হোম গদ্য বিভেদ আর আশার ‘সুবর্ণরেখা’র তীরে

বিভেদ আর আশার ‘সুবর্ণরেখা’র তীরে

বিভেদ আর আশার ‘সুবর্ণরেখা’র তীরে
185
0

সুবর্ণরেখা। কোনো এক নদীর নাম। হয়তো তার ঢেউয়ে সোনার জলরাশির নরম ওঠানামা। অন্য সব নদীর মতো এই নদীরও হয়তো এক ঠিকানা আছে—উৎস আর মোহনায়। জন্মের ঠিকানা হতে সে নদী বয়ে চলে আরেক ঠিকানায় কোনো সীমারেখার তোয়াক্কা না করেই। নদীর শরীর তো প্রকৃতির মাঝে বয়ে চলে নানা দেশ ছুঁয়ে ছুঁয়ে। একেক দেশে একেক নাম হয়তো তার হয়। চলতে চলতে এক দেশের সীমারেখা পেরিয়ে আরেক দেশে ঢুকে নদী কি হয় উদ্বাস্তু? নাকি দেশ পেরিয়ে আরেক দেশে, সে দেশ পেরিয়ে আরেক দেশ শেষে মোহনায় মিশে হয়ে ওঠে তুচ্ছ অস্তিত্ব নিয়ে মহাসমুদ্রগামী, যেখানে নানা নদীর জল মিলেমিশে একাকার এক বৃহৎ অস্তিত্বে?

কিন্তু, যদি সেই নদী হয় মৃতপ্রায়? সে নদীর ঠিকানা কই? যে নদী এক পার থেকে আরেক পার করে পৃথক, সেই সুবর্ণরেখা নদী নিজে শুকিয়ে গিয়ে কি এক করতে পারে দুই পার? এসব প্রশ্ন যদি মনে জাগে বা জাগাতে পারে কোনো সিনেমা সে কি তবে ঋত্বিক ঘটকের ‘সুবর্ণরেখা’? যে নদী হয়তো মানুষেরই মতো কোনো এক সময় বিভক্তিকে বুকে নিয়ে ঠিকানার খোঁজে বয়ে চলেছিল নানা দেশের মাঝে। যে নদী নিজে মৃতপ্রায় হয়েও যেন এক করতে পারে নি দু’পারকে। যে নদী একসময় বিভক্ত করেছিল দুই পার, সে নিজে শুকিয়ে গেলেও সেই নদীর ক্ষত রয়ে গেছে; বিভক্তি রয়েই গেছে, শুকিয়ে যাওয়া নদীর জলে স্থান পাওয়া ধুলোয়, কাদায়। সেখানে কে গান গেয়ে যায় তবু? সীতা? অভিরামের সাথের সেই ভালোবাসার প্রথম কালে সুবর্ণরেখার নদীর শুকনো বুকে জলের প্রবল উচ্ছ্বাস; নৌকা পারাপারে এক তীরের সাথে আরেক তীরের সংযোগ। বিভক্তিতে যে ভালোবাসা কূল উপচায় সে ক্ষতকেও মোলায়েম করে সংযোগ করে দেয়ই। সেখানে ভালোবাসারই জয়জয়কার!


আমাদের ভেতরে যত ভাগ আর নিঃস্পৃহতা তাই হয়তো ব্যক্তিগত পর্যায় ছাপিয়ে নিয়ে ডেকে আনে আরো বড় দুর্যোগ।


সীতা আর তার ভাই ঈশ্বর—সাতচল্লিশের দেশভাগে, আরো হাজারো ঠিকানা হারা পাখির মধ্যে দুই পাখি নীড় হারিয়ে ডানা সম্বল করে পূর্ব বাংলা থেকে ভিড় করল পশ্চিম বাংলায়—কলকাতায়। এক কলোনিতে নিল আশ্রয়, শুধু একটু মাথা গোঁজার ঠাই। সেখানে নতুন করে বাঁচতে শেখা নতুন দেশে—বন্দে মাতরম। ধর্মের পরিচয় করেছে উদ্বাস্তু অন্য এক দেশে। তবু তো নতুন আশায় বাঁচো, বাঁচাও! সেই আশাতেই দুই বন্ধু হরপ্রসাদ আর ঈশ্বর কলোনিতে ‘উদ্বাস্তু’ ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করতে চায়—শিক্ষাই তো জাতির ‘মেরুদণ্ড’। সীতা আশায় থাকে নতুন এক বাড়ির। হরপ্রসাদের নতুন করে সব গড়ার আকাঙ্ক্ষায় সীতার নতুন বাড়ির প্রত্যাশা তাই আগুনে সলতে দেয়। এই ‘নতুন বাড়ি’তে এত মারামারি কেন তার উত্তরে হরপ্রসাদ তাই হয়তো সীতাকে প্রবোধ দেয় পরম নিশ্চিন্তে—সে কেটে যাবে! হরপ্রসাদ, ঈশ্বর সব একসাথে লড়বে কথা দেয়। কিন্তু, ব্রিটিশদের ভাগ করে দেয়া নতুন বাড়িগুলোতে যে মারামারি আর কান্না তা কি আসলে কেটেছিল? মিটেছিল? লড়াইয়ের দীক্ষা আর প্রেরণা দেখছিল কি সবাই সমান করে? ভিন্ন ভিন্ন চিন্তার মানুষগুলো সমানভাবে?

দেশভাগের কাল। শুধু দেশভাগই নয়। সেই ভাগ কত কিছুতেই-না ভাগ এনেছে। বা ভাগ হয়তো আগেই ছিল। সে জাতের ভাগ আরো কত কিসের ভাগ। নিচু জাতের বাগদী মা তার ছেলে অভিরামের জন্যে তো ঠিকানা পায় না সে নিচু জাতের বলে, আবার ঢাকার মানুষ বলে পাবনার মানুষের মাঝেও না। কলোনিতে ভাগাভাগি বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মানুষে মানুষে। ব্রিটিশদের ভারত পাকিস্তানে ভাগ, নতুন দুই দেশের মানুষের মধ্যে আগে থেকে চলে আসা জাতে জাতে ভাগ, এলাকার ভাগ… অত ভাগাভাগি আর মারামারির কালে হরপ্রসাদের সীতাকে দেয়া নতুন লড়াইয়ের কথা যেন অসার ঠেকে প্রথমেই! তাই তো হরপ্রসাদ আর ঈশ্বরের ইশকুল স্থাপনের দিনে বাগদী মা আর ছেলে অভিরাম আলাদা হয়ে যায় কলোনি থেকে জমিদারদের মানুষ উঠিয়ে নেবার ডামাডোলে। ঈশ্বর বাঁচাতে উঠে দৌড়ে গেলেও হরপ্রসাদ পেছন থেকে সাবধান করে যেন ওদের বাঁচাতে গিয়ে ঈশ্বর নিজে ধরা না পড়ে যায় আর শিশুদের বলতে থাকে ভারতমন্ত্র উচ্চারণ করতে। হরপ্রসাদ! লড়াইয়ের শুরুতেই কী নিয়ে লড়ছে সে জানছে তো? বিভক্তি দিয়েই যা শুরু সেখানে চোখের সামনে আরেক বিচ্ছেদের মুখোমুখিতেও সে উঠে দাঁড়াল কই! আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসারতা আর নিঃস্পৃহতাই কি তবে বৃহৎ অসারতা আর নিঃস্পৃহতা ডেকে আনে? আমাদের ভেতরে যত ভাগ আর নিঃস্পৃহতা তাই হয়তো ব্যক্তিগত পর্যায় ছাপিয়ে নিয়ে ডেকে আনে আরো বড় দুর্যোগ। ঠিকানা হারায় হাজারো মানুষ। সে দায় কার? কারোর একার? নাকি কম বেশি সবার? এই প্রশ্ন আর তার উত্তর ফিরে ফিরে এসেছে এই সিনেমায় বহুবার, আমাদের দর্শকদের চোখে এই ‘সত্য’ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে। কখন? আসুন, আরেকটু এগোই তবে।

ঈশ্বর নিজেও ভাগ আনলো, হরপ্রসাদের সাথে একসাথে চলায়। সীতার জন্য, নিজের কাছে রেখে দেয়া মা হারানো অভিরামের ভবিষ্যতের জন্য হারবে না বলেও, নিয়ে নিল নতুন চাকরি, বাড়ি সে দূর সুবর্ণরেখার তীরে, কলোনি থেকে বহুদূরে। হরপ্রসাদের কাছে সে হয়ে রইল ‘পলাতক’ এক যোদ্ধার গল্প; যে নিজের সুখ খুঁজতে গিয়ে পালালো। হরপ্রসাদের লড়াই করতে হবে একা। একা সে কত দূর পারবে সে আপাতত উহ্য থাকুক। ঈশ্বরের দিকে তাকাই। সুবর্ণরেখার তীরে এসে দাঁড়িয়ে সীতাকে যখন নতুন বাড়ি কেমন তার এক সুন্দর দৃশ্য দেখায় ঈশ্বরের নতুন চাকরির জায়গার—কারখানার ফোরম্যান, তখন ঈশ্বর বলে শিশুদের মিথ্যে না বলতে। হায় সে যদি জানত, আজীবন সত্য বলতে বলতে একসময় তাকেই মিথ্যে স্বপ্ন দেখাতে হবে কাউকে, নতুন করে বাঁচার আশা জোগাতে।

একটু সংক্ষেপে গড়ি এবার কাহিনি। কারণ আরো তো অনেককিছু বলার আছে! সীতা… অভিরাম বড় হতে থাকে… বড় হতে থাকে ঈশ্বরও। সীতা আর অভিরামের ভেতরের যে ভালোবাসা ফুটতে থাকে তার শরীরে জাতপাতের কালো দাগও পড়ে অভিরামের নিচু জাতের কথা জানাজানি হবার পরে। কিন্তু তবু সীতার কাছে সে কোনো ব্যাপার নয়। সে পালিয়ে যায় অভিরামের সাথে, নতুন ঘর বাঁধবে বলে। সেই ঠিকানাতে আরেকটু ভালো থাকার নতুন ঠিকানা আসার আগেই মারা যায় অভিরাম, রেখে যায় ছোট ছেলে বিনুকে। বিনুকে নিয়ে অভাবের সংসার টানতে গিয়ে শরীর বেচার পথে নামতে হয় সীতাকে। কিসের ফেরে না জানি…এক সময় সীতার মৃত্যুকামনা করা দাদার মুখোমুখিই সে হয় তার প্রথম খদ্দের হিশেবে। আত্নহত্যা করে সীতা। বিনু আর ঈশ্বর আবার নতুন ঠিকানার খোঁজে দাঁড়ায় সুবর্ণরেখার তীরে। ‘বুড়ো’ ঈশ্বর তখন নতুন শিশু বিনু’র ছোট্ট হাতে ধরা দেয়, তাকে মিথ্যে হলেও স্বপ্ন দেখায় নতুন বাড়ির, নতুন ঠিকানার। না হলে যে বেঁচে থাকার কোনো প্রেরণা থাকে না আর মানুষের! ছোট্ট বিনুও-বা কিসের আশায় জীবনের পথে ছুটবে? কী দরকার তাকে এত তাড়াতাড়ি জীবনের কুৎসিত সত্যগুলো জানানোর?!

সিনেমার কাহিনি কত সহজে লিখে ফেলা যায়, কিন্তু তাতে কি পুরোটা দেখা হয়? না দেখলে কি জানা হবে যে ঋত্বিকের ‘সুবর্ণরেখা’য় হয়তো প্রতিটি চরিত্রই পরাজিত, সে প্রতিবাদী হোক বা না-হোক। কিন্তু পরাজয়ের মাঝেও তারা জেনেছে ‘মুক্তি’ ‘ঠিকানা’ ‘অস্তিত্ব রক্ষা’ মরীচিকা, অসার হলেও হতে পারে, কিন্তু তবু মানুষের বেঁচে থাকার মরীচিকা মিথ্যে হয়েও যেন মিথ্যে নয়! যেখানে মানুষ আদতে অবলম্বনহীন, বায়ুর মতো, ফুশ করে হারিয়ে যাবে এক সময় সেখানে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বেঁচে থাকবার নদীর স্রোতে ‘আশা’ ‘মিথ্যা’ মরীচিকার মতোই পথ দেখায়। বুড়ো ক্লান্ত ঈশ্বরকে পথ দেখায় আবার নতুন প্রজন্মের বিনুই! ক্লান্ত হলে যে চলবে না। এই এক অনন্ত যাত্রা! অনন্ত পথ!


‘সুবর্ণরেখা’ কেবল দেশভাগের নয়, সে আমাদের নিজেদের ভেতরকার ভাগের গল্পও।


‘সুবর্ণরেখা’ সিনেমা জুড়ে দেশভাগের জন্যে শরণার্থী হয়ে, উদ্বাস্তু হয়ে আমূল ঠিকানাহীন হবার যে বেদনা, যে ফলাফল তা ছাপিয়েও নানা সূত্র রেখে গেছে। মানুষের মনে নিজের সাথে নিজের সংঘাত, আমাদের দ্বৈত মানসিকতার দিকগুলো যেখানে আমরা নিজেরাও নিজেদের ভাগ করি নিজের কাছেই—নিজেদের সীমারেখা টানি, আমাদের প্রতিবাদের রকমের অসারতা, আমাদের মেরুদণ্ডহীনতা, আমাদের পরাজয়, আমাদের গ্লানি, আমাদের আশা, ভালোবাসা, নতুন করে বাঁচতে শেখার চিরকালীন যে চেষ্টা তাই যেন পরতে পরতে, সংলাপে, দৃশ্যে রচিত। আর শুধু মানুষই নয়, ভাষাও যে শরণার্থী হয়ে পড়ে তাও নয় কি? অভিরাম যখন হেলিপ্যাডে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উড়োজাহাজের কথা বলছিল সীতাকে তখন সীতা অভিরামের মাথায় গাট্টা দিয়ে উড়োজাহাজের ইংরেজি শব্দ দিয়ে বলল সে উড়োজাহাজ নয়, এরোপ্লেন। শরণার্থী হয়ে পড়ে আমাদের চিন্তা। ইউরি গ্যাগারিন ‘মর্ত্যসীমা’ ছাড়িয়ে মহাশূন্যে যায়, অথচ পৃথিবীতে এখনও তো অনেকে তাদের নিজেদের ব্যক্তিগত ক্ষুদ্রতায় বন্দি জাতপাত, অঞ্চলের, ধর্মের সীমানা ছাড়িয়ে নিয়ে মানুষকে মানুষ হিশেবেও ভেবে নিতে পারছে না। শরণার্থী হয়ে পড়ে আমাদের বোধ। তাই অভিরাম হয়তো শ্লেষ নিয়েই বলে, মানুষ দুঃখকষ্ট সইতে পারে, অথচ সে-সব দেখতে পারে না। পড়তেও চায় না, ছাপাতে চায় না, প্রতিবাদের মতো প্রতিবাদ চায় না, শুধু সয়েই যায়, যেন সয়ে যাওয়াই আমাদের বোধে শেকড় গজিয়ে গেছে। ‘বুড়ো’ ‘পরাজিত’ হরপ্রসাদ তাই বলতে পারে ‘রাত কত হলো’… উত্তর মেলে না। কিন্তু ঋত্বিক নিজেই বলেন, রাতের যে অন্ধকার, অন্ধকারেরও শেষ আছে! না হয়, যে ঈশ্বর নিচু জাতের অভিরাম আর নিজের উঁচু জাতের বোন সীতার প্রেম বা বিয়ে মেনে নিতে পারেন নি, খুনে চোখে দেখেছেন নিচু জাতকে এরপর, সেই আবার কী করে নতুন করে পুরনো জীর্ণ দেহেও রক্ত চলাচল আনতে চায় অভিরাম-সীতার ছেলে বিনুর হাত ধরেই! ভাগ তো শুধু দেশভাগ নয়, ‘সুবর্ণরেখা’ কেবল দেশভাগের নয়, সে আমাদের নিজেদের ভেতরকার ভাগের গল্পও। যে ভালোবাসায়, যে একাকার হবার মিলনপ্রক্রিয়ায় নতুন শিশুর, নতুন আশার জন্ম হয়, সেই শিশু বড় হতে হতে তবে কিসে ভাগ হতে থাকে, হতেই থাকে, নিজের মনে, মননে, পরিবারে, সমাজে, দেশে, ভাষায়, সংস্কৃতিতে? আমরা কেউ আর এক থাকি না যেমন করে আমাদের জন্ম হয় একই রকম উদোম শরীরে, যেমন করে আমাদের মৃত্যু ঠিকানা একমাত্র সে জেনেও, পড়ে থাকি কেবলি ভাগের সুতোগুলো নিয়ে, এই হয়তো স্বাভাবিক, বেশ তো সয়ে গেছে আমাদের… এই জন্ম আর মৃত্যুর মাঝের এই বেঁচে থাকবার সময়টায় আমরা যেন সুবর্ণরেখা নদী, জন্ম আর মৃত্যুর দুই পারে যেমন ভাগ টেনে চলেছি, তেমন আশাও জারি রাখছি। এই যে এত আহাজারি, এত দুঃখের চোরাস্রোত, এই শরণার্থী হয়ে ঠিকানাহীন আমাদের পথচলা সেখানে তবে আমাদের আলোকরেখা কোথায়?

আলোকরেখা? সেই যে সেই ক্ষুদিরাম, যে জানত সে কী করবে, সেই ‘জানার’ শক্ত শিক্ষাই তার মেরুদণ্ড গড়ে দিয়েছিল যে জন্মেও নতুন, মৃত্যুতেও নির্ভয় সে শিক্ষালব্ধ ‘মেরুদণ্ড’র জোরে। আর… আর হয়তো… সেই সে সীতা তার কোনোদিনও ধানক্ষেত না দেখা ছেলে বিনুকে গান শুনিয়ে ধানক্ষেতের ছবি দেখায় কারণ সে তো বিনুকে বলেই, ‘শুনলেই না দেখতে পাবি!’। এই ‘সত্যিকারের’ ‘জানা’ ‘শোনা’ ‘জ্ঞান’ আনন্দ দেবে তবে হয়তো বিনুর মতোই, যখন তা আমাদের চোখ এমনভাবে খুলে দেবে যা আমাদের অধরা, অদেখা ধানক্ষেত স্বচক্ষে দেখাবে, কেউ চেনানোর মতো পাশে না থাকলেও সেই জ্ঞানের জোরই আমাদের চেনাবে! এই মিথ্যের প্রবোধে মোড়ানো সত্যির খোঁজের যাত্রাতেই চলতে হবে আমাদের, সেই আমাদের বিভেদের ‘সুবর্ণরেখা’য় দেখাতে পারে আলোকের ‘সুবর্ণরেখা’, বিভেদের ‘সুবর্ণরেখা’ ভেঙে ফেলে, ক্ষতের বুকেও অনেক উঁচুতে দাঁড় করাবে ‘মানুষ’ নামের ‘সুবর্ণরেখা’!

রোকেয়া সামিয়া

জন্ম ২১ নভেম্বর; চট্টগ্রাম।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা : বিএসসি, পাবলিক হেলথ (এশিয়ান ইউনিভারসিটি ফর উইমেন)।

পেশা : এসোসিয়েট রিসার্চ অফিসার, ইপসা, চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : rokeyasamia89@gmail.com

Latest posts by রোকেয়া সামিয়া (see all)