হোম গদ্য যতীনের চিন্তার ইস্কুল

যতীনের চিন্তার ইস্কুল

যতীনের চিন্তার ইস্কুল
341
0

যতীন স্যারের সাথে আত্মার তাগিদে ধীরে ধীরে মিশেছি। মেশার আগে দূর থেকে দেখেছি, শুনে শুনে মিশেছি। নদী পেঁচানো শহরটায় ধুতি-পাঞ্জাবির পবিত্রতায় নিমগ্ন গতিতে স্যার কবি জীবনানন্দের মতো হাঁটছেন। কবি জীবনানন্দ দাশের নির্জনতা প্রসঙ্গে অনেক গল্পই প্রচলিত আছে। কবি যদি বুঝতে পারতেন কেউ তার সাথে কথা বলতে আসছে, তাহলে তিনি রাস্তার প্রান্ত বদল করে কোনো দিকে না তাকিয়ে দ্রুত গতিতে হাঁটতে থাকতেন। যতীন স্যার কবি জীবনানন্দের ঠিক উলটো চরিত্র। রাস্তায় কিংবা চলন্ত আড্ডায় কেউ কথা বলতে আগ্রহ প্রকাশ করলে স্যার দীর্ঘ সময় নিয়ে কথা বলবেন। বাড়িতে আসার নিমন্ত্রণ জানাবেন। কথা শোনানোর সচল গুরুত্বে আগ্রহী মানুষটার জন্য অপেক্ষা করবেন। হয়তো কোনো কারণ ছাড়াই মানুষ তার কথা শুনতে শুরু করেন কিংবা কথা শুনতে শুনতে, যুক্তি ও ধারণায় মিশে যেতে যেতে মানুষ তার ভেতর-মহলে প্রবেশ করেন। কথা বলার এই প্রক্রিয়ায় অর্জিত চিন্তাচর্চাকেই বলতে থাকেন। কথা বলাটাকে তিনি দায়িত্ব ভাবেন। কথা বলতে বলতে বিলের পদ্মফুলের মতো হাসতে থাকেন। আশি পেরুনো দন্তহীন মানুষের হাসি সামনাসামনি বসে দেখতে ভালোলাগে খুব। ভালোলাগে মানুষটার তেজ, সাহস আর যাপিত জীবনের জার্নাল। একটা মানুষকে অনুভব করা ছাড়া আমরা আর কিছুই করতে পারি না। পৃথিবীতে জারুল ফুলেরা অম্লান থাকে না। রং ছড়ানোর দার্শনিকতাটাই জারুলের পৃথিবী। রং ছড়ানোর এই দার্শনিকতাই জারুলের শক্তি। মানুষকে বুঝতে হলে মানুষের কর্ম ও চক্ষুকে তাই অনুভব করা লাগে। বিলের শাপলার মতো সহজ এই বড় মানুষের জীবন নিংড়ানো হাসি ও সাধনাকে স্পর্শ করার আগ্রহে, পাশে বসার আগ্রহে একদিন পাশেই বসেছি।


যতিন স্যার কলেজ থেকে, পার্টি থেকে অবসর নিয়েছেন। কিন্তু কলমের আক্ষরিক দুনিয়ায় চিন্তা ও যাপনকে সক্রিয় রেখেছেন।


মগরা নদীর তীরে রামকৃষ্ণ মিশন পেরুলেই অনেকটা জমিনের উপর প্রাচীর বেষ্টিত স্যারের ছোট্ট বাসা। ভাই-বোন সম্মিলনে এখানে তারা বানপ্রস্থে আছেন। কিন্তু সময় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একজন চিন্তকের কি বানপ্রস্থ যাপন সম্ভব! সম্ভব যে না সেটা যতীন সরকারকে দেখে বুঝেছি। যতিন স্যার কলেজ থেকে, পার্টি থেকে অবসর নিয়েছেন। কিন্তু কলমের আক্ষরিক দুনিয়ায় চিন্তা ও যাপনকে সক্রিয় রেখেছেন। তার কলমে অনেক কালি। তার কলমে তিনটা কালের অভিজ্ঞান। ব্রিটিশ-পাকিস্তান-বাংলাদেশ দেখা এই মানুষটির তাই আর বানপ্রস্থ যাপন হয় না।  দীর্ঘ মনোযোগজাত অনুভূতিগুলোকেই তিনি লিখতে থাকেন। পাঠক কিংবা শ্রোতাকে কালের জন্ম-মৃত্যু-দর্শনটাকেই উপস্থাপন করেন। সমাজতান্ত্রিক চিন্তা ও গুরুস্থানীয় অনেকের ঋণ ও উত্তরাধিকারকে বহন করে তিনি একজন দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী লোক। অগ্রজদের চিন্তায় স্নাত হয়ে যুক্তিনির্ভর একটা সমাজগঠনের চেষ্টা করছেন। কী পেরেছেন! কী পারবেন! কিংবা কী পারবেন না—সেটা সময় বিবেচনা করবে। সবার নৌকার তলায় সময় একটা নিয়মেই প্রবাহিত হচ্ছে। সেই প্রবাহিত সময়ের স্বরে তিনি মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং আপন জীবনের মৌলিক রং মাখিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রান্তিক জনের সন্তান হয়ে তিনি প্রান্তিক জনের ভাষা ও দর্শনটাকেই লিখে যাচ্ছেন। যাপিত জীবনের ভেতরে কৃষকের মন ও মনস্তত্ত্বের চর্চা ও প্রকাশের আয়োজনটাই যতীন সরকারের ধর্ম ও সাধনা। যাপনের অভিজ্ঞানকে তিনি পররং না মাখিয়ে বলেন, একটা স্পষ্ট ভাষায় ঋক্‌বেদ-এর সময় থেকে আজ পর্যন্ত বৈষম্যহীন সমাজের আকাঙ্ক্ষায় বাঙালির আদি পুরুষেরা কী ভাবে সংগ্রাম করেছেন, লৌকিক ঐতিহ্যে কী ভাবে মিশে আছে বাঙালির সমাজবাদী মনন—তাই তিনি বলেন এবং লিখেন।

বাড়ির দেয়াল ঘেঁষে পাতাবাহারের ঝোপ। এই ঝোপের ভেতরে তার আবক্ষমূর্তি। শিল্পী অখিল পাল গুরু দক্ষিণার পরম মমতায় এই ভাস্কর্যটি স্যারকে উপহার দিয়েছেন। এই পাথরের যতীন সরকারকে রেখে ঘরে ঢুকলেই দেখবেন একজন প্রাণবান মানুষ শুয়ে-বসে-হেঁটে পড়ছেন কিংবা লিখছেন। তাই, আমি বলি কেউ যেন পাথরের যতীন সরকারকে দেখে চলে না যান। ভেতরে ঢুকুন। ভেতরের মানুষটাকে দেখুন। যাপিত জীবনের অভিনিবেশে প্রবেশ করুন। ‘জ্ঞানের দীনতা এই আপনার মনে/ পূরণ করিয়া লই যত পারি ভিক্ষালব্ধ ধনে’—দিলে ও মননে রবীন্দ্রনাথের এই কথাটিই প্রতিস্থাপিত করেছেন। নিজে তিনি জীবন ঘাটতে পছন্দ করেন। অন্যকে ঘাটতে উৎসাহিত করেন। পৃথিবীর ধারণায় মিশতে মিশতে এই সমাজমনস্ক এই চিন্তকের নিজস্ব একটি ধারণা তৈরি হয়েছে। সেই ধারণায় বসুন।


তরুণদের মধ্যে তিনি একটা দৃষ্টি ও প্রবণতা তৈরি করতে চান। এই দৃষ্টি ও প্রবণতাটাই স্যারের স্কুলিং।


তার সাধনার ঘরে প্রবেশ করার দরজাটা তিনি খুলেই রাখেন। তিনি চান, আগ্রহীরা এই ঘরে প্রবেশ করুক। বস্তুত, নেত্রকোণার সাতপাই নিবাসী যতীন সরকার ‘বানপ্রস্থ’ নামক বাড়িটির দরজা জানালা খুলেই রাখেন। তাজা মনে, দূরের কিংবা কাছের আগন্তুকদের জন্য অপেক্ষা করেন। যে কেউ তার কাছে আসতে পারেন, বসতে পারেন। এই কণ্ঠ দূরের মানুষকেও কাছে ডাকে, কাছের মানুষকে করে অন্তরতম। বিচ্ছিন্নতা শব্দটি তিনি পছন্দ করেন না। তিনি তাই বিচ্ছিন্ন নন। তিনি বর্তমানের মানুষ। বর্তমানকে যাপনের মাধ্যমে অতীত ও ভবিষ্যৎ দুটোতেই বসবাস করেন তিনি। আগামীর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস খুঁজতে খুঁজতে প্রতিদিন এগিয়ে চলেন তিনি। সাম্য ও মানবিক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেন তিনি। মানব তীর্থের পথে তিনিও মানব। অতীতের সিন্দুকটাকে নিয়ে যান ভবিষ্যতের দিকে।

তরুণদের মধ্যে তিনি একটা দৃষ্টি ও প্রবণতা তৈরি করতে চান। এই দৃষ্টি ও প্রবণতাটাই স্যারের স্কুলিং। এই স্কুলিংয়ের ছায়ায় কারা কারা আসবেন, বসবেন, পাল্টাবেন আর কারা কারা আসবেন না, বসবেন না, পাল্টাবেন না—এটাও তিনি স্পষ্ট জানেন ও মানেন। মানুষের সৌন্দর্য, সম্ভাবনা ও উদ্যমে তিনি বিশ্বাস করেন। প্রতিদিনের শ্রেণিগত অত্যাচার থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে চান। মধ্যবিত্তের লতানো মনটাকে তিনি সমালোচনা করেন। সইতে সইতে আঘাতের নিদারুণ উত্তর আমরা ভুলে গেছি। আত্মীয়করণের আদর্শবাদ ছাড়া এই বিত্তবাদীদের আর কোনো পথ নেই। পরচর্চার নোংরামি আর আত্মছলনার পটুত্বে এই সমাজের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। শহরের সর্বত্র এখন ব্যানার। কালারল্যাব থেকে প্রিন্টেট করা আত্মছলনার একেকটা চেহারা এখন ব্যানারময় হয়ে গেছে। দুঃখ ভুলার সুড়ঙ্গ পথ খুঁজছে মানুষ। কিন্তু সুস্থ দিনের জন্য কিংবা সম্ভাব্য মুক্তির জন্য আমরা নিজেদের প্রস্তুত করি নি। গা বাঁচানো স্বভাবে মধ্যবিত্তের তথাকথিত স্মার্ট মনগুলো দীর্ঘকাল জুড়ে আমাকে দিয়ে হবে না কিংবা না-এর দিকটাকেই বড় করে তুলেছি। আমরা অন্যের ছিদ্র খুঁজেছি কিন্তু নিজের ছিদ্র বন্ধ করি নি। পরনির্ভরতা, লোভ, গ্লোবাল চাকচিক্য আমাদের অল্প অল্প করে তলিয়ে দিয়েছে। নিজের মাটিতে দাঁড়ানো ছাড়া ফুলের বিকাশ অসম্ভব। তেমনি, আপন সমাজ ছাড়া মানব বিকাশও অসম্ভব। নির্বিচার আনুগত্য আমাদের মনকে স্থবির করে দেয়। বিরুদ্ধ বায়ুতে প্রতিদিন তাই প্রাণনাশ। প্রাণনাশ নয়, সমাজ বিকাশে প্রাণের বিকাশ জরুরি। একটা অর্নিবাণ আলোক তৈরি করে তিনি লিখতে থাকেন। বাঙালির সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য একটা সময়কে মোকাবেলা করার পথ ও প্রজ্ঞানজনিত নির্দেশনা। ‘চাষি খেতে চালাইছে হাল,/ তাঁতি বসে তাঁত বোনে, জেলে ফেলে জাল-/ বহুদূর প্রসারিত এদের বিচিত্র কর্মভার/ তারি পরে ভর দিয়ে চলিতেছে সমস্ত সংসার’—রবীন্দ্রনাথ কথিত এই সমস্ত সংসার যাদের কাঁধে ভর দিয়ে চলছে সেই কৃষক ও বাংলার প্রান্তিক জনের দার্শনিক তিনি। তাঁতি, জেলে, চাষিদের জীবনের সাথে জীবন যুক্ত করে শ্রমজাত সংস্কৃতির চিন্তার ইতিহাস তিনি লিখেছেন।


রাষ্ট্র, সমাজ, সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক ধারাক্রমই তার অনুধ্যান। তিনি দশজন থেকে আলাদা হতে চান না। দশমনের সম্মিলনে অভিন্ন সমাজ গঠনের চেষ্টা ও অভিরুচি তৈরি করাটা তার প্রয়াশ।


প্রত্যেকটা সময়েই চোখের কিনারে একটা ভয়ের জাহাজ ঘাটে দাঁড়িয়ে মানুষকে শাসায়। বিবেকপ্লাবিত মানুষ ভয়ের জাহাজকে কিংবা বারুদ ভর্তি জাহাজ ক্যাপ্টেনের চোখরাঙানোকে উপেক্ষা করে। জীবন প্রত্যক্ষভাবেই রাজনীতিকে ছুঁয়ে থাকে। সেই রাজনীতি বলছে, রাষ্ট্রের ভেতরে আজ অমানবিক পেশিশক্তি। রাষ্ট্রের ভেতরে আজ লাল ইয়াবার তুফান। গ্রাফিতি শিল্পীরা বলছে, ‘লোহার খাঁচা তোকে আটকে ফেলবে, সুবোধ তুই পালিয়ে যা’। কিন্তু পালানোর এই পরাবাস্তবতার ভেতরেও থাকে রক্ত-মাংসের বাস্তবতা। যতীন সরকার রক্ত-মাংসের সেই বাস্তব পৃথিবীতে বসবাস করেন। পলায়ন পরতার উলটোদিকে যে লড়াকু সংস্কৃতি সেই সংস্কৃতির ধারক ও প্রচারক তিনি। রাষ্ট্র, সমাজ, সংস্কৃতির ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক ধারাক্রমই তার অনুধ্যান। তিনি দশজন থেকে আলাদা হতে চান না। দশমনের সম্মিলনে অভিন্ন সমাজ গঠনের চেষ্টা ও অভিরুচি তৈরি করাটা তার প্রয়াশ। সকলের সঙ্গে সকলের যুক্ত হওয়াতেই আছে মানবমুক্তি। সকলের থেকে বিছিন্ন হয়ে, আলাদা হয়ে একজন কিংবা আলাদা যে জীবন—সে জীবন সংকুচিত । সে জীবন আত্মগত ও ভোগে জর্জরিত। শুভ অশুভের যে প্রাগৈতিহাসিক দ্বন্দ্ব সে দ্বন্দ্বে মানুষ ও মানব সমাজেরই জয় হবে। নীতি ও নৈতিকতা সময় ও সমাজ নির্ধারিত। রুচি, প্রবৃত্তি ও আচরণও সময় ও সমাজ নির্ধারিত। পাভলভীয় মনোবিজ্ঞানের এই শিক্ষা ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যারের থেকে শিখেছেন। মানুষের অন্তর্গত অনুভূতিকে তিনি পাভলভীয় দৃষ্টিকোন থেকেই বিবেচনা করেন। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের প্রজ্ঞানে সুবোধদের না পালিয়ে শাসক ও শোষিতের শ্রেণি বিভাজিত খাঁচাটাকে ভেঙে ফেলতে বলেন।

দৃষ্টি ও নীতির একটা সীমানার ভেতরেই মানুষ সচল রাখেন জীবনের কর্ম ও অধিকার। যতীন সরকারেরও হয়তো এই সীমা ও সীমাবদ্ধতা আছে। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ-এর সচল ঘড়ি ছাড়া পৃথিবীর অন্যান্য মতবাদের ঘড়িগুলোকে অচল কিংবা অসম্পূর্ণ ভাবেন। অনেকেই বলেন, সততা ও আদর্শবাদ ছাড়া যতীন সরকার এই সমাজকে আর কিছুই দিতে পারেন নি। বিশ্বলোকে গমনাগমন থাকলে, ডজন ডজন ডিগ্রি থাকলে তিনি বিশ্ব তকমায় নন্দিত হতে পারতেন। আসলে, এইসব পরধারণাকে তিনি আমল করেন নি। আমার মনে হয় এইসব পরধারণাকে আমল না করাটাই চিন্তক যতীন সরকারের এটাই সীমা ও সীমানা। নাগরিক প্রতিযোগিতার বাইরে ইগোহীন মেকাপহীন লাবণ্যময় সচল সমাজে তার বসবাস। ধুতি পরে, লাঠি ধরে এই জোয়ান-বুড়ো যখন আপন অভিজ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বলতে থাকেন তখন জীবন-তৃষ্ণা বেড়ে যায়। মাটিতে দাঁড়ানোর সাহসও বেড়ে যায়। আসলে, কর্ম সম্পাদনের ভেতরেই তার অস্তিত্ব। তাই, অস্তগামী সময়ের পাশে সফলতা বিফলতার মতো তরল শব্দে তিনি প্রণত নন। দৃষ্টি ও বিশ্বাসে তিনি উৎস সন্ধানী মানুষ। সমসময়ের অনেক বন্ধুরা মার্কসবাদকে যখন ছিন্নচটিকার মতো পরিত্যাগ করেছেন, তখন মার্কসবাদের বৈজ্ঞানিক সত্যকে তিনি প্রতিভাত করেছেন। তার চিন্তা চর্চার নাম দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ। ইতিহাস ও সভ্যতার বিকাশে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ একটি প্রদীপ। চিন্তন চর্চায় যতীন সরকার এই প্রদীপের একজন বাতিওয়ালা।

সরোজ মোস্তফা

সরোজ মোস্তফা

জন্ম ১১ ডিসেম্বর, ১৯৭৬; নেত্রকোণা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। পেশায় শিক্ষক। গদ্য ও পদ্য লেখায় সতত সচল।

প্রকাশিত কবিতার বই—

সকাল সন্ধ্যার বীজতলা [ ২০১০]
কাগজে সমুদ্র লিখি [ ২০১২]
হলুদ খামের হিমঘর [ ২০১৫]
সম্মিলিত কাব্যগ্রন্থ 'হট্টিটি গুচ্ছ' [ ২০০০]

সম্পাদিত ছোটকাগজ : 'অনুধ্যান'।

ই-মেইল : soroj76@gmail.com
সরোজ মোস্তফা