।


মানুষের এই এক জীবনে কতবার যে প্রেম আসে! কতবার যে ভালো লাগে বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে! 


ও আরেকটি কথা এখানে ক্লিয়ার করি নি। ও হচ্ছে আমার মায়ের আপন খালাত বোনের মেয়ে। ওরা তিন বোন। ও হচ্ছে সবার বড়। এই বছর ছয়েক আগেও ওদের সঙ্গে আমাদের খুব যোগাযোগ ছিল। ওর আর আমার কারণে যোগাযোগ ব্রেকআপ হয়ে গেছে। একদম নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে যদি ঘটনা বিশ্লেষণ করি, তাহলে দোষ মনে হয় আমার বাবা-মায়ের ঘাড়ে গিয়ে বর্তাবে। তবে, কারণটা ওর চাচাত ভাই-ই ক্রিয়েট করছিল। একসঙ্গে যৌথপরিবারে বড় হয়েছে তো, একটু-আধটু ছোঁয়াছুঁয়ি তো স্বাভাবিক ব্যাপার। ছবি-ভিডিও এগুলোও স্বাভাবিক। আর ব্যাটা হারামজাদা কী না চাচার অগাধ সম্পত্তি গ্রাস করার লোভে আমার বাবা-মায়ের কাছে কৈশোরিক প্রেম যদি কিছুটা হয়েও থাকে, সেগুলোর প্রমাণ নিয়ে হাজির হয়ে আপন চাচাত বোনের বদনাম গাইল। কী হলো আরে ব্যাটা গাড়ল! তোর চাচাত বোনের বিয়ে ভেঙে গেল! আমিও বাবা-মায়ের অমতে ওকে জীবনসঙ্গিনী করি নি। এমনকি ওর ভাঙা মনও মেরামতের চেষ্টা করি নি।

আমার বাবা-মাও চুটিয়ে প্রেম করে ঘর বেঁধেছিলেন। দেখেছি বাবা-মায়ের ঘরসংসার! শুধু ঝগড়া আর ফ্যাসাদ! বাবার যখন কোনো কিছুর দরকার হতো, তখন বড় ছেলে হিসেবে বাবা আমাকে বলতেন, ‘এই নাভিদ, তোর মারে জিগা, বাজার তাকি কিতা কিতা আনা লাগব?’ মা-ও প্রয়োজনের সময় বাবাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলতেন, ‘এই নাভিদ, তোর বাফরে ক, পানসুপারি আনা লাগব।’

এভাবেই চলছিল। বাবার সেক্রিফাইসের কারণে পরে সংসারে আনন্দধারা বহিছে ভুবনে ফিরে এসেছিল।

আমি আর সেক্রিফাইস করলাম না। নিজেকে নিজেই কথা দিয়েছিলাম, যাই করি না কেন, বাবা-মায়ের অমতে বিয়ে করব না। কথা রেখেছি।

সোয়া ঘণ্টার ভেতর গাড়ি এসে কদমতলী বাঁধে থামতেই প্রায় সকল যাত্রীর সঙ্গে নিম্মিও নেমে গেল। মিনিট পাঁচেক পরে সকল যাত্রীর পেছনে ধীরেসুস্থে নেমে প্রায়সময় আমি আর প্রশান্ত গোধূলি লগ্নে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে যে চায়ের স্টল থেকে চা পান করি, সেখানে ঢুকে আড়াল হয়ে গেলাম।

ভেবে পাচ্ছি না, ওর সঙ্গে এ বছর কেন বারে বারে দেখা হয়ে যাচ্ছে! কী জানি, হয়তো আমার অবচেতন মনে আমার-ই পুরনো প্রেম হয়তো উথলে উঠেছে, হয়তো ওঠে নি। তো বলতে দ্বিধা নেই, নিম্মির মতো আমারও একটি কৈশোরিক প্রেম ছিল এবং সেটি হাইস্কুলের সর্বোচ্চ ক্লাস পর্যন্ত জারি ছিল। তারপর বাল্য বিয়ে-জনিত কারণে সেটি পুরোদস্তুর সেইসময়ে শেষ হয়ে গেছে।

মানুষের এই এক জীবনে কতবার যে প্রেম আসে! কতবার যে ভালো লাগে বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে! একদম হলপ করে বলতে পারি, প্রেম একবার এসেছিল নীরবে, আমার-ই দুয়ারও প্রান্তে…। খামোখা। এগুলো প্রেমিক-প্রেমিকাকে মহৎ বানানোর একটি অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।

এখন কী মাস চলছে? অক্টোবর? হাঁ, অক্টোবর-ই তো। মাস তিনেক আগে জুলাই মাসে, আমার যদি ভুল না হয়, বর্ষা তখনও বিদায় নেয় নি, তারওপর নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে অবিরাম, সেই সময়ে একজন ম্যাডামের সঙ্গে আমার খুব দহরম-মহরম চলছে। একসঙ্গে কলেজে যাচ্ছি, আবার একসঙ্গে কলেজ থেকে ফিরছি। একসঙ্গে দক্ষিণ সুরমায় একটু ডেমকেয়ার ভাব নিয়ে হুড উঠিয়ে আটো-সাটো হয়ে রিকশায় সময় ও সুযোগ মতো যাওয়া-আসা করছি। উত্তর সুরমায় যাওয়ার সাহস পাচ্ছি না। সবকিছুর তো একটা কার্যকারণ সম্পর্ক আছে। আবার, সব কার্যকারণ সম্পর্ক আবার ব্যাখ্যা করাও যায় না। মনে হয় সম্পর্ক ধীরে ধীরে পরকীয়ায় গড়াচ্ছে। মনের দিক দিয়ে তো তাই টের পাচ্ছি। তো সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার। আমার স্পষ্ট মনে আছে। কলেজ থেকে ফিরে বাঁধে নামতেই বললেন, ‘চলুন, গ্রিনলাইনের এসিবাসের টিকিট কেটে আসি।’ বাঁধ পেরিয়ে রিকশায় উঠে শাহজালাল ব্রিজের পাশের রাস্তা কেবল অতিক্রম করছি, ওমনি মুষলধারে বৃষ্টি ধেয়ে এল। বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে কোনোরকমে গ্রিনলাইনের কাউন্টারে ঢুকতেই দেখি, নিম্মি ভেতরে সোফায় স্বামীর সঙ্গে বসে পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছে। ঢাকায় যাবে নিশ্চয়ই। আর তাকালাম না। কাউন্টারে ম্যাডামের সঙ্গে টিকিটের সিটপ্ল্যানে মনোযোগ দিলাম। বললাম, ‘বাম দিকে জি নাম্বার সিট নিন, ম্যাডাম।’

সবকিছু ওকে হয়ে গেলে দেরি করা কোনোদিক দিয়ে সমীচীন হবে না বিধায় মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সিএনজি চালিত অটো একটা ডেকে ভাড়া আর কত হবে, বেশি হলে দেড়শ ভেবে উঠে ম্যাডামকে তাঁর ফ্লাটে নামিয়ে দিয়ে বাসায় এসে দেড়শো টাকা যখন চুকাচ্ছি, লেগে গেল দরবার। দুশো টাকার নিচে কোনোভাবেই সিএনজিওয়ালা নেবে না। আমিও নাছোড় বান্দা। ভাড়া তো একশো বিশ, ত্রিশ টাকা বাড়তি দিচ্ছি। ব্যাটা ডাকাত নেবে না। হৈ-হুল্লোড়ের চোটে গিন্নি বেরিয়ে এল। ও আরেকটি কথা এখানে উল্লেখ করা জরুরি, আর তা হলো, আমি কিন্তু এক কথার মানুষ। দুনিয়া উল্টে গেলেও আমি কথা উল্টাব না। এই নিয়ে আমার ওপর দিয়ে কত ঝড় গেছে! আমাকে টলানো যায় নি। যাই হোক, যাওয়ার সময় ব্যাটা বাঞ্চত করল কী! হুবহু যা বলল, তাই তুলে ধরছি। ‘পরকীয়া মারাও! আর টেকা (টাকা) বারোয় না! কী সুন্দর আফা (আপা) একটা থুইয়া পরকীয়া মারাও!’ বলে অটো স্টার্ট দিয়ে দ্রুত আড়াল হলো।

বাদবাকি ঘটনা সংক্ষেপে বলছি। নিজ গিন্নিকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে বাগে আনতে দিন সাতেক আর হাজার দশেক টাকা খরচ হয়েছিল আমার! নয় মণ ঘি মালিশ করেছিলাম! তবুও গিন্নির কী তেজ! অটোওয়ালা নাকি মিথ্যে বলে নি। পাঁড় বদমাশ লোক আমি। স্বভাব-চরিত্রের কোনো ঠিকঠিকানা নেই।

এরকম ঘটনা ঘটবে জানলে অটোওয়ালাকে বাবা পাঁচশো টাকা দিয়ে আল্লার ওয়াস্তে বিদায় করতাম।

আরেকবার, গত ফেব্রুয়ারিতে, ফেব্রুয়ারির পনেরো কিংবা ষোল তারিখ। বিষয়টি জটিল করে লাভ নেই, সোজা কথায় পহেলা ফাল্গুন। হাঁ, বসন্তের প্রথম দিন। অর্ধাঙ্গিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিকেলবেলায় রিকশায় করে ঘুরতে বেরিয়েছি, আমরা আবার রিকশায় ঘুরলে হুড তোলাতুলি নেই, দেখুক, সকলেই দেখুক, দেশটা যেভাবে পিছিয়েছে, আমাদেরই তো এগিয়ে নিতে হবে; ঘুরছি, শিবগঞ্জের ওই মোড়ে এসে যানজটে আটকে গেলাম। এখানে বারোমাস-ই যানজট থাকে। বাজার, তারওপর ব্যস্ততম এরিয়া, আবার পাড়ার বেশ কয়েকটি রাস্তা এসে এখানে হাইওয়ের সঙ্গে মিশেছে। হঠাৎ খেয়াল করে দেখি, আমাদের সম্মুখে উপশহরের বামদিকের রাস্তার মুখে নিম্মিও রিকশায় স্বামীর সঙ্গে বসে আছে। আর তাকালাম না। খেয়াল করি নি ভাব নিয়ে সোজা তাকিয়ে অর্ধাঙ্গিনীর সঙ্গে আলাপ করতে লাগলাম। ও বলল, ‘একজন ভদ্রমহিলা তুমার বায় (দিকে) বড়জবর চাইরা (তাকাচ্ছেন)। প্রেম-টেম আছিল নি? তুমার তো আবার নায়িকার অভাব নাই!’


নিম্মির নাম্বার ডিলিট হয় নি, সযত্নে রক্ষা করেছি। এটি কি অবচেতন মনে নিম্মির প্রতি আমার ভালোবাসার প্রকাশ? 


খোঁচা একটা মারল আর কী। হাঁ, আমার নায়িকার অভাব নেই! বউয়েরও অভাব নেই! কত ছুটা কাজের বেটির সঙ্গে ও আমাকে বিয়ে দিল; বউ বানাল! এগুলো অবশ্য ধর্তব্যের মধ্যে আনি না। ঝগড়া-ফ্যাসাদ করব নাকি! আমার আবার ঝগড়া-ফ্যাসাদ ভালো লাগে না, এবং এই একজীবনে মনে হয় খুব কম লোকের সঙ্গে দরবার করেছি; ঝগড়া করেছি।

তো মনে হয় কাকতালীয়-ই হবে। রিকশায় করে পুরো শহর ঘুরে কাজিরবাজার ব্রিজের পাশ দিয়ে পূর্ব কাজিরবাজার হয়ে চাঁদনীঘাটের সিঁড়ির পাশে কিন ব্রিজের নিচে, এদিকটায় এখন বিকেল থেকে রাত নটা-দশটা অবধি বেশ লোক সমাগম হয়, এসে ছবি-টবি তুলে আমি আর ও বসে ফুচকা খাচ্ছি, দেখি পনেরো-বিশ হাত দূরে নিম্মিও স্বামীর সঙ্গে বসে ফুচকা খাচ্ছে। পূর্বের মতো দেখে না দেখার ভান করলাম। তারপর যথা নিয়মে স্থান ত্যাগ করে বাড়ি ফিরলাম।

নিম্মির কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন ছেলেমেয়ে নেই। যেহেতু আমি বেশি দূরের আত্মীয় না, তাই বিভিন্ন মাধ্যম থেকে ওদের খবরাখবর আমি পেয়ে যাই। নিশ্চয়ই আমাদেরও খবর বিভিন্ন উৎস থেকে নিম্মি পায়।

তো যেটা বলছিলাম। গোধূলি লগ্নে যে চায়ের স্টলে নিম্মিকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্যে ঢুকেছিলাম, সেই স্টলেই চা পান করতে করতেই নিম্মির ফোন ধেয়ে এল। নিম্মির বিয়ের পর এই ছয়বছরে কত মোবাইল সেট বদলিয়েছি, কত নাম্বার ডিলিট হয়ে গেছে, কিন্তু নিম্মির নাম্বার ডিলিট হয় নি, সযত্নে রক্ষা করেছি। এটি কি অবচেতন মনে নিম্মির প্রতি আমার ভালোবাসার প্রকাশ? কী জানি, হলে হতেও পারে।

বলল, ‘হ্যালো, কেমন আছ? আমার চিনতে পারছ নি?’

আমার তখন আবেগ এসে গেছে। মুখ দিয়ে কথা বেরুচ্ছে না।

বলল, ‘হ্যালো, মাতো (কথা বলো) না কেনে? না, আমারে চিনরায় না?’

বললাম, ‘নিম্মিরে চিনতে অয় না। নিম্মিরে ধারণ করা লাগে।’

বলল, ‘তুমারে কত জায়গায় দেখলাম। তুমি আমারে এড়িয়ে চলো নাভিদ!’

‘কই, আমি এড়িয়া চলি!’

এক এক করে নিম্মি যে সব জায়গায় দেখা হয়েছিল, সে সব জায়গার নির্ভুল বিবরণ দিল।

বলল, ‘একটু আগে গেইটলকো তুমি আমারে দেখিয়া না দেখার ভান করছ, নাভিদ।’

হাঁ-না কিছুই বললাম না। এতদিন পরে কথা। দোষ কিছুটা নিই না ঘাড়ে। যার জন্যে আমার শিক্ষাবর্ষ একটা বছর পিছিয়েছিল। এইচএসসিতে ডাব্বা মেরে পড়ালেখার বারোটা বাজিয়েছিলাম। আরো কত কী করেছিলাম! থাক, সেসব বিবরণ দিয়ে লাভ নেই।

নিম্মি ফিরে এসেছে। এটাই বড় কথা। নিম্মি জাগরূক থাকুক।

ইকবাল তাজওলী

জন্ম ১৯৬৭, সিলেট।

শিক্ষা : স্নাতকোত্তর।

পেশা : শিক্ষকতা।

প্রকাশিত বই—
শরীরের কান্না এবং পনেরো ফোঁটা অশ্রু [নাগরী, ২০১৯]

ই-মেইল : itajolee@gmail.com