হোম অনুবাদ ‘কার্ল মার্কস অ্যান্ড ক্রিটিক অব মডার্ন সোসাইটি’ নিয়ে আলাপ

‘কার্ল মার্কস অ্যান্ড ক্রিটিক অব মডার্ন সোসাইটি’ নিয়ে আলাপ

‘কার্ল মার্কস অ্যান্ড ক্রিটিক অব মডার্ন সোসাইটি’ নিয়ে আলাপ
886
0

১৫০ পঞ্চাশ বছর আগে কার্ল মার্কসের পুঁজি গ্রন্থটির প্রথম ভলিউম প্রকাশিত হয়েছিল এবং আজকে ২০১৮ সালে তার ২০০তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপনকে ঘিরে জার্মান ফেডারেল বৈদেশিক অফিসারের অনুমোদনে ‘ফ্রাঙ্কফ্রুটার বুকমেসা’ প্রকাশ করে কার্ল মার্কস অ্যান্ড ক্রিটিক অব মডার্ন সোসাইটি বিষয়ক বইটি। এ বইতে মার্কসের জীবনী, তার লেখালেখি ও কাজের বিশ্লেষণ রয়েছে। আজকের দুনিয়ায় মার্কসের ধারণা এবং চিন্তাগুলো কেন এখনো পর্যন্ত যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক, এইসব বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বার্লিনের বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মিশাইল হাইনরিশ, যিনি অনেকদিন ধরে মার্কসের উপর গবেষণা করছেন এবং কয়েকটা বইও লিখেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, Frankfurter Buchmesse বিভাগের শিক্ষানবিশ জুলিয়া বিয়েরমান। 


ভূমিকা ও ভাষান্তর : দেবাশীষ ধর


সা ক্ষা কা


জুলিয়া বিয়েরমান

২০১৩ সালে দাস ক্যাপিটাল ভলিউম ১ এবং দ্য কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো ইউনেস্কো বিশ্ব নিবন্ধিত স্মৃতি’তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর মানে কি সবার কার্ল মার্কস পড়া উচিত? এবং আমরা সহজেই মূল পাঠ হতে কিভাবে এর দ্বার খুলতে পারি?

মিশাইল হাইনরিশ

আগ্রহী যে কোনো কাউকে পুঁজিবাদের মৌলিকত্ব বুঝতে এবং পুঁজিবাদী সমাজের গতিপ্রক্রিয়া কিরকম হওয়া উচিত তা উপলব্ধি করতে হলে মার্কসের লিখাগুলোতে আগে চোখ বুলাতে হবে এবং অবলোকন করতে হবে। এখনো এটা মনে রাখা আবশ্যক যে, শুরুর দিকে তার লিখা কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো ছাপা কপি আকারে বেরিয়েছিল যেটি চল্লিশ পৃষ্ঠার কম, যা সে-সময় খুব বেশি একটি ‘বিতর্কমূলক ক্ষুদ্র পুস্তিকা’। এবং এর প্রায় বিশ বছর পর প্রকাশিত তার ক্যাপিটাল বইয়েই তার পাণ্ডিত্যপূর্ণ জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণগুলোর স্বরূপ পরিলক্ষিত হয়। ক্যাপিটালেও মার্কস তার ম্যানিফেস্টো থেকে সবকিছুকে তুলে ধরতে পারেন নি যদিও-বা এটা সত্যি যে তিনি ‘ম্যানিফেস্টোতে’ই পুরোদস্তুর ন্যূনতায় যেটুকু পূর্বাভাস দিয়েছিলেন তা ক্যাপিটালে ওভাবে সংযুক্ত হয় নি। প্রসঙ্গক্রমে আমি মার্কসীয় পাঠচর্চায় ওরকম খুব বেশি জটিল কিছু খুঁজে পাই নি। বরং সমস্যাটা হচ্ছে প্রথমদিকে পড়তে বেশ জটিলভাব এবং সম্ভবত কিছুটা বিভ্রান্ত, ভাসা-ভাসা মনে হলেও এইভাবে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়তে থাকলে এবং অন্যদের সাথে আপনার পাঠের আলোচনার মধ্য দিয়ে এর গুরুত্ব আরো অনুধাবন হতে থাকে। এইভাবে হয়তো বিভিন্ন সূত্রপাত আলোচনার মধ্য দিয়ে অবলোকন করে নিতে হয়—যদিও এই সূত্রপাতগুলো তার ক্যাপিটাল বইয়ে সমস্ত বিশ্লেষিত আছে যা পড়ে অবশ্য অনুধাবন করা যায়।

34644227_1972468839441383_1932766799670018048_n
মিশাইল হাইনরিশ

জুলিয়া বিয়েরমান

 আজকের দুনিয়ায় মার্কস কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ?

মিশাইল হাইনরিশ

মার্কস সমাজ, দেশ এবং অর্থনীতিকে পুরো একটা রাষ্ট্র হিসেবে দেখেছেন। তখন এই সময়গুলোতে ওগুলোকে সবসময় আন্তঃবিষয়ক বলে অভিহিত করা হতো। মার্কসের মধ্যে কিন্তু আমরা সবকিছু এমন দেখতে পাই না। আজকের দুনিয়ায় অর্থনীতির পাণ্ডিত্যের ক্ষেত্রে এই বিষয়সমূহ সমালোচনার রীতিবিরোধী হয়ে অনুপ্রবেশ করেছে স্বতন্ত্রভাবেই এবং এই বিচারবোধে তার অনেক বিষয়সমূহ পুরোপুরি সহজে স্বীকৃতি পায়। মার্কস কিছু মৌলিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলেন। পণ্যদ্রব্যগুলোকে তাদের উপযোগিতা বৃদ্ধিতে অর্থ প্রদানে এর অর্থনৈতিক মূল্যসহ এটাকে তিনি সহজভাবে মেনে নেন নি। তিনি প্রশ্ন তুলেন, কিভাবে এটা সম্ভব? বস্তুর প্রয়োজনীয়তা এবং বস্তুর মূল্য উভয় ক্ষেত্রে কি পণ্যদ্রব্যসমূহের এই দ্বৈত প্রকৃতি অর্থনীতি প্রকৃতিকে আমাদের কাছে দৃষ্টিগোচর করতে পারে? এটাই কি প্রকৃতপক্ষে অবশ্যম্ভাবী? একইভাবে আজকে এমনকি পুঁজিবাদীদের সমালোচকরা এই মৌলিক প্রশ্নগুলোকেই কদাচিৎ সামনে নিয়ে আনেন। এমনকি এই প্রশ্নগুলোর সাথেও লড়াই করতে মার্কসের উত্তরগুলোই যে যথেষ্ট কিছু জানাতে পারে, এর সাথে তাদের অনেকেই আছেন যারা হয়তো একমত নন।

জুলিয়া বিয়েরমান

মার্কসের চিন্তা ও বিশ্লেষণগুলো থেকে কিভাবে আমরা ভবিষ্যতের সমাজ গঠনে কাজে লাগাতে পারি?

মিশাইল হাইনরিশ

প্রথমত মার্কস থেকে আমরা এটা শিখতে পারি যে, কী কী সম্ভব নয়। এখানে অর্থনৈতিক সংকট কিংবা বেকারত্ব এইসব পুঁজিবাদী সমাজে সবসময় বহাল থাকবে। যখন রাজনীতিবিদরা বলেন আমাদের ২০০৮/ ২০০৯ সালের দিকে সর্বশেষ বড় অর্থনৈতিক সংকটের পর ব্যাংক কোটি কোটি ডলারের ঋণ জামানত দিয়েছিল, যার মধ্য দিয়ে এটা নিশ্চিত হয় না যে এসব নিরন্তর ক্রমাগত এবং বার বার ঘটতে থাকবে না, তখন এই জায়গায় মার্কসের দৃষ্টিভঙ্গিকে আপনি স্পষ্ট করতে পারেন। এমনকি এটাকে নিবারণ করার মতো ক্ষমতাও আপনার মধ্যে বিন্দুমাত্র নেই। যতক্ষণ আমরা এই পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে আছি ততক্ষণ এর ‘বাস্তবিক কুণ্ঠাগুলো’ জনসাধারণের উপর শাসন করবে। এবং মিসেস মার্কেলের কথায়, আমরা সবসময় এবং জটিলভাবে না গিয়ে ‘বাজার নির্ভর গণতন্ত্র’ আহবান করতে থাকব। কিন্তু এতেই আমাদের পর্যাপ্ত হয় না, যদি আমরা বিকল্প হিসেবে একটা ‘গণতন্ত্র নির্ভর অর্থনীতি’ চাই, যা অনবরত অত্যধিক লাভের প্রতি অন্ধ অনুসরণে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং উৎসগুলোর যাতে কোনো ক্ষতি না হয়ে এমন একটা অর্থনীতি হতে পারে, তখন আমাদের প্রগতিবাদী অর্থনীতির পুঁজিপতি ব্যক্তি বা ধনিক সংগঠনকে রাজনৈতিকভাবে আমূল পরিবর্তনে চিন্তাভাবনায় গড়ে তুলতে আমাদের প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। আর এইক্ষেত্রে অনেককিছুতে মার্কসের বিশ্লেষণগুলো আমাদের সাহায্যে লাগতে পারে।

34509888_1972471116107822_6880460487759233024_n


জুলিয়া বিয়েরমান

কার্ল মার্কস অ্যান্ড ক্রিটিক অব মডার্ন সোসাইটি বইটিতে কেবল মার্কসের লেখালেখি এবং জীবনবৃত্তান্ত সম্পর্কে নয়, তার কাজ এবং চিন্তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণসমূহ নিয়ে অনেক কিছু অন্তর্ভুক্ত আছে, এছাড়াও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাকে নিয়ে এ-বিষয়ক আরো অনেক বই প্রকাশিত হলো যেখানে সমাজ এবং অর্থনীতির বিকল্প পরিবর্তনের কথা উচ্চারিত হয়। আপনি এসব ধারণাগুলোর মধ্যে কিরকম সম্ভাবনার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করছেন? এগুলো কি আসলেই বাস্তব সম্মত?

মিশাইল হাইনরিশ

এসব সম্ভাব্য বিকল্প পরিবর্তনগুলো বেশ নানাবিধ উদ্দেশ্যের যা বইগুলোতে লিপিবদ্ধ আছে। আমার মনে হয় না এ নিয়ে কারোর কোনো মহাপরিকল্পনা আছে কিংবা এর কোনো সমাধানের চিন্তা। কার্যত এইসব দ্বন্দ্বময় বিষয়গুলো অগ্রাহ্য না করে এগিয়ে এসে আমাদের একটি আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন—অন্ততপক্ষে আমরা কিভাবে বাঁচতে চাই, কিভাবে কাজ করতে চাই, কী ধরনের সমাজ চাই আমরা, এই প্রশ্নগুলির দিকে যথার্থভাবে আমাদের মনোযোগ থাকবে। কেবল অধিকতর উন্নতি, আরো অধিক লাভ, অধিক মজুরি—এই ‘অধিকতর’ জল্পনামূলক সস্তা ভাবনাটাই সবকিছুর সমাধান যা আমরা প্রতিনিয়ত লালন করছি আমাদের কানাগলিতে। বাস্তবে আমাদের আর কত অধিক প্রয়োজন? প্রকৃতপক্ষে আর কত দূর পর্যন্ত এগুতে থাকলে আমাদের আরো অধিক চাহিদা পূরণ হবে? অধিক থেকে অধিকতর হবে? এবং আমরা কি নিয়মিত ‘আমাদেরকে’ নিয়ে কথা বলতে পারি? এটা কে উল্লেখ করবে? প্রশ্নগুলো নিয়ে বিকল্প প্রস্তাবিত সম্ভাব্যগুলোকে এক করে ভাবলেই হয়তো একটা সম্ভাবনীয় ধারণা তৈরি হতে পারে আলোচনার মধ্য দিয়ে এবং কিভাবে আমরা এর চর্চা রপ্ত করতে পারি তা চিন্তা করার।

34469762_1972472616107672_7113472294747373568_n
কার্ল মার্কস

জুলিয়া বিয়েরমান

‘কার্ল মার্কস’-এর জীবন আর কর্ম নিয়ে আপনারও অনেক পড়াশোনা আছে এবং বর্তমানে একটি নতুন বায়োগ্রাফি নিয়ে কাজ করছেন। মার্কস যে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করতেন এবং অনেক বছর নির্বাসনে জীবন যাপন করেছিলেন তা আজকের সাংবাদিকদের কাছে স্মৃতিবহ হিসেবে কাজ করে। এ থেকে আমরা কি পরিসমাপ্তি অঙ্কন করতে পারি?

মিশাইল হাইনরিশ

১৮৪২ সালে মার্কসের মূল্যবান প্রথম প্রবন্ধ ‘Comments on the Latest Prussian Censorship Instruction’ যাতে তিনি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষণে একজন প্রতিরোধমুখী হয়ে লিখেছিলেন এবং প্রবন্ধটি প্রুশিয়ার কোথাও প্রকাশ করে নি, যা এটি পরে সুইজারল্যান্ডে ছেপেছিল। ১৮৪৯ সালের দিকে মার্কসকে তার পত্রিকায় নগর কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করার কারণে অভিযুক্ত করা হয়েছিল এবং কোলনে তাকে আটক করে রাখা হয়। অন্যদিকে নগরবাসীর জুরি আদালতে মার্কস সরকারি বিচারকদের ফাইনাল জবাবে আত্মপক্ষ হয়ে উপযুক্ত বক্তব্য রাখেন এবং আদালত থেকে খালাস পেয়ে তার নিজের প্রতিরক্ষায় এইভাবে জয় লাভ করেন। পরবর্তীকালে, অবিলম্বে তাকে যে কোনো উপায়ে লন্ডনে নির্বাসিত করা হয়েছিল। আজকে, আমরা দেখি বেশিরভাগ দেশে সংবিধান কর্তৃক সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা এবং প্রতিশ্রুতির বচন দেয়া হয়েছে— যদিও তা কিন্তু খুব বেশি সহায়ক নয়। বিভিন্নভাবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কেবল ভয়ভীতি ক্ষমতা প্রদর্শন হুমকি এমনকি হত্যা খুন এসবের মধ্য দিয়ে নয়; বর্তমানে গনমাধ্যমের স্বাধীনতাকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশলে বিনাশ করা হচ্ছে। তুর্কিতে এখন, সরকারি সমালোচনার দৃষ্টিতে সাংবাদিকরা ‘সন্ত্রাসবাদের সমর্থক’ বলে অভিযুক্ত, যা কোনো প্রমাণ ছাড়াই অযৌক্তিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা চালিয়ে যেতে থাকে। হাঙ্গেরিতে গণমাধ্যমের দ্বার সরকার নিয়ন্ত্রিত কোম্পানিদের কেনা এবং এর সাথে সংযুক্ত। সম্প্রতি জার্মানিতে, একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক সাংবাদিকরা, যারা ইতিমধ্যে হামবারগে জি ২০ সাম্মিটের জন্য বেশ কৃতিত্বপূর্ণ সম্মান পেয়েছিল অথচ আবার হঠাৎ করেই তা প্রত্যাহার করা হয় কোনো অজানা কারণে। ধরুন এখন মার্কসীয় যুগে আমরা, তাহলে সংবাদপত্রের বা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার রক্ষা করার জন্য বার বার এবং আমাদের জয়ের জন্য অবিরত লড়াই অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।34415293_1972624492759151_5413286753068908544_n


[মিশাইল হাইনরিশ জার্মানির হাইডেলবার্গ এবং বার্লিনে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান এবং রাজনীতি বিজ্ঞান বিষয়ে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। তিনি বার্লিনে ‘ফ্রি বিশ্ববিদ্যালয়ে’ রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ভিয়েনায় একজন পরিদর্শন অধ্যাপক হিসেবেও নিযুক্ত ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি বার্লিনে ‘স্কুল অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইকোনোমিক্স’ রাজনৈতিক অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি মার্কসীয় তত্ত্ব নিয়ে বেশ কিছু নিবন্ধ এবং বই লিখেছেন। সম্প্রতি তিনি কার্ল মার্কসের জীবনী নিয়ে তিন ভলিউমে ‘Karl Marx and the Birth of Modern Society’ নামে বই প্রকাশের প্রস্তুতি নিয়েছেন, তার মধ্যে এটার প্রথম ভলিউম ২০১৮  ‘Schmetterling Verlag’ তে প্রকাশিত হয়।]

দেবাশীষ ধর

কবি, গল্পকার, গদ্যকার ও অনুবাদক। জন্ম ৫ জানুয়ারি, ১৯৮৯; চট্টগ্রাম।

শিক্ষা : গণিতে স্নাতকোত্তর, চট্টগ্রাম কলেজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

পেশা : গণিতের শিক্ষক, মীপস পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, চট্টগ্রাম।

সম্পাদক :
বাঙাল, ঘুণপোকা [ছোট কাগজ]

প্রকাশিত বই :
ফসিলের কারুকাজ [কবিতা, অনুপ্রাণন প্রকাশন, ২০১৬]
দ্বিতীয় আয়না [কবিতা, খড়িমাটি, ২০১৮]

ই-মেইল : debdhar121@gmail.com