হোম কবিতা বাছাই বারো : বাতাসের বাইনোকুলার থেকে

বাছাই বারো : বাতাসের বাইনোকুলার থেকে

বাছাই বারো : বাতাসের বাইনোকুলার থেকে
2.06K
0

স্বপ্নার্ত এবং মাতাল—অস্তিত্বের এ দুটি দিক তাৎক্ষণিকের জন্য হলেও বাস্তবতাকে খানিকটা যেন মুচড়ে ফেলে। কবি মাজুল হাসান সেখানে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন বলেই এমনকি বাতাসও বাইনোকুলার হয়ে ধরা দেয় তার কাছে। যেনবা তারই স্বীকারোক্তি, ‘ঘুম পেলে লৌহজঙের লোহার রেলিং-দেয়া সাঁকোও ধসে পড়ে/ চিপসের মতো মিহি, ভঙ্গুর—এমন স্বপ্নের কাছে গিয়ে মনে হয়/ ব্লেডের মসৃণতা নিয়ে যে যাই বলুক, রাত আশলেই একটা টাইম-মেশিন’। বিদ্যমানতার অন্য নাম যদি হয় নশ্বরতা, তবে তা গুঁড়ো হয়ে যাবেই—স্বপ্নের এ ইশারা সত্যের অধিক। কেননা নশ্বরতা মানেই হলো প্রতিমুহূর্তে নিজেকে অস্বীকার করা। এই কবিতাগুলো, শুধু অস্বীকার নয়, আড়ালে আড়ালে নতুন বাস্তবতা নির্মাণের সংকল্পে উচ্ছল। কারূদ্ভাবনায়, বইটিতে যথেষ্ট ইন্ধন আছে আগামী দিনের কবিতাকে আরও বেপরোয়া করে তোলার। অপরিশীলনের ঝাঁঝ এবং সেই সৌন্দর্যেই হয়তো রচিত হবে শিল্পের ভবিষ্যৎ।

 

—সোহেল হাসান গালিব

 


মাজুল হাসান। আমার পছন্দের যারা কবি আছেন, তাদের মধ্যে একজন। ইরাশা ভাষার জলমুক-এ আমি ওনাকে যেভাবে পেয়েছি, তার ভিন্নরূপে পেয়েছি বাতাসের বাইনোকুলারে। গ্রন্থ দুটি দুই মেরুর কবিতায় মোড়ানো। অতৃপ্তি ছিল না মোটেও। তবে, ইরাশা ভাষার জলমুক পড়ার পরেই বাতাসের বাইনোকুলারের প্রতি মোহটা বেশি জন্মেছে। আমি মনে করছি এই প্রজন্ম এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাতাসের বাইনোকুলার পুনঃপাঠ জরুরি বিষয়। এই চিন্তাকে ফলপ্রসূ করতেই ‘জেব্রাক্রসিং’ ২০১৭ সালের অমর একুশে বইমেলায় পুনর্মুদ্রণ করল বাতাসের বাইনোকুলার

 

—দন্ত্যন ইসলাম, প্রকাশক, জেব্রাক্রসিং



বাতাসের বাইনোকুলার থেকে ১২টি কবিতা


লাল ছাতা


মানুষ খুশি হলে ক্রাচে ভর দিয়ে বর্ষা হেঁটে যায়। ডানে থানা বারান্দা
বামে বাস-টার্মিনাল আর কোনাকুনি পুরোনো বটগাছ
এই ত্রিভুজ ক্ষেত্রের ভেতরে যে পদ্মগির্জা তার চূড়ায় আছড়ে পড়ে
                                                                  চূড়ামণি সাপ
তখন হিমরক্তের প্রেমিক যে আশলে কিশোর বুদ্ধ—তারও কমলার
খোসা ছাড়ানোর ইচ্ছে হয়। আমার কোনো ইচ্ছে নেই
আমি মানুষ নই
                     তিন শিংঅলা গণ্ডার নই
                                          স্রেফ কমলাবনের পাহারাদার
সমবয়সী খালারা কেন ব্যাঙ নাচানি পছন্দ করে, খাবার টেবিলে
কেন একটা করে ছুরি থাকে—আমি তার কিছুই জানি না
শুধু জানি, শহরে বিজলিযুদ্ধ হলে হলোকাস্টের কান্না, হীরার বৃষ্টি
                                          আর মনঃকষ্টের কদমই সত্যি
আমি মিথ্যে ভালোবাসি, ভালোবাসি আমের আচার; বিড়াল তাড়িয়ে দিলে
                                          সন্ধ্যার বুক ভারি হয়ে আসে
ভেজা ডালিমের মতো আমি মোটেই সক্রিয় নই
ইন্টেক ভদকা, তেরছা চা বাগান, ইনিয়েবিনিয়ে কথা
আর তেরোটি গোলাপের মতো আমি ভালোবাসি আমারি লাল ছাতা


একলা দুপুর একলা যুবতীকে


কিশোরের হাতে ক্রিকেট ব্যাট আর পাঁচ ফুট উঁচু দেয়াল
দেয়ালের শরীরে এত এত পাতার শব্দ! তুমি আয়নায়
                                          মুখ দেখতে ভুলে যাও
তখন মানিপ্লান্টের মতো পাঁচিল ডিঙিয়ে বল এসে যদি
ভেঙে দেয় জানালার কাচ, তুমি কিন্তু রাগ করো না
তোমার জানা উচিত, পৃথিবীর সব কাচের জন্ম এই জন্য যে
বেচারা ভ্যানঅলা না চাইলেও যেন চুপিসারে
রূপসী পেসেঞ্জারকে একঝলক দেখে নিতে পারে
তুমি চাইলে বুকে একটা মানকচুর পাতা টেনে নিতে পারো,
                                          কিন্তু মাইন্ড করো না
জেনে রেখো, জ্যৈষ্ঠদুপুরে আঙুল ও মধ্যমা কেটে
যে কিশোর চলে যায়; মসৃণতা ছাড়া
গোলাপ বাগান থেকে সে আর কিছুই নেয় না


আবে রাখ


আমাকে গণিত শিখাস না পাম্পের ক্যাশিয়ার—আবে রাখ
যারা বি-ড়া-ল লিখে আজীবন মুখে বলল ‘মেকুর’, সময়ের কাঁপা হাত
তাদের দিকেই বেঁকে যায় হ্যান্ডশেকের জন্য
বানচোত বলে আমি অবলীলায় কলার চেপে ধরতে পারি
মোজা পরাতে পারি কুকুরের হাত/ পায়ে। এমনি একদিন
গনগনে সূর্যটাকে আমি বখে যাওয়া যুবকের মেডেল বলেছিলাম বলে
বন্দুক হাতে তেড়ে এসেছিল অঙ্কের মাস্টার
আরে উজবুক সেপাই, চারদিকে গণহত্যা বাজছে, জংধরা—
নলের ভেতর থেকে উড়ে যাচ্ছে খসে পড়া পালক
পালক জানে, একটা পাখি উড়ে গেলে মারা যায় সকল কিশোর
তারপর টালি-রাস্তা, রেঞ্জারবাড়ির মেয়ে, গার্লস স্কুল,
ব্যালকনিঅলা দর্জিবাড়ি—সবখানে লাল ব্লাউজ বানানোর হিড়িক পড়ে যায়


দুখী ডাকাত


একটা তেঁতুল পাতায় তিন একরের প্রাসাদ গড়ার ইচ্ছে ছিল আমার
তবু পায়রার পায়ে চিঠি নয়, উড়ে যায় পানপাতা আঁকা পোস্টকার্ড
‘প্রাপক গরহাজির’ হলে গড়িয়ে আসে মাদার-বনের হাওয়া
এই হাওয়া, এই প্রত্যাখ্যান আমি ঢেলে দেবো
                                          পৃথিবীর তাবদ লাল লিটমাস পেপারে
তখন দেখো, কফিকালারের-বাড়ি রং বদলে রাতারাতি হয়ে যাবে শাদা
এই যে এক-কাপড়ের শাদা বৈরাগী, শুনুন : প্রেম অবশ্যই রং বদলায়
                                                                আর লক্ষ করুন
নাভিরন্ধ্রে ভাসবে বলেও কখনও কখনও ডুবে যায় চাড়ি-নৌকার চাঁদ
আরে ভাই, এমন তো হয়ই, হঠাৎ একটা চুল খসে পড়ার শব্দে
মহল্লায় ডাকাত-ডাকাত আতঙ্ক লেগে যায়
                                                                চারিদিকে বন্দুক
                                                                ডুবো সাবমেরিন
মাথায় শ্যামাপাখির মুকুট পরে আমিই তখন ধরে রাখি বসন্তের প্ল্যাকার্ড
—আসছে ‘হাসি উৎসবের দিন’
                                          দুখী ডাকাত, তোমার দাওয়াত রইল


পরাজয় অথবা মুদ্রাদোষ


সঙ্গিনী মারা গেলে একাকী পেঙ্গুইন স্টাচু হয়ে যায়—
                                                      দ্রিম শব্দের স্টাচু
আমি মার্কেটিংয়ে ব-কলম, ডেসিমাল বুঝি না। কেবল গলা চিড়ে
না-যাওয়া পর্যন্ত প্রেমকে ডাকি—আয়-আয় নীলকণ্ঠার হাড়-বদল
                                                       লবণ চেখে যা

তখনি সিমেট্রি চলে আসে, খোসপাঁচড়া চলে আসে, টালি ছাদ

হায় একটা টাইম-মেশিনও বানানো হলো না জীবনে

টাটা-বাইবাই করতে করতে কার্নিশে ফাঁস দেয়া একটা বিকেল
                                          যথারীতি ঢুকে পড়ে চৌকো শরৎ-এ
কিন্তু আমি কোনো উপাসানালয়ের চৌকাঠ মাড়াব না

এই তো ফুলকে বলছি সাঁকো, নদীকে ডাকছি ফুলবেশ্যা
                                          আর তখনি আমি হর্ষকুমার
যখন কেউ পাশেরবাড়ির বারান্দায় ঝুলিয়ে রাখে নিঝুম অর্ন্তবাস


ঘুম


ঘুম পেলে লৌহজঙের লোহার রেলিং-দেয়া সাঁকোও ধসে পড়ে
চিপসের মতো মিহি, ভঙ্গুর—এমন স্বপ্নের কাছে গিয়ে মনে হয়
ব্লেডের মসৃণতা নিয়ে যে যাই বলুক, রাত আশলেই একটা টাইম-মেশিন
যার অবস্থান সংরক্ষিত এলাকায় পিটি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা
একুশটি বকুল গাছের কোনো একটি মধ্যবর্তী অঞ্চলে

এরপর যারাই কোটপ্যান্ট পরে সুবাসের নিচ দিয়ে হেঁটে যায়
তাদের ছায়া পাচার হয়ে যায় পালকি যুগে
তখন খয়েরি জুড়িগাড়ি থেকে নেমে আসে রঙ্গনের রক্তমাখা পা

এই পা, সিংহীর পিঠ থেকে নেমে আসা এই রূপ
কোনোদিন স্পর্শ করে নি ধনুকের মতো সাঁকো
অথচ কথা ছিল—রয়েল ড্রামা শেষে, একদিন ঠিকই
রেলিংয়ে এসে বসবে রাংতা-মোড়ানো রোদ
এভাবে স্বর্ণদুয়ারের সব সাঁকো ধসে গেলে পর
মহল্লার ঘুমে বেজে ওঠে নিদারুণ ঘোর ও একনাগাড় পায়েলের শব্দ


কুল ডাউন জেনারেল


নটির ছেলেরা সব জব্বন হয়ে থাক। অই যে জেলমাখা মোচ
টেরিকাটা রমণীমোহন মধুপুর জঙ্গল, অই যে ছাতিম গাছ
                                          কামরাঙা আর বাইম মাছ
কথা না বলে কেমন পোজ দেয়া মন্ত্রী হয়ে গেল।
চুপ যা, অফ যা, ভয় পাস না, কাছে আয়, পড়ে নে প্রজ্ঞাপন:
জলপাই রঙের চাড্ডি-বানিয়ান আজ থেকে বাধ্যতামূলক
আর ধড়িবাজ, তোরা যারা নারীর জন্য গোপনে পুষে রাখিস
পঙ্খিরাজ-পঙ্খিরাজ; তোদের অপরাধ গন্দমের অধিক
কুল ডাউন জেনারেল কুল ডাউন
আপনি বরং জঙ্গল চাবান, কুলকুচি করুন, সংবাদ-পাঠিকাদের শেখান
                                          টিপ অক্ষত রাখার কলাকৌশল
ওসব নিচু জাতের ঘোড়াদের কালচে লিঙ্গ নিয়ে মন খারাপ করবেন না
প্লিজ জানেন তো, বছর বছর মেয়েছেলেদের গর্ভবতী করলেও
                                          ওদের কোনো ফার্স্ট লেডি নেই


বুদ্ধমূর্তি ও করুণাদি’র লাল-শাদা


কে আমাকে দিল মাটির বুদ্ধমূর্তি?
                                          জড়িয়ে ধরল মাঝ রাস্তায়
দ্যাখো কেমন অর্ধেক সাপ আর অর্ধেক ব্যাটন-ধরা
                                          সাপুড়ে হয়ে গেলাম
কে আমাকে দিল খালি রাস্তার খাঁ-খাঁ যৌনবেদনা?
থেকে থেকে রাস্তা দাবড়াচ্ছে চাকা খুলে যাওয়া মাতাল ট্রাক
আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে চিঠি ও অন্তর্বাস

মাথার ভেতর ডানা ঠুকছে খুনসুটি; টুনটুনি-টুনটুনি
                                          টুনটুনির রক্ত চাই

আজ লালে শাদায় হেসে উঠছে করুণাদি’র বাড়ি


প্রেমিকার মুড অফ


ব্যস্ততারও টুপি থাকে, মাথায় জ্বলে ‘নিরাপদ দূরত্ব
                                          বজায় রাখুন’
অই যে সবুজ ড্রাগনের বন ওটাও আশলে সাইনবোর্ড
এভাবে বিকিনি-বিজ্ঞাপন পাশ কাটিয়ে কত আর
আগুনের কাছিম ঠেলব? প্লিজ, এবার ক্ষ্যামা দেন
                                          কড়া পড়ে গেছে
নদীতে কুয়াশার টাইম-মেশিন বাঁধা আছে
এইবেলা চৌত্রিশ সাইজের কাঁচুলি নিয়ে মানে-মানে কেটে পড়ুন
চাইলে চীন সাগরের দিকেও চলে যেতে পারেন
ওখানকার মানুষের মুখের আদলে মুনিঋষি কাঁকড়াগুলো
শুশুক ছাড়া আর কাউকে মোটেই বিরক্ত করে না
তবে রাতে গির্জার ঘণ্টাধ্বনি শুনে লেবু-আচারের শখ হলে
                                          আওয়াজ দিয়েন
আঠারো নম্বর পিলারের কাছে আমি তো আছিই
তৎক্ষণাৎ মাউথঅর্গান বাজাতে লেগে যাব


দর্জিবালক


রাত অপ্সরীদের ডাইনিং টেবিল
ওদের ডিনারে গেলে আমার ১ দিনের মাইনে গচ্চা যায়
টেনেটুনে চার ঘণ্টার ঘুম, এই এতটুকু ঐশ্বর্যে আমি আর কতই-বা
                                          সেলাইমেশিন চালাতে পারি?
এর মধ্যে, খোঁপায় জবাফুল গুঁজে এক মারমার-কাটকাট রিসিপশনিস্ট এসে
                                          দাবি করল ১ ডজন সেক্স-টয়
আমি দর্জিবালক, বড়জোর লিনিয়ার স্বপ্ন জোড়া দিতে পারি
কাটিং মাস্টারের মক্কেল ভাগিয়ে নেব—সে জোর কোথায়?
ওদিকে প্রেমিকার বাবা গর্বিত উটের মতো সুপাত্র নিয়ে এসেছেন
তবে প্রেমিকার দাবি এক্ষেত্রে তিশিফুলের মতোই সামান্য
সে চায়, পর্যাপ্ত মজুরির বিনিময়ে
তার বিয়ের গাউনটায় আমি যাতে অন্তত একটা নিরীহ
                                          স্বর্ণমুখী উল্কি এঁকে দিই


এখনও ঝর্নার খিলখিল


ভ্যানগগ নিজের পোর্ট্রেট আঁকতে গিয়ে বাদ দিয়েছিলেন কান। আর
চোখে কাচের গুঁড়ো ঢেলে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম রম্য শিশমহলে
                                                              কেন জাগলাম?
কেন পাশাপাশি পড়ে থাকে দুটি ভাই—সোনার খোলস, লোহার খোলস?

লক্ষ্মীরানির সতীন, এই নিন; সর্বসাকুল্যে সাড়ে বাইশ টাকা
তবু বেমক্কা প্রশ্ন থেকে মুক্তি পাক গলাছিলা মোরগ। গলা ছেড়ে
                                                             খয়েরি চিৎকারে
জানিয়ে দিক : দুই-টাকার নোট বেদম পলকা, মিনার ভেঙে ভেঙে যায়

ওরে লালকমল-নীলকমল! আমার পা কেবলি পিছলে পিছলে যায়
হঠাৎ খোক্ষস দেখে পড়ে গেলে খিলখিলিয়ে ওঠে হিমজটিল ঝর্না

২০০৯-এর কোনো দুপুরে আমি তাকে হাফবোতল ব্র্যান্ডি খাইয়েছিলাম


শিংঅলা ভিলেন ও মেষপালক নায়ক


রাজপথে মানস সরোবর আছে—বলেছিল শহীদ নূর হোসেনের বাবা
আমি মুভি-পাগল মানুষ। মিছিলকে বলি শিরস্ত্রাণ। চে’গুয়েভারার
                                       ভাষণ শুনলে ঢুকে পড়ি সিনেমা হ’লে
আশলে পৃথিবীর সব সিনেমা হ’লের জন্ম এই জন্য যে, শেষ শটে যাতে
আধপোড়া গাড়ির পাশ দিয়ে একটা বরফ-ঢাকা রাস্তা দেখানো যায়

রাস্তা জুড়ে সাতটি সিল্কের তোরণ, শাদাকালো ফুল, ফুলতোলা
রুমাল, ম্যাপেল পাতার মুকুট আর হাজার হাজার মিউট হাসি
এরকম কোটি কোটি রাবার বুলেটের দৃশ্যের পর শেষ দৃশ্যে
                                       ‘সত্যের জয়’ হবে এটাই স্বাভাবিক
কিন্তু প্রকৃত তীর্থযাত্রীরা তখন ঢুকে পড়েন মানস সরোবরে
সিনেমা-হল যদিও লাফিং গ্যাসের চেম্বার, তবু তারা ঠিকই
ধরতে পারেন : পুরো সিনেমায়, শিংঅলা ভিলেন আর মেষপালক নায়ক
দু’য়েতে মিলে নারীদেহ নিয়ে বেদম ফস্টিনস্টি করেছিলেন

মাজুল হাসান
মাজুল হাসান

মাজুল হাসান

কবি ও গল্পকার
জন্ম : ২৯ জুলাই ১৯৮০, দিনাজপুর।
পড়াশুনা করেছেন দিনাজপুর জিলা স্কুল, নটরডেম কলেজ
ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অর্নাস।।

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ:
বাতাসের বাইনোকুলার ● বাঙলায়ন প্রকাশনী, ২০১০।
মালিনী মধুমক্ষিকাগণ ● বাঙলায়ন প্রকাশনী, ২০১৪।
ইরাশা ভাষার জলমুক ● চৈতন্য, ২০১৬।

প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ:
টিয়ামন্ত্র ● ভাষাচিত্র প্রকাশনী, ২০০৯।
নাগর ও নাগলিঙ্গম ● বাঙলায়ন প্রকাশনী, ২০১২।

অনুবাদগ্রন্থ:
টানাগদ্যের গডফাদার, রাসেল এডসনের কবিতা ● চৈতন্য, ২০১৬।

মাজুল হাসান পেশায় সাংবাদিক। বর্তমানে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বার্তা বিভাগে কর্মরত।
মাজুল হাসান
মাজুল হাসান