হোম গদ্য স্বর্গের ঝাড়ুদার

স্বর্গের ঝাড়ুদার

স্বর্গের ঝাড়ুদার
413
0

বাংলাদেশে ‘দেশ’ পত্রিকার একটি সংখ্যা নিষিদ্ধ করা হলো একবার। নিয়মিত পাঠক হিশেবে মনঃক্ষুণ্ণ যেমন হয়েছিলাম, তেমনি জানতে ভীষণ আগ্রহ হচ্ছিল কী এমন ছিল যে তা এদেশে ঢুকতেই দেয়া হলো না? এই প্রশ্নের জবাব পাওয়া গিয়েছিল কয়েক সপ্তাহ পরই। আমি যখন কলকাতার কলেজ স্ট্রিট ধরে বইয়ের সন্ধানে হাঁটাহাঁটি করছিলাম তখন। দেখি নিষিদ্ধ সংখ্যাটি কলেজ স্ট্রিটের রাস্তায় বিক্রি হচ্ছে। তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে সাজানো হয়েছিল গোটা সংখ্যা (১৭ ডিসেম্বর ২০০৩), শিরোনাম ছিল ‘দ্বিখণ্ডিত’।


কলকাতা ফিরে আমি নির্ধারিত সময়ের আগেই কলেজ স্ট্রিটে পৌঁছাই, কারণ দুটো। একটি হলো কলেজ স্ট্রিটের রাস্তা ঝাড়ু দেয়া আর দ্বিতীয় হলো ‘নতুন শতক’ পত্রিকার সম্পাদক শীর্ষেন্দু দত্তের সঙ্গে পরিচিত হওয়া।


তখন আমি একুশ। ভারতে গিয়েছি মুম্বাই শহরে এক আন্তর্জাতিক যুব সম্মেলনে যোগ দিতে। মুম্বাই যাওয়ার আগে কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের রাস্তা ঝাড়ু দেব না, তা কি হয়? আমি প্রায়ই ঢাকার নীলক্ষেত ও পল্টনেও রাস্তা ঝাড়ু দেই, যদি দুই একটা অমূল্য রতন পাওয়া যায় সেই আশায়। তো কলেজ স্ট্রিট আমাকে হতাশ করে নি। ‘দেশ’ পত্রিকার সেই নিষিদ্ধ সংখ্যা তো পেয়েছিলামই, সঙ্গে পেয়েছিলাম আরো একটি বই, যার সন্ধানে ছিলাম বহুদিন। সেটি হলো নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বহু দুর্লভ ছবি সম্বলিত একটি বই : Netaji : A pictorial Biography। যদিও এটি ফুটপাতে নয়, পেয়েছিলাম এক বইয়ের দোকানে। এই বইয়ের সন্ধান আমি পেয়েছিলাম বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান ভুঁইয়ার কার্যালয়ে। স্কুল পড়ুয়া আমি সেখানে যখন বইটি দেখছিলাম, তখন কে যেন বলেছিল বইটি বেশ দামি। তো পরে ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে আমি কলেজ স্ট্রিটে বইটি হস্তগত করার সুযোগ পাই।

সেবার আমার সঙ্গে সফরসঙ্গী ছিলেন দুজন। তারা দুজনেই বেশ রসিক, মানে কলকাতায় নেমেই সোমরসের সন্ধান করছিলেন। আমি বললাম, আপনারা রসের সন্ধানে যান, আমি আমার রসদ জোগাড় করি। এরপর বিধান সরণি থেকে আমি চলে যাই কলেজ স্ট্রিটে। সেখান থেকে গোটা পাঁচেক বই সংগ্রহ করেছিলাম, এই ভেবে যে দেশে ফেরার পথে আরো বই কিনে নিয়ে যাব। শুধু শুধু এখন আর বইয়ের বোঝা টেনে মুম্বাইতে যাব না। এক সন্ধ্যার জন্যই থেকেছিলাম কলকাতায়। পরেরদিন সকালেই রওনা দিই মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে। রেলগাড়িতে টানা চল্লিশ ঘণ্টা। সে এক অপূর্ব অভিজ্ঞতা। মুম্বাইতে ছিলাম চারদিন। সঙ্গীদের পাল্লায় পড়ে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন সমুদ্র সৈকতেই ঘোরাঘুরি হয়েছে। সম্মেলনে আর হাজিরা দেয়া হয় নি। সেজন্য যে খুব আফসোস হয় তা নয়। মুম্বাই থেকে ফেরার পথে আবারও ঘাঁটি কলকাতা। তবে যেদিন এলাম সেদিন ছিল ২৩ জানুয়ারি, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন, কাজেই সব বন্ধ। বইয়ের দোকানও। এদিকে ওদিন রাতই ছিল শেষ রাত ভারতে। কাজেই ভগ্ন মনোরথ নিয়ে সেবার ঢাকায় ফিরতে হয়েছিল। পরের বার আর এমনটা হয় নি।

২০১৭ সালের এপ্রিলে যখন আবারও গেলাম, সঙ্গে তখন স্ত্রী ও একবছরের পুত্র সন্তান। এক বিকেলে ছেলের জন্য কদলী কিনতে বেরিয়ে রথের খোঁজ করলাম সদর স্ট্রিটে। পেয়েও গেলাম। পথের পাঁচালী চলচ্চিত্রের উপর একটি সচিত্র গ্রন্থ : The Pather Panchali Sketchbook, যেটার সম্পাদনা করেছেন সন্দীপ রায়। বইটিতে সত্যজিতের স্কেচ ছাড়াও কিছু লেখাপত্র রয়েছে ছবিটির উপর।

সেবার কলকাতায় শুধু নয়, গিয়েছিলাম বোলপুর শান্তি নিকেতনেও, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে। বোলপুর থেকে ফিরে দেখা করব কথাসাহিত্যিক অমর মিত্রের সঙ্গে। অমর দা বলে দিলেন সময় ও স্থান। স্থানটি হলো কলেজ স্ট্রিটের কফি হাউস। কলকাতা ফিরে আমি নির্ধারিত সময়ের আগেই কলেজ স্ট্রিটে পৌঁছাই, কারণ দুটো। একটি হলো কলেজ স্ট্রিটের রাস্তা ঝাড়ু দেয়া আর দ্বিতীয় হলো ‘নতুন শতক’ পত্রিকার সম্পাদক শীর্ষেন্দু দত্তের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। বাংলাদেশের লেখক বন্ধু অঞ্জন আচার্যের কল্যাণে ‘নতুন শতকে’ আমার একটি লেখা আগে বেরুলেও সামনাসামনি কখনো দেখা হয় নি পত্রিকার সম্পাদকের সঙ্গে। আমি কলকাতা এসেছি অঞ্জন সম্পাদককে জানালে তিনি আগ্রহী হন, আমি যেন তাদের পত্রিকার এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকি। অনুষ্ঠান কফি হাউসের তৃতীয় তলায়। আমি গিয়ে সংক্ষিপ্ত সময়েই পরিচিত হই। সংগ্রহ করি ‘নতুন শতকে’র কয়েকটি সংখ্যা। ঐ স্বল্প সময়েই শীর্ষেন্দু দত্ত উষ্ণতা নিয়ে চন্দননগরে তাদের বাড়িতে যাবার অগ্রিম নিমন্ত্রণ দিলেন। সেই উষ্ণতা নিয়ে বিদায় জানিয়ে আমি বেরিয়ে পড়ি ফুটপাতে।


সৈয়দ মুজতবা আলী যতই বলুন না কেন, বই কিনে কেউ কোনোদিন দেউলিয়া হয় না, আমি বলব কপর্দকশূন্য তো হয় নিশ্চয়!


যথারীতি হতাশ করে নি কলেজ স্ট্রিট। যে এলাকা নিখিল ভারতের বৃহত্তম বইয়ের বাজার, আর পুরো দুনিয়ায় পুরনো বইয়ের বাজার হিশেবে যার স্থান দ্বিতীয়, সেখানে হতাশ হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। চলচ্চিত্রের উপর একাধিক লোভনীয় বই তো পেলামই, সঙ্গে পেলাম মার্ক্সবাদ ও শিল্প নিয়ে বেরেল ল্যাং (Berel Lang) ও ফরেস্ট উইলিয়ামস (Forrest Williams) সম্পাদিত বই Marxism & Art : Writings in Aesthetics & Criticism। মার্ক্সবাদী দৃষ্টিতে শিল্প, শিল্পী ও শিল্পচর্চা নিয়ে ধ্রুপদী রচনার অসাধারণ এক সংকলন। আরো পেলাম আন্তোনিও গ্রামশির রচনা নিয়ে দুই মলাটে বন্দি Selections from Political Writings 1910-1920। এগুলো ছাড়াও কয়েকটি গল্পের বই কিনেছিলাম।

বই কিনতে কিনতে ভাবছিলাম, এক যুগ আগে কলেজ স্ট্রিট যেমনটা দেখেছি, একটু যেন চরিত্রের দিক থেকে পাল্টে গেছে পাড়াটা। স্কুল-কলেজের পাঠ্য বইয়ের দোকানগুলো যেন আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। আর সে-সব দোকানে শিক্ষার্থীদের ভিড়ও দেখার মতো। সকলে তালিকা নিয়ে শুধু হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে দোকানির দিকে। আর কিছুক্ষণ পর দোকানি একগাদা বই নিয়ে ফিরে আসছে শিক্ষার্থীর কাছে। সেসব দোকানে সুস্থির হয়ে বই দেখার ফুরসত মেলে না।

অবশ্য শিক্ষার্থীদের এমন ভিড় হওয়ার কারণও আছে। কলেজ স্ট্রিট এলাকা ঘিরেই তো বিখ্যাত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রেসিডেন্সি কলেজ, যা এখন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় (১৮১৭), হিন্দু স্কুল (১৮১৭), হেয়ার স্কুল (১৮১৮), সংস্কৃত কলেজ (১৮২৪), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৫৭), কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (১৮৫৭)। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য তো বটেই, সাধারণ পাঠক থেকে বুদ্ধিজীবী সকলের বইয়েরই দেদার জোগান দিয়ে যাচ্ছে এই কলেজ স্ট্রিট। এই পাড়া এক বিকেলে ঘুরে শেষ করার নয়। এক ঘণ্টার মধ্যেই যতটুকু পেরেছি বই সংগ্রহ করেছি। দুই হাতে তো ছিলই, আর বাকি বইও চালান করেছি ব্যাকপ্যাকের পেটে। এতে আমার কাঁধ দুটো প্রায় ছিড়ে যাবার উপক্রম হলেও মনটা ভীষণ হালকা আর ফুরফুরে লাগছিল। মনের মতো বই পাওয়া আর কেনার মধ্যে একটা করুণ আনন্দ আছে। সৈয়দ মুজতবা আলী যতই বলুন না কেন, বই কিনে কেউ কোনোদিন দেউলিয়া হয় না, আমি বলব কপর্দকশূন্য তো হয় নিশ্চয়! কাজেই বই কেনার মধ্যে একটা আনন্দ যেমন আছে, তেমনি দরিদ্র পাঠক হলে অর্থবিয়োগের কিঞ্চিৎ বেদনাও সেখানে মিশে থাকে!

তবে মণিমুক্তো আবিষ্কারের অবিমিশ্র সুখানুভূতি নিয়ে আমি এতক্ষণ হেঁটে হেঁটে ঘর্মাক্ত ও ক্লান্ত। অমর দা এসেছেন কি না জানতে ফোন বের করে দেখি তিনি তিনবার ফোন করেছেন, আমি টেরই পাই নি। যা হোক তাড়াহুড়ো করে ফিরতে শুরু করলাম কফি হাউসে। বেশি দূর যাই নি, কারণ জানি আবার ফিরতে হবে। দোতলায় ঢুকেই দেখি একদল লেখকবন্ধু নিয়ে অমর দা বসে আছেন। ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই দারুণ এক উপহার দিলেন অমর দা। উনার অমনিবাস, স্বাক্ষরসহ। আমি অমর দা’র অমরত্ব কামনা করে আমার একটি বই দিলাম। এরপর কফি পান করলাম। আর সদ্য পরিচিত লেখকদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটালাম। উনাদের আগ্রহ হুমায়ূন আহমেদ আর ইমদাদুল হক মিলনকে নিয়ে। আড্ডা বেশিক্ষণ চালাই নি কারণ দারাপুত্র তো হোটেলে। কাজেই তাড়াতাড়ি বেরুতে হলো কফি হাউস থেকে। সেটাই সেবারের জন্য শেষ কলেজ স্ট্রিট দর্শন। তবে এই স্ট্রিটে ফিরেছি আড়াই মাস পরই।


যেখানেই সৃজনীশক্তি, যেখানেই চিন্তার স্ফুরণ, যেখানেই নতুন ভাবনার আকর, যেখানেই মানস গঠনের প্রকৌশল


তৃতীয় দফায় ভারত সফর করি ঐ বছরেরই জুলাই মাসে। এক সন্ধ্যায় আমার অগ্রজ বন্ধু ছাইদুল ইসলামসহ গেলাম কলেজ স্ট্রিটের দে’জ প্রকাশনীর বিক্রয় কেন্দ্রে। সেই সন্ধ্যায় কিছুটা সময় কাটিয়ে পরের দিন আবারও গেলাম সকাল সাড়ে নয়টার দিকে, এই ভেবে যে সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের গদ্যের পুরো সেট পাওয়া যাবে কি না। পেলাম না। তবে প্রয়োজনীয়, আধা প্রয়োজনীয় কিছু বই সংগ্রহ করলাম দে’জ থেকে। এর আগে স্যান্ডুইচ খেলাম কফি হাউসে। একটু সময় নিয়েই খেলাম। বইয়ের দোকান খুলতে খুলতে বেলা এগারটা। আর তখন সবেমাত্র পৌনে দশ। তাই ছাইদুল ভাইয়ের সঙ্গে গল্প করে কাটালাম কিছুটা সময়, সেই জায়গায়, যেখানে সুভাষচন্দ্র বসু, সত্যজিৎ রায়, অমর্ত্য সেন, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়সহ আরো গুণী মানুষ সময় কাটিয়েছেন। আর মান্না দে’র গাওয়া গানটির কথা না হয় নাই বললাম।

১৯৪২ সালে ভারতের কফি বোর্ডের তত্ত্বাবধানে প্রথম যাত্রা শুরু করে অধুনার কফি হাউস। মাঝে হাওড়া ব্রিজের নিচ দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। হাত বদল হয়েছে মালিকানার। তবে ঐতিহ্য ঠিকই অপরিবর্তিত রয়েছে কলকাতার এই ‘আড্ডা’ খানার। রণজিৎ দাশ ‘কফি হাউসের আড্ডা’ শিরোনামের এক লেখায় বলছেন :

আড্ডা মানে তো নিছক আড্ডা নয়, স্মল টক, গসিপ আর মামুলি গাল-গপ্পো নয় (সে সব কথা আবার লেখা যায় নাকি?), আড্ডা মানে মননচর্চা, তত্ত্ববিচার, বিতর্কসভা, নব্য চিন্তার নির্মাণ—সব মিলিয়ে এক যৌথ সৃজনশীলতা।

আড্ডা মারার এমন জায়গা, যার চারদিকে বইয়ের দুনিয়া, এতগুলো উজ্জ্বল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্বের মধ্যেই বিরল। তবে বাংলাদেশে একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের চরিত্র অনেকটা এমনই ছিল, যৌথ সৃজনশীলতা ওরফে আড্ডার বিচারে। হাল আমলে শাহবাগ মোড়ের অদূরে, চারুকলা ইন্সটিটিউটের উল্টো দিকে গড়ে উঠেছিল নতুন আড্ডা স্থল, নাম ছিল ‘ছবির হাট’, তবে ২০১৩ সালে শাহবাগ আন্দোলনের পর এই হাট প্রশাসনের কাছে হয়ে ওঠে ‘ভীতিকর’। কারণটা অনুমেয়। শঙ্কা : কী জানি বাবা, আড্ডার তরুণদের বিশ্বাস নেই, কখন কোন বিষয় নিয়ে ষড় করে যন্ত্রণায় ফেলে দেয়!

ইতিহাস কিন্তু সবসময়ই এই আড্ডাবাজদের পক্ষেই। শহরের কোথাও না কোথাও, কোনো না কোনো আড্ডা গড়ে ওঠেই। কারণ যৌথ সৃজশীলতা তো প্রমত্ত নদীর মতো।এই নদীর সঙ্গে চিন্তার মহাফেজখানা অর্থাৎ গ্রন্থের যোগ নিবিড়। যেখানেই সৃজনীশক্তি, যেখানেই চিন্তার স্ফুরণ, যেখানেই নতুন ভাবনার আকর, যেখানেই মানস গঠনের প্রকৌশল—সেখানেই তো গড়ে ওঠে বেহেশত, অন্তত আমার কাছে। তাই কলেজ স্ট্রিট এক অনন্য স্বর্গ। এই স্বর্গে আমি বারবারই ঝাড়ু দিতে চাই।

 

 

বিধান রিবেরু

জন্ম ২২ সেপ্টেম্বর; ঢাকা।

শিক্ষা : সাংবাদিকতা ও চলচ্চিত্রে মোট দুটি স্নাতকোত্তর, এর আগে কম্পিউটারে স্নাতক।

প্রকাশিত বই—
চলচ্চিত্র পাঠ সহায়িকা [রোদেলা, ২০১১]
চলচ্চিত্র বিচার [কথা, ২০১৪]
বলিউড বাহাস [চৈতন্য, ২০১৫]
উসমান সেমবেনের চলচ্চিত্র হালা [কথা, ২০১৭]
শাহবাগ : রাজনীতি ধর্ম চেতনা [প্রকৃতি, ২০১৪]
বিবিধ অভাব : লিওনার্দো, লালন ও লাকাঁ [ঐতিহ্য, ২০১৫]
অনুভূতিতে আঘাতের রাজনীতি ও অন্যান্য [ঐতিহ্য, ২০১৭]

ই-মেইল : bidhanrebeiro@gmail.com

Latest posts by বিধান রিবেরু (see all)