হোম গদ্য ক্যারল শীল্ডস : জীবনীমূলক উপন্যাসের লেখক

ক্যারল শীল্ডস : জীবনীমূলক উপন্যাসের লেখক

ক্যারল শীল্ডস : জীবনীমূলক উপন্যাসের লেখক
1.82K
0

ক্যারল শীল্ডসের [১৯৩৫-২০০৩] উপন্যাস দ্য স্টোন ডায়েরিজ [১৯৯৩] সম্ভবত একমাত্র গ্রন্থ যেটি একই সাথে কানাডার গভর্নর জেনারেল সাহিত্য পুরস্কার [১৯৯৩] এবং আমেরিকার পুলিৎজার পুরস্কার [১৯৯৫] লাভ করেছিল। আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী কানাডীয় এই লেখক মোট দশটি উপন্যাস, পাঁচটি ছোটগল্প সংকলন, তিনটি কাব্যগ্রন্থ, আটটি নাটকের রচয়িতা। এছাড়া কানাডীয় সাহিত্যের অগ্রগণ্য লেখক সুজানা মোদিকে নিয়েও রচনা করেছেন একটি আলোচনা গ্রন্থ। ইংরেজি সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব জেন অস্টেনকে নিয়ে রচনা করেছেন জীবনীগ্রন্থও।

ক্যারলের লেখা সুজানা মোদি : ভয়েজ অ্যান্ড ভিশন প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে। এর আগে স্মল সেরেমোনিজ নামে তার প্রথম উপন্যাসটি প্রকাশ পায়। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র জুডিথ গিল নামের একজন নারী—যিনি একাধারে লেখিকা, মা ও স্ত্রী। মজার বিষয় হলো জুডিথ নিজেও কিন্তু গবেষণা করছে সুজানা মোদিকে নিয়েই। আর তাই পাঠক খুব সহজেই বুঝতে থাকেন এই জুডিথ আসলে একজন ক্যারল শীল্ডস নিজেই।


ক্যারলের লেখা একটি উপন্যাসের নাম হলো : Swann : A Mystery. মেরি সোয়ান নামের একজন কানাডীয় নারী কবির রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসটি আবর্তিত।


পরের বছর ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত হয় ক্যারলের দ্বিতীয় উপন্যাস দ্য বক্স গার্ডেন। এ উপন্যাসের নায়িকা কিন্তু প্রথম উপন্যাসের জুডিথেরই বোন। এই যে একজন ব্যক্তির জীবনকে তুলে আনার প্রয়াস এটাই ক্যারলের বৈশিষ্ট্য হিসেবে রূপ নেয় যার চূড়ান্তটি আমরা দেখি দ্য স্টোন ডায়েরিজ উপন্যাসে যেখানে ডেইজি গুডউইল ফ্লেট নামের একজন নারী তার আত্মকথন করেন উপন্যাস জুড়ে। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত উপন্যাস ল্যারিজ পার্টিতেও কিন্তু একজন ল্যারি ওয়েলারের কথাকেই আমরা পাই। ক্যারলের সর্বশেষ উপন্যাস আনলেস যেটি ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল সেটি সম্পর্কেও কিন্তু সমালোচকেরা বলছেন ‘আত্মজৈবনিক’।

2
লেখালেখির কৌশল নিয়ে ক্যারল শীল্ডসের বই ‘স্ট্রাটল অ্যান্ড ইলুমিনেট’-এর প্রচ্ছদ।

ক্যারল শীল্ডসের কথাসাহিত্যকে অনেকেই ‘ঘরোয়া’ বলেছেন, বলেছেন ‘মেয়েলি লেখা’। পাঁচ সন্তানের মা ক্যারলের বক্তব্য কিন্তু এইসব মন্তব্যকে বিরোধিতা করে নি, বরং সমর্থনই করত। তিনি বলতেন, ‘I love domesticity.’ নিজের সম্পর্কে তিনি বলতেন, ‘I became the mother who type.’ এবং সত্য যে তার উপন্যাসে নারী চরিত্রের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়।

ক্যারলের লেখা একটি উপন্যাসের নাম হলো : Swann : A Mystery. মেরি সোয়ান নামের একজন কানাডীয় নারী কবির রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসটি আবর্তিত। বাস্তবে আমরা জানতে পারি ওই কবির নাম হলো প্যাট লোথার [১৯৩৫- ১৯৭৫]। এই প্রসঙ্গে আরও বলে রাখা যেতে পারে যে, প্যাটের কবিতার বই দ্য স্টোন হাউস [১৯৭৭] থেকেই ক্যারল তার বহুল আলোচিত উপন্যাস দ্য স্টোন ডায়েরিজ-এর নামকরণ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

ক্যারল শীল্ডস ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত উইনিপেগ বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ছিলেন। মোট পনেরবার সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারলের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করে। উইনিপেগের ঐতিহাসিক কিংস পার্কে ২০০৮-২০০৯ সালে ক্যারল শীল্ডস মেমোরিয়াল ল্যাবিরিন্থ তৈরি করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ক্যারলের ‘ল্যারিস পার্টি’র মূল চরিত্র ল্যারিও কিন্তু গোলকধাঁধা নির্মাণের একজন শিল্পী। অনেকে মনে করেন, ল্যারির যে গোলোকধাঁধা প্রীতি সেটি আসলে ক্যারলের মনোভাবেরই প্রতিচ্ছবি। আর তাই ল্যারি যেসব ফুল পছন্দ করে সেগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে ক্যারল শীল্ডসের স্মৃতিতে নির্মিত এই গোলকধাঁধায়।

এ প্রসঙ্গে বলে রাখা যেতে পারে যে, ক্যারল ১৯৫৫ সালে স্কটল্যান্ডে যান ব্রিটিশ কাউন্সিলের অর্থায়নে পড়াশোনা করতে। সেখানে তার সাথে পরিচয় হয় প্রকৌশলবিদ্যার কানাডীয় ছাত্র ডোনাল্ড হাফ শিল্ডসের সাথে। ১৯৫৭ সালে তারা বিয়ে করে স্থায়ীভাবে কানাডায় চলে আসেন। ক্যারলের উপন্যাস ল্যারি’স পার্টি ১৯৯৮ সালে ‘অরেঞ্জ প্রাইজ ফর ফিকশান’ পুরস্কার লাভ করে। ক্যারলের শেষ উপন্যাস আনলেস ২০০২ সালে গিলার পুরস্কার, গর্ভনর জেনারেল সাহিত্য পুরস্কার, বুকার পুরস্কার এবং অরেঞ্জ প্রাইজ ফর ফিকশানের জন্য শর্টলিস্টেড হয়। ক্যারল রচিত জেন অস্টেনের জীবনগ্রন্থটি ২৫ হাজার ডলার মূল্যের চার্লস টেইলর পুরস্কার লাভ করেছিল।

ক্যারলের উপন্যাস সোয়ান সিনেমাতেও রূপ লাভ করেছিল তার জীবদ্দশাতেই—১৯৯৬ সালে। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত ক্যারলের উপন্যাস দ্য রিপাবলিক অব লাভ ২০০৩ সালে চিত্রায়ন হয়। পরিচালনায় ছিলেন দীপা মেহতা।

ক্যারলের সোয়ান উপন্যাস নিয়ে মার্গারেট অ্যাটউড লিখেছিলেন :

One of the best novels I have read… deft, funny, poignant, surprising and beautifully shaped—in total command of itself and its language.

3
ভিনটেজ কানাডা থেকে প্রকাশিত গভর্নর জেনারেল সাহিত্য পুরস্কার এবং পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস ‘দ্য স্টোন ডায়েরিজ’-এর প্রচ্ছদ।

সোয়ান : অ্যা মিস্ট্রি উপন্যাসে কবি মেরি সোয়ান কিন্তু কখনও চরিত্র হিসেবে উঠে আসেন নি। বরং তার চারপাশের চারজন মানুষ সোয়ানকে কিভাবে দেখেছেন সেটিই বিবৃত হয়েছে। আর সে বিবরণের মধ্য দিয়ে একজন সোয়ান উঠে এসেছেন পাঠকের সামনে। সে চারজন মানুষ হলেন সারাহ মেলোনি, মর্টন জিমরয়, রোজ হিন্ডমার্চ এবং ফ্রেডারিক ক্লুজি। এই যে মেরি সোয়ান যিনি কিনা কবিতা লিখতেন, তিনি একদিন নিহত হলেন তার বর্বর স্বামীর হাতে। মৃত্যুর কিছুদিন পর একদিন তার কবিতাগুলো হাতে পড়ল এক সমঝদারের—নাম তার সারাহ মেলোনি। মেরির ওপর বক্তৃতা দেন তিনি। সারাহর কথা শুনে মেরির জীবনী লিখতে আগ্রহ প্রকাশ করেন একজন। তার নাম মর্টন জিমরয়। বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে মর্টন তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাতে থাকেন। সে কাজে অসততার আশ্রয় নিতেও দ্বিধা করেন না মর্টন। রোজ হিন্ডমার্চ হলেন একজন লাইব্রেরিয়ান—যে লাইব্রেরিতে মেরি যেতেন সেখানে কাজ করেন রোজ। মেরি সোয়ানের মৃত্যুর পর তার বইয়ের প্রকাশক হলেন উপন্যাসের চতুর্থ চরিত্র—ফ্রেডারিক ক্রুজি।


‘লেখকরা প্রথমত পাঠক’ প্রবন্ধে ক্যারলের অদ্ভুত একটি বোধের পরিচয় পাওয়া যায়।


জীবনীমূলক এই উপন্যাসটির প্রসঙ্গে একটি কথা জানিয়ে রাখতে চাই। এই বইয়ের শিরোনাম হয়েছিল ‘মেরি সোয়ান’ এবং ‘সোয়ান : অ্যা মিষ্ট্রি’। তবে মনে হচ্ছে বইটির চূড়ান্ত নাম সোয়ান-ই করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে ভিনটেজ কানাডা থেকে প্রকাশিত যে সংস্করণটি বর্তমান লেখকের পড়ার সুযোগ ঘটেছে সেটিতে তেমন ইঙ্গিতেই রয়েছে। ভিনটেজ সংস্করণে শেষে যদিও একটি অধ্যায় আছে যেটির নাম ‘দ্য সোয়ান সিম্পোজিয়াম’। এটি আসলে উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়নের কাঠামো। ক্যারল উপন্যাসটির শুরু এবং শেষে মেরি সোয়ানের দুটি কবিতা ব্যবহার করেছেন। অন্টারিও প্রদেশের গ্রামদেশের এক নারী কবির একটি কবিতা এমন :

The rivers of the country
Shrink and crack and kill
And the water of my body
Grow invisible.

যদিও পাঠক অনুধাবন করতে পারেন এটি আসলে ক্যারলের লেখা।

বর্তমান আলোচনাটি শেষ করতে চাই ক্যারলের লেখা স্ট্যার্টল অ্যান্ড ইলুমিনেট দিয়ে। বইটি আসলে ক্যারলের লেখা নয়—ক্যারলকে নিয়ে লেখা—কিন্তু ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে ক্যারলের লেখা থেকে। যে লেখাগুলো ক্যারল লিখেছিলেন, বিশেষ করে লেখালেখি নিয়ে, সেগুলো ক্যারলের মেয়ে অ্যান গিয়ার্দিনি এবং নাতি নিকোলাস গিয়ার্দিনি সংকলন করে প্রয়োজন মতো তথ্যাদিসমূহ ব্যবহার করেছেন। তাই তাদের নামের আগে সম্পাদক শব্দটি যুক্ত হয়েছে। এ গ্রন্থটিকে আমেরিকার জনপ্রিয় লেখক স্টিফেন কিঙয়ের [জন্ম ১৯৪৭] অন রাইটিং : মেময়র অব দ্য ক্রাফট [২০০০] এবং অ্যান ল্যামটের [জন্ম ১৯৫৪] বার্ড বাই বার্ড : সাম ইন্সট্রাকশান্স অব রাইটিং অ্যান্ড লাইফ [১৯৯৪]-এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে।

ক্যারল শীল্ডেসের ব্যক্তিজীবন আমরা জানি—তিনি একই সাথে লেখক এবং লেখালেখির শিক্ষক। শিক্ষকতা করেছেন ক্রিয়েটিভ রাইটিং-এর। লেখালেখি নিয়ে তার বক্তৃতা-আলোচনাও কম নয়। বিভিন্ন সময়ে বন্ধুদের পাণ্ডুলিপি পড়েছেন, সম্পাদনা করেছেন, মন্তব্য দিয়েছেন। লেখালেখির কৌশল ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সমসাময়িক অন্যান্য লেখকদের সাথে পত্র বিনিময়ও হয়েছে তার। স্ট্রাটল অ্যান্ড ইলুমিনেট-এ সবেরই সংকলন। বইয়ের শুরুতে দুটি ভূমিকা আছে—একটি মেয়ের লেখা, আরেকটি নাতির। মায়ে-পুতে মিলে আরও যে কাজটি করেছেন সেটি হলো বইয়ের চৌদ্দটি অধ্যায়ের শেষে ছোট করে ওই অধ্যায়ের বিষয়বস্তুকে তুলে দিয়েছেন। শেষে আছে বেশ কিছু চিঠিপত্র।

012
কানাডার খ্যাতিমান লেখক ক্যারল শীল্ডস [১৯৩৫- ২০০৩]

‘লেখকরা প্রথমত পাঠক’ প্রবন্ধে ক্যারলের অদ্ভুত একটি বোধের পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি লিখেছেন, ‘ক্রমে আমি বুঝতে পারি সেই বই-ই আমার আসলে লেখা উচিত যে বইটি আমি পড়তে চেয়েছিলাম এবং যে বইটি আমি লাইব্রেরিতে পাই নি। প্রথম এই প্রবন্ধটিতে ক্যারলের ব্যক্তিগত পাঠের বিস্তারিত বিশ্লেষণ আছে। আছে পঠনপাঠন নিয়ে তুলনা-প্রতিতুলনা। দ্বিতীয় প্রবন্ধ ‘বক্সকারস, কোট হ্যাঙ্গারস অ্যান্ড আদার ডেভাইসেস’-এ ক্যারল বিশ্লেষণ করেছেন নতুন নতুন বই লেখার কারণে তার প্রণোদনার কথা। নতুন নতুন উপন্যাসে তিনি কিভাবে নতুন আঙ্গিকে প্রবেশ করেছেন সেসব নিয়েও লেখকের বিশ্লেষণ আছে প্রবন্ধটিতে। একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে উপন্যাস লিখতে শুরু করে কিভাবে সেটি ভিন্ন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে গেছে তার লেখক-জীবনে সেটির ওপরও আলোকপাত করেছেন ক্যারল। বি বোল্ড অল দ্য ওয়ে থ্রু– তে দেখেছি লেখকদের প্রতি ক্যারলের রয়েছে বেশ কিছু পরামর্শ—কী করা উচিত, কী উচিত নয়।

লেখা শেষ করার আগে বলে রাখতে চাই সমকালের যে তিনজন কানাডীয় সাহিত্যিককে লোরাইন ইয়র্ক তার লিটারারি সেলিব্রিটি ইন কানাডা [টরন্টো, ২০০৭] গ্রন্থে বিশেষ মর্যাদার সাথে আলোকপাত করেছেন তাদের একজন হলেন ক্যারল শীল্ডস।

সুব্রত কুমার দাস

উদ্যোক্তা at bangladeshinovels
জন্ম ৪ মার্চ ১৯৬৪; ফরিদপুর। ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর। পেশায় লেখক।

প্রকাশিত বই :
১. শ্রীচৈতন্যদেব [ঐতিহ্য ২০১৮, ২০১৬ (টরন্টো)]
২. আমার মহাভারত (নতুন সংস্করণ) [মূর্ধন্য, ২০১৪]
৩. নজরুল-বীক্ষা [গদ্যপদ্য, ঢাকা, ২০১৩]
৪. অন্তর্বাহ [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১৩]
৫. রবীন্দ্রনাথ: ইংরেজি শেখানো [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১২]
৬. রবীন্দ্রনাথ ও মহাভারত [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১২]
৭. আলোচনা-সমালোচনা [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১২]
৮. রবীন্দ্রনাথ: কম-জানা, অজানা [গদ্যপদ্য, ঢাকা, ২০১১]
৯. প্রসঙ্গ শিক্ষা এবং সাহিত্য [সূচীপত্র, ঢাকা, ২০০৫]
১০. বাংলাদেশের কয়েকজন ঔপন্যাসিক [সূচীপত্র, ঢাকা, ২০০৫]
১১. নজরুল বিষয়ক দশটি প্রবন্ধ [সূচীপত্র, ঢাকা, ২০০৪]
১২. বাংলা কথাসাহিত্য: যাদুবাস্তবতা এবং অন্যান্য [ঐতিহ্য, ঢাকা, ২০০২]
১৩. নজরুলের ‘বাঁধনহারা’ [নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা, ২০০০]


সম্পাদনা—
১. সেকালের বাংলা সাময়িকপত্রে জাপান (সম্পাদনা) [নবযুগ, ঢাকা, ২০১২]
২. জাপান প্রবাস (সম্পাদনা) [দিব্যপ্রকাশ, ঢাকা, ২০১২]
৩. অগ্রন্থিত মোজাফফর হোসেন (সম্পাদনা) [গদ্যপদ্য, ঢাকা, ২০১১]
৪. কোড়কদী একটি গ্রাম (সম্পাদনা) [কলি প্রকাশনী, ঢাকা, ২০১১]

অনুবাদ—
১. Rabindranath Tagore: India-Japan Cooperation Perspectives [ইন্ডিয়া সেন্টার ফাউন্ডেশন, জাপান, ২০১১]
২. Parobaas (ইমদাদুল হক মিলনের উপন্যাস। অধ্যাপক মোজাফফর হোসেনের সাথে) [অনন্যা, ঢাকা, ২০০৯]
৩. Christian Religious Studies - Class V (এ এস এম এনায়েত করিমের সাথে) [এনসিটিবি, ঢাকা, ২০০৭]
৪. In the Eyes of Kazi Nazrul Islam: Kemal Pasha (অনুবাদ প্যানেলের সদস্য) [সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, ২০০৬]
৫. Kazi Nazrul Islam: Speeches (অধ্যাপক মোজাফফর হোসেনের সাথে) [নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা, ২০০৫]
৬. Kazi Nazrul Islam: Selected Prose [নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা, ২০০৪]

এমাজন কিন্ডল এডিশনে বই :
১. Kazi Nazrul Islam: Selected Prose www.amazon.com/Kazi-Nazrul-Islam-Selected-Prose-ebook/dp/B00864ZCLY/
২. Rabindranath Tagore: less-known Facts http://www.amazon.com/Rabindrath-Tagore-Less-Known-Facts-ebook/dp/B008CC3YLA/
৩. Rabindranath Tagore: India-Japan Cooperation Perspective http://www.amazon.com/Rabindrath-Tagore-Less-Known-Facts-ebook/dp/B008CC3YLA/
৪. Worthy Reads from Bangladesh http://www.amazon.com/Rabindrath-Tagore-Less-Known-Facts-ebook/dp/B008CC3YLA/
৫. (Not) My Stories http://www.amazon.com/Not-Stories-Subrata-Kumar-Das-ebook/dp/B00880XDP8

ওয়েবসাইট : www.bdnovels.org
ই-মেইল : subratakdas@yahoo.com