হোম গদ্য লোরকা ও আমরা

লোরকা ও আমরা

লোরকা ও আমরা
1.29K
0

কবি ফেদেরিকো গারসিয়া লোরকার কবিতা নিয়ে কথা বলতে এলে আজকের কবি ও পাঠকের সামনে তাকে নতুন নিরিখে দেখবার প্রয়াস পাওয়া সঙ্গত এক কথা। আজকের কবিতাপাঠক পূর্বসুরি এই কবির ভাণ্ডার থেকে কিছু রত্ন সংগ্রহ করার চেষ্টা করবেন এটি খুবই স্বাভাবিক। এই পরিসরে কবি সাজ্জাদ শরিফকৃত লোরকার কবিতার একটি নির্বাচিত অনুবাদ সংকলন ‘রক্ত ও অশ্রুর গাথা’ পড়বার সময় সেই প্রয়াস থাকবে আমারও।

আধুনিকতার যৌবনকালে লোরকার কবিতাগুলোকে পেতে শুরু করে পৃথিবী। আধুনিকতা নানা দার্শনিক, রাজনৈতিক এবং শিল্প ও কাব্যিক প্রকাশধর্মিতার আন্দোলনের ভেতর দিয়ে বেড়ে উঠছিল সেইসময়। সুদূর প্রভাববিস্তারী একেকটি শিল্প আন্দোলন ও তা থেকে জন্ম নেওয়া হিরা-জহরতের পাশে চলতে থাকা রাজনৈতিক ডামাডোলের অস্তিত্ব অস্বীকার করার কোনো উপায় ছিল না। তবে কবি লোরকা এসবের পাশে থেকে নিজের আত্মার প্রকাশকে চালিয়ে গেছেন। আত্মার নির্জনতা, ধ্যান, সংগীতময়তা এবং একই সাথে প্রাত্যহিকতা, পরিপার্শ্বের প্রতি মমতাবোধ ও তার ফলে জন্ম নেওয়া হাহাকার—এই অবস্থাগুলোর মাঝে নিজের কবিসত্তাকে গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে চেয়েছেন লোরকা।


ভাষা কেবল ভঙ্গি বা কথা বলার চাল নয়, তা কবি-মানসেরই ছবি। কবির ভাষা তার স্বাতন্ত্র্যকেই নির্দেশ করে এই অর্থে যে, ওই ভাষাই তার স্বাক্ষর বহন করে।


তাঁর কবিতায় এসেছে অপাপবিদ্ধতা, নির্জনতা, হারানো সময় ও স্থানের জন্য হাহাকার, সৌন্দর্যকে নানা মাত্রায় আবিষ্কার, কাব্যিক কুশলতা ও সংগীতময়তাকে মেলাবার চেষ্টা, জীবন ও মৃত্যুকে শিল্পের অন্তরঙ্গতায় উপলব্ধি করা, আবার জীবনকে মৃত্যুর ওপর জয়ী দেখা—এইরকম বহুমাত্রিকতায় নিজের কবিসত্তাকে নতুন করে তুলেছেন তিনি। মৃত্যুর আবহ তার কবিতায় বারবার ফেরত আসে, তবে কবি সেখানেও তার উত্তরণ ঘটান—কেবল বেদনাবিধুরতার কান্না তৈরি করার বদলে মৃত্যুকে করে তোলেন জীবনেরই অন্য এক উত্তরণ, যখন মৃত্যুকে তিনি কাব্যিক সত্যের ভেতর দিয়ে দেখেন আর নাটকীয় করে তোলেন—ফলত যা আমাদের স্মৃতিতে গেঁথে যায়। কবিতা বহুমাত্রিক হলে তার ভাষা ও প্রকাশকুশলতায়ও বৈচিত্র্য আসে। লোরকার ক্ষেত্রেও আমরা তাই দেখতে পাই। এই বৈচিত্র্য কবিতাকেই সমৃদ্ধি দেয়, নতুবা কবি ও কবিতা উভয়েই হয়তো জড়তা লাভ করে। কেননা ভাষা কেবল ভঙ্গি বা কথা বলার চাল নয়, তা কবি-মানসেরই ছবি। কবির ভাষা তার স্বাতন্ত্র্যকেই নির্দেশ করে এই অর্থে যে, ওই ভাষাই তার স্বাক্ষর বহন করে।

লোরকাকে আমাদের সময়ের চোখে দেখার চেষ্টা করার অর্থ আমাদের সময়ের প্রবণতার নিরিখে কবির ভাষা-প্রবণতাগুলোকে বুঝবার চেষ্টা করা। তার কবিতাবই নামের বইয়ে ‘গাছ’ কবিতায় দেখি রূপ-কে গড়ে তুলতে এবং সঙ্গীতময়তা তৈরি করতে। রূপ যেহেতু প্রত্যক্ষ অনুভূতির সাথে যোগ ঘটায় কাজেই কবিতা আমাদের ধরাছোঁয়ার জগতের কাছে চলে আসে। সঙ্গীতের জন্মকে অভিজ্ঞতায় কী আবহে আনেন তিনি তা দেখি এই কবিতায়। উদ্ধৃত করছি ‘গাছ’ কবিতা থেকে—

পাখিদের আত্মা থেকে,
ঈশ্বরের চোখ থেকে
নিটোল আবেগ থেকে তোমার সঙ্গীত জেগে ওঠে।

এই সঙ্গীত মৌনীর। আমরা যাকে mute music বলতে চাই। আজকের কবিতায় এই সঙ্গীতের দিকে যাবার প্রবণতাকে চিহ্নিত করি যখন, হয়তোবা ভিন্ন আঙ্গিকে, তখন লোরকাকে নিয়েও ভাবার অবকাশ আছে।

অনুভূতিকে অনুপুঙ্খ করে দেখতে চাওয়া লোরকার ভাষার এক বৈশিষ্ট্য। বিমূর্তায়নের ধারায় আবেগ, নির্মলতার অনুভব এই সব বিবিধ মোটিফের হাত ধরে চলে। কবিতাবই গ্রন্থের ‘ইচ্ছা’ কবিতায় তিনি লেখেন—

আমার স্বর্গ এক প্রান্তর
যেখানে কোকিল
কিংবা বীণা নেই,
আছে সচকিত জলধারা
আর ছোট্ট ফোয়ারা।

বলে রাখা ভালো, আজকের কবিতায় বিমূর্তায়নকে আমরা ‘বাস্তব’ বা ‘রিয়ালিটি’ বলে চিহ্নিত করছি। কেননা শিল্পী টেকনিকের যতটা কাছের, যাপনের বা আত্মিক ঋদ্ধতার কাছের মানুষ হন তার চেয়ে অনেক বেশি করে। যাপন ও আত্মিকতা কবিরই একান্ত।

লোরকার কবিতাকৃতির এক বিশেষ পর্যায় ছিল ‘কান্তে হন্দো’ বা ‘গভীর গান’কে নতুন রূপে তুলে আনা। তাঁর অর্জনের একটি দিক ছিল জনপ্রিয় সংস্কৃতির নবায়ন। কেবল কিছু অনুষঙ্গের উল্লেখ করে আধুনিক পাস্তিশে পর্যবসিত করার বদলে এই ‘কান্তে হন্দো’ গানের নির্যাসকে তিনি ছেঁকে তোলেন, যা আসলে একজন প্রকৃত কবির দ্বারাই সম্ভব। আভাঁগার্দ আর ঐতিহ্যের সংশ্লেষে তিনি নতুন এক ভাষাকে গড়ে তোলেন। একই শব্দকে পাশাপাশি পুনরুচ্চারণে ভিন্ন অর্থে মেলে ধরার মাঝেও দেখি জাদুময়তার গড়ন। তার জিপসি গান বইয়েও এই প্রবণতার স্বাক্ষর দেখি। উদ্ধৃত করছি ‘তন্দ্রাচারী গাথা’ কবিতা থেকে—

সবুজ শরীর, সবুজ অলক,
আর চোখজোড়া ঠান্ডা রুপার।
সবুজ তোমাকে চাই ও সবুজ।


এদেরই একজন পরাবাস্তববাদকে তুলনা করেছিলেন এক ‘নর্দমা’র সাথে, যার জল স্বচ্ছ কিন্তু তলানিতে ময়লা।


আজ যখন বাংলা কবিতায় শেকড়ে ফেরার কথা আলোচিত হচ্ছে, তখন কিছু কথার চাল ও অতিনাটকীয়তা থেকে বেরিয়ে এসে কী করে একে আঙ্গিকে ও আত্মায় নবায়িত করা যায় সেই প্রয়াস নিয়ে ভাববার সময় এসেছে। কেননা, কবি নতুন হয়ে ওঠেন বলেই বেঁচে থাকেন। লোরকা এখানেও প্রাসঙ্গিক।

ফিরে আসি লোরকার কবিতা তার সময় ও উত্তরকালকে যেসব প্রবণতা দিয়েছিল তার দিকে আরেকবার—তাঁর ভাষার দিকে। লোরকার স্যুইটস বইয়ে ‘পৃথিবী’ কবিতায় দেখতে পাই সঙ্গীতময়তাকে কেলাসিত করে তোলেন তিনি একেকটি চিত্রকল্পে। পরাবাস্তববাদীদের সমসাময়িক এই কবি চিত্রমালার ভেতরমহল থেকে সঙ্গীতকে জাগিয়ে তোলেন। পরাবাস্তববাদীদের মধ্যে, আমরা জানি, দৃষ্টিভঙ্গিগত ভিন্নমত ও বিভেদ দেখা দিয়েছিল। এদেরই একজন পরাবাস্তববাদকে তুলনা করেছিলেন এক ‘নর্দমা’র সাথে, যার জল স্বচ্ছ কিন্তু তলানিতে ময়লা। এই তুলনা বস্তুত ওই কাব্য-আন্দোলনের আত্মিক শূন্যতাকে তুলে ধরে। উল্টোদিকে লোরকার কবিতায় আমরা আত্মিক শূন্যতার বদলে একেকটি অদেখা বাস্তবতাকে আমাদের সামনে বিশিষ্ট করে তুলে তার রহস্যকে সজীবতা দানের এক জাদু দেখতে পাই। উপলব্ধি আর অন্তর্দৃষ্টির গভীরতায় আমাদের ঋদ্ধ করেন তিনি। ‘পৃথিবী’ কবিতা থেকে উদ্ধৃত করছি—

আমরা পারদহীন
আয়নার ওপর দিয়ে
হাঁটি,
কাচের নির্মেঘ
এক তল।

‘স্যুইটস’ বইয়ের ‘ইনিতিয়াম’ কবিতায় আদম ও হাওয়ার পৌরাণিক কথার দর্শনকে তিনি ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখেন। যেখানে ‘দর্পণ’ ভেঙে যাওয়ার মাঝে তিনি মানুষের আত্মার বিচূর্ণ হওয়াকে দেখতে পান। উদ্ধৃত করছি—

আদম ও হাওয়া।
সাপ ভেঙে ফেলে দর্পণখানি
হাজার খণ্ডে,
এবং আপেল
ছিল তার শিলা।

আধুনিকতার সঙ্কট ও নিজের পরিচয়ের সঙ্কটকেই তিনি ভাষা দেন। আমাদের মনে পড়তে পারে, এই দার্শনিক ধাঁধা নিয়ে কবি টেড হিউজেরও একটি কবিতা ছিল ‘দ্য চাইল্ডিশ প্র্যাঙ্ক’।

আমাদের সময়ের কবিতায় এক অন্যতম সুর স্মৃতির নানা দিককে খুঁড়ে দেখা। আধুনিকদের সময়েও এই প্রবণতা ছিল, যাকে প্রতি কবির মাঝেই স্বতন্ত্রভাবে দেখা গিয়েছিল। এলিয়টে দেখি স্মৃতির ‘খণ্ড ছবি’—broken images। লোরকায় দেখি স্মৃতি একটা তরঙ্গ বা আলোড়ন রেখে যায়, মৃতদের সাথে ছবি হয়ে যেয়েও। আমরা স্মৃতির নতুন সম্ভাবনার সামনে দাঁড়াই, যেখানে স্মৃতি হয়তো আড়ালে যায়, তবে এক ছন্দের জন্ম দিয়ে যায়। উদ্ধৃত করছি তার ‘স্মারক’ কবিতাটি থেকে—

যদিও বলেছে তারা
মৃত মানুষেরা
মধ্য গ্রীষ্মদিবসের আকাশ পেরোলে
মুছে যায় আমাদের স্মৃতি,
আঁধার আকাশ
বায়ুস্রোতে
আলোড়িত হয়।

একজন কবি তার উত্তরকালের জন্যও কিছু অনুভূতির স্নায়ু গড়ে নিজের অমরতাকে নিশ্চিত করেন। অস্তিত্বকে নানা পরিসরে দেখা—নিজের মাঝে, অন্যের মাঝে—জগতের সব পরিসরে দেখার মাঝেই কবি খুঁজে বের করেন তার নিজস্ব জগৎ, যাকে আমরা আজ ‘রিয়ালিটি’ বলি। স্যুইটস বইয়ের ‘কবিরাজ’ কবিতায় দেখি মৃত্যুকে কবি ব্যক্তিগত অনুভবের বলয় থেকে বের করে পরিজনের দৃষ্টিতে দেখছেন। কবিরাজ তার মৃত ছেলেটিকে নুয়ে পড়ে দেখে। বিস্মিত হয়ে লক্ষ করি কবি এই অরুন্তুদ দৃশ্যের মাঝেও ছন্দের জন্ম দিতে ভোলেন না—

আর যখন সে কাঁদে
তার ফ্লাস্ক থেকে ভেসে আসে
ডানার ঝাপট।

মৃত্যুর স্তব্ধতাকে পেরিয়ে এভাবেই জীবন ও কবিতা জেগে থাকে, জয়ী হয়।

লোরকার কাব্য-পরিক্রমায় অন্য এক ভাষাভূমির সামনে দাঁড়াই আমরা লোরকার ‘সীমান্ত’ কবিতায় এসে। রঙ নিয়ে অর্থ তৈরি করার শিল্পিতা আর দৃষ্টিকে অনেক অনুষঙ্গের মাঝে টেনে নিয়ে যাওয়ার চারুতা দেখতে পাই আমরা এই কবিতায়। যেখানে আসলে ভাষা নতুন এক সুরের মাঝে নিজেকে প্রবেশ করায়। শিউরে ওঠার অনুভূতির সাথে রঙের সমান্তরাল অবস্থান, শ্রুতির অস্তিত্ব ঘোষণা এবং প্রতাপের উপস্থিতি দেখি আমরা। এই কবিতায় তিনি যেন নির্মল আবহ থেকে বেরিয়ে এসে নির্মম বাস্তবতার সামনে কবির প্রতিক্রিয়াকে রূপ দিচ্ছেন। প্রতাপের চেহারা নিয়ে আসছে ‘গা ছমছমে নৈঃশব্দ্য’। লোরকার এই পর্যায়ে আধুনিকতার ব্যাধিগুলো দেখা দিতে লাগল স্পষ্ট হয়ে। একই সময়পর্বে রচিত কবির অন্য বই জিপসি-গীতিকা-তে আমরা এই বাস্তবতাগুলোর আরও কিছু বিক্ষেপ দেখতে পাই। কবিতায় জায়গা করে নেয় ‘দীর্ঘ চিৎকারের দমকা হাওয়া’, ‘অশ্বখুরে মাড়ানো বাতাস’, ‘কেটে ফেলা স্তন’, ‘বারুদ-গোলাপ’, ‘পৃথিবীর বলিরেখা’—এইসব চিহ্ন।


লোরকার যে পরিচিতি ছিল বাংলা ভাষায়, কবি সাজ্জাদ শরিফের এই অনুবাদ-কর্মটি সেই ধারণা বদলে দিল।


লোরকার ভাষা বাঁক ফেরে নিউইয়র্কে কবি বইটিতে। শমিত হয়ে আসছে ভাষা এই বইতে। কিছু ভিন্ন ধরনের সৌন্দর্য তৈরির প্রয়াস নেন কবি। সুরকে দীর্ঘায়িত করে দেন, কিছু ভিন্নতর গড়নকে সেই ভাষা যেন জায়গা করে দিতে পারে সেই উদ্দেশে। উদ্ধৃত করছি ‘হাঁটাহাঁটির পরে’ কবিতা থেকে–

আকাশ দিয়ে চেরা।
সাপের দিকে আগুয়ান
আর স্ফটিক-আকুল আকারের মাঝখানে,
আমি বাড়তে দেবো আমার চুল।

আধুনিকতার ব্যাধিতে আত্মাকে হারানো আর প্রতাপ ও নিবর্তনের নিচে সত্তাকে হারাবার রূপ দেখি লোরকার ‘হার্লেমের রাজা’ কবিতায়। উদ্ধৃত করছি—

আহা, ছদ্মবেশী হার্লেম!
আহা, স্যুটপরা মাথাহীন জনতার হুমকিলাঞ্ছিত হার্লেম!

মনে পড়তে পারে, এলিয়টের ওয়েস্টল্যান্ডবাসী ‘মাথা ঢাকা’ লোকেদের কথা। এদের কারোরই যেন আলাদা সত্তা নেই।

লোরকা তার উত্তরকালের কাছে এইসব প্রবণতার জন্য আলোচ্য। তাঁর মৃত্যুর নানা অনুষঙ্গ ঘিরে বেড়ে ওঠা কবিতায় মৃত্যুর মাঝ দিয়েও বস্তুত কবিতাই বড় হয়ে ওঠে বলে, আজ মৃত্যুর কবি না হয়ে লোরকা বরং অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন আমাদের জন্য। বোধ করি আজকের প্রবণতাসমূহের পাশে লোরকার প্রাসঙ্গিকতা আছে বলেই কবি সাজ্জাদ শরিফ এই দীর্ঘ, পরিশ্রমসাধ্য কিন্তু সফল অনুবাদের কাজটি করেছেন আমাদের জন্য। অনুবাদের প্রাঞ্জলতার বিষয়ে না বললেই নয়। এই বইটি পড়বার আগে আমরা যারা অন্য দুয়েকটি অনুবাদের বই পড়েছি তাদের কাছে লোরকার যে পরিচিতি ছিল বাংলা ভাষায়, কবি সাজ্জাদ শরিফের এই অনুবাদ-কর্মটি সেই ধারণা বদলে দিল। সঙ্গে বাড়তি পাওনা হয়ে এল বইয়ের শুরুতে তাঁর লেখা প্রবন্ধটি। এই ধরনের কবিতার অনুবাদে যা বিশেষ প্রয়োজনীয়। স্বল্প পরিসরে, তার অনুবাদ থেকে উদ্ধৃত কিছু কবিতাংশে অনুবাদের প্রাঞ্জলতার কিছু মাত্রই এসেছে। পাঠে সাধ পূরণ হবে আশা করি।


রক্ত ও অশ্রুর গাথা  বই থেকে পড়ুন : লোরকার দশটি কবিতা

তানভীর মাহমুদ

তানভীর মাহমুদ

জন্ম ৯ অক্টোবর, ১৯৮০, ঢাকা। ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। এমবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অপরাধতত্ত্ব ও বিচার-এ এমএসএস।
পেশা : চাকরি।

প্রকাশিত বই : প্রতিবিহার (কবিতা)

ই-মেইল : editor.hansadhani@gmail.com
তানভীর মাহমুদ