হোম গদ্য কানাডার কবিতা : বিবর্তনের রূপরেখা

কানাডার কবিতা : বিবর্তনের রূপরেখা

কানাডার কবিতা : বিবর্তনের রূপরেখা
241
0
১ম কিস্তির লিংক

১৮৬৭ সাল কানাডার ইতিহাসে যুগান্তকারী একটি সময়। ওই বছরের ১ জুলাই বর্তমান কানাডার চারটি প্রদেশ অন্টারিও [সেকালের আপার কানাডা], কুইবেক [সেকালের লোয়ার কানাডা], নোভা স্কোশিয়া এবং নিউ ব্রানসউইক মিলে গঠিত হলো নতুন একটি রাষ্ট্র। নতুন রাষ্ট্রটিকে নিয়ে কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে সৃষ্টি হলো নতুন উদ্দীপনা। কানাডীয় ইংরেজি কবিতায় আবির্ভাব ঘটল নতুন ভাবনার, নবতর চেতনার এক গোষ্ঠী কবির। সেই কবিদের সকলের জন্মই মোটামুটি ১৮৬০ সালের আগে-পরে। শতাব্দীর শেষ দুই দশক জুড়ে তাদের কাব্যপ্রয়াস কানাডার কবিতাকে ভিন্নতর একটি মাত্রায় পৌঁছে দেয়।

১৯৬০ সালে ম্যানকম রসের সম্পাদনায় ‘পোয়েটস অব দ্য কনফেডারেশন’ প্রকাশের পর থেকে ওই কবিদের প্রসঙ্গে যে অভিধাটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োগ করা হয় সেটি হলো তারা হলেন ‘কনফেডারেশন কবিগোষ্ঠী’। ‘ম্যাপল ট্রি স্কুল’ নামেও পরিচিত ছিলেন এই কবিরা। যে চারকবিকে ওই সময়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বের সাথে গ্রাহ্য করা হয় তারা হলেন চার্লস জি ডি রবার্টস [১৮৬০- ১৯৪৩], ব্লিস কারম্যান [১৮৬১- ১৯২৯], আর্চিবল্ড ল্যাম্পম্যান [১৮৬১- ১৮৯৯] এবং ডানকান ক্যাম্পবেল স্কট [১৮৬২- ১৯৪৭]। অন্য আরও যে কবিরা এই অভিধাভুক্ত হন তারা হলেন : উইলিয়াম উইলফ্রেড ক্যাম্পবেল [১৮৬০?- ১৯১৮] ও ফ্রেডারিক জর্জ স্কট [১৮৬১- ১৯৪৪]। কোনো কোনো সাহিত্য-গবেষক ইসাবেলা ভেলান্সি ক্রোফোর্ড [১৮৫০- ১৮৮৭] জর্জ ফ্রেডারিখ ক্যামেরন [১৮৫৪- ১৮৮৫] এবং পলিন জনসন [১৮৬১- ১৯১৩] প্রমুখকেও এই গোষ্ঠীভুক্ত কবি হিসেবেই চিহ্নিত করতে চান।


‘কনফেডারেশন কবিগোষ্ঠী’র অগ্রগণ্য হলেন চার্লস রবার্টস। কানাডীয় জাতিয়তাবোধ প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ কবিদের মধ্যে তার স্থান সর্বাগ্রে।


দ্য নিউ অক্সফোর্ড বুক অব কানাডীয়ান ভার্স গ্রন্থের ভূমিকায় সম্পাদক মার্গারেট অ্যাটউড ‘কনফেডারেশন কবিগোষ্ঠী’ সম্পর্কে যা বলেছেন তার মর্মার্থ হচ্ছে, যদিও এই কবিরা একটি রাজনৈতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে একতাবদ্ধ হয়েছিলেন, কিন্তু তাদের সেরা কবিতাগুলো খুব বেশি রাজনৈতিক ভাবনাপুষ্ট নয়। গভীর পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট হয় তাদের সকলে বিশেষ একটি ধারাতেও কাব্যরচনা করতেন না, যদিও তাদের সকলের কবিতাতেই প্রকৃতি বিশেষ গুরুত্বের সাথে উপস্থিত [পৃ. xxxxii, অক্সফোর্ড ইউনির্ভাসিটি প্রেস, টরন্টো, ১৯৮২]।

‘কনফেডারেশন কবিগোষ্ঠী’র অগ্রগণ্য হলেন চার্লস রবার্টস। কানাডীয় জাতিয়তাবোধ প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ কবিদের মধ্যে তার স্থান সর্বাগ্রে। তাকে ‘কানাডার কবিতার জনক’ বলেও অভিহিত করা হয়। ১৮৮০ সালে প্রকাশিত চার্লসের প্রথম কাব্যগ্রন্থ অরিয়ন অ্যান্ড আদার পোয়েমস ছাড়াও তার রয়েছে মোট ষোলোটি কাব্যগ্রন্থ। তবে শেষ জীবনে চার্লস প্রধানত প্রাণী নিয়ে গল্পই লিখেছেন বেশি। প্রাণী-বিষয়ক চার্লসের গ্রন্থের সংখ্যা পঁয়তাল্লিশের কম নয়। ১৯০২ সালে নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বারবারা লাড এত বেশি জনপ্রিয় হয়েছিল যে, শুধুমাত্র আমেরিকাতেই বইটি আশি হাজার কপি বিক্রি হয়। তিনি অন্য প্রবন্ধগ্রন্থও লিখেছেন মোট চারটি—সবকটি নিজের দেশ কানাডাকে নিয়ে। চার্লস দুইবার দেশান্তরী হয়েছিলেন—একবার ১৮৯৭ সালে, দ্বিতীয়বার ১৯০৭ সালে। প্রথমবার চলে যান আমেরিকায়, দ্বিতীয়বার ইউরোপে। দ্বিতীয়বারের যাত্রাটি বেশি দীর্ঘ ছিল—আঠারো বছর। অবস্থান করেছেন ইংল্যান্ড, ফ্রান্স এবং জার্মানিতে। ১৯৩৫ সালে ‘স্যার’ উপাধিতে ভূষিত চার্লস কনফেডারেশন কবিগোষ্ঠীর নেতৃস্থানীয় কবি ছিলেন।

চার্লস জি ডি রবার্টসকে কেন ‘কানাডার কবিতার জনক’ বলা হয় তার উত্তর পাওয়া যায় ‘দ্য অক্সফোর্ড কম্পেনিয়ন টু কানাডিয়ান লিটারেচার’ গ্রন্থে। সেখানে বলা হয়েছে চার্লসের প্রথম দিককার কবিতাগুলোই তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছিল যেটি তার প্রজন্মের অন্য সকল কবিকে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করে। ব্লিস কারম্যান বা আর্চিবল্ড ল্যাম্পম্যানের মতো কবিরা তার প্রেরণাতেই কাব্যচর্চায় উৎসাহী হন [পৃ. ১০০৭, অক্সফোর্ড ইউনির্ভাসিটি প্রেস, টরন্টো, ১৯৯৭]।

1
‘কনফেডারেশন কবিগোষ্ঠী’র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কবিরা হলেন [বাম থেকে] চার্লস জি ডি রবার্টস [১৮৬০- ১৯৪৩], ব্লিস কারম্যান [১৮৬১- ১৯২৯], আর্চিবল্ড ল্যাম্পম্যান [১৮৬১- ১৮৯৯] এবং ডানকান ক্যাম্পবেল স্কট [১৮৬২- ১৯৪৭]।

নিউ ব্রানসউইক এবং নোভা স্কোশিয়ার গ্রামীণ জীবন এবং প্রকৃতি চার্লসের প্রধান কবিতাগুলোতে মূর্ত। এসব প্রসঙ্গ নিয়ে তার কাব্যগ্রন্থ হলো ইন ডাইভারস টোনস [১৮৮৬], সঙস অব দ্য কমন ডে [১৮৯৩], দ্য ভ্যাগর‌্যান্ট অব টাইম [১৯২৭], দ্য আইসবার্গ অ্যান্ড আদার পোয়েমস [১৯৩৪] ইত্যাদি। ১৯৮৫ সালে নোভা স্কোশিয়া থেকে প্রকাশিত দ্য কালেকটেড পোয়েমস অব স্যার চার্লস জি ডি রবার্টস গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে কবি ৮৩ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালের অক্টোবরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে বিয়ে করেন এবং এর একমাস পরেই কবির মৃত্যু হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে ১৮৮০ সালে মাত্র উনিশ বছর বয়সে কবি প্রথমবার বিয়ে করেন এবং তার পাঁচটি সন্তান ছিল।

চার্লসের কবিতার প্রধান বিষয় কানাডার প্রাকৃতিক এবং ঐতিহাসিক উপাদানসমূহ। স্বাধীন কানাডার নতুন কাব্যরীতি তৈরিতে চার্লসের কবিতা ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। ‘কানাডা’ শিরোনামে চার্লসের একটি কবিতা আছে। ১৮৮৫ সালে রচিত এই কবিতায় কবি আসলে কানাডার ইতিহাসকেই তুলে ধরেছেন। এই কবিতায় আছে জ্যাক কার্তিয়ারের [১৪৯১- ১৫৫৭] কথা যে-নাবিক ফরাসি নেভিগেটর হিসেবে প্রথম সেইন্ট লরেন্সে আসেন। ওই কবিতায় আছে স্যামুয়েল ডি চ্যাম্পলেইনের [১৫৭০- ১৬৩৫] কথা যিনি সেইন্ট লরেন্স হয়ে অটোয়া নদী পর্যন্ত ভ্রমণ করেছিলেন। নোভা স্কোশিয়া, নিই ব্রানসউইক এবং নিউ ইংল্যান্ডের তীর পর্যন্ত যাত্রা করেন। ১৬৩৩ সালে তিনি গভর্নরের দায়িত্ব পান। কবিতায় আছে যোশেফ ডি মলকাম [১৭১২- ১৭৫৯] ও জেনারেল জেমস উলফের [১৭২৮- ১৯৫৯] কথাও। কবিতায় আছে কানাডার ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর ইঙ্গিত। ৫৬ লাইনের এই কবিতা কানাডার কাব্যসাহিত্যে উজ্জ্বল এক উদাহরণ। সে-ইতিহাসের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নব্যপ্রতিষ্ঠিত কানাডাকে স্বপ্নের কথা শুনিয়েছেন চার্লস। কবিতাটি শেষ হয়েছে এভাবে—

              But thou, my country, dream not thou!
                            Wake, and behold how night is done, –
              How on thy breast, and o’er thy brow,
                            Bursts the uprising sun!

শক্তিমত্ত এই কানাডার ধ্বনি কিন্তু চার্লসের ‘কানাডিয়ান স্ট্রিমস’ কবিতাতেও প্রতিধ্বনিত। ওই কবিতার শুরুর স্তবকটি এমন :

              O river rolling to the sea
              From lands that bear the maple-tree,
                            How swell your voices with the starin
              Of loyalty and liberty!

2
২০১৩ সালে ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে প্রকাশিত ইউনির্ভাসিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও-র বিশিষ্ট অধ্যাপক ডি. এম. আর. বেন্টলির গ্রন্থ ‘দ্য কনফেডারেশন গ্রুপ অব কানাডিয়ান পোয়েটস’-এর প্রচ্ছদ।

চার্লসের প্রথম কাব্যগ্রন্থ নিয়ে ‘কানাডার কিটস’ বলে খ্যাত আর্চিবল্ড ল্যাম্পম্যানের একটি স্মৃতিচারণা রয়েছে। ১৮৯১ সালে অটোয়ার লিটারারি অ্যান্ড সাইনটিফিক সোসাইটির এক বক্তৃতায় আর্চিবল্ড ১৮৮১ সালের মে মাসে অরিয়ন অ্যান্ড আদার পোয়েমস পাঠের ওই স্মৃতিচারণটি করেন। তিনি বলেন : ‘কঠিন উত্তেজনায় সারারাত আমি ‘অরিয়ন’ বারবার পড়তে থাকলাম। যখন বিছানায় গেলাম, ঘুম এলো না। একটি কথাই শুধু মনে হতে থাকল যে এমন একটি সৃষ্টি একজন কানাডিয়ানের। একজন তরুণের। আমাদেরই একজনের। মনে হলো এটি যেন দূরাগত একটি আহ্বান ধ্বনি—জেগে ওঠার, এগিয়ে যাওয়ার’ [বর্তমান লেখকের অনুবাদ]। পণ্ডিতজনেরা এই কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকে ‘কানাডীয় সাহিত্যের প্রথম জাগরণ বলে মূল্যায়ন করলেন। যদিও অনেক সমালোচকই মনে করেন, ফিলাডেলফিয়া থেকে প্রকাশিত ‘অরিয়ন’ আসলে চার্লসের কাব্যশক্তি প্রদর্শনের প্রথম বহিঃপ্রকাশ ছিল না। তাদের মতে চার্লসের পরবর্তী গ্রন্থ ইন ডাইভারস টোনস এবং সঙস অব দ্য কমন ডে হলো তার সত্যিকারের কাব্যশক্তির লিখিত প্রকাশ।


নিউ ব্রানসউকের স্যাকভিলের কাছের এই জায়গাতেই আট থেকে চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কাটিয়েছিলেন কানাডীয় কবিতার জনক।


৪৪৭ লাইনের দীর্ঘ কবিতা ‘অরিয়ন’। কানাডিয়ান পোয়েট্রি ডট অর্গ ওয়েবসাইটে এল আর আর্লি এক আলোচনায় লিখেছেন : Today Orion is probably the most famous unread book in Canadian literature. স্যার চার্লসের এই কাব্যগ্রন্থে রয়েছে ইংরেজ দুইকবি শেলি ও কিটসের প্রভাব। রয়েছে গ্রিক পুরাণের ছায়া। আর তাই গ্রন্থনামের ‘অরিয়ন’ আসে গ্রিক পুরাণ থেকে—সেই বিশালদেহী শিকারি যাকে আমরা পাই হোমারের ওডিসি-তে, যাকে দেবতা জিউস মহাকাশে নিক্ষেপ করেছিলেন।

১৮৮৩ সালে কানাডার প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এডমন্ড কলিন্স একটি ঢাউশ বই প্রকাশ করেন। ৬৫৫ পৃষ্ঠার সে-বইটি বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অব স্যার জন অ্যা ম্যাকডোনাল্ড শিরোনামের সেই বইটিতে কানাডার সাহিত্য নিয়ে পঁয়ষট্টি পৃষ্ঠার একটি অধ্যায় আছে। সে-অধ্যায়ে বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয় চার্লসের সাহিত্য নিয়ে। এডমন্ড লেখেন : Beyond any comparison, our greatest Canadian poet—we have already ranked him with Mathew Arnold, and Browning—is Mr. Charles G. D. Roberts, of Fredericton, New Brunswick. [c„. 471]| [পৃ. ৪৭১]। সে-আলোচনায় ব্যাপকভাবে উঠে এসেছিল ‘অরিয়ন’-এর কথা।

কানাডার কবিতার জনক স্যার চার্লস জি ডি রবার্টসকে নিয়ে এ পর্যন্ত দুটি জীবনী লেখা হয়েছে। প্রথমটি রচিত হয় ১৯৪২ সালে। লেখক ছিলেন এলসি পোমরয়। চার্লসের মৃত্যুও পর ‘ফাইনাল চ্যাপ্টার’ অধ্যায়টি যুক্ত করে সে-জীবনীটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালের জুন মাসে। দ্বিতীয়টি প্রকাশিত হয়েছিল প্রথমটির বিয়াল্লিশ বছর পর। শিরোনাম : ‘স্যার চার্লস গড ড্যাম’। লেখক হলেন জন কডওয়েল অ্যাডামস। চার্লসের নামের জি ডি [জর্জ ডগলাস]-কে জন ‘গড ড্যাম’ বানিয়েছেন। চার্লস রবার্টসকে কবিতা নিয়ে রচিত প্রধান গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে রবার্টস অ্যান্ড দ্য ইনফ্লুয়েন্স অব হিজ টাইম [জেমস ক্যাপন, ১৯০৫], দ্য বুক অব রবার্টস [লয়ড রবার্টস, ১৯২৩], রবার্টস অ্যান্ড হিজ ওয়ার্কস [ফ্রেড কক্সওয়েল, ১৯৮৩], ‘চার্লস জি ডি রবার্টস অ্যান্ড হিজ ওয়ার্কস’ [টেরি হোয়ালেন, ১৯৮৯] ইত্যাদি। রয়াল সোসাইটি অব কানাডা ১৯২৬ সালে লর্ন পিয়ার্স মেডাল চালু করেছিল যেটির প্রথম প্রাপক ছিলেন চার্লস। ১৯৪৫ সালে কানাডার এই বরেণ্য কবিকে ‘পার্সন অব হিসটোরিক সিগনিফিক্যান্স’ ঘোষণা করা হয়। কবির কৈশোর-বিজড়িত তানত্রামারে ২০০৫ সালে কানাডার হিস্টোরিক অ্যান্ড সাইটস বোর্ড একটি মনুমেন্ট স্থাপন করেছেন। নিউ ব্রানসউকের স্যাকভিলের কাছের এই জায়গাতেই আট থেকে চৌদ্দ বছর পর্যন্ত কাটিয়েছিলেন কানাডীয় কবিতার জনক।

২০১৩ সালে ইউনির্ভাসিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও-র বিশিষ্ট অধ্যাপক ডি. এম. আর. বেন্টলি কনফেডারেশন কবিগোষ্ঠীর ওপর অসাধারণ এক গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে প্রকাশিত সে-গ্রন্থের নাম দ্য কনফেডারেশন গ্রুপ অব কানাডিয়ান পোয়েটস। [চলবে]

সুব্রত কুমার দাস

উদ্যোক্তা at bangladeshinovels
জন্ম ৪ মার্চ ১৯৬৪; ফরিদপুর। ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর। পেশায় লেখক।

প্রকাশিত বই :
১. শ্রীচৈতন্যদেব [ঐতিহ্য ২০১৮, ২০১৬ (টরন্টো)]
২. আমার মহাভারত (নতুন সংস্করণ) [মূর্ধন্য, ২০১৪]
৩. নজরুল-বীক্ষা [গদ্যপদ্য, ঢাকা, ২০১৩]
৪. অন্তর্বাহ [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১৩]
৫. রবীন্দ্রনাথ: ইংরেজি শেখানো [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১২]
৬. রবীন্দ্রনাথ ও মহাভারত [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১২]
৭. আলোচনা-সমালোচনা [মূর্ধন্য, ঢাকা, ২০১২]
৮. রবীন্দ্রনাথ: কম-জানা, অজানা [গদ্যপদ্য, ঢাকা, ২০১১]
৯. প্রসঙ্গ শিক্ষা এবং সাহিত্য [সূচীপত্র, ঢাকা, ২০০৫]
১০. বাংলাদেশের কয়েকজন ঔপন্যাসিক [সূচীপত্র, ঢাকা, ২০০৫]
১১. নজরুল বিষয়ক দশটি প্রবন্ধ [সূচীপত্র, ঢাকা, ২০০৪]
১২. বাংলা কথাসাহিত্য: যাদুবাস্তবতা এবং অন্যান্য [ঐতিহ্য, ঢাকা, ২০০২]
১৩. নজরুলের ‘বাঁধনহারা’ [নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা, ২০০০]


সম্পাদনা—
১. সেকালের বাংলা সাময়িকপত্রে জাপান (সম্পাদনা) [নবযুগ, ঢাকা, ২০১২]
২. জাপান প্রবাস (সম্পাদনা) [দিব্যপ্রকাশ, ঢাকা, ২০১২]
৩. অগ্রন্থিত মোজাফফর হোসেন (সম্পাদনা) [গদ্যপদ্য, ঢাকা, ২০১১]
৪. কোড়কদী একটি গ্রাম (সম্পাদনা) [কলি প্রকাশনী, ঢাকা, ২০১১]

অনুবাদ—
১. Rabindranath Tagore: India-Japan Cooperation Perspectives [ইন্ডিয়া সেন্টার ফাউন্ডেশন, জাপান, ২০১১]
২. Parobaas (ইমদাদুল হক মিলনের উপন্যাস। অধ্যাপক মোজাফফর হোসেনের সাথে) [অনন্যা, ঢাকা, ২০০৯]
৩. Christian Religious Studies - Class V (এ এস এম এনায়েত করিমের সাথে) [এনসিটিবি, ঢাকা, ২০০৭]
৪. In the Eyes of Kazi Nazrul Islam: Kemal Pasha (অনুবাদ প্যানেলের সদস্য) [সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, ২০০৬]
৫. Kazi Nazrul Islam: Speeches (অধ্যাপক মোজাফফর হোসেনের সাথে) [নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা, ২০০৫]
৬. Kazi Nazrul Islam: Selected Prose [নজরুল ইন্সটিটিউট, ঢাকা, ২০০৪]

এমাজন কিন্ডল এডিশনে বই :
১. Kazi Nazrul Islam: Selected Prose www.amazon.com/Kazi-Nazrul-Islam-Selected-Prose-ebook/dp/B00864ZCLY/
২. Rabindranath Tagore: less-known Facts http://www.amazon.com/Rabindrath-Tagore-Less-Known-Facts-ebook/dp/B008CC3YLA/
৩. Rabindranath Tagore: India-Japan Cooperation Perspective http://www.amazon.com/Rabindrath-Tagore-Less-Known-Facts-ebook/dp/B008CC3YLA/
৪. Worthy Reads from Bangladesh http://www.amazon.com/Rabindrath-Tagore-Less-Known-Facts-ebook/dp/B008CC3YLA/
৫. (Not) My Stories http://www.amazon.com/Not-Stories-Subrata-Kumar-Das-ebook/dp/B00880XDP8

ওয়েবসাইট : www.bdnovels.org
ই-মেইল : subratakdas@yahoo.com