হোম কবিতা প্রিয় ১৫ : তুষার কবিরের কবিতা

প্রিয় ১৫ : তুষার কবিরের কবিতা

প্রিয় ১৫ : তুষার কবিরের কবিতা
275
0

তুষার কবির প্রথম দশকের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি। তার কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১১। কবিতার পাশাপাশি তিনি লিখে চলেছেন কবিতা-বিষয়ক গদ্য। এ যাবৎ প্রবন্ধের বই তার ১টি।

পরস্পর-এর ‘প্রিয় ১৫’ সিরিজে এবার প্রকাশিত হলো কবির প্রিয় ১৫টি কবিতা…


তাঁবু

ওখানেই পড়ে আছে যত ঘুমের ঘুঙুর;
মদ মোহ প্রেম কাম আর মধু—
যারা শুধু চাইছে কেবলি আজ ডুবে যেতে
অভ্র, ভায়োলিন আর ভ্রমরের স্বরে—

তাদের আস্তিনে দ্যাখো জমে আছে
সিরামিক রোদ, পরিযায়ী তিতিরের ডানা—
ওষ্ঠের কুঠুরি খুলে তারা জড়ো করে
লালাভ দ্রাক্ষার রস, চকমকি প্রিজমের কণা!

তন্দ্রালস তুন্দ্রাঞ্চল থেকে উঠে আসা
এই তাঁবু—নভোনীল থেকে দেখা যাচ্ছে
ঠান্ডা বরফকুটির—ঝলসানো হরিণীর ঘ্রাণে
শিকারির বুনো রক্ত মেতে ওঠে কুহক বিভ্রমে!

তাঁবুর নিচেই আজ চাইছি দু’হাতে
শাদা শাবকের ডানা, মেদহীন তরুণীর নাভি—
কোয়েল যেভাবে ঘুম দেয় সেই
পালক ছড়ানো ঘুম—স্বর্গভ্রষ্টা ডাকিনীর চাবি!


স্নানঘর

সবকিছু সাজানো রয়েছে এই জলঘরে; শ্বেতপায়রার
হালকা পালক, চারকোনা সুগন্ধি সাবান,
জলে ভেজা ঠান্ডা আমলকী, লাইলাক ফুলের মঞ্জরি হাতে
ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে সব কৃষ্ণ ক্রীতদাসীগণ—

পদ্মসরোবরের পাশ ঘেঁষে কাঠের দরজা, শ্বেতাভ ধোঁয়ার
মাঝে ধীরে ধীরে ঝরে পড়ে শুদ্ধ জলধারা;
দরজা খুলতেই ভেসে আসে শাদা কাকাতুয়ার প্রেমগীতি
আর চুলখোলা ডাকিনীর ডাক—

ভেজা অন্তর্বাস খুলে স্নানঘরে যাচ্ছে পৃথিবীর দেবীগণ;
ঘুমঘোর ঈষৎ গোলাপি পাপড়িগুলো ঝরে পড়ছে
সরোবরের পেলব নাভিতে—নীলাভ পেয়ালা জুড়ে হরীতকী—
জবজবে তোয়ালে জড়িয়ে সব বেরিয়ে আসছে এই স্নানঘর থেকে—

জলের রমণে আর সুরের মর্মরে দেবীগণ আজ সকলেই
শুদ্ধতমা জলের প্রতিমা—শতাব্দী পুরনো এই জলমগ্ন স্নানঘরে!


নর্তক

এই ঝাড়বাতিঅলা নাচঘরে, জানি তুমি হারিয়ে ফেলেছ সেই নৈশমুদ্রা—যার পলাতক ভাঁজে ভাঁজে জড়ো হয় আঁধার রাত্রির স্বরগ্রাম!

কামিনী ফুলের ঘ্রাণে যে নর্তকীরা জেগে ওঠে সরাইখানার কুঠুরিতে; তাদের কন্ঠের ফাঁক গলে কেবলি বেরিয়ে আসে ঘোড়ার খুরের ধ্বনি—তাদের কাঁচুলি চিরে জেগে ওঠে মোহ, মায়া, মদ, দ্রাক্ষা, পাপ আর প্রহেলিকা!

নর্তক, তোমার নাচে আজ গড়িয়ে পড়ছে শুধু ঘুঙুরের দানা—নাচঘরে ছড়িয়ে পড়ছে দ্যাখো সুরের আরক—মৃদু হাতে বেজে যাওয়া এসরাজে ভেসে যাচ্ছে ভেজা ভেজা রক্তের কোরক!


ছাতিম বালিকা

ছাতিম বালিকা, তোমাকে রাধার মতো লাগছিল বিকেলের ধূলিচেরা রোদে।

তোমার কুমুদ সুরে—ডাহুকী ও ডাকিনীর স্বরে—দ্যাখো এ শরতে আমি হেঁটে যাচ্ছি কোনো নীল ময়ূরীর পুরনো ডেরায়—অরণ্যের সরুপথে—জেগে ওঠা ঘাসের জঙ্গলে! তার পাখসাটে শুনে যাচ্ছি শুধু বেজে ওঠা ঘুমের কিন্নরী!

সান্ধ্য মাধুকরী, আমি টের পাচ্ছি তোমারই হাওয়া হরিৎ গান—এ শরতে সোনা পুড়ে যাওয়ার ঘ্রাণ ভেসে আসে কোনো সোনারুর পাতার কুটিরে!

মুঠোভরা রঙিন টিকিট হাতে আমাকে ডাকছে দ্যাখো টিনশেড শেফালি অপেরা!

ছাতিম বালিকা, তোমারই ভেজা ভেজা শাড়ির আঁচলে আজো খুঁজে পাই কাশফুলের প্রকাশবিভা, কামিনীর ধূপজ্বলা ঘ্রাণ আর শারদীয়া রাধার তনুকা!


প্রেম ও প্র্যাকটিস

এতদিন ঘুরে ঘুরে তুমি বুঝে নিয়েছ যেনবা প্রেম কিছু নয়; কেবল একটা প্র্যাকটিস!

যেমন চায়ের কাপে তুমি রোজ যে ক’চামচ চিনি খাও, আপেলে কামড় বসানোর পর তা যতক্ষণ চিবোতে থাক, পপকর্ন খেতে খেতে উড়ে যাও হালকা হাওয়ার ভেতর, রেস্তোরাঁয় বসে বসে বিড়বিড় করে সুর ভাঁজ, ভাঁটফুলে বুঁদ হয়ে যেমন খুঁজতে থাক কোনো ভ্রমরের পদচ্ছাপ!

ভুলে যাওয়ার পর প্রেমিকাকে মনে হতে পারে ওটা এক সাদাকালো আর্কাইভ—যেমন কবিতা লেখা ভুলে গেলে একদিন তোমারও মনে হতে পারে ওগুলো আর কিছুই নয়—খালি টুকরো টুকরো ছন্দ আর শব্দের ফসিল!


বয়ঃসন্ধি; বর্ষা

জরির ওড়নাটা তোর
উড়ছিল ভীষণ আজ
টালমাটাল হাওয়ায়?

বুক দু’টো অযথাই
দ্রুতশ্বাস কাঁপছিল
বনঘুঘু’র ডাকে?

অলীক পিয়ন এসে
তোকে আজ মুঠো মুঠো
চিঠি দিয়ে গেছে?

ইশকুলে চকের গুঁড়ো
দু’হাতে উড়িয়েছিস তুই
ভবঘুরে মেঘে?

কে যেন বুকঝিম
হানা দ্যায় তোর চোখে
পাঁজরের অতল গহিনে?

মেয়ে; আজ তুই ঋতুবতী—
চল ভিজে ভিজে শুদ্ধ হই
বিশদ শ্রাবণে!


জঙ্গলে

জঙ্গলের তৃণপথে হেঁটে যাই বিকেলের শেষ রোদে। পুরনো ছাতিম গাছে নিকেল ঘণ্টির সাইকেল খানিক হেলান দিয়ে রেখে আমি হেঁটে যাই জেগে ওঠা ঘাসের জঙ্গলে। কোত্থেকে যেনবা ভেসে আসে শুধু ময়ূরীর মনোলগ—তার মৃদু পাখসাটে মৃদঙ্গ বাজে ধীর লয়ে! কোথাও বা সুর ওঠে দরবার-ই-কানাড়ার; কান পেতে আমি শুনে যাই বাগ্‌দেবীর কড়া নাড়া! জঙ্গলের কিছুটা ভেতরে গিয়ে দেখি এক ঘুমঘোর সরোবর—যার ছেঁড়া ছেঁড়া পদ্মের কোরকে বেজে ওঠে দূরের সরোদ! টোপাজ পাথর জ্বলে চকমকি রোদে—ফুঁসে ওঠা সাপের ফণার নিচে; তার জ্যোতির দ্যুতিতে আমি মিশে যেতে থাকি হাওয়া ও হরিদ্রায়! এ জঙ্গলেই আমি লিখে যাচ্ছি দ্যাখো ধূলিতে মোড়ানো প্রেমগাথা, রক্তের হরফে লেখা ভাঁজপত্র আর ছড়ানো পথের নোটবুক!


নায়িকার ছবি

সবাই অপেক্ষা করছে রুদ্ধশ্বাসে; টালমাটাল উত্তেজনায়! কখন নায়িকা আসবে, উঠবে মঞ্চের পাটাতনে। কীটদষ্ট অন্তর্বাস ঠেলে কখন বেরিয়ে আসবে নুয়ে পড়া এক জোড়া স্তন! যাত্রার বিউগলের ফাঁকে ফাঁকে নায়িকাটা খেয়ে নিচ্ছে বেদানার রস। মেখে নিচ্ছে ঠান্ডা পাউডার। ক্যাশবাক্সে বসে চালানের টাকা গুনছে বেঘোর মহাজন। মুঠোভরা রঙিন টিকিট সব বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। বাইজিটা উতলা নাচছে। কীটদষ্ট অন্তর্বাস ঠেলে বেরিয়ে আসছে এক জোড়া ঠান্ডা স্তন।


শীতচিঠি

শীতের চিঠিরা ওড়ে—জেগে ওঠে মোহ, মায়া, ভ্রম
কে যেন শীতের ব্যথা লিখে যায় অচল পয়ারে
রেস্তোরাঁয় সুর ওঠে—সরাইখানায় জাগে প্রেম
শীতের ওমের খোঁজে চিঠি লেখে কে আর কাহারে!

মধুকণ্ঠি প্রেম জাগে—আরো জাগে রতির পালক
শীতলাগা বেড়ালের চোখে নাচে ঘুম আশাবরী
তাঁবুর মাঝেতে জানি জড়ো হয় খড়ের কোরক
বেজে যায় একটানা—সান্ধ্যস্বরে দূরের কিন্নরী!

তুমিও শীতের কাছে চাও শুধু রক্ত, মাংস, ওম
দূরের পয়ারে দ্যাখো বেজে যায় কান্না পরম্পরা
শীতের সরোদ শোনো—শুধু জাগে প্রত্ন দুঃখক্রম
তোমার নাভির খাঁজে আছে জানি দূর সন্ধ্যাতারা!

শীতের শরীর খুলি, খুলে যায় পাখোয়াজ ভাঁজ
কিছুটা প্রেমের টানে জেগে ওঠে ধূলির পথিক
শীতের বাকল নাচে—ঘুঙুর সুন্দরী দ্যায় নাচ
ঘোড়ার কেশরে দ্যাখো জেগে ওঠে শীতের লিরিক!


সৈকতে তাঁবুর নিচে

অই রৌদ্রছায়া পার হয়ে পেয়ে যাই দীর্ঘ নারিকেল সারি, তিয়াসার তরুবীথি, জানি এখানে জমানো আছে যত বুকঝিম ঘুমের কিন্নরী—আর তুমুল আছড়ে পড়া ঢেউ! এ সমুদ্রতীরে আছে কিছু প্রত্নপ্রায় প্যাঁচা—চোখের কোটর বেয়ে নেমে যায় তাদের গহিন জলধারা, মর্মচেরা মার্মেইড তার ঝাঁপি খুলে কেবলি শুনিয়ে যায় বীণাবাদকের কান্না! অই লাল টালিঘর পার হয়ে অবলুপ্ত মঠের কিনারে পর্তুগিজ এক পর্যটক হেঁটে যায়; চকচকে বালির ভেতর জবুথবু শুয়ে থাকে জেলিমাছ—ঝাউয়ের ঝাড় পার হয়ে কেউ যেন শুনতে থাকে অবিশ্রান্ত সমুদ্র সংলাপ, ভগ্ন বালিয়াড়ি ছেড়ে সূর্যাস্তের জলছাপে উড়ে যায় এক সারসের গ্রীবা। অই দূর বাতিঘর থেকে দেখা যায় জোয়ারের স্রোতকান্না—গাঙচিল মেলে দেয় তার সুবিশাল ডানা—নক্ষত্রেরা উঁকি দেয় জলস্রোতে—এ দৃশ্যবিভ্রমে ঘুরপাক খেতে থাকে মনোভূমি—দেখি সৈকতে তাঁবুর নিচে বসে!


জঙ্গল ও তাঁবু

তোমাকে আগেও আমি বলেছি প্রেমের জন্যে আমার একটা নিঝুম জঙ্গল চাই! অথবা প্রেমের জন্যে আমার একটা নিঃশব্দ রিসোর্ট চাই! কমপক্ষে আমার একটা সুনসান তাঁবু চাই!

অথচ তোমার পাশে বসতেই কোত্থেকে যেনবা কিছু ছায়াশরীর এসে জুড়ে যায়—তারা আচমকা ঘিরে ধরে আমাদের—তাদের চোখের লেন্স ধরে ফেলে রেস্তোরাঁর আলোআঁধারিতে হাত ধরে বসে থাকা আমাদের!

জঙ্গলের গহিন ভিতরে একটা তাঁবুর জন্যে অপেক্ষা করছে আমাদের প্রেম!


শ্যামাচূড়া

শ্যামাচূড়া তোমাকেই জপি
ঘোরলাগা বসন্ত বাতাসে—
নর্তকের ঘুমের মুদ্রায়
উড়ে আসা ঘুঙুর বিলাসে।

এ বন্দনা তোমারই দিকে
ধূলিপথে সুরের প্রহরে—
কত্থকের কোমল কোরকে
নম্রস্রোতা নদীর কিনারে।

ভাটির কাহনে লেখা আছে
বজরায় ঘুমোন ঈশ্বরী—
জলসিঁড়ি পয়ারের সুরে
কবিঘরে আসে পদ্যপরি।


সরোবর

রক্তকোরকের নিচে ওটা জেগে আছে; শীতের হাওয়া
তার রঙিন প্রচ্ছদ খুলে বের হয়ে যাওয়ার আগে
প্রান্তরের মুদ্রিত কুয়াশা দ্যাখো
তোমাকে জানিয়ে গেছে অসমাপ্ত শীতবার্তা!

আর শীতের ধোঁয়াটে ভোরে অই ঘুমঘোর সরোবর থেকে
একে একে ভেসে ওঠে কিশোরীর শীতচিঠি,
পিয়ানোর রিড, লকলকে হেমলক,
বকের পালক আর শালিকের সিলিকন ডানা।

কুয়াশার ক্যারাভানে তুমি নগ্ন শুয়ে আছ
শীতলাগা বেড়ালের মতো; আর আমি চকমকি পাথরের খোঁজে
পুরনো প্রান্তর ছেড়ে এই শীতে
হেঁটে যাই প্রত্নশহরের আরো কিছু দূরে—

দেখি শ্বেতধোঁয়া সরোবরে ভেসে উঠছে
কবিতার বুদ্বুদ; যার ধোঁয়াশা গোলকে দেখা যাচ্ছে
লাল কার্ডিগান পরা তুমি শুয়ে আছ
পাতাঝরা হরিৎ ডেরায়—দুরারোগ্য শীতঘুমে!


নাবিক ও গণিকা

যে নাবিকেরা নতুন নতুন গণিকার খোঁজে নেমে যেত গন্তব্যে পৌঁছার আগেই কোনো আলোআঁধারিময় বন্দরে—দ্যাখো তারা আজ লাল পেনশন বই আর খোঁচা খোঁচা দাড়ি নিয়ে জবুথবু হেঁটে যাচ্ছে এক সস্তা সরাইখানার পাশ ঘেঁষে!

শহরের যেকোনো প্রাচীন কয়েদিঘরেও ঠাঁই হতে পারত তাদের—অথচ তাদের মাথাভর্তি সমুদ্রের শব্দ আর তেল চিটচিটে অন্তর্বাসের ঘ্রাণ!

মাঝরাতে কতিপয় কয়েদি নাবিক হেঁটে যায়—জাহাজের সাইরেনে চাপা পড়ে যায় পাপ ও পতনের দাগ!


সরাইখানা

রুটি ও আখরোটের ঘ্রাণে ঘুরে ঘুরে আমি পৌঁছে যাই এক সান্ধ্য সরাইখানায়। উটের চামড়া দিয়ে মোড়া গালিচায় বসে দেখি জানালার ফাঁক গলে আছড়ে পড়ছে ফালি ফালি চাঁদের টুকরো। এ সরাইখানার পাশেই আছে এক কয়েদিঘর যার কার্নিশ থেকে উড়ে আসে কয়েকটি বুনো প্রজাপতি। মদ, মধু ও রণলিপ্সা উস্কে দিয়ে কামিনী ফুলের ঘ্রাণ চকিতে ছড়িয়ে পড়ে সরাইখানার বারান্দায়। হ্রেষা জাগে ঘোটকীর—পুরনো খড়ের গন্ধে—নৈশ আস্তাবলে। পিয়ানোর টুংটাং সুর আর তরল আরক শেষ হওয়ার পর খুলে যায় নীলাভ নেকাব—বেজে ওঠে নর্তকের কর্তিত ঘুঙুর। সরোদের তার ছিঁড়ে বেজে ওঠে ছিন্ন আঙুলের কান্না। পয়ারের অন্ত্যমিল না দিতে পারায় এক তরুণ কবির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় পড়ে শোনায় এক প্রাজ্ঞ পুরোহিত। আচমকা সরাইখানায় নেমে আসে নীরবতা। তক্ষকের মায়া ডাকে শুধু শোনা যায় রাতচেরা লালাবাই। সম্রাজ্ঞীকে প্রেম নিবেদন করা এক প্রেমিক কবিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় ফাঁসিকাঠে। আততায়ী চাঁদের আলোয় খসে পড়ে যাজকের রঙিন রুমাল। আর একটু দূরেই পড়ে থাকে কবির রক্তাভ দেহ—খণ্ডিত মস্তক!

তুষার কবির

জন্ম ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬। এম.বি.এ. (মেজর ইন মার্কেটিং), সম্মানসহ স্নাতকোত্তর (ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

কাব্যগ্রন্থ—

বাগ্দেবী আমার দরজায় (২০০৬)
মেঘের পিয়ানো (২০০৭)
ছাপচিত্রে প্রজাপতি (২০০৮)
যোগিনীর ডেরা (২০০৯)
উড়ে যাচ্ছে প্রেমপাণ্ডুলিপি (২০১০)
কুহক বেহালা (২০১২)
রক্তকোরকের ওম (২০১৪)
ঘুঙুর ছড়ানো ঘুম (২০১৫)
তিয়াসার তৃণলিপি (২০১৬)
হাওয়াহরিৎ গান (২০১৭)
ধূলি সারগাম (২০১৮)

কবিতা-বিষয়ক প্রবন্ধ—
কুঠুরির স্বর (২০১৬)

সম্মাননা—

‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০১৬’
‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০১৫’

ই-মেইল : tusharkabir100@gmail.com