হোম গদ্য নিখোঁজ

নিখোঁজ

নিখোঁজ
831
0

আমি লিখতে পারতাম, এখান থেকেই শুরু হলো পৃথিবীর কিংবা বলতে পারতাম ১০০ মিনিটের কোনো গল্পের প্লট। যেখানে পৃথিবীর আদিম রস কল্পনায় মোহিত সভ্য ও সভ্যতার মতো কিছু একটা। এই যেমন ধরুন, চীনারা কোলেস্টেরলমুক্ত গরুর মাংস, চাল ডাল ডিম কৃত্রিমভাবে তৈরি করছে। উপকৃত হচ্ছে বিশ্বসভ্যতার গণমানুষ। আবার তারাই তাদের প্রতিবেশীর মৃতসন্তান চড়া দামে কিনে খাচ্ছে! কাবাব বানাচ্ছে। আবার কোথাও ভরপেটে ভাত খাইয়ে কুকুরকে ঘুরিয়ে বমি করিয়ে সেই ভাত রাজভোগের মতো নিজেরা গিলছে। আবার যেমন ধরুন, হাতুড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে জীবিত বানরের মাথা ফাটিয়ে তার তরতাজা গরম মগজ মদে গুলিয়ে পান করছে। এইভাবে সভ্যতা ভাঙছে গড়ছে কিংবা ধরে রাখছে, এই যে রাখা না-রাখা, ফেরা না-ফেরা প্রশ্নের মধ্যবর্তী সংশয় সন্দেহ, যাবতীয় ভাষার গোঙরানি গুণিতক মন ও শরীরে জন্মানো জোছনা। তার ব্যাখ্যা দেওয়া কি অতি সহজেই সম্ভব? হয়তো সম্ভব নয়। তাহলে যে কেউ এখন জানতে চাইতে পারেন—এগুলো কী? শোকার্ত না পরিভ্রমণ কোনো ইঞ্জিনের আত্মবয়ান, নাকি ভোদকায় পাক খাওয়া সাপ নর্তকীর ময়ূরী ফণা। হয়তো এসবও না, হয়তো জীবন, হয়তো সময়, হয়তো বিপুল ঋণের অযৌক্তিক সংলাপ। হয়তো অনির্বাচিত কয়েক প্রকার মৃত্যু…


মাসুমা একদিন বলেছিল—মা, তুমি যদি আমাকে দুইটা মাস একটু চালিয়ে নিতে পার, তারপর আমি নিজেই একটা ব্যবস্থা করে নেব।


রাত দেড়টা, তখনো খাওয়া হয় নি। কিছুই খেতে ইচ্ছে করে না। ক্লান্তিতে একটু ঘুম এলেও কিছুক্ষণ পরেই অসহ্য আতঙ্কে তার ঘুম ভেঙে যায়। ভাবতে থাকে, পৃথিবী আর কতটুকু এগুলো, কতটুকু নিরাপদ বাসযোগ্য হলো মানুষের জন্যে? কতটুকু মানুষ হয়ে উঠল মানুষ… তার রুচি বিকৃত পশুত্ব স্বভাব ফেলে? ভাবতে ভাবতে বমি পায় ঐশীর। শান্ত স্নিগ্ধ মাসুমার মুখটা ভেসে ওঠে। আহা! আহা!! আর্তনাদ যেন বাতাস থেকে চুয়ে পড়ছে, ভীষণ চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করে তার—মনটা হালকা করার জন্য, কিন্তু সে পারে না। কান্নার জন্য শক্তি লাগে, দম লাগে। কান্নার সে শক্তি, দম কোনোটিই তার নেই। সে উঠে বসার চেষ্টা করে, তাও যেন তার শক্তিতে কুলোয় না। পাশে ঘুমানো সামিনা চৌধুরীর ঘুম ভেঙে যায়। তিনি হাত ধরে ঐশীকে বসতে সাহায্য করে। এইভাবে না খেয়ে থাকলে তো মরে যাবি মা, আয়—আমি খাইয়ে দিচ্ছি। খাটে হেলান দিয়ে ঘুমানো কাজের মেয়েটি খাবার নিয়ে আসে। এক লোকমা ভাত মুখে নিয়েই হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে ঐশী। পাশের রুম থেকে লোকমান চৌধুরী দৌড়ে আসেন। ঐশীর মাথায় হাত রেখে আদর করতে করতে বলেন, মারে, একটু খেয়ে নে। ঐশী বাবার কথা রাখতে একটু খাওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু পারে না। রাতেই স্যালাইন দেওয়া হয় ওকে।

স্বপ্নের মতো যেন সেসব দিনের কথা মনে পড়তে থাকে তার। একটা ফ্ল্যাট ভাড়া করে ওরা চারজন থাকত, ও নিজে, মাসুমা, সম্পা আর মৌমিতা। তিনজনের থাকা খাওয়ার খরচ বাড়ি থেকে আসলেও মাসুমার টাকা তার নিজেকেই জোগাড় করতে হতো। সংসারে মাসুমার বাবা ছিল না, মা আর ছোট একটা বোন। জমিজমাও নেই—এইসব ‘নাই’য়ের মধ্যে থানা শহরে মাসুমার মায়ের ছোট একটা এনজিওর চাকরি। কোনোমতে তা দিয়েই ওরা চালিয়ে নিত। এসব কথা মাসুমা একদিন তাকে বলেছিল, তবে কোনো দুঃখবোধ থেকে নয়, বলেছিল সাহসিকতায়। মা আর বোনকে সুখী করাই ছিল তার একমাত্র ইচ্ছে। কোনো রকম কোচিং করা ছাড়াই কিভাবে যেন ভার্সিটিতে চান্স পেয়ে গিয়েছিল মাসুমা। প্রথমে মাসুমারও বিশ্বাস হয় নি। তবে তার মা এ খবরে যে খুববেশি খুশি হয়েছিল তাও না। কারণ কিভাবে পড়াবেন, কোথায় রাখবেন, কোথা থেকে টাকা জোগাড় করবেন ইত্যাদি ইত্যাদি…। শুধু মাসুমা একদিন বলেছিল—মা, তুমি যদি আমাকে দুইটা মাস একটু চালিয়ে নিতে পার, তারপর আমি নিজেই একটা ব্যবস্থা করে নেব।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর দূর-সর্ম্পকের এক ফুফুর খোঁজ পাওয়া গেল। তিনি রাজশাহীতে স্বামীর সাথে থাকেন। বংশের বড় দাদুর মুখের কথাগুলো চিঠি আকারে লিখে মা ও চাচাত ভাই আরিফকে নিয়ে রওনা হয় মাসুমা। ঠিকঠাক বাসাও পেয়ে যায় তারা। কিন্তু চিঠি পড়ে ভদ্রমহিলা খুশি হয় নি এটা মাসুমা ঠিকই বুঝতে পারে। মা অনেক বেহুদা কথা বলে তাদের আপন-আত্মীয় হবার আপ্রাণ চেষ্টা করে, কিন্তু কতটুকু হতে পারল স্পষ্ট বোঝা যায় না।

মহিলা বলে, ঠিক আছে, সাহেব আসুক আমি তার সাথে কথা বলে দেখি।

তুমি তো আমার বোন, তোমারই তো ভাগ্নি—নাকি? একটু ভালো করে বুঝিয়ে বলো বোন।

মিনতির সর্বোচ্চ আবেদন তার কণ্ঠে। মাসুমার ভীষণ আত্মসম্মানে লাগছিল, কিন্তু সেই মুহূর্তে তার কাঠপুতুলের মতো চুপচাপ বসে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।


একদিন প্রায় শেষ রাতের আগে আগে, হঠাৎ তার বুকের উপর, ঘাড়ের কাছে একটা আলতো হাতের র্স্পশ অনুভব করে, প্রথমে সে ভাবে, হয়তো স্বপ্নে দেখছে, না, এ তো স্বপ্ন নয়!


পরদিন মাসুমাকে রেখে ওরা চলে আসে। এই প্রথম মা ওকে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। মাসুমা চুপ করে থাকে। কিন্তু রাতের বেলা খুব খারাপ লাগতে শুরু করে। জীবনে এই প্রথম মাকে ছাড়া, বোনকে ছাড়া, তাও আবার এতদূরে একা একা…ডুকরে ডুকরে কেঁদে ওঠে সে। ভোরের দিকে একটু ঘুম হলো। সকালে নাহার ফুফুর আলতো ডাকটা বেশ ভালোই লাগল তার। জীবনে এই প্রথম ভার্সিটিতে পা রাখল ও। কাউকে চিনে না সে, পেছন সারিতে একটু হাবাগোবা গোছে বসে রইল। শিশুশ্রেণির মতো ছেলেমেয়েগুলো বকবক করতেছে, কেউ কেউ পরিচিত হচ্ছে, কেউ চিৎকার করছে, হাত মিলাচ্ছে, এসবই বসে বসে কতক্ষণ দেখল সে। ওর সাথে কেউ পরিচয় হতে আসে নি, ও ইচ্ছে করেও কারো সাথে পরিচিত হতে যায় নি। বরং ও মার কথা ভাবছিল, মা কি বাড়ি যেতে যেতে খুব কেঁদেছে? ছোট বোনটি কী করছে ইত্যাদি ইত্যাদি!

পরদিন আবার একই বেঞ্চে গিয়ে বসল। স্কুল কলেজেও তাই করত। এই দুদিনেই বেঞ্চটাকে খুব আপন ও পরিচিত মনে হলো মাসুমার। তার কিছুদিনের মধ্যেই পাগলাটে ঐশীর সাথে ওর সর্ম্পক গড়ে ওঠে। মেয়েটি ভীষণ বদমেজাজি, অবুঝ আর আত্মকেন্দ্রিক! তবুও যেন কিভাবে ওর সাথে মিল হয়ে গেল। অবশ্য শীলার মাও চাইছিলেন শীলার একটা ভালো বান্ধবী হোক। যার কাছ থেকে শীলা মেয়েলি বিষয়গুলি দ্রুত শিখতে পারবে। মাসুমাকে দেখে, কথা শুনে তিনি যেন খুব আশ্বস্ত হলেন। ক্যান্টিনে বসে শীলা তার স্বভাবসুলভ মা’র কাছে বিচার দিচ্ছিলেন, মা, আমাকে সবাই বুঝায় আমি কালো, বিশ্রী!

মাসুমা পণ্ডিতের মতো মুখ ফসকে বলে ফেলেছিল—শীলা, বিষয়টা তা নয়, যা সত্য তা সত্যই, সেটাকে অন্যকিছু দিয়ে ওভারকাম করতে হয়। যেমন ধর, তুমি যদি ব্যবহারে চমৎকার হও, মানুষের সাথে সুন্দর শান্তভাবে কথা বলো, দেখবে সবাই তোমার ভালো বন্ধু হয়ে গেছে। চেহারা, রঙ এগুলো কিছু না । শীলা চুপ করে থাকে। দেখতে দেখতে এর মধ্যে মাস তিনেক চলে যায়। ভার্সিটির সাথে বেশ খাপ খাইয়ে নিয়েছে সে। আরো কয়েকজন বন্ধুও হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। মার সাথে কয়েকবার কথাও হয় শীলার মোবাইল দিয়ে।

হঠাৎ সেই অপ্রত্যাশিত বিষয়টি ঘটে গেল—যা তার ভাবনাতীত ছিল। বলব? হ্যাঁ বলি। রাত তখন প্রায় শেষ। সারাদিন ক্লাস শেষে বাসায় এসে রাতের রান্না করে, নিজের পড়াশুনা শেষে রাত ২টার দিকে সে ঘুমাতে যায়। আর সকাল আটটার দিকে ওঠে। এভাবেই তার চলছিল। একদিন প্রায় শেষরাতের আগে আগে, হঠাৎ তার বুকের উপর, ঘাড়ের কাছে একটা আলতো হাতের র্স্পশ অনুভব করে, প্রথমে সে ভাবে, হয়তো স্বপ্নে দেখছে, না এ তো স্বপ্ন নয়! সত্যি সত্যি একটা হাত শক্ত হয়ে তাকে চেপে ধরেছে। তার ঘুম পুরোটাই ভেঙে যায়, কী করবে সে! তার আর বোঝার বাকি নেই লোকটি কে! এখন যদি সে চিৎকার দেয় তবে তার ফুফুর গোছানো সংসার চিরদিনের জন্য শেষ হয়ে যাবে। সে যদি নিশ্চুপ থাকে তবে তার সর্বনাশ হয়ে যাবে। কোনোকিছু বুঝে উঠতে না পেরে দৌড়ে বাথরুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। ঘণ্টাখানেক ওখানে থাকার পর ফজরের আজান পড়ে। দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। একটু একটু ঘুম আসতে চাইলেও টয়লেটের বিশ্রী গন্ধে ঘুমাতে পারে না—অপেক্ষা তার সকালের জন্য।

দুই আড়াই ঘণ্টা পর বাথরুমে জোড়ে জোড়ে শব্দ হয়। মাসুমা ভেতর থেকে জিজ্ঞেস করে, কে?

ওর ফুফু উত্তর দেয়! কী রে, এতক্ষণ বাথরুমে কী করছিস?

এই তো আসতেছি ফুফু। ও বাথরুম থেকে বের হয়ে ব্যাগে কাপড় গুছিয়ে নেয়। কিছুই বুঝতে দেয় না। ফুফুও তেমন আপত্তি করে না। শুধু বলে, সময় পেলেই চলে আসবি। দোয়া চেয়ে বেরিয়ে যায় মাসুমা। কিন্তু কী করবে, কোথায় যাবে সে, ভেবে পায় না। ভার্সিটির বাইরে বলতে শুধু কোচিং অ্যারিয়াটা চেনে, গেল মাস থেকে সেখানে সে পড়াচ্ছে।

তবে কি সে বাড়ি চলে যাবে? বাড়ি গেলে তো কোচিংয়ের চাকরিটাও থাকবে না। পরে সে চলবে ক্যামনে? মাথাটা ব্যথায় টনটন করতে থাকে। চুপ করে হলরুমে বসে থাকে অনেকক্ষণ। এর মধ্যে শীলা এসে হাজির, ক্লাস করলি না যে? উত্তর দেয় না মাসুমা।


পুলিশ প্রথমে বলেছে কারো সাথে ভাগছে কিনা কে জানে! কেউ বলছে, হয়তো ওকে কোথাও আটকে ধর্ষণ করা হচ্ছে! আবার কেউ কেউ বলছে ধর্ষণ করলেও কী আর এতদিন বাঁচিয়ে রাখবে!


কী হইছে?

মাসুমা আর চোখের জল আর আটকাতে পারে না। আমি বাসা থেকে চলে এসেছি।

কেন?

এমনিই।

তাহলে তো ভালই হলো। একটা রুম নিয়ে তুই আর আমি থাকব। তোর কথা বললে মা-বাবা কোনো আপত্তিই করবে না।

শীলার নাচানাচির ভাব দেখে মনে হলো এ খবরে ও বেশ খুশিই হয়েছে। মাসুমারও কেন যেন একটু ভালো লাগল, কিন্তু সে টাকা পাবে কোথায়?

রাতে শীলা বাবা-মাকে খুব সুসংবাদের মতো নিউজটা দিল। বাবা-মাও রাজি হলো। কারণ তাদের গর্দভ মেয়েটার এখন অনেক চেঞ্জ হয়েছে। অবশ্য এই জন্য প্রবাদে বলে—সঙ্গদোষে লোহাও ভাসে। যাক, মেয়েটার যদি ওর সাথে থেকে আরো কিছু পরির্বতন হয় তবে আর আপত্তি কেন?

লোকমান চৌধুরী বললেন, তাহলে সামনের মাস থেকে উঠিস।

না বাবা, শীলার যেন আর তর সইছে না।

তিন দিনের মধ্যে বাসা খুঁজে বের করা হলো। চতুর্থ দিন ওরা নতুন বাসায় উঠল সাবলেটে, অত্যন্ত পরিপাটি একটি রুমে। পাশের রুমে আরো দুজন মেয়ে থাকে, ওরা এক ইয়ার সিনিয়র। তারপর থেকেই এই ফ্ল্যাটে ওরা চারজন।

দেখতে দেখতে এক বছর চলে যায়। থার্ড সেমিস্টার পরীক্ষা আর মাত্র দেড় মাস বাকি। এর মধ্যে মাসুমা প্রাইভেট কোচিংয়ে পড়িয়ে বাড়িতে কিছু টাকা পাঠাতেও শুরু করেছে। অনেকটা গুছিয়ে উঠেছে ও। ওদের দিন ভালো মতোই যেতে শুরু করল। হঠাৎ একদিন, বৃহস্পতিবার মাসুমা বাসায় ফিরছে না, মোবাইলের সুইচ অফ। প্রতিদিন যে রাত সাড়ে আটটার মধ্যেই বাসায় ফেরে অথচ আজ এগারটা বেজে গেছে, তবুও আসছে না কেন? চিন্তায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠল সবাই। লোকমান চৌধুরীও এসে হাজির হলেন। থানায় ইনফর্ম করা হয়, প্রতিটি হাসপাতাল, ক্লিনিক, কোচিং সেন্টার খুঁজে দেখা হয়—কিন্তু নেই, কোথাও নেই।

পাঁচ দিন চলে গেলেও কোনো সন্ধান করতে পারে নি কেউ। টিভিতে নিউজ শুনে ওর মা-বোনও এসেছে। পুলিশ প্রথমে বলেছে কারো সাথে ভাগছে কিনা কে জানে! কেউ বলছে, হয়তো ওকে কোথাও আটকে ধর্ষণ করা হচ্ছে! আবার কেউ কেউ বলছে, ধর্ষণ করলেও কি আর এতদিন বাঁচিয়ে রাখবে! আবার কে যেন বলল মেরে ফেললে কি আর পৃথিবীতে রাখবে? হয়তো কোথাও মাটিচাপাও দিয়ে ফেলছে এতদিনে! তবে এর কোনোটাই আজ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হয় নি, শুধু প্রমাণিত মাসুমা নামের এক জ্যান্ত মেয়ে দেড় মাস ধরে নিখোঁজ, তার কোনো হদিস করতে পারে নি পুলিশ, ডিবি বা অন্য কেউ। তবে যেভাবে মাসের পর মাস চলে যাচ্ছে, হয়তো নতুন আরেকটি নিখোঁজ সংবাদ এসে আমাদের নতুনভাবে আন্দোলিত করে তুলবে। আমরা ভুলে যাব মাসুমার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদটি। যেভাবে ভুলে গেছি সাগর-রুনি, বিশ্বজিৎ, ফেলানি ও তনুদের…

শারদুল সজল

শারদুল সজল

জন্ম ৭ জুন ১৯৮৪, বাসাইল, টাংগাইল।

শিক্ষা : মাস্টার্স।

পেশা : শিক্ষকতা।

কাব্যগ্রন্থ :
অন্ধকারে যতদূর দেখা যায় (ঐতিহ্য প্রকাশনী ২০১৪)
মাতাল মৃত্যুর ইশারা (ঐতিহ্য প্রকাশনী ২০১৬)

shardul.sajal@gmail.com
শারদুল সজল

Latest posts by শারদুল সজল (see all)