হোম বই নিয়ে ঘুমসাঁতার : ভাব ও বস্তুর বিক্ষিপ্ত মীমাংসক

ঘুমসাঁতার : ভাব ও বস্তুর বিক্ষিপ্ত মীমাংসক

ঘুমসাঁতার : ভাব ও বস্তুর বিক্ষিপ্ত মীমাংসক
364
0

‘চিঠি’তেই শুরু। প্রেমিকাদের উদ্দেশ্য করে লেখা চিঠি—অপেক্ষা যেখানে নিয়েছে নদীর রূপ—গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে ডাকঘরে বহুবর্ণ সাপ হয়ে যায়। আর সাপের কথা এলেই মনে আসে যৌনতার প্রসঙ্গ, যা আলোচনা করা অনুমোদনযোগ্য—যদিও তাতে অতৃপ্তি আর আকাঙ্ক্ষার বলয় ক্রমে বড় হতে থাকে, কিন্তু চিঠি তার গন্তব্যে পৌঁছায় না। তবে কি চিঠিগুলো প্রেমিকাদের ঠিকানায় পৌঁছে গেলেই স্বস্তি মিলত প্রেমিকের?

এই জিজ্ঞাসা নিয়েই কবি রাশেদুজ্জামানের ঘুমসাঁতারের ভেতর ডুব দিতে হয়। সেই ডুব দীর্ঘস্থায়ী হয় না। স্থিতি পায় না। ঘুমের ভেতরই সে—তার পরিচয় কবিতা পাঠের মধ্য দিয়েই প্রকাশিত হোক—ঢুকে পড়ে ‘মশলার বাজারে’।

কবি বলেন—

মশলার বাজারে ঢুকেই মনে পড়ে তোমার কথা;
আর রন্ধনরীতি, উনুনতীর্থ এসব শব্দ।
রান্নাবান্না তুমি জানো না, তবু তোমাকেই ভাবলাম;
রান্নার বিচিত্র আয়োজন নয়, ফিরে এল আমাদের যুগল অপেক্ষা :


মানুষের সবচে প্রিয় আর আরাধ্য হলো ঘুম। যুদ্ধ, ব্যবসা, জীবনযাপন আর নৈমিত্তিকতা সবই ঘুমের আয়োজন।


কবির অপেক্ষার ভেতর তার প্রেমিকার অধিষ্ঠান। কিন্তু একজন পাঠক হিশেবে আমার মনে পড়ে মশলার যুদ্ধের কথা। যেখানে দীর্ঘ আশি বছরের যুদ্ধে ডাচেরা বিজয়ী হয় এশিয়ায় আর ওলন্দাজেরা দক্ষিণ আমেরিকায়। এভাবেই কবিতা পায় বহুমুখিতা। তার গমনপথ নানা দিকে প্রসারিত হতে থাকে। বৃদ্ধি পায় কবিতার মানচিত্র ও বলয়।

তিনি আরও বলেন—

…মশলার চতুর ঘ্রাণে আমার নাসারন্ধ্র উত্তেজিত,
পারস্যদেশের মশলার পরিবর্তে প্যারিসের নানান সুগন্ধি
আর গনগনে চুল্লির বদলে বিছানা!

তখন বুঝতে পারি মানুষের সবচে প্রিয় আর আরাধ্য হলো ঘুম। যুদ্ধ, ব্যবসা, জীবনযাপন আর নৈমিত্তিকতা সবই ঘুমের আয়োজন। কিন্তু ঘুমকাতুরের তখনো চলার বিরাম নাই।

মশলার বাজারে হাঁটতে হাঁটতে সে দেখা পায় নাসিরুদ্দিন হুজ্জার। হুজ্জা তাকে দেখিয়ে দেয় তার ব্যর্থতা, অসম্পূর্ণতা। কবিতা পড়তে গিয়ে বুঝি আমাদের প্রত্যকের ভেতর রয়েছে একজন নাসিরুদ্দিন হুজ্জা। আরও বুঝি কারো অসফলতায় সবচে খুশি হয় তার বন্ধুরাই!

পৃথিবীতে কিছুই নিরঙ্কুশ নয়। এইসব ব্যর্থতা মাড়িয়ে জীবন ঠিকই খুঁজে নেয় প্রিয় বৃষ্টিপতন আর সমূহ জলাধার। ‘এখানে বৃষ্টি হলে’তে এসে দেখি সেই ঘুমকাতুরে সম্বিৎ ফিরে পায়।

‘… কখনো মনে হয়, রাত্রে জানালার কাছে কোথাও সমুদ্র বইছে, আর তার উজান বেয়ে সংগীতের সমস্ত সুর এখানেই ফিরে আসতে চাইছে।’

সেই সুরের সঙ্গে ভেসে আসে প্রাচীন মিথুনমূর্তি। আরও ভেসে আসে সেইসব মুখ যাদের ভেতর চিত্রিত হয় সময়, অবলুপ্ত শক্তি; তখন ‘শুধুই সান্দ্র অমোঘ উচ্চারণের অপেক্ষা পৃথিবীতে ‘…।
মানুষের সমাজের নানা বাঁক আর পঙ্কিলতা মাড়িয়ে ফিরে শান্তি!

শান্তি নিজেও শান্ত নয়, এইকথা উপলব্ধি করতে বেশি সময় লাগে না। কবি বৌদ্ধ শ্রমণদের সঙ্গে পাহাড়ের খাঁজ বেয়ে রাজগৃহ থেকে যখন অরণ্যের দিকে চলে যাচ্ছিলেন তখন তার চোখে পড়ে বৃষ্টিভেজা পাতায় ‘গতরাত্রির সংরাগ’। আর আমাদের মনে পড়ে সেইসব চিঠির কথা, যেখানে সন্ন্যাসের রূপে নিজেকে আড়াল করে আছে পরাক্রান্ত যৌনতা!

আর তা মানে যৌনচেতনা ‘নিমজ্জনে’ এসে নেয় অন্য অবয়ব। এখানে এসে কবিতার ‘তুমি’ আত্মগত থাকে না আর। তা রূপ নেয় সার্বিকে। এককে ত্যাগ করে বহুকে গ্রহণ করে। এর ভেতর দিয়ে মূর্ত হয়ে ওঠে প্রাচীন ইতিহাস। আমাদের পূর্বপুরুষদের পরিচয়। তবে সে পরিচয় কালস্রোতে নিজেকে নৈর্ব্যক্তিক করে রেখেছে।

কবি বলেন—

ভাস্কর্য-বঙ্কিম পিঠে তোমার ভেসে উঠল হরপ্পার সূর্যাস্ত
মহেঞ্জোদারোর শিলালিপি—
পাঠোদ্ধারহীন স্রোত ধুয়ে দিয়ে যায় শিলান্যাস
এতদিনে দেখ কত দৌত্য বিফল হলো!

নৈর্ব্যক্তিকতার উপদ্রব ছাপিয়ে জীবন জেগে ওঠে। আপাত বিফলতা একপাশে রেখে মানুষের ইতিহাস সতত বহমান। আর কে না জানে কবিমাত্রই অতিমর্ত্যের আরাধনা করেন। তবে তার চলার পথ, তার তীর্থযাত্রা প্রতিটি পদক্ষেপ মাটি সংলগ্ন। তাই ‘ধানক্ষেত দেখে মনে পড়ে গুপ্তসাধনার কথা’। তার চিন্তা, কর্ম আর গল্পের পুনর্জন্ম হয়।

সেইসব গল্প—‘কার হয় কথা বলি’(?) এই জিজ্ঞাসা হয়ে ফিরে আসে। ফিরে আসে নিদ্রার প্রসঙ্গ। আসে ঈশ্বর আর আধ্যাত্মিকতা। এই কবিতায় মধ্যপ্রাচ্যের সভ্যতার সম্মোহন দ্যোতনা-ব্যঞ্জকরূপে হাজির হয়। সেখানে ঈশ্বরচেতনা আর আর্কিওলজি সম্যক উপিস্থিত। আধ্যাত্মিকতার সাথে ইতিহাসচেতনার এমন সর্বৈব সুন্দর সমন্বয় তেমন চোখে পড়ে না। কিন্তু তার সবকিছু আয়ত্ব করা অসম্ভব।

সেই কথাই কবি বলেন—

দেখি, ঈশ্বর যে শূন্যতায় লীন তারে আমিই টুকরো টুকরো করে ভাঙি, আমাকেও সে ভাঙে খানিক, কিছু হারায়, কিছু বা ছড়ায় কেলেঙ্কারি প্রায়। …বাকিটুকু পড়ে থাকে উঁচুনিচু অক্ষরের স্রোত বিস্মৃতি-আক্রান্ত, উদ্ধার-অযোগ্য, অসমাপ্ত


কবি রাশেদুজ্জামানের কবিতা পাঠের সময় আমাদের বিশ্বাস-অবিশ্বাস, বিভিন্ন মতবাদের প্রতি সমর্থন এসবের কিছুই কাব্যের রসাস্বাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।


কবিতা ধরে ধরে আলোচনাকে টেনে নেয়া যায়। তবে এই মুহূর্তে সেদিকে যাচ্ছি না। কবিতা শ্রেণির দাসত্ব করে না। কিন্তু শিল্পের কোনো শাখাই শ্রেণি-প্রতিনিধিত্বহীন নয়। ‘জার্নির শেষে’, ‘অশোকতলার সীতা’, ‘অন্য কাপালিক’, ‘কে সন্দেহ করে’—এইসব কবিতায় শ্রমিকশ্রেণির প্রতি কবির স্পষ্ট পক্ষপাত। তবে কোনো কবিতাই শ্লোগানমুখর নয়। সমাজের অসংগতি, জীবিকার সঙ্গে জীবনের বিরোধ (পুঁজিবাদী সমাজে জীবিকাই জীবন নামে সংজ্ঞায়িত যদিও), সমসাময়িকতা সম্পর্কে কবি সচেতন। সেই সচেতনতা তাকে রাজনীতিক বানায় নি। তিনি কবি, তাই সমাজরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লাগতে যান নি। কবিতা লিখেছেন। নিজের কাজ করেছেন। তিনি জানেন, এইসব নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে। তবে বুঝিয়ে দিয়েছেন সবকিছু সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল।

তাই তাকে বলতে শুনি—

যে সংগীত দুপুরকে করে ফেলতে পারে একটি দ্বীপ—
ভাসতে থাকা, একাকী—এই ভেসে ওঠা ধীরে ধীরে
ক্ষুব্ধ সমুদ্রের মাঝখানে, আনকোরা
বৈষ্ণবের আকুতিভরা, বিরহী, ভাষা ভুলে যাওয়া!

এ সমস্তই থামের আড়াল থেকে লুকিয়ে দেখেছি আমি
দেখেছি দাসপ্রভুর সন্তান দাসমাতার গর্ভে।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, নিরুদ্ধ পরিবেশে বেঁচে থাকার সাহস আর স্থৈর্য, উগ্রতাহীন সমাহিত এইসবই কবির গুণ হিশেবে বিবেচনা করা যায়। তাতে কোনো শ্রেণির স্বার্থরক্ষা হয় সেই আলাপে না গিয়েও বলা যায় কবিতা শিল্পিত সফলতা লাভ করেছে।

সেই কারণেই কবি রাশেদুজ্জামানের কবিতা পাঠের সময় আমাদের বিশ্বাস-অবিশ্বাস, বিভিন্ন মতবাদের প্রতি সমর্থন এসবের কিছুই কাব্যের রসাস্বাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না। কবিতার শক্তিই সাময়িকভাবে সবকিছুকে ভুলিয়ে রাখে, অথবা আমরাই ভুলে থাকি। কবির অভিজ্ঞতার ভেতর পাই আমাদের অনুভূতি আর আবেগের সমর্থন। এতেই সম্ভব হয় কবি আর পাঠকের ভাবের আদানপ্রদান। আর যেহেতু উত্তম কবিতার বিশিষ্টতা বাচ্যার্থে সীমাবদ্ধ নয় তাই তার আবেদন ফুরায় না।

—’অথচ আমার সময় এখনো বাকি, ঘুমের,
মৃত্যুর সাথে একদান তুখোড় দাবার, মধ্যপানের,
ক্ষরিতস্বপ্নের মধ্যে তাই উড়ন্ত হংসদলের বিক্ষোভ
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, থাকে ঝগড়াতে মোরগের আফসোস,
আর এখানেই লুকিয়ে থাকে ফাঁদের প্রাচীন নকশা!
তথাচ ফাউস্ট আমি, দণ্ডিত যদিবা হেলেনকে চুম্বনের অপরাধে।’

এই কবিতা পড়তে পড়তেই মনে পড়ে ফাউস্টের আকাঙ্ক্ষা ও স্বগতোক্তি—

Was this the face that launch’d a thousand ships
And burnt the topless towers of Ilium?
Sweet Helen, make me immortal with a kiss.

এইই মানুষের চিরকালের চাওয়া—এ এমন এক ক্ষমাহীন চৈতন্য যা ঘুমের ভেতরেও বিলুপ্ত হয় না, বিস্মৃত হয় না। সে ঘুম কাতুরের জবানবন্দি রচনা করে চলেছেন কবি রাশেদুজ্জামান।

ঘুমসাঁতার-এর ‘রঙমিস্ত্রি’, ‘অমীমাংসিত সূত্র’, ‘ইঁদুরের মেধাস্বত্ব’, ‘অভাবিত গন্তব্যের ঘোড়া’, ‘অশোকতলার সীতা’, ‘এখানে বৃষ্টি হলে’, ‘কুরুক্ষেত্র’, ‘স্বপ্ন’—এইসব কবিতায় মিথলজির বিভিন্ন চরিত্র ফিরে ফিরে এসেছে। তাতে করে কবির মানসভ্রমণ পথে আমরাও পাড়ি দিয়েছি মিথের জগৎ। সেই জগৎ মিথ্যা নয়। তার হাতে লিপিবদ্ধ হয়েছে—সেইসব চরিত্রের ভেতর দিয়ে—সর্বমানবের সাধারণ সৃষ্টি মিথের নিভৃত কোলাহল। তিনি অন্তত এইটুকু ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন : মানুষের অন্তর্লোকে নিত্যজাগ্রত রয়েছে পৌরাণিক জগৎ আর তার চরিত্ররা রয়েছে আমাদেরই আশেপাশে বাস্তবরূপ নিয়ে নয়—অতিবাস্তবতায়।

অশোকতলার সীতায় কবি ব্যক্ত করছেন তেমনই এক অতিবাস্তবতা—

… সেই শ্রমিকেরা যারা মৃত্যুর পরও দীর্ঘদিন ঝুলে থেকে প্রভুদের পতন ঠেকিয়েছিল, আমি দেখ তাদের আত্মাগুলোকে ভেতরে বহন করি। এই কথা প্রভুদের অগোচরে আমি ছাড়া বিশ্বাস করে ঐ অশোকগাছটি, সে জানে এইসব, কেননা তার তলায় একদিন সীতা বন্দিনী ছিল।


কবি রাশেদুজ্জামানের কবিতা পড়তে গিয়ে প্রায়ই থমকে যেতে হয়। তার কবিতার শক্তি এখানেই।


ঘুমসাঁতার একক কোনো সুর প্রাধান্য করে নি। তবে মৃত্যুচেতনা বারবার ফিরে এসেছে। তেমনই দুটি কবিতা ‘ফাউন্টেন পেন’ আর ‘জার্নি শেষে’। ‘ফাউন্টেন পেন’ কবিতায় দেখা যায় এক বৃদ্ধ বিচারপতির রচিত আদেশে যাদের ফাঁসি হয়েছিল তারা সবাই জড়ো হয়েছে তার বাগানে, সুপারি গাছের রূপ ধরে নিজস্ব মৃত্যুস্নান শেষে। চা খেতে খেতে এই কথাই বলছিল সেই ঘুমকাতুরে তার বন্ধুকে। তখন পাশ থেকে বৃদ্ধ জানতে চায় তার পরিচয়। জবাব আসে : ‘আমিই সেই নিবভাঙা ফাউন্টেন পেন, আর তার থেকে বের হওয়া অনুতাপ, মৃত্যুর ভুল দণ্ড লিখবার পরে।’

এই কবিতা পড়ে স্থির থাকা দায়। কবিতাটা পড়তে পড়তেই মনে আসে মার্কেজের গল্পের সেই নারীর কথা যাকে পথ থেকে তুলে নিয়ে রেখে আসা হয়েছিল পাগলাগারদে। সেই মহিলার জন্য দাক্ষিণ্য জেগেছিল মনে—ভুলদণ্ডে ফাঁসি হওয়া লোকগুলোর জন্য নয়, আমি বিচারকের আত্মোপলব্ধি ও দহনের কথা ভেবে বিমূঢ় হয়ে আছি।

কবি রাশেদুজ্জামানের কবিতা পড়তে গিয়ে প্রায়ই থমকে যেতে হয়। তার কবিতার শক্তি এখানেই। তবে দৈর্বল্য যে নাই তেমন হয়। তার ঘুমসাঁতার সম্পর্কে লেখতে গিয়ে তিনবার বইটা পড়তে হয়েছে কবিতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার জন্য। এর ভালো দিক হলো কবিতা পড়া গিয়েছে, আর দুর্বলতা হলো অনেক কবিতা বুঝে নিতে হয়েছে, সঞ্চারিত হয় নি সব সময়। এটা আধুনিক কবিতার বৈশিষ্ট্য যদিও। এই কিঞ্চিৎকরতা বাদ দিলে বলতে হবে বিষয়বস্তুর বহুমুখিতা, ভাবের প্রাবল্য, চিন্তার উত্তাপ আর সমসাময়িকতা নিয়ে ঘুমসাঁতার একটি উৎকৃষ্ট কাব্যগ্রন্থ। যেখানে ঘুমের ভেতর সঞ্চরণরত আছে সাঁতার অর্থাৎ গতি, আর গতিময়তাই কবিতাকে পৌঁছে দেবে আপন গন্তব্যে। সে গন্তব্য কোথায় তা খুঁজে নেয়ার দায় পাঠকের।

আসুন, সেই ঘুমকাতুরে লোকটার অন্বেষণে বেরিয়ে পড়ি।

শামশাম তাজিল

জন্ম ১ এপ্রিল, ১৯৮৪; বি-বাড়িয়া, চট্টগ্রাম।

শিক্ষা : ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

পেশা : একটি বেসরকারি কলেজে প্রভাষক হিশেবে কর্মরত।

প্রকাশিত বই :
আদম পাহাড় [কবিতা, তিতাসনামা, লিটলম্যাগাজিন, ২০১৬]

ই-মেইল : shamshamtajil@gmail.com