হোম নির্বাচিত প্রেম ও যৌন-উশকানির ধ্রুপদি কবিতা

প্রেম ও যৌন-উশকানির ধ্রুপদি কবিতা

প্রেম ও যৌন-উশকানির ধ্রুপদি কবিতা
1.94K
0

সময় কিংবা জাগতিকতার বিচিত্রানুভব থেকেই উচ্চারিত হয়েছে শিমুলের সংশয়সুর। প্রেমের ভেতরের জগতে বসে জগতের একটা আশ্চর্য হরিণ হয়ে শিমুল লিখেছেন চক্ষু-সমাচার, যে সমাচার উঠে এসেছে তার ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গির চালুনিতে ছাঁকন-পাতন প্রভৃতি পর্ব সেরে। ‘অবনত মুখের সকালে’ আশাবাদের ফুরফুরে ধ্যানছবি শিমুলের কবিতা। উপমা, রূপক, ছবি, ভাষার আড়াল ও আলোছায়া- কবিতা বলার চির-পরিচিত ও প্রায়-অনিবার্য নান্দনিক প্রকৌশলেই সাজিয়েছেন তিনি কবিতার ধ্বনি।

অক্ষরবৃত্তের সহজ বাঁধনে কিংবা বলা-ছন্দের সহজ প্রবাহে উপস্থিত হয়েছে কবির আশপাশের জীবন। প্রত্যেক কবির জন্য ভাষাটাই একটা সুপার ন্যাচারাল ব্যাপার। ভাষা ও বিষয় নিষ্ঠাতেই বেঁচে থাকেন কবি, অর্জন করেন স্বাতন্ত্র্য। নতুন বিষয়ের মেশামেশিতেই কাব্যের ভাষা হয়ে উঠে প্রাকৃত ও স্বচ্ছন্দ। প্রেম ও যাপিত জীবনের মর্মর শুনতে শুনতে পাঠক টের পাবেন শিমুলীয় ভাষার স্বর ও নিশ্বাস, শিমুলের সবচেয়ে বড় শক্তি এই বিষয়বৈচিত্র্য, ঘটমান যেকোনো কিছুকে যেন শিমুল কবিতা করে তুলতে পারেন তার সৃজন-সৌকর্যে, উপস্থাপনের নিজস্ব ভঙ্গিমায়।


সে ভাষায় যৌবনের ইচ্ছা ও প্রাপ্তির রসায়ন উঠে এসেছে সংশয়সুরের কবিতাগুলোতে


কাব্যপাঠে টের পাওয়া যায় প্রচলিত ছন্দ ও অলংকার কাঠামোতেই কবি নিংড়ে দিয়েছেন সময়ের ভাবুকতা। সময় যাপন করতে করতে সময়টাই কবির মধ্যে ভাবুকতা তৈরি করে। সময়ের এই ভাবুকতাই শিমুলের শক্তি। আবার এই ভাবুকতাই শিমুলের কবিতার হয়তো দুর্বলতা। দুর্বলতা এই অর্থে যে, সেসব কবিতার ভাষা ও ভাবুকতা অনেক সময় দর্শন হয়ে ওঠে, কিন্তু এসময়ে এসে কবিতার লক্ষ্য হয়তো একটু হলেও বদলেছে, সে দর্শন যেন কম নিতে চায়। কবিতাগুলো পড়তে পড়তে মনে হয় দর্শন পড়ছি কিংবা সচেতন মননের ভাষার জমিন পড়ছি, পড়ছি জীবনযাপন পদ্ধতিমালা।

সন্দেহ করিতেছি, তাই আছি
সন্দেহ করিতেছো, তাই আছো

মনেরে সন্দেহ করিতেছে দেহ
দেহের ভাস্কর্য আহা! মূঢ়মতি

প্রয়োজনীয় সন্দেহে বাঁচে
ভগবতীদের মহান নিয়তি!

সামনে রাখিয়া বিষধর সাপ
খালি হাতে খেলা! পাপ

তাই সন্দেহছন্দে হাত ভরে যাক
মম অস্তিত্ব মোদের প্রকাশিত থাক!

(সন্দেহছন্দ, পৃ:৯)

অথচ সময়টাকে দেখানোর এই ভাষাটা শিমুলের শক্তি, অকপট, নিজস্ব, স্বতস্ফূর্ত একটা ভাষা। নিত্য জৈবিকতা লেগে সে ভাষা শিমুলীয় ছন্দে অনুপম হয়ে উঠেছে। কেননা, কবির বলা হেমলকীয় জগৎটাতেই আমরা বসবাস করি। চিরসুন্দরের একটা অম্লান ভুবন সোক্রেতেস ও শিমুলের কবিতা। মেশিন-মানুষও কাব্যপাঠে বুঝতে পারবে তার উপস্থিতি। জীবনের আশ্চর্য সত্য চেহারা শিমুলের কবিতা। সমকালীন কবিতার এক নিজস্ব ভাষারূপ। নদীর কিনারের আশ্চর্য সবুজের মতো সিগ্ধ এই ভাষা। সে ভাষায় যৌবনের ইচ্ছা ও প্রাপ্তির রসায়ন উঠে এসেছে সংশয়সুরের কবিতাগুলোতে।

হাসপাতালের জানালা থেকেও দূর-অন্ধকার আকাশে জ্বলজ্বলে লুব্ধক দেখা যায়—দেখা যায়—ভুলশহরের কবরখানার ভাঙা বেতবেড়া ও গলে-পড়া সমাধির সারি—চেহারা ম্লান হয়ে গেছে এমন মানুষের গলিত মুখ, থির তাকিয়ে থাকা চোখ দেখে ফেলবার সম্ভাবনা—দেখা যায় ছত্রাকরঞ্জিত এপিটাফ, জীবনখোদিত দেয়ালে হেলান দেয়া বিস্মৃত সঙ্গমস্মৃতিটিলা…

নিজের ঘুমন্ত লাশ বহন করতে করতে, নিজেরই অনামা-শরীর থেকে বেরিয়ে আসা পচামাংস-গন্ধবুঁদবন্ধনাক ঘষে ঘষে লাল করে ফেলে মেশিন-মানুষ যেইভাবে ভাবে, সেইভাব বুঝে নেবার ভানে মনে পড়ে যায় অবেলায়, আমারই মতো পৃথিবীতে আসা সোক্রাতেসকে, মনে হয় হেমলক বরং ছিলে ভালো, ব্যাজস্তুতিময় এই হাজারো মত ও পথের পৃথিবীর চেয়ে…
সেই মুহূর্তেই ইচ্ছেপূরণের পুরাণমন্ত্র মনে করে দিয়ে একটি তারা খসে যায় দূরের আকাশে—তুমি সাথে সাথে নিজেকে মেরে ফেলার ভাবনার ভেতরেও বলে ওঠো, ‘হে অনন্ত রহস্যের অমর পিতা, সৃজনেরও আদিম জনক ‘ভুলে গেছি যাকে, ভালো রেখো তাকে’!’

অথচ তখনো উড়ে চলেছে বাতাসে তোমার একার নিঃসঙ্গ তৃতীয় ডানা, ঈশ্বরের বিপরীতে—ঈশ্বরের মতো শরীকহীন; স্বয়ম্ভূ ও একা…

(একায়ন; পৃ: ১৮)

 .

দুই

আমি একটা কবরের ভেতর জীবিত শুয়ে আছি। এবং একাবোধ করছি।
প্রচণ্ড একা। এমনকি একটা বাতাসের শব্দ কিংবা পাখির ডাক কিংবা পাতার
আওয়াজও মিস করছি আমি। মিস করছি কোলাহল ও শব্দময়তা।
আমার মা’র কথা মনে পড়লো সেই স্বপ্নের ভেতরে। মনে পড়লো আব্বার কথা।
মনে পড়লো, হায় আমি তো জানি না কী করছো এখন তুমি!
আমি ভেজা চোখ নিয়ে জেগে উঠে দেখি আমার বারান্দার পর্দা ফুঁড়ে আলো,
একটা পাখি কোত্থেকে জানি কাকভেজা হয়ে এসে ডানা ঝাড়ছে…
ফোন বাজছে, তুমি ফোন করেছো! আমি চোখ মুছে ফোনের দিকে যাচ্ছি…

‘স্বপ্নের মুহূর্ত’ নামের এই কবিতাটি পড়লেই বুঝা যায় ‘সংশয়সুর’ কাব্যগ্রন্থের চিন্তা ও ভাষার জমিন। অক্ষরবৃত্তের মূর্ত-বিমূর্ততায় কবির এই দেখা জগৎটাই সমর্পিত হয়েছে, দ্বন্দ্ব, দ্বিধা ও ‘সংশয়সুরে’। গদ্যভঙ্গির একটা কথন-স্টাইলে মলাটবন্দি হয়েছে শিমুল সালাহ্‌উদ্দিনের কাব্যবিভূতি। সময়টা যখন গজার মাছের আক্রোশে কবিকে আক্রমণ করে, কবি তখন নিজেকে বাঁচাতে শব্দের খাতায় নামেন। কী পারেন! কী-ভাবে পারেন! জানি না, কতটুকু পারেন! কিন্তু কবির আত্মধ্বনির বিচিত্র অনুভব উঠে আসে ‘সংশয়সুরে’। কবিতাগুলো লাল, যেন হৃৎপিণ্ড। যেন একেকটা জীবনের বাঁচা-মরার লড়াই।

সময় দর্পণে মুখ দেখতে দেখতে কিংবা কালো হরফের আঘাতে কবি কখনো আড়ালে প্রস্থান করেন না। যাপিত জীবনের স্বপ্নধ্বনি, কিংবা সংশয়ের নীল হরফে কবি লিখতে থাকেন আক্ষেপের কথামালা। এসব কথামালায় বাঁচা না বাঁচার সংশয় থাকে, থাকে হৃদয় মাখানো আত্মধ্বনি। জগৎ-সংসারে বাঁচতে বাঁচতে কবি একটা কথা বলার জগৎ তৈরি করেন। সমাজের ভেতর থেকে উঠে আসলেও কবির কথায় সব সময় হ্যাঁ-সূচক সামাজিকতা থাকে না। আত্মমননের সুপার ন্যাচারাল যে জগৎটা কবি তৈরি করেন সেখানটায় সামাজিক ধ্বনির মাথানিচু মন নিয়ে অনেকে প্রবেশ করতে পারেন, আবার কবির নিংড়ানো চেতন-অবচেতন ধ্বনির সাথে তাল মেলানোর অক্ষমতায় অনেকেই ছিটকে পড়তে পারেন। স্বার্থপরহীন একটা সংবেদনশীল স্কেলে শিল্পের জমিন আবিষ্কার করতে হয়। সময়ের ধীমান পাঠক এই কাজটা আত্মতাগিদেই—এই প্রত্যয়ে কবিকেই আবিষ্কার করি। কবি হচ্ছেন কালজ্ঞ জাতিস্বর।


সময়ে, সংকটে, সংশয়ে, অভিঘাতে কবিতার ভাষা এক ধরনের জোনাকিবিদ্যা


নীল অভিজ্ঞানে ‘সংশয়সুর’ লিখতে লিখতে কবি বাজাচ্ছেন হৃদয় মেরামতের সুর। সেন্সরশিপহীন একটা কলমে কবি লিখতে থাকেন ‘ঠান্ডা চায়ের উপর সর হয়ে ভাসছে সময় ও বিশ্বব্যবস্থা’। এই অবস্থায় কবি কিভাবে আড়ালে থাকবেন। পথে নেমে কবির কী যেন লিখতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু কবিও কি সবকিছু লিখতে পারেন। গুম কিংবা পথ হারিয়ে ফেলার অনুভুতিতে কবির ভাষা হারিয়ে যায়। তারপর সে ইচ্ছেও হয়তো মরে যায়। না হলে দেখা পঙ্‌ক্তিগুলো কবি হারিয়ে ফেলেন কেন! ‘সবজি কিনতে কিনতে গলির দোকানে মনে হলো লাইনটা। বাসায় এসে লিখতে বসে আর মনেই করতে পারলাম না’। এমন আটপৌরে বাক্য দিয়ে শুরু হয়ে শেষপর্যন্ত একটা দুর্দান্ত কবিতা হয়ে উঠেছে বিস্মরণের বাইরে।

আত্মছায়াকে অবলম্বন করেই বেঁচে থকি আমরা। দ্বিধা-সংশয়ের শতমুখী আয়না থাকলেও আমরা জীবনের কাছেই ফিরি। কবিতা পড়তে পড়তে বোঝা যায় শিমুলের ভাষার শব্দ ও নৈঃশব্দ্য। সময়ে, সংকটে, সংশয়ে, অভিঘাতে কবিতার ভাষা এক ধরনের জোনাকিবিদ্যা। শিমুলের কাব্যভাষাও অন্ধকার মুহূর্তগুলোকে অতিক্রমণের স্পষ্ট জোনাকিবিদ্যা। কবি যতই আগুনে পুড়তে থাকুন, কবিতার ভেতরে থাকে শান্তি আর অন্ধকার পেরুনোর আহবান।

লৌহপৃথিবীর সামনে দাঁড়ালে মাংসের আড়াল থেকে আদিম আগুনের গন্ধটাই
পাওয়া যায়, এখনো। অথচ সেই আগুনেই পুড়ে গেল সে কাঙাল, ভালো নাম
জীবনানন্দ দাশ…

জবাফুলের ভাষাতে কবি সময়ের ক্ষত আর আক্ষেপ-চিহ্নকে উপস্থাপন করেছেন। তবে কবিতাগুলোতে শুধু আক্ষেপচিহ্নের অন্ধকার নেই। আছে কাঙাল জীবনের টানা আশাবাদ। বাংলা ছন্দের পরিচিত ফর্মে, নিজস্ব একটা রুচির বাঁধনে কবি লিখেছেন ‘সংশয়সুর’। এই সংশয়মলিন জীবনে কার-বা নেই রাতচিহ্ন, সংশয়-আয়না! তবুও তো ভোরের আয়নায় তাকাতে হয়, বাইরে বেরুতে হয়। কবি একটা দায় ও সময়প্রবাহ লিখেছেন। ভাষাটা তিমির মাখানো জটিল নয়, ন্যাচারাল। সময়চিহ্নের কথাগুলো সুবাসিত গন্ধরাজের মতো লিখেছেন তিনি। এই ভাষার পাশে বসতে সক্ষম হলেই আপনি খুঁজে পাবেন সময়ের সংশয়, বাঁচা-মরার লড়াই আর স্বপ্ন দেখার প্রবাহ। জীবনের একঘেয়েমিতে অভ্যস্ত প্রায়-মরে-যাওয়া কোনো পাঠকের আবার নতুন করে প্রেম ও যৌনতার আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে পারে এই কবিতাগুলো।

শিমুলের এই বইটার কবিতা পড়ে মনে হলো কবিতাগুলি খাতায় লেখার চেয়ে কবি মুখে মুখে আওড়ে, কানের সাহায্য নিয়ে লিখেছেন। অহেতুক আড়ম্বর ও চিত্রকল্পের স্তূপ নেই, সহজ-বোধগম্য, প্রকৃত কবিতাবর্তী সংশয়সুরের লেখাগুলো। মানুষের জীবনের মৌল প্রেম, কাম, দ্বন্দ্ব, মাৎসর্য নিয়ে আছে। শিমুল প্রেমিক, সংশয়সুরের পাঠ যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ককে নতুন করে প্রেম করার অনুপ্রেরণা দেবে, দেবে সাহস, প্রাপ্তবয়স্ক না হলে সব অনুভবগুলিও ঠিক বোঝা যাবে না— সে অর্থে বলা যায় শিমুল এই বইটি লিখেছেন প্রাপ্তবয়ষ্ক পাঠকদের জন্য, প্রচুর যৌনতাদৃশ্য আছে ‘সংশয়সুর’ এর মিড়ে মিড়ে।

বইটির নামকবিতা, ‘সংশয়সুর’ পড়া যাক—

অরণ্যে ঝরেছে ফুল সারারাত,
থকথকে বনতল
পূব থেকে আসা হাওয়া-আহ্বান
ডাকছে তোমাকে, ঘর থেকে দূরে, দূর অভিসারে—
উড্ডীন ঢেউ উচ্ছ্ব্রিত কূলে কূলে—
বনপ্রান্তের দিগন্তরেখা গলনাভ মোমে মোড়া,
সমস্ত করেছে জড়ো তৃষিত ওষ্ঠের বিউগলসম আঁতিপাতি করে ওঠা প্রাণ…
উল্লাসে আকাশ ঝরাচ্ছে কুয়াশা, ফোঁটা ফোঁটা— হাঁটছি দুজনে,
সুখ এর থেকে কম কিছু জেনে…
জগতের সম্প্রচার তরঙ্গ ভর করে ভেসে আসছে
অগ্রগামী সেনাদলের দামামা ও রণসঙ্গীত—
তুমি কেঁপে উঠছো, আমি ধরে আছি।

ধ্রুপদী কবিতার যে প্রথাগত আত্মা, দ্বান্দ্বিকতা, আলো ও অন্ধকারের চিরায়ত প্রথা, তাকে কবি প্রোথিত করেছেন এই কবিতায় এক ধ্রুপদ-সাধকের মতোই। পুরো বইটিতেই পাওয়া যাবে এমন দুইধারী তলোয়ার—যা যুগপৎ কেটে দিতে পারে পাঠকের হৃদয়ের ভেতরে ও বাইরে।

‘পড়তে পড়তে’  কবিতায় শিমুল লিখছেন—

পড়তে পড়তে আমরা কেবল নিচের দিকে যাই

পাঠ মানে কী পতন তবে? পাঠ মানে কী ছাই!
পড়তে পড়তে আমরা কেন নিচের দিকে যাই?

পুরো বইটি জুড়েই আছে এরকম মুখে মুখে ফিরবার বারুদ বুকে নিয়ে বসে থাকা কবিতাখণ্ড, বাক্য, উদ্ধৃতি। শিমুলের কবিতার কোনো পর্দা নেই, শিমুল সাহসী ও দৃঢ়, যা ভাবেন তাই লেখেন, পিঁপহোলে কে নাভি দেয় তা যেমন বলতে অকপট শিমুল, তেমনি রোল-প্লের মতোন ইরোটিক বয়ানেও দুর্বিনীত।

এক্সপ্রেসিভ, সহজ, সরল কবিতার ধ্বজা এই বইটির মধ্য দিয়েই বাংলা কবিতায় বহুদিন পর ওড়ালেন শিমুল। আমি বইটির যারপরনাই পাঠপ্রিয়তা ও সাফল্য কামনা করি।

সরোজ মোস্তফা

সরোজ মোস্তফা

জন্ম ১১ ডিসেম্বর ১৯৭৬, নেত্রকোণা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। পেশায় শিক্ষক। গদ্য ও পদ্য লেখায় সতত সচল।

প্রকাশিত কবিতার বই :
সকাল সন্ধ্যার বীজতলা, ২০১০।
কাগজে সমুদ্র লিখি, ২০১২।
হলুদ খামের হিমঘর, ২০১৫।
সম্মিলিত কাব্যগ্রন্থ 'হট্টিটি গুচ্ছ', ২০০০।

সম্পাদিত ছোটকাগজ : 'অনুধ্যান'।

ই-মেইল : soroj76@gmail.com
সরোজ মোস্তফা