হোম গদ্য উপন্যাস রুজানা এখন কী করবে : ৩

রুজানা এখন কী করবে : ৩

রুজানা এখন কী করবে : ৩
1.03K
0
২ পর্বের লিংক

পর্ব- ৩

রুজানা আমাকে অফিস ঘরে গিয়ে বসার জন্য ডাকল। সারাদিন কোনো কাজ ছাড়াই একটা ঘরের মধ্যে একা বসে থাকি বলে তার নাকি দেখলেই বিরক্তি লাগে।

আমি তাকে দমানোর জন্য বললাম, ‘অফিস মানে ওই ত কটা চেয়ার, দুইটা টেবিল আর একটা আলমারি।’ কিন্তু সে ত দমবার পাত্রী না। মজা করে হাসতে হাসতে বলল, ‘আমরা গাঁওগিরামের গরিব মানুষ। টিভিতে কী সুন্দর সুন্দর অফিস দেখি। যেমন বিশাল তেমনি একেবারে ছবির মতন।’

আমি তার মুখের দিকে তাকালাম। চোখভরা ছবির মতো অফিসের স্বপ্ন ফুরফুর করছে? কিন্তু আমি বললাম, ‘লোকজন এখনও আমাদের সুদের কারবারি বলে।’ আমার বলতে যতক্ষণ, উত্তর দিতে তার যেন একটা মুহূর্ত সময় লাগে না। বলে কিনা, ‘লোকজন অনেক কিছুই বলে। কানকথায় কান দিলে কি কাজ চলে?’


শুনেছি যে আব্বার দাদা এ এলাকায় প্রথম সুদের কারবার শুরু করে। সেটা আমি ধরে রাখতে চাই।


‘সব কথার চ্যাটাং চ্যাটাং উত্তর। মেজাজ খারাপ লাগে।’

‘চ্যাটাং চ্যাটাং মানে কী?’

‘এই ব্যবসাটাই কেন আমাদের করতে হবে? অন্য কোনো ব্যবসা নাই?’

‘এটা আমাদের ঐতিহ্যবাহী ব্যবসা। পারিবারিক ব্যবসা। শুনেছি যে আব্বার দাদা এ এলাকায় প্রথম সুদের কারবার শুরু করে। সেটা আমি ধরে রাখতে চাই।’

আমি আবার তাজ্জব হয়ে যাই। গ্রামের একটা মেয়ে এভাবে ব্যবসার কথা বলতে পারে, তাও আবার সুদের ব্যবসা—! কিন্তু রেগে কোনো লাভ নাই। ওকে বরং বোঝাতে হবে যে, ‘ব্যবসা কই। আমি ত শুধু বদনামটাই দেখি।’

রুজানা চুপ। আমি আরো বলি, ‘একে একেবারে ঝেড়ে ফেলে অন্য কিছু করা ভালো।’ কিন্তু সে বলে কিনা, ‘সম্পূর্ণ নতুন কিছুতে অভিজ্ঞতা হতে হতে, দাঁড়াতে দাঁড়াতে কমপক্ষে পাঁচ বছর। আবার অন্য কিছু যে আমি বুঝব সে নিশ্চয়তাই-বা কই?’

আমি চুপ।

রুজানা বলল, ব্যবসা একটা পারিবারিক শিক্ষা। এটা সে শৈশব থেকে দেখে দেখে শিখেছে। নতুন কিছুর চাইতে বরং রূপান্তর করাই বেটার। ‘রূপান্তরের মাধ্যমে আমরা দুর্দান্ত কিছু করতে পারি। আমি সেটাই করতে চাই। যেহেতু সেই অভিজ্ঞতা আমাদের আছে।’ বলল সে।

আমি হাঁ হয়ে যাই। এই মেয়ে ত আসলেই সাংঘাতিক। বলে কিনা, ‘ব্যাংক ব্যবসা ত আকাশ থেকে পড়ে নাই। এটা মহাজনি সুদ ব্যবসারই মডিফায়েড ভার্সন।’

আমি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে চুপ থাকলাম।

রুজানা বলল, সে ভেবেছিল শেষ পর্যন্ত এসব আমিই করব।

‘আমাকে নিয়ে কিচ্ছু ভাববি না।’ আমি রেগে বললাম, কিন্তু রুজানা নির্বিকার কণ্ঠে বলল, ‘লোকজন এখন আর আমাদের মন্দ বলে না। এখন বরং অনেকে হিংসে করে। বছর দুইয়ের মধ্যে আমরা চমকে দেবো, দেখায়ে দেবো। এমন জায়গায় চলে যাব না—! তখন ওরা হিংসে করতেও ভুলে যাবে।’

তার মানে তারা দোতলা-তিনতলায় থাকবে। এসি গাড়িতে জানালা-দরজা বন্ধ করে চলবে। চলতি পথে মানুষের পাছায় বাম্পার ঠেকিয়ে হর্ন দেবে। মানুষ তাদের আর চিনতেই পারবে না। পার্থক্য বেশি হয়ে গেলে হিংসা করার প্রশ্ন আসে না। সীমা ছাড়িয়ে গেলে মন থেকেই মুছে যায়।

আমি অবাক। কী সেই পরিকল্পনা? কিন্তু আমি চুপ থাকলাম। ওর সঙ্গে এসব প্যাঁচাল পাড়তে আমার মোটেও ভালো লাগছে না।

রুজানা বলল, ‘আপনাকে যেসব চিঠিপত্তর পাঠাইছিলাম সেসবের কোনো উত্তর ত কোনো দিন দেনই নাই, হয়তো খুলেও দেখেন নাই, তাই না?’

নাহ্। কথা না বললে আর হচ্ছে না। ‘চিঠিতে কি এসবই লিখেছিলি নাকি?’

‘এসব ও আরো অনেক কিছু লিখেছিলাম। চাচির অসুখ, চাচার পাগলদশা, ইত্যাদি। সেসব পড়লে আপনি এতদিন বাড়ি না এসে পারতেন না।’

আমি একটা দীর্ঘশ্বাস লুকিয়ে রাখলাম।

মটরবাইকে এল তরুণ চাচাত সিরাজ। রুজানার স্টাফ। কাঁধ থেকে অ্যাটাচে ব্যাগ নামিয়ে একটা ফাইল বের করল। যারা এ মাসে সুদের টাকা পরিশোধ করে নি আবার অফিসে এসে জানায় নি তাদেরই ক’জনের খবর ফরম ভরে এনেছে। রুজানা সেটা দেখছে। আমি উশখুশ করছি। উশখুশ না করে আমার আর কোনো উপায় নাই?

মঙ্গলগাঁয়ের এক বুড়ো এল। রয়না বিলের জুড়াখাসি নামে ৫০ শতকের একদাগ জমি বন্দক দিয়ে নিজেই আবার লিজ নিতে চায়।

‘কিন্তু ওই নিয়ম ত এখন আর নেই। আপনার জমি বন্দক দিয়ে আপনি অন্য কোনো জমি লিজ নিতে পারেন।’ রুজানা একটা তালিকা দিল বুড়োকে। ‘রয়না বিলে এই জমিগুলো লিজ দেওয়া হবে। পড়তে পারেন?’

বুড়ো লাজুক হেসে মাথা নাড়ালে সিরাজ সেটা পড়ে শোনায়।

‘জমি লিজ নিয়ে চাষ করবে কে? আপনি নিজে নাকি আপনার ছেলে?’

‘ছেলেই করবে।’

‘তাহলে ছেলেকে নিয়ে একদিন আসেন।’

দখিন পাড়ার যুবক মিঠু এল আরেকটা মটরবাইকে। সেও একটা ফরম ভরে তথ্য এনেছে। জমি লিজ নেওয়া লোকদের মধ্যে যারা আগামী বছরের জন্য এখনও টাকা পরিশোধ করে নাই তাদেরই ক’জনের খোঁজখবর।

রুজানা এগুলো নিয়েই দৈনিক সকাল-বিকেল বাপের সাথে বারান্দার খাটে বসে বগবগ করে? তারপর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে এই দুই সুদেহী যুবক? অবশ্য আরো অনেকে আছে। যেমন উত্তর পাড়ার সালাম। সুঠামদেহী দুর্দান্ত যুবক। শুনেছি সে নাকি ভালো লাঠি খেলে। সরাসরি লাঠিখেলা দেখি না কতকাল।

‘লাঠি খেলে কিভাবে?’ রুজানা শুনেছে কিন্তু দেখে নাই।

‘লাঠালাঠি দেখেছিস?’

‘তা ত প্রায়ই দেখি।’

কিছুক্ষণের মধ্যে আরো তিন তরুণ আর দুই তরুণী এল। বাইসাইকেলে। তাদের ব্যাগভরা টাকা আর সবার সাথে একটা করে খাতা।

‘কারো কোনো কিস্তি বাকি আছে?’

‘আমার একটা কিস্তি বাকি আছে। শালুকপাড়ার আমেনা আজ আবার কিস্তি দেয় নাই।’

হিশেব-নিকেশ শেষ হলে রুজানার কাছে টাকা জমা দিয়ে সবাই আমেনার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ল। কিস্তি না দেওয়া পর্যন্ত বসে থাকবে।

আমি এতক্ষণে নিশ্চিত হই ওরা এনজিও ব্যবসা শুরু করেছে। ‘তা কই, সাইনবোর্ড-টাইনবোর্ড ত কিছু দেখি নে।’

‘ছিল। ঝড়ে পড়ে গেছে। নতুন করে আবার অডার দেওয়া হয়েছে।’

আমার বিরক্তি লাগছে। আমি উঠি।

‘তুমার ত সব সময় বিরক্তি লাগে। তুমি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছ।’

এখানকার কোনো কিছুতে মন সায় দিচ্ছে না। সবকিছু যেন কেমন কেমন। অস্বস্তিকর।

সব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে শুধু ভোগে মন দাও, মনু। রুজানা, শিরিনা… আরো কত কত… হাতের কাছেই! বিরক্ত হবার বদঅভ্যাস ছেড়ে দিয়ে প্রেমিক হয়ে যাও! ব্যস!

আচ্ছা ঠিক আছে। এখন তাহলে সেটাই চিন্তা করা যাক। কিন্তু শুধু এতে ত আমার মন ভরবে না। দৈনিক বিকালে আমি ডিঙ্গি নৌকায় পাছা পেতে বসে মাছ ধরতে চাই। সেখানে রুজানা বা শিরিনা সঙ্গ দিলে কেমন হবে তাও ভাবা যায়।

ভাবনার মাঝখানে রুজানা হাজির। আগের মতোই স্বতঃস্ফূর্ত। আমার খোঁজ নিতে এসেছে। সাথে চাচাত রুজানা।

রুজানার কথা শুনে আমি উজ্জীবিত হই কিন্তু সে যখন আগের মতোই উচ্ছল ভঙ্গিতে বলে ‘মনে হচ্ছিল যে আপনি আমার উপর বিরক্ত যেকারণে আপনার সামনে আসতে ভয় হচ্ছিল কিন্তু আজ ভাবলাম যে দেখি এখনও বিরক্ত হয়েই আছেন নাকি মাইন্ড চেঞ্জ হয়েছে’ তখন আমাকে ভাবতেই হলো যে সে যদি ভয়ই পাচ্ছিল তাহলে এখন এমন সাবলীল ভঙ্গিতে আমি শুয়ে থাকা অবস্থায় আমার খাটের পাশে বসল কিবায় আর আমি অবাক হয়ে দেখি সে আসলে আমার ভাইবা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

চাচাত শিরিনাও এল দেখছি। সে চেয়ারে বসল। আমি উঠে বসে খাটের কাঁধে হেলান দিলাম।

রুজানা বলল, সে একটা ব্যবসা শুরু করতে চায়।

‘কিসের ব্যবসা?’

‘আপনি একটা আইডিয়া দেন। আপনি পরামর্শ দিতে পারবেন এমন কিছু হলে বেটার হয়।’

‘কিন্তু ঋণের ব্যবসা নিয়ে একটা প্ল্যান ত তোর আছেই। নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড লিজিং না কী যেন বলছিলি—।’

‘ওটা ত আসলে চাচার প্ল্যান ছিল। কিন্তু চাচা এখন সুদের ব্যবসা ঢিশমিশ করে দেবে বলছে। বয়স হয়েছে ত। মনের মধ্যে পাপের ভয় ঢুকেছে। এখন ব্যবসা ছেড়ে হজে যাবে।’

‘কই, আমি ত এমন কিছু শুনলাম না।’

‘আপনি কী বা শুনতে পান? সব সময় ত কুয়োর ব্যাঙ হয়ে থাকেন।’

‘এই কুয়োর ব্যাঙ তোকে কী আইডিয়া দেবে?’

‘চিরকাল ত আর এমন ছিলেন না।’

‘হয়তো চিরকালই এমন ছিলাম। আমার কাছে কোনো আইডিয়া নেই।’

‘অবশ্য ব্যবসার চাইতে সন্ন্যাসী হয়ে যাওয়া ভালো।’ তার মুখে হঠাৎ এমন প্রসঙ্গে আমি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মতো নড়ে উঠি, ‘মানে কী রে?’ হেসেও ফেলি।


এখন কেউ জীবনের অর্থ খুঁজে না পেলে আত্মহত্যা করে।


সেও হাসে, ‘আসলে কোনো কিছুর ত কোনো মানে নেই, তাই না? শেষ পর্যন্ত সব ফাঁকা। শেষই-বা বলি কেন। শেষ বলে কিছু নেই। অসংখ্য পথ কিন্তু কোনোটার শেষ নেই। এলোমেলো অসংখ্য বিন্দু বা রেখা যেন। তারা আবার যার যার মতো দাম্ভিক। তাদের নড়ানো যায় না। তাদের টলানো যায় না। অসহ্য লাগে। তাই ভাবি বোধহয় আপনিই ঠিক আছেন। কিছু চান না। কোনো প্ল্যান নাই। আমি ভাবছি আরো একধাপ আগায়ে একেবারে সন্ন্যাসী হয়ে যাব।’

‘হা হা হা।’

শিরিনাও তাল দেয়। বলে কিনা, ‘আপু, সন্ন্যাসী হবা কবে?’

‘সুদের ব্যবসাটা ক্লোজ করতে কিছুদিন সময় লাগবে ত। তারপর।’

‘আমাকে তুমার সাথে নিবা কিন্তু।’

‘কিন্তু মুশকিল হচ্ছে,’ আমি বললাম, ‘এখন ত সন্ন্যাসীদের যুগ নেই রে। ওটা মধ্যযুগে ছিল। সন্ন্যাসী দেখলে মানুষ তাদের ভক্তি করত, খাবার দিত, রাত কাটাতে থাকার জাগা দিত।’

‘এখন তাহলে কিসের যুগ চলছে, ভাইয়া?’ শিরিনা বলছিল। আমি তার দিকে তাকালাম। এই তরুণীটাকে সত্যিই ভোগ করা যেতে পারে। রুজানার কথাবার্তায় বিরক্তির কারণে তাকে ভোগের আকাঙ্ক্ষা মাঠে মারা পড়েছে। কিন্তু শিরিনা অন্য রকম, আমি নিশ্চিত।

‘এখন আত্মহত্যার যুগ চলছে রে,’ আমি তার চোখের দিকে চেয়ে বুক আর গলা দেখতে দেখতে বলি, ‘এখন কেউ জীবনের অর্থ খুঁজে না পেলে আত্মহত্যা করে।’ আমি মূলত রুজানাকে খোঁচা দিচ্ছিলাম। তাকে শায়েস্তা করতে পারলে আমি মজা পাই কিনা। কিন্তু সে বলে কিনা, যারা আত্মহত্যা করে তারা নাকি অন্ধ।

‘আর তুই?’

‘আমি কী?’

‘জীবনের মানে খুঁজে পাইছিস?’

‘পাব না কেন?’

‘কী?’

‘ওই যে বললাম, এলোমেলো অসংখ্য বিন্দু বা রেখা যেন?’

‘এটা ত আর্ট হলো না।’

‘আর্ট হতে হবে কেন? জীবনের জন্য আর্ট দরকার। জীবনের আর্ট হবার দরকার নাই।’

‘তাহলে অসহ্য লাগে কেন?’

‘লাগতেই পারে।’

‘সন্ন্যাসী হতে চাস কেন?’

‘চাইতেই পারি।’

‘হা হা হা। আমার এক সিনিয়র ছিল, সে কথায় কথায় বলত, “এটাই লাইফ রে পাগলা এটাই লাইফ!” সবই লাইফ। হা হা হা।’

‘তাই ত।’ রুজানা চমৎকৃত হয়, ‘তা ছিল মানে কী? এখন আর নেই?’

‘থাকবে না ক্যা?’

‘না থাকতেই ত পারে, তাই না?’

‘কী সব বাজে বকছি। তুরা এখন যা।’ রুজানা যদি শিরিকে রেখে যায় তাহলে কী দারুণই না হয়। কিন্তু রুজানা বলল, ‘তারপর আপনি একা একা কী করবেন?’

‘আলসেমি করব। তুরা এখন যাবি?’

‘আপনি কি সারা জীবন এভাবেই কাটাতে চান নাকি?’

‘আমাকে নিয়ে মাথা ঘামাবি না।’

‘মাথা থাকলে ত মাথা ঘামবেই, তাই না? আপনার ত মাথাই নেই।’

‘ত আমাকে এখন কী করতে হবে শুনি?’

‘চলেন আমতলা বসি। ওখানে সবাই আছে।’

‘তোর অফিস নেই?’

‘আপাতত না।’

‘যদি ক্লায়েন্ট আসে?’

‘এলে দেখতে পাব না? আমরা কি দূর মুলুকে যাচ্ছি নাকি?’ রুজানা বিরক্ত। আগে কদাচিৎ বিরক্ত হতো। ইদানীং প্রায়ই হয়। তবে তা আমাকে মজা দেয়। আমি তাকে আরো বিরক্ত করার উপায় খুঁজছি।

কি ন তু। কিভাবে।

আরো ভাবা যাক। প্রচুর ভাবতে হবে, হুম।


৪ পর্বের লিংক

তারেক খান

জন্ম ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫; নড়াইল।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা : নাকশী হাইস্কুল, ভিক্টোরিয়া কলেজ, নড়াইল। বাংলায় এমএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

পেশা : সাংবাদিক। সাব-এডিটর, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

প্রকাশিত বই—

বান্ধাল [উপন্যাস, আদর্শ, ২০১০]
কনডম পলিসি [উপন্যাস, আদর্শ ২০১৪]
সাপের বাসায় চিতল মাছ [কিশোর উপন্যাস, আবহমান, ২০১১]

ই-মেইল : tareckhan@gmail.com