হোম গদ্য মানুষের মুক্তি

মানুষের মুক্তি

মানুষের মুক্তি
481
0

মানুষ একটি মুক্তিপায়ী প্রাণী। অর্থাৎ সে মুক্তি পান করতে চায়, মনের সাধ মিটাইয়া সে আকাশে উড়িতে চায়, একটা সাবাল্লক পক্ষীর ন্যায়। এবং তার আকাঙ্ক্ষায় আরও থাকে শিকারির গুলিবিহীন আকাশ। এগুলি তার মুক্তিকাঙ্ক্ষার নামান্তর। কিন্তু যুক্তি বলে, মানুষের মুক্তি সম্ভব নয়। কারণ মানুষ একটি অতিশয় পাজি প্রাণী। একেকটা মানুষ প্রাণপণে নিজের মুক্তি চাইলেও অন্যকে বন্দি করার মতলব তার নিজের মাথায়ই ঘুরে। শিকারির গুলির কথা না হয় বাদই দিলাম। তাই যুগে যুগে বহু মুনি ঋষি মানুষের মুক্তি দানিবার উদ্দেশে নানা ফিকির খুঁজিয়া ফিরিলেও উহারা চরমভাবে ব্যর্থ হইয়া নতুন নতুন মুনি ঋষির জর্মাইবার পথ করিয়া দিয়াছে। এমতাবস্থায় নতুন নতুন মুনি ঋষি নানা মুক্তির ডালি সাজাইয়া ম্যালা লোকের কাছে যাইয়া বলে, ইহা খাও অথবা পান করো..করিলে তুমার মুক্তি ঘটিবে। কেহ উহা খাইয়া থুক করিয়া ফালিয়া দেয়, কেহ না খাইয়াই থুক থুক করিয়া যায়, আর কেহ পান করিয়া আকণ্ঠ ভুদাই সাজিয়া বসিয়া থাকে, মুক্তি লভিবার বাসনায়। তৃষ্ণায় তাহাদের বুকের ছাতি ফাটিয়া গেলে, দূর হইতে উহাদের বুনি দেখা যায়।


যুক্তিবাদী নোকেরা বিজ্ঞানের ডরোজায় আছড়িয়া পড়ে, আর ভক্তিবাদীরা ধর্মর ডরোজায়।


তখন তাহাদের কাছে মুক্তি আপা আসে, এক ধরনের শক্তিবটিকা লইয়া। বলেন, দেখেন টো আমার ঘরটা কেমন অন্ঢকার হয়ে আছে? তখন তাহারা অন্ঢোকারের বন্ঢো ডরোজা খুলিবার নিমিত্তে হামেশা হামাগুড়ি খায়। এই যে হামেশা হামাগুড়ি…ইহাই আসলে মানুষের মুক্তি। বিজ্ঞান এবং অজ্ঞান পার্টি যে যেভাবে বুঝানোর চেষ্টা করুক, আপনারা জানবেন, মুক্তি আপার কুনো যুক্তি নাই। তার ঘর হামেশাই অন্ঢোকারাচ্ছন্ন থাকে।

তাই এই অন্ঢোকার তাড়াইবার নিমিত্তে ভক্তি প্রয়োজন নাকি বিজ্ঞান প্রয়োজন তা পৃথিবীর মানুষ কিভাবে বুঝবে? যুক্তিবাদী নোকেরা বিজ্ঞানের ডরোজায় আছড়িয়া পড়ে, আর ভক্তিবাদীরা ধর্মর ডরোজায়। আমরা তখন ফিরোজা কালারের একটা মুক্তি আফাকে খিল খিল করিয়া হাসিতে দেখি, জানেন টো…. আমার মনটা আজকে ভালো নেই। তাই রান্না করি নাই। আপনার কাছে বিস্কিটাছে?

টখন আমি বিস্কুটের কৌটা খুলিয়া দেখি, ভিতরে বিস্কুটও আছে আবার কৌটাও আছে। সবচাইতে মজার ব্যাপারটা দেখি, দুইটাই মানুষেই বানাইছে। তাই মুক্তি আপা খিলখিল করিয়া হাসে। আমি তারে বিস্কুট সাধি, সে বিস্কুট খায় না, আমার হাত কামড়ায়।

.

মানুষের মুক্তি ২
.

একদিন পিথিবিতে খুব গিয়ানজাম নামিয়া আসে। মানুষ আর মানুষরে ভালোবাসে না। কবিতরের বাচ্চারে ভালবাসে। ভালবাইসা বেগুনের তরকারি রাইন্দা বাইড়া খালি কবিতর পান করে। গভীরামোদে। টখন যুদি একটা মানুষ আইসা কবিতরের ডাম চায়, টার খুব খারাপ লাগে। ডাম না দিয়া তারে গুতানির ধাঁধা ফিকে। গুতা হয়তো সচরাচর মারে না, কিন্টু কষ্টর পইসা হামেশা মাইরা দিয়া আমোদ উপভোগ করে। এমটাবস্থায় আমরা মুক্টি আফার কাছে যাইয়া এর পিছের যুক্টিগুলা বুঝার চেষ্টা করি।

মুক্টি আফা টখন হাত কাড়মানি বাদ দ্বারা কহে, আপনার বিছকিটগুলা অনেক শকটো…। আমি টখন টারে বলি, বিস্কুট তো নাই, আপনেরে আমি কৈটা দেখাইবার আনছিলাম। যুদি আপনে আমারে অনবিশ্বাস করেন যে, বিস্কুট ঠাকতেও আপনেরে বিস্কুট দিলাম না? টখন মুক্টি আফা কানডে, হুহু কইরা কানডে। আর কয়, জানেন টো… মানুষ মানুষকে কেন বিশ্বাস করে না?

আমি হ্যাঁ না কিচ্চু কহি না। তেমু একটা নিদারুণ অফরাদবোধ আমারে কাড়মাইবার চাহে। সেগুনারে মনগরম দ্বারা দূরে সরিয়া রাখিলেও মুক্টি আফার জবাব ঠিকোই কানে ভাসিয়া আসে….কারণ তারা কেউ কাউরে ভালবাসটে পারে না।


উহারা মরিবার জন্য আহাজারি নাগাইছে, সেই সক্কাল থিক্যা। এক প্যাকেট কনডম আর এক প্যাকেট বিস্কুট কিনিটে উহার অর্ধেকের বেশি বডি ছিড়িয়া যাইবে গা।


আমার টখন ফশ করিয়া ভালোবাসাবাসির কঠা মনে পড়িয়া যায়। মনে পড়িয়া যায় নেলিরে ভালোবাসিবার কঠা। মনে পড়িয়া যায় গতবারের আধাখেচরা ভালোবাসাবাসির কথা। নেলির কনডম কিনিয়া রাখিবার তাগাডার কথা। নইলে না দিবার হুমকির কঠা। আমি টাই মুক্টি আফারে কই, কিছু ট্যাকা দেন, বিস্কুট কিনিয়্যা আনি। কনডমের কঠা আর কহি না।

কিন্তু মুক্টি আফা কহেন, আহা রে ভাইয়া… আমার ট্যাকার বাসকোর চাবিরা হারাইয়া গিয়াছে বলিয়াই টো আমার রান্টে ইচ্ছা করছে না। আমি টখন বুঝি মুক্টি আফার ঘর কেন অন্ঢোকার তাহে। তাই হামি আর কথা না বাড়াইয়া সিঁড়ি দ্বারা নিচে নামিতে তাহি। একটা উঁচানিচা সিঁড়ির গাত্র বাহিয়া বাহিয়া হামি নিচে নামিতে তাহি। আর বুঝিতে তাহি, পকোটের পুঞ্চাইশ ট্যাকারে আর বাঁচানো যাইবে না। উহারা মরিবার জন্য আহাজারি নাগাইছে, সেই সক্কাল থিক্যা। এক প্যাকেট কনডম আর এক প্যাকেট বিস্কুট কিনিটে উহার অর্ধেকের বেশি বডি ছিড়িয়া যাইবে গা।

কিন্টু তাই বলিয়া ওষুধের দুকান ভরিয়া মনুষ্য থাকিবে? এই দুফুইরা রইদের মদ্যে শালারা তিন চাইরজন করিয়া বসিয়া রহিয়াছে। কুনো কাম নাই, কাজ নাই, হুদা ডিল্কি বাহিতেছে। এইরূপ জনসভায় কিরূপে কনডম চাহিবার কথা পাড়ি, ভাবিয়া দুই কান আপনা-আপনি গালসহ নিজেদের লাল করিয়া লয়। ফলে উহাদের স্বস্তিকল্পে অন্য দুকানপানে হাঁটিতে তাহি। কিন্তু তদ্রূপ পরিস্থিতি সেখানেও বিরাজমান। এমটাবস্থায় আরও দূরে আরও দূরে হাঁটিতে হাঁটিতে চলিয়া যাই। কিন্তু কুঠাও কুনো নিরালা নাই। কনডম চাহিবার ন্যায় নিরালা নাই।

এমটাবস্থায় আবর ঘুরিয়া আসিটে ঠাকি। সমুখে পড়িয়া যায় বেলীদের বাড়ি। বেলীর আব্বা বেলকনিতে ভুরি ঠেকিয়া খাড়াইয়া রহিয়াছে। তাহারে দেখিয়া ভালোবাসিতে ইচ্ছা করে। এমনকি বেলীগো বাসার পালা কুত্তারেও। ইচ্ছা করে প্যাকেট খুইলা এক জুড়া বিস্কুট ছুড়িয়া দেই বেলীদের কুকুরপানে। কিন্তু ইহা শুনিয়া নেলি কষ্ট পাইতে পারে। তারচাইতেও বড় টকিঙ বিস্কুটে টান পড়বে ভাবিয়া ওমুখো আর ভাবি না। বরং গেটের সামনে বাইরইয়া আসা কুকুরটারে চুক চুক করিয়া ডাকিয়া আনিয়া আদর করিয়া এর মাশুল গুনিতে চাহি। কিন্তু খানকির পুলায় হুদা ঘেউ ঘেউ করিয়া উঠে।

.

মানুষের মুক্তি ৩
.


এমতাবস্থায় সাখাওয়াত সুমন উড়িয়া আসিয়া ফ্লাইং কিক মারিয়া দেয়, পিথিবির বুকে। পিথিবি ছিটক্যা তিন হাত দূরে যাইয়া পড়ে…


আমি তখন পিথিবিরে ধাক্কাইয়া কক্ষের বাইরে খেদাইয়া দিবার নুইছি। কিন্তু পিথিবি খেদে না। খুট্টি ধরিয়া থাকে। উপরন্তু কয়, কী সমস্যা? ঘরে আসলে? আমি কই, সমিস্যা আছে..প্রচুর সমিস্যা। শুধু সমস্যা না, সিঙ্গারা বুলবুলি মস্তক সবই আছে। তেমু পিথিবি তা শুনে না। উতুরি করে। জোর করিয়াই ঘরে ঢুকিতে তাহে। এমতাবস্থায় সাখাওয়াত সুমন উড়িয়া আসিয়া ফ্লাইং কিক মারিয়া দেয়, পিথিবির বুকে। পিথিবি ছিটক্যা তিন হাত দূরে যাইয়া পড়ে আর ওই ওই করিয়া চিকার দ্বারা শঙ্কর হোস্টেলের ভোরের ঘুম ভাঙিয়া দেয়। আমি যেইখানে দাঁড়াইয়া ছিলাম, সেইখানেই জবুথবু মারিয়া থাকি। ভাজা ফিশ উল্টে খাবার কায়দামূর্খ সাজিয়া। কিন্তু সাখাওয়াত সুমন তা করে না। বরং পিথিবির ওই ওই চিকার থামাইতে আরও খান দুয়েক ফ্লাইং কিক মারিয়া দেয়। কিন্তু তাহাতেও কোনো কাজ হয় না, পিথিবি ওই ওই এর বদলে ষাঁড় ষাঁড় কহিয়া চেঁচাইতে নাগে।

প্রায় অশ্লীষ বসনে নজমুল আর প্রিরানেশ স্যার দুদ্দার ঘটনাস্থলে উফস্থিত হইয়া যায়। কিন্তু পিথিবি মুখ খোলার আগেই সাখাওয়াত সুমনের মুখ খুলে। স্যার স্যার.. নিয়ম ভাইঙ্গা পিথিবি আমাগো রুমে ঢুইকা ডিশটাপ করতাছে। বার বার যাইতে কইছি, যায় না। কাইলকা আমাগো ম্যাথ পরীক্ষা। নজমুলে তার মূলার ন্যায় বড় বড় দাঁত বাহির করিয়া আমা পানে চাহিয়া মিচকি হাসিবার চেষ্টা করে। কিন্তু আমি উদাস চাহিয়া উহা নাকচ করিয়া দেই। প্রিরানেশ ঢুলু ঢুলু চোখ দুখানা সরু করিয়া পিথিবি পানে চাহিয়া কহে, কী ব্যাপার পৃথিবী?

পিথিবি কিছু কহিতে পারে না। প্যাবার ন্যায় প্যা প্যা করিতে থাকে। আর বুক ধরিয়া আহতাবস্থা প্রকাশের অভিনয় করিতে করিতে কহে, স্যার সুমন আমাকে ফ্লাইং কিক মেরেছে।

এইবার সাখাওয়াত সুমন তৎপর হইয়া ওঠে। কয়, ও আমার মা তুইলা গালি দিছে।

পিথিবি পতিবাদ করিয়া ওঠে, মিথ্যা কথা স্যার! ও মিথ্যা বলছে।

এই সময় ডাক্তার মাজেদ সাপ সরব হইয়া ওঠে, তুমিই মিছা মাত মাতরে..আমি নিজের খানে হুনছি… তুমি তাইনরে খানকির পুয়া কইছ।

কোনো লোক যদি ডাক্তারি পড়ার আগেই কেবল চেহারার কারণে ডাক্তার খেতাব পাইয়া যায়, সে আর কখনও ডাক্তার হইতে পারে না, হয় মিথ্যাবাদী। ডাক্তার মাজেদ সাবের সাক্ষ্য শুনিয়া আমি যারপরনাই থ মারিবার পাশাপাশি তুমুলামোদে ভিতরে ভিতরে বিগলিত।

এই সময় প্রিরানেশ স্যার পিথিবিকে উদ্দেশ্য করিয়া কহিলেন, তা তুমি এত রাত্রে ওদের রুমে ঢুকছ কেন?

এইবার পিথিবির প্যা প্যা আরও বাড়িয়া যায়।

প্রিরানেশ স্যারও তাই রায় ঘোষণায় বলিয়া ফালায়, কাল তুমাদের পরীক্ষা আর তুমি পড়াশোনা বাদ দিয়া ওদের রুমে গেনজাম করতে আসছ, তুমারে কী করবে তাইলে? যাও রুমে যাও।

হতভম্ব পিথিবির চোখের কোণে চিকচিকরত জলের ভিতরে আমি একটা ফুটিয়া ওঠা গুলাপ ফুলকে মরিয়া যাইতে দেখি। পিথিবি মস্তক নিচু করিয়া নিজের রুমে ফিরিয়া যাইতে তাহে ব্যর্থ মনোরথে।

নজমূল আবারও আমা পানে মিচকি হাসিতে চাহে। কিন্তু আমি আমার উদাস ভাব অক্ষুণ্ন রাখিয়া অন্যত্র চাহিয়া থাকি।

পিথিবি চলিয়া গেলে নজমুল আর পিরানেশ স্যারও তাহাদের রুমে চলিয়া যায়। সাখাওয়াত সুমন, ডাক্তার মাজেদসহ মরগেট বাহিনীর পুলাপান বিজয়ানন্দে হুল্লা দিয়া ওঠে। ব্যাপকামোদে আমিও গা ভাসাই, তেমু কী জানি একটা রহস্য কাঁটার ন্যায় বিধিঁয়া রহে। সুমনকে কাছে ডাকিয়া কহি, আইচ্ছা একটা জিনিস বুঝিতে পারিতেছি না। এত রাত্রে পিথিবি আমাদের রুমে কেনইবা আসিল, আর কেনইবা কোনোমতেই যাহিতে চাহিতেছিল না?


কয়, বাচ্চা কনে? এত বড় বড় দুধ, কহিয়া পাঁচাঙ্গুলে একটা ডাঁশা পেয়ারা আঁকে।


এইবার সুমন গলা নামাইয়া হাঁকিহুঁকি করিয়া কয়, ক্যা তুই জানস না?

কহি, কী জানমু?

কয়, শালায় তো বাড়িলার মেয়ের সাথে প্রেম করে।

চক্ষু চড়কগাছ করিয়া কহি, মানে! ও তো বাচ্চা একটা মেয়ে!

কয়, বাচ্চা কনে? এত বড় বড় দুধ, কহিয়া পাঁচাঙ্গুলে একটা ডাঁশা পেয়ারা আঁকে।

পাঁচাঙ্গুলের মুদ্রায় অভিভূত হইয়া যাই। সাখাওয়াত সুমন কইতেই থাকে, ওই মেয়ে তো আমার সাথেও খিল্লি খায়।

তাই নাকি! কহিয়া নিজের সম্ভাবনার দ্বারও উন্মোচিত হইতে দেখিয়া আমোদে চিড়বিড় করিয়া উঠি।

কহি, সে না হয় বুঝলাম, তা এত রাইত্রে পিথিবি আমাগো রুমে ক্যা?

তখন সাখাওয়াত সুমন কয়, আমার পিছে পিছে আয়।

বারান্দায় যাইবার দরোজা একমাত্র আমাদের রুমের সাথেই আছে। সেইটা খুলিয়া সাখাওয়াত সুমন বারিন্দায় চলিয়া যায়। আমো যাই পিছু পিছু। ঘন অন্ধকার ফিকে হতে শুরু করেছে। মাধবীলতার ঝাড় পেরিয়ে যেখানে বাগানবিলাসের মোটা লতানো গাছটা দোতলায় উঠে গেছে, সেখানে চুপ করে বসে পড়ে সাখাওয়াত সুমন। মুখে আঙুলের ইশারায় আমাকেও চুপচাপ বসে পড়তে বলে। আমিও বসে যাই।

সাখাওয়াত সুমন চাতোই পাখির ন্যায় দোতলার ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমিও চাতোই পাখি সাজি। আর কেবলই বাগানবিলাসের মোটা লতাটার হারিয়ে যাওয়া দেখি। দেখতে দেখতে হঠাৎই একটা মিষ্টি মুখ উঁকি দেয়। আর সাথে সাথেই হারিয়ে যায়। সাখাওয়াত সুমন বারান্দা থেকে নেমে ঘাস থেকে কী যেন কুড়িয়ে আনে। চোখের সামনে ফুটে ওঠে একটা করবী।

সাখাওয়াথ সুমন আমারে সাধে, কিন্তু আমি নেই না। কারণ আমি জানি ফুলটা পৃথিবীর।

Abu Mustafiz

আবু মুস্তাফিজ

জন্ম ১৭ অক্টোবর, ১৯৭৬, টাঙ্গাইল। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর, সরকার ও রাজনীতি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। পেশা : ব্যবসায়।

প্রকাশিত বই :
গল্প—
লুহার তালা [শুদ্ধস্বর, ২০১০]
একটি প্রাকৃতিক সাইন্স ফিকশন: শিন্টু ধর্মাবলম্বী রাজা, সবুজ ভদ্রমহিলা ও একজন অভদ্র সামুকামী [গুরুচণ্ডা৯, কলিকাতা, ২০১২]
ট্যাকারে ট্যাকা [শুদ্ধস্বর, ২০১৪]

ই-মেইল : abumustafiz@gmail.com
Abu Mustafiz