হোম গদ্য মর্ত্যবোধের আলোকসংকেত : রাজু আলাউদ্দিনের কবিতারা

মর্ত্যবোধের আলোকসংকেত : রাজু আলাউদ্দিনের কবিতারা

মর্ত্যবোধের আলোকসংকেত : রাজু আলাউদ্দিনের কবিতারা
987
0

কবিতার বহিরাশ্রয় নিয়ে হালে অনেক কথা হচ্ছে, বলা হচ্ছে যে কবিতার ভাষা ও তার বিষয়বাদী উদ্দেশ্য  একই সাথে ক্রিয়েটিভ ও ক্রিটিক্যাল। মাঝে মাঝে তা মূল অভিপ্রায় থেকে সরে আসে, হয়ে পড়ে সেরিব্রাল এবং  প্যানসাইকিস্টিক, বা বুদ্ধিভিত্তিক ও সর্বাত্মবাদী। বিশ্বায়নের কারণে ভাষাদর্শনটি বদলে যাচ্ছে, এক ভাষার সাথে অপর ভাষার সচেতনতা ও নিশ্চেতনতার সম্পর্কের সাথে সাথে নিজ ভাষার অন্তর্মুখটির উন্মোচন কবিদের প্রধান দায় হয়ে দেখা দিয়েছে। দেখা দিয়েছে ভাষামনের  অপজাতগুলোকে চিহ্নিত করার। এই বিভবচিন্তন থেকেই নানা ভারে ও ভাবে, এবং  নির্ভারে (যদিও আমরা জানি, ভারহীনতা একমাত্র অনস্তিত্বের) লেখা হচ্ছে কবিতা, হচ্ছে কবিতার ভাষাকে বহুরূপী করার প্রচেষ্টা। আঙ্গিক ও অন্তর্বস্তুকে বিশেষাত্মক মনোভার থেকে মুক্তির বিষয়টিও চর্চিত। তার মানে কবিতা যে পরিবর্তনপ্রয়াসী, এই বিষয়টি এখন চোখে লেন্স এঁটে দেখে নিতে হয় না। আমরা অনেকে বিশ্বাসও করতে পারি যে পাঠকের যে পাঠ, প্রকারান্তরে তা-ও কখনও কখনও হয়ে পড়ে কবিতা। নানাভাবে, নানা স্থির  ও অস্থির পথ ও পদ্ধতিতে কবিতা পাঠ চলে যার প্রভাব পড়ে কবিতা লেখায়ও। উদাহরণত, একদা  শ্লেষমুখী কবিতাকে সর্বত ফাঁকি বলে জন লক বাতিল করলেও তা নতুন প্রয়োগে ফিরে এসেছে কবিতায়। ফলে বলাই যায় কবির উৎকৃষ্টতার ক্ষেত্র বাকমুক্ত নয়। তার কেন্দ্রিক গুরুত্বেরও জোয়ার-ভাটা চলে আকছার। যে নেরুদাকে মার্কেস বলেছিলেন বিংশ শতাব্দীর যে-কোনো ভাষার মহত্তম কবি, সেই নেরুদাকেই আবার হিমেনেস বললেন ‘আ গ্রেট ব্যাড পোয়েট’। এটা বোঝায় যে যাকে আমরা বলি গুরুত্ব তা অবিসংবাদিত নয়, নয়, কারণ সাহিত্যের শেষ কথা আসলে কখনোই শেষ হয় না; হয় না, কারণ সাহিত্য এখন অব্দি মোটা দাগে আত্মগত, এবং এই আত্মবিজ্ঞানবাদের কারণেই কবিতার ব্যাখ্যা শেষ বিচারে ধৃতিবিস্তারী। এই সৃজনাত্মক অনিশ্চিতিকে মনে রেখেই কবিতার পাঠ ও বিবেচনা ভরকেন্দ্র পেতে চায়।


প্রেম ও প্রেমিকাকে একটি মহার্ঘ ভাবনায় উপনীত করতে চাইছেন রাজু আলাউদ্দিন।


রাজু আলাউদ্দিনের কবিতা পড়ে (এবারই প্রথম পড়ছি না, এবার পড়ছি পর্যবেক্ষণ-প্রত্যাশী হয়ে তার কাব্য আকাঙ্ক্ষার মানচিত্র গোপনে এঁকেছি) প্রথমেই মনে হয়, আত্মন আর প্রতি-আত্মন তার কবিতায় আলাদাভাবে উপস্থিত হয় না, বরং দুয়ে মিলে গড়ে তোলে কোনো একটি স্থানাঙ্ক যেখানে কবিতার স্বর ও সুর অন্যোন্য হতে চায়। তার ভাষাসংস্থানে বাহুল্যবর্জন একটি প্রত্যয় যা অবশেষে খুঁজে পেতে চায় কেন্দ্রীয়োপলব্ধিকে, যা সমাপ্তি টানে কবিতার উৎসারকে কোনো এক উদ্ভাসনে। ভাষা কোনো অস্তিত্ব নয়, তা আসলে ধারণা যেমন সময়, কেননা তা গড়ে ওঠে ব্যক্তির ফেনোটাইপ থেকে, তার গতিভঙ্গি হলো স্নায়ুর প্রতিভাস। রাজু আলাউদ্দিন ভাষাকে উপস্থাপন করেন সংবেদিতা থেকে, তাই তার ভাষা স্পর্শ করতে চায়। এ এমন নয় যে তা সংসক্তিরহিত, এ ভাষার নিয়তিনির্দিষ্টতাও আছে কেননা তা কখনো কখনো বিমূর্তকরণকে বেশিমাত্রায় প্রশ্রয় দিতে চায় না, হয়ে উঠতে চায় স্পষ্টবাদী,  যোগাযোগ-উদ্যোগী;  কিন্তু এটা কবিতার সমস্যা নয়, এই প্রবণতা আসলে কবির রচনাশৈলিতা যা তার কৃৎকৌশল। এরকমই একটি হলো ‘অনুবাদ’ কবিতাটি যেখানে  বোদল্যেরীয় ভঙ্গিমায় শুরু হয়ে কবির নিজস্ব উচ্চারণে শেষ হয় একটি সমগ্র ও সার্থক চিন্তনকে উপস্থাপনের মাধ্যমে:

‘বলো তবে, অদ্ভুত অচেনা মানুষ
কে তুমি এবং কোত্থেকে
এসেছো এখানে’

আমি হচ্ছি অনুবাদ
গোপন কিছুর;
পাণ্ডুলিপি থেকে
অনুবাদ করেছেন আমার বাবা-মা
কোলাবোরেশনে।

কবিতাটিতে শ্লেষ আছে কিন্তু তা শ্লেষে ফুরায় না। ফুরায় যে না এটাই কবিতাটিকে রক্ষা করে, শুধু তা-ই নয়, পরিণত করে উচ্চতায় উঠতে: প্রাথমিক একটি ঔৎসুক্য দ্বিতীয় তাৎপর্যে উন্নীত হয় রূপকের অতিশায়িতায়। জন্মরহস্যের এ ধরনের আধুনিক ও ইঙ্গিতময় অনুধ্যান নতুন, তাতে যুক্ত হয়েছে শ্লেষ, যা উপস্থাপনকে ভিন্নতর করে, যা আবার প্রাকৃতিক ঘটনার নতুন দ্যোতনা হাজির করে। একই ধরনের আরেকটি কবিতা হলো ‘আত্মপরিচয়’ যেখানে আন্তর্জাতিকতা বা সর্বজনীনতার রূপটি উন্মোচিত। দুটি কবিতারই বৈশিষ্ট্য হলো ‘উন্মেষ’ যা পাঠককে একটি জাদু উপহার দেয়। ‘আত্মপরিচয়’ কবিতায় তিনি যে প্রতিকাশ-পঙ্‌ক্তিতে আমাদের উপনীত করেন তা হলো, ‘পৃথিবীর চিরায়ু কবিতাগুলো আমার মাতৃভাষা’। আমরা বুঝি, কোনো সিদ্ধান্ত নয়, কোনোরকম অতিবাড় নয়, বরং একটি স্মরণার্হ উপলব্ধিকে জাগিয়ে তুলতে চাইছেন কবি, চাইছেন তার অন্তর্গত লুসিফেরিনকে শব্দরূপ দিতে। আমরা জানি, করণকৌশল এমন একটি ব্যাপার যার ভেতর থাকে অদৃশ্য রসায়ন, যা কোনো প্রতিবেদনকে কবিতা করে তোলে, তা না থাকলে কবিতার নামে উপস্থাপিত হয় নিরেট তথ্য বা বিবৃতি। আধুনিক চেতনা, এমনকি ভাষাও আমাদের গুরুমস্তিষ্কে যে হাইপারট্রফির জন্ম দিচ্ছে অনবরত, তার প্রদাহ ও প্রত্যবেক্ষণে যে অস্থিরতা, কিছু কিছু কবিতায় এর প্রতিচ্ছাপ ফুটে উঠেছে। এটা নতুন কিছু নয়, তবে এসব চেতনার যে আধুনিকবাদী তবক, বর্তমানের কবিতা তার থেকে সরে এসে নতুন প্রতিকল্পকে হাজির করতে চাইছে। চাইছে কেননা ইত্যবসরে শুধু জীবন নয়, বস্তুর অর্থ ও স্বরূপও পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এখন অধিবিদ্যার সংজ্ঞার্থও চলে এসেছে চিরন্তনতার বেড়ি ডিঙিয়ে।


তিনি নিজেকে বলেন: ‘আমি সে সুবাদে আরেক রাসুল।’ 


প্রেম ও প্রেমিকাকে একটি মহার্ঘ ভাবনায় উপনীত করতে চাইছেন রাজু আলাউদ্দিন। প্রথম কবিতাটি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি প্রেমের কবিতা এই কথাই বলছে যেন।  প্রবণতাটি চিরায়ত, তবে নিরঙ্কুশ নয়। ‘তুমিই আমার আসমানী কিতাব’ কবিতাটিতে প্রেমিকা ধর্মীয় অনুষঙ্গে উপমিত, বেশ চমক ও তারল্য এনেছিল কবিতায় এ বিষয়টি একদা আল মাহমুদীয় প্রয়োগে। কিন্তু  প্রেমিকাকে ‘মহৎ গ্রন্থ’ ভাবার ব্যাপারটি?  ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, দক্ষিণ ফ্রান্সের প্রভাসঁ অঞ্চলের ত্রুবাদুরদের মধ্যে প্রেমিকা-ভাবনার নতুনত্ব দেখা দিয়েছিল মধ্যযুগে। আরবদের মাধ্যমে তা ঘটে থাকতে পারে যা এসেছিল ক্রুসেডের ফলাফলে। প্রভাসীঁয় কবিরা আন্দালুশীয়-আরবদের কাছ থেকে পেয়েছিল দুটি মূল্যবান কাব্যিক ধারা: জাজাল  ও জারচা বা আরবিতে খারজা। অন্য একটি আচারও তারা অবগত হয়েছিল, তা হলো প্রেমিক-প্রেমিকার অবস্থার স্থানান্তর চেতনা। সামন্ততান্ত্রিক সমাজে মানবিক সম্পর্কের ক্ষমতার রূপ উচ্চ-নিম্ন ধরনের, মনিব-গোলামকেন্দ্রিক। কিন্তু আন্দালুসে আমিরেরা বলতেন যে তারা হলেন তাদের প্রিয়তমার সেবক বা দাস। প্রভাসীঁয় কবিরা আরবদের প্রেমবিষয়ক এই অসাধারণ চিন্তাকেই গ্রহণ করলেন যাতে ছিল প্রথাগত যৌন-সম্পর্কীয় ধারণার অপনোদন এবং যেখানে প্রেয়সীই প্রভু আর প্রেমিক-পুরুষটি তার সেবক। মুসলিম শাসনে এ ধরনের ধারণা ছিল বিপ্লবাত্মক। পুরুষদের ভাবমূর্তি অবদমিত হলো, দেখা দিল নারীর নতুন ভাবমূর্তি। সৃষ্টি হলো নতুন বিষয়, যাতে ভাষাও হলো সমৃদ্ধ, এবং তা ঋদ্ধ করল সাহিত্যকে। আল আন্দালুসের কবিরা তাদের  প্রেমিকা বা প্রেয়সীকে বলত সাইফ আর মাওলাঙ্গা যার অর্থ যথাক্রমে ‘আমার মালিক’ ও ‘আমার প্রভু’, প্রভাসীঁয় কবিরা এর অনুকরণে প্রেয়সীকে ডাকতে শুরু করল মিডনস যার অর্থ মেউস দোমিনুস বা ‘আমার শাসক’।  নারী হলো মালিক আর তার প্রেমিক-পুরুষটি হলো তার গোলাম। এটা বিস্ময়কর কারণ নিয়ন্ত্রণের পুরো ধাপকেই তা বদলে দিল, অন্তত প্রেমের ক্ষেত্রে হলেও। পুরুষতান্ত্রিক বিশ্বে বিশেষত মধ্যযুগীয় পরিপ্রেক্ষিতে, যেখানে নারী মাত্রই বাঁদি, এই মানসিক আভিমুখ্য এককথায় বিস্ময়কর। কিন্তু রাজু আলাউদ্দিন কী ভাবেন? ‘গোপনে তোমার কথা নিজেকে শোনাই বারবার’। না, এটা মুখরা হিশেবে অত্যন্ত সাধারণ একটি পদ, কিন্তু আমরা যদি পুরো কবিতার বন্দিশটির ভেতরে যাই তবে দেখব, বারুদ ঠাসা রয়েছে তাতে, যেন নানা বিভা ও বর্ণের স্পিনটারে পরিপূর্ণ তার বর্মের আধার, যে-কোনো একটির বিস্ফোরণই ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। অদ্ভুত প্যারাডক্স এসে হানা দেয় দ্বিতীয় পঙ্‌ক্তিতেই: ‘বিশ্বাসীর মতো আমি হৃদয়ের তসবি টিপে বলি: কী হবে ঈশ্বর দিয়ে?’ কিন্তু এটা শুরু মাত্র, আর যার শুরু সমাপ্তিতে তার সমাপ্তি হয় হয়ে ওঠে বিধ্বংসী। হ্যাঁ কবিতা তো ধ্বংসাত্মক, প্রেমের মতোই; আর কবিতাটি যদি হয় প্রেমের তবে তো রাজযোটক, মানে ধ্বংসটি হয় ভয়ংকর সৌন্দর্যে উদ্ভিন্ন। রাজু আলাউদ্দিন তেমনই একটি নিকষোপম আধারে কবিতাটির সমাপ্তি টানেন এই বলে যে,  ‘…অন্য কোনো গ্রন্থ নয় প্রিয়তমা তুমিই আমার একমাত্র আসমানী কিতাব।/ আর আমি সে সুবাদে আরেক রসুল।’ হ্যাঁ, আন্দালুসিয়ার অমাত্য কবিরা যেমন বলেন ‘মাওলাঙ্গা’, আমাদের কবি প্রেমিকাকে মনে করেন ঈশ্বরের চেয়েও বেশি, তার বহ্নি-উচ্চারণ: ‘আল্লাহর পবিত্র কালাম রূপে/ ছিলে তার জিহ্বার সিংহাসনে’, ‘তুমিই আমার আসমানী কিতাব’। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, বাইনারি ফিশানের মতোই তিনি নিজেকে বলেন: ‘আমি সে সুবাদে আরেক রাসুল।’ এই যে পারস্পরিক পরিচয়-জ্ঞাপনের সমাসক্তি, তা কোর্টলি লাভ-এর অভিবাদন নয়, মানবীয়তা ও মর্ত্যবোধ পায় তা তুলনায়-প্রতিতুলনায় আবার পার্থিবতা এভাবেই মর্ত্যভাবনার আলোকসংকেত দিতে থাকে। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, এই ধ্রুপদি প্রেম, প্রেয়সী বন্দনা, এই কেন? বিশেষত কেন এই সময়ে যখন যৌনতার বাইরে প্রেম আর আলাদাভাবে দ্যোতিত হয় না, যখন কামস্বাধীনতা অন্য এক দাসত্বের জন্ম দিচ্ছে, যখন যৌনতার ইমেজ হচ্ছে ‘পর্নোগ্রাফি’ আর শরীর হচ্ছে ‘প্রস্টিটিউট’? কোয়েট্‌জির ডিসগ্রেস উপন্যাসে অধ্যাপক ডেভিড লুরি তার ছাত্রীকে পটানোর সময়ে ভাবে, তরুণেরা কি এখনো প্রেমে পড়ে, নাকি এই রসায়নটি হয়ে গেছে সেকেলে। কিন্তু পরক্ষণেই তার মনে হয়, ‘প্রেমে-পড়া’ ব্যাপারটি হয়ে যেতে পারত সেকেলে ব্যাপার কিন্তু তা পুনঃপুন ঘটতে থাকে। কিন্তু আমার মনে এক সমাশ্রিত ভাবনা উঁকি দেয়—সম্ভবত কবির এই কবিতাটির, ‘তুমিই আমার আসমানী কিতাব’, উপরিস্তরের বাস্তবতা হলো প্রেম, এর গভীরস্তরে রয়েছে এক অনিবারণীয় রূপকের আবরণ যা আসলে কোনো গোপন সত্য অথবা মিথ্যাকে প্রকাশ করতে চাইছে, প্রকারান্তরে।

জীবন হলো মর্ত্যভূমি আর তার যাপন-ভাবনা হলো মর্ত্যবোধ, প্রেমও এক মর্ত্যমনস্তত্ত্ব, কবিতাও তাই মর্ত্যবোধের আলোকসংকেত। রাজু আলাউদ্দিনের কবিতায় আকাঙ্ক্ষার যে মানচিত্র আঁকার আর্তি তা তো অনন্তসন্ধানী, অনন্তের যে মানচিত্র তা তো অদৃশ্যের মানচিত্র, অদৃশ্যের  মানচিত্র তা যে সীমানাহীন, রাজু আলাউদ্দিন তা আঁকতে চাইছেন, এই কারণেই কি যে কবিতা অনন্তের কথা বলে বলে অনন্তের পথে যায়! হয়তো নয়তো। তবে তার ভাবনার অঙ্কুর গাছপালা মেলে দিতে চায় ভাষার কারুনৈপুণ্য অপেক্ষা ভাষার উন্মোচন-এ, অন্তত এই কাব্যটি পড়ে তা তো বলাই যায়।

কুমার চক্রবর্তী

কুমার চক্রবর্তী

কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক। জন্ম ২ চৈত্র ১৩৭১ বঙ্গাব্দ, কুমিল্লা, বাংলাদেশ।

প্রকাশিত গ্রন্থ:
কবিতা: লগপুস্তকের পাতা (১৯৯৮), আয়না ও প্রতিবিম্ব ( ২০০৩), সমুদ্র, বিষণ্নতা ও অলীক বাতিঘর (২০০৭), পাখিদের নির্মিত সাঁকো (২০১০), হারানো ফোনোগ্রাফের গান (২০১২), তবে এসো, হে হাওয়া হে হর্ষনাদ (২০১৪);

প্রবন্ধ: ভাবনাবিন্দু (২০০২), ভাবনা ও নির্মিতি (২০০৪), মাত্রামানব ও ইচ্ছামৃত্যুর কথকতা (২০০৫/২০০৬), অস্তিত্ব ও আত্মহত্যা (২০১২), শূন্যপ্রতীক্ষার ওতপ্রোতে আছি আমি, আছে ইউলিসিস (২০০৯),মৃতদের সমান অভিজ্ঞ (২০০৯), কবিতার অন্ধনন্দন (২০১০), নির্বাচিত প্রবন্ধ (২০১৫);

অনুবাদ: আমি শূন্য নই, আমি উন্মুক্ত: টোমাস ট্রান্সট্যোমারের কবিতা (১৯৯৬/২০০২/২০১২), নির্বাচিত কবিতা: ইহুদা আমিচাই (২০০৫/২০১৩), মেঘ বৃক্ষ আর নৈঃশব্দ্যের কবিতা: চেসোয়াভ মিউশ (২০১৪)।

ই-মেইল : kumar.4585@yahoo.com
কুমার চক্রবর্তী