হোম গদ্য গল্প পাণ্ডুলিপি থেকে : বাঘছাল

পাণ্ডুলিপি থেকে : বাঘছাল

পাণ্ডুলিপি থেকে : বাঘছাল
308
0

অমর একুশে বইমেলা ২০১৮-তে প্রকাশিত হচ্ছে মাসুদ পারভেজ-এর গল্পের বই একটি পৌরাণিক রাতের খসড়া। বইটির প্রকাশক উৎস প্রকাশন, প্রচ্ছদ শিল্পী মোস্তাফিজ কারিগর। লেখকের জন্মদিনে ‘বাঘছাল’ পাণ্ডুলিপি থেকে গল্প..


অথচ আমাদের প্রেমের বিয়ে। কিন্তু ঘটনাটা শুনলে তো বিশ্বাস করবেন না কিংবা বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে। জানেন, আমারও এমনই হয়েছিল প্রথম দিকে। নিজের সঙ্গে না-ঘটলে বা মেইন ক্যারেক্টার না হলে, আমিও এটা বিশ্বাস করতাম না। আমি যখন ব্যাপারটার আঁচ পেতে শুরু করলাম তখন মনের ভুল ভেবে উড়িয়ে দেই। কিংবা নিজের এমন সন্দেহবাতিক মন—ভেবে ছোট লাগে। ব্যাপারটা তার মধ্যে হঠাৎ করে ঘটে গেল কি-না তা জিজ্ঞাসা করার সময় কিংবা সুযোগ বা পরিস্থিতি কোনোটাই আর পাই নি। কেবল রাতের পর রাত আমি টের পেলাম শারীরিক সম্পর্কে তার ভয়াবহ অনীহা।


ওই রাতেই খোলাসা হয়ে যায়, আমাকে দেওয়ার মতো তার অবশিষ্ট আর কিছু নেই কিংবা পৃথিবীর কোনো নারীকে দেবার মতো।


বিয়ের মাত্র ছয় মাসের মাথায় সে অনীহা দেখালে কোনো ব্যাখ্যাই খাড়া করাতে আমার ভালো লাগে নি। ওই যে বললাম, আমাদের প্রেমের বিয়ে তাতেই যেন সব তালগোল লাগে। আমি তাকে সন্দেহ করতে না চাইলেও শরীরী টানে আটকা পড়ি। তখন না-ফুরানো দীর্ঘরাতে আমি কেবলই দীর্ঘশ্বাসের জাল বুনতে থাকি। এ জাল না-বিশ্বাসের না-অবিশ্বাসের। এমনই এক রাতে মাত্রা-ছাড়ানো বিপন্নতা আমার কণ্ঠনালি চেপে ধরে শরীরকে কব্জা করে নিলে সমস্ত প্রেম উবে যায়। আমি কামাসক্ত হয়ে তাকে আঘাত করলেও সে কোনো পাল্টা জবাব দেয় না। ওই রাতেই খোলাসা হয়ে যায়, আমাকে দেওয়ার মতো তার অবশিষ্ট আর কিছু নেই কিংবা পৃথিবীর কোনো নারীকে দেবার মতো।

ওই রাতের পর আমি বেশ কয়েকদিন অপেক্ষায় ছিলাম হয়তোবা সে মুখ খুলবে, বলবে এই আশায়। কিন্তু সেই ক্ষণ আর আসে নি। তখন আমাকেই মুখ খুলতে হয়। আর এই ব্যাপারটায় আমি যেন এক অচেনা মানুষ হয়ে যাই নিজের কাছে। তখন তাকে পরোক্ষ সম্বোধন করি। কেবল এতটুকু বুঝি সম্পর্কের সব তার এইবার ছিঁড়ে গেল।

আমি চাই নি আমাদের সম্পর্কটা ছিঁড়ে যাক। সেও বোধহয় চায় নি। তবে সে অন্যকিছু চেয়েছিল। আর তাই খেলাটার আয়োজন করে। কিন্তু সে কখনও খোলাসা করে নি তার সমস্যাটা কোথায়? এমন হয় নাকি একটা তিরিশ বছরের পুরুষ হঠাৎ কোনো একরাতে তার পুরুষত্ব হারায়! পাশে তার সুন্দরী বউ অথচ সেদিকে ফিরেও তাকায় না কিংবা গোপন করে তার স্বাভাবিকতা। আমি কোনো কিছুতেই যখন তাকে ধরতে পারি নি তখন কেবল পুরানা দিনের স্মৃতি নিয়েই দিন কাটাচ্ছিলাম আর সেই বেলায় বুঝতে পারি শরীর বড় বেয়াড়া। মনের সঙ্গে শরীর একটা যুদ্ধ বাঁধালে আমি ধুকতে থাকি। আমি মনটাকেই মানতে চেয়েছি কিন্তু শরীর সেটা চায় নি। আর তখন ঘটে ঘটনাটা।

আমি যখন বুঝতে পারলাম, সে খোলাসা করে কিছুই বলবে না তখন অতি সংগোপনে চেষ্টা করতে থাকি। তখন সন্দেহ তাকে ঘিরে দাঁড়ায়। তার মনে সন্দেহবীজ ডানা পাখনা মেলে ধরলে আমার বুকটা ফাঁকা ফাঁকা ঠেকে। সন্দেহটা আসলে কিসের? এমন প্রশ্নে নিজেকে জড়ালে আমার কেবলই মনে হয়, আমরা যাবতীয় রীতিনীতির ফস্কা গেরোতে না আটকে যে-লাল নীল সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলাম সেটা আদতে একটা ভ্রম। ভ্রম ছাড়া এটাকে আর কি-বা বলা যায়, যখন তিরিশ বছরের একটা পুরুষ রাতারাতি নিজের পৌরুষ হারিয়ে সন্দেহ করতে থাকে তার বউকে! এই বউ তো তার এককালের প্রেমিকা কিংবা লাল নীল সংসারের স্বপ্ন দূতিয়ালি। সন্দেহটা ওই একটা জায়গায় গিয়ে ঠেকে, শরীর। পিরিতের মরা বলে যে-দশা আমি প্রকৃত অর্থেই তখন সেই জগতে। তখন কেবলই মনে হয় অতীতচারী হয়ে আশলে মানুষ কী চায়? ওই সব পুরানা স্মৃতি তখন মাথায় ভার ভার ঠেকলে আমি বুঝতে পারি সন্দেহটা এখন অবিশ্বাসে রূপ নেবে। আমি সেটার জন্য প্রস্তুত ছিলাম কিন্তু ঈশ্বরেরও নাকি একটা চিত্রনাট্য থাকে। ক্যারেক্টারটা সেখানে আমার চাওয়া মতো হয় নাই।

ওই সব দিনে আমার কেবলই ঘুম পেত। আমি বুঝি নি এই ঘুম কিসের? দেহে কোনো রোগ খুব গোপনে বাস করছে কি-না এমন সন্দেহ করতে আর আমার ইচ্ছে হয় নি। যখন খুব কাছের মানুষটিকে হারাতে থাকি এবং হারিয়ে ফেলি তখন সন্দেহবাতিক ব্যাপারটা আর আমাকে প্রভাবিত করে নি। কারণ আমাকে ঘিরে তার সন্দেহ, তাই সন্দেহ ব্যাপারটা নিয়ে আমার মধ্যে একটা বিবমিষা তৈরি হয়।


ভার্সিটি লাইফের সেই বন্ধুকে দেখে আমি কামে উষ্ণ হয়ে উঠি কি-না এটাই ছিল তার খেলা।


একটা দিনের ঘটনা বললে ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। এক দিন তার এক বন্ধু এবং সে আমারও বন্ধু কারণ ভার্সিটিতে আমরা একসঙ্গেই পড়েছিলাম, এই বাসায় বেড়াতে আসে। বেড়াতে আসে ব্যাপারটা বললে ঠিক হবে না। কারণ আমরা নিজেরা পরিবারের অমতে বিয়ে করাতে বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক তখনও ছিন্ন ছিল। তাই কেউ বেড়াতে আসার মতো কোনো ঘটনা তখনও ঘটে নি। তবে ওই বন্ধুটা অফিসিয়াল কোনো কাজে এই শহরে এসেছিল এবং সে আমাদের বাসায় আসে। পরে জেনেছিলাম, সে আমাদের বাসায় আসতে চায় নি। তাকে একরকম আকুতি করেই আনা হয়েছিল। ওই বন্ধু ভার্সিটি লাইফে আমার প্রেমে পড়েছিল। আর এই ব্যাপারটা আমার স্বামী খুব ভালোমতো জানত, তারপরও সে এই খেলাটা খেলে। কারণ সে তার নিজের অক্ষমতা ঢাকতে এটা করে। ভার্সিটি লাইফের সেই বন্ধুকে দেখে আমি কামে উষ্ণ হয়ে উঠি কি-না এটাই ছিল তার খেলা। সে চেয়েছিল, আমি যেন কামনায় থরথর হয়ে সেই বন্ধুটিকে সমস্ত শক্তি দিয়ে উত্তেজিত করে গ্রহণ করি। আর পরিস্থিতিটাও তো ছিল সে রকমই। যখন একটা নারী তার স্বামীকে পাশে নিয়ে শোবার পরও মাসের পর মাস স্বামীর অক্ষমতার জন্য শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে পারে না তখন তার জন্য ফাঁকা একটা ফ্ল্যাট, পূর্বপরিচিত সমবয়সী একটা পুরুষ এবং যে-পুরুষ তাকে এক সময় চাইত—এইরকম একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সেই নারীর আর কি-বা করার থাকে! এমন পরিস্থিতির ঘনঘটার জন্য সে যখন কাজের অজুহাত তৈরি করে ঘণ্টা দুই-তিনেকের জন্য বাসা থেকে বের হয়ে যায় তখন কয়েক মুহূর্তের জন্য হলেও স্তব্ধ হতেই হয়। ওই রাতের বেশ কিছুদিন পরে জানতে পারি বাসায় গোপন ক্যামেরা সেট করে রাখা আছে। কাজের বুয়া ঘরের মাকড়সার জাল পরিষ্কার করার সময় এটা দেখে। গোপন ক্যামেরা দেখার পরপরই ওই রাতের কথা মনে পড়ে যায়। যখন আমি এবং ভার্সিটি লাইফে আমাকে পছন্দ করা ওই বন্ধুটাকে বাসায় একা রেখে সে বের হয়ে গিয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা পরে সে ফিরে এসে ক্যামেরা চেক করে এমন একটা দৃশ্য মাথায় এলে হাত পা শীতল হয়ে যায়। ক্যামেরায় সে কিছুই পায় নি। সেই রাতে একা একটা পুরুষকে পাওয়ার পরে এবং দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সম্পর্কহীন থাকার পরেও আমার মধ্যে কামের কোনো উন্মাদনা জাগে নি। যদিও নিজের মধ্যে এমন প্রত্যাশাও ছিল না। তো এমন একটা অসুস্থ ভাবনা দিয়ে যখন সে বুঝতে পারে, ওই রাতে সেই বন্ধুর সঙ্গে আমি শারীরিক সম্পর্কে জড়াই নি তখন সে ওই ওষুধটার প্রতি ভরসা পায়। সে বুঝতে পারে, ওষুধটা কাজ করছে।

এমন একটা ঘটনার পর তার মুখোমুখি হতে চেয়েও পারি নি। ততদিনে নিজেও আসক্ত হয়ে পড়ি। সে নিজের অক্ষমতা ঢাকতে আমাকেও শারীরিক সম্পর্কে নিরাসক্ত করা শুরু করে। কারণ তার মনে আশঙ্কা ছিল যে, শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক টিকবে না। আর এমন একটা আশঙ্কার ভেতর দিয়ে যখন সে প্রতিনিয়ত সময় পার করতে থাকে তখন একটা ভয় তাকে তাড়া করা শুরু করে। আর এই ভয় তার ভেতরটাকে এমনভাবে কব্জা করে যে, সে তার নিজের সমস্যা কিংবা সংকটের সমাধানের চেয়ে তার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলবে এটাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। সে ভেবেছিল, একদিন তার পুরুষত্ব আবার ফিরে আসবে। সে আবার সক্ষম হবে কিন্তু ততদিনে যদি তার স্ত্রী মানে আমি তাকে ছেড়ে চলে যাই কিংবা অন্য পুরুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াই? এইরকম একটা আশঙ্কা তাকে সারাক্ষণ তাড়া করতে থাকলে সে অস্থির হয়ে ওঠে। তারপর কোনো এক মাঝরাতে সে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। আর এমন একটা মুহূর্তে আমার মায়ায় সে আবার আটকা পড়ে। এমন একটা মায়ায় আটকা পড়ে প্রেম হয়েছিল, তারপর পরিবারের অমতে বিয়েও হয়েছিল। কিন্তু এই পরিস্থিতির মুখোমুখি সে দাঁড়াবে যেটা আমাকেও বলতে পারবে না সেটা আমি কোনোদিন ভাবি নাই। আর এমন পরিস্থিতি কারও জীবনে হুট করে আসে নাকি! এসব আবোল তাবোল ভাবনার মধ্যে আমার মায়ায় সে আবার আটকা পড়লে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। আর তখন সে ভাবতে থাকে, কেন মরবে? আর তখনই তার মাথায় আরেকটা অসুস্থ ভাবনা ঘুরপাক খায়। তখন খেলাটা শুরু করে। তখনও আমি জানতাম না সে এরকম একটা ভয়ংকর খেলায় মেতেছে।


জগৎটাই আমার কাছে পরিশুদ্ধ মনে হয়। কারণ সেখানে বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাসের কোনো বালাই নাই। নাই কোনো গোপনীয়তা।


এই ভয়ংকর খেলা শুরুর দিনগুলিতে সে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠত। আর নাস্তার টেবিলে পানি, চা কিংবা অন্য কোনো লিকুইড টাইপের খাবার রাখতে শুরু করে। আমি তখনও বুঝি নাই সে এটা কেন করত। তার এসব কাজের মধ্যে আমার প্রতি ভালোবাসার একটা আবহ খুঁজে পেতাম। আর ততদিনে তার সঙ্গে একটা দূরত্ব তৈরি তো হয়েই গিয়েছিল। তাই তার এমন আচরণে আমি কিছুটা সান্ত্বনা পেতাম। কিন্তু ব্যাপারটা তা ছিল না। আমি যখন নাস্তা রেডি করতাম তখন সে আমার গ্লাসের পানি, কিংবা চা-য়ে কড়া ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে রাখত। এমনভাবে মেশাত যাতে আমি টের না পাই আর সারাটা দিন যেন ঘুমের মধ্যে কাটে। আমি তখনও চাকরিতে জয়েন করব কি-না এমন একটা দোটানার মধ্যে ছিলাম। তো ওই সব সকালে নাস্তার টেবিলে যখন ঘুমের ওষুধ নিজের অজান্তেই খেতাম তখন আমার সারাটাদিন মাথাটা ঝিমঝিম লাগত। কোনো কাজেই স্থিরতা পেতাম না। তারপর আবার ঘুমিয়ে পড়তাম। এভাবে বেশ কয়েকদিন চলতে থাকলে আমি তাকে এই সমস্যার কথা বলি। যেহেতু সে নিজেই ব্যাপারটায় জড়িত তাই এটাকে আমলে নেয় না। আর তখন আমার মধ্যেও ব্যাপারটা নিয়ে তেমন একটা সিরিয়াসনেস কাজ করে না। এভাবে প্রতি সকালে ঘুমের ওষুধ খেতে খেতে আমি অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। অফিস ছুটির দিনে যখন সে বাসায় থাকত ওই সব দিনে আমাকে ঘুমের ওষুধ দিত না। আর প্রতি সপ্তাহে একদিন করে যখন এরকম ঘটতে থাকে তখন আমি অস্বাভাবিক হয়ে যাই। প্রতিদিন কড়া ডোজের ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে খেয়ে আমি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। ফলে হুট করে যখন একদিন সেটা পাই না তখন আমি আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারতাম না। ঘুমের ট্যাবলেটের পাশাপাশি আমার মধ্যে যাতে সেক্সুয়াল কোনো আকাঙ্ক্ষা না জাগে সেটারও ট্যাবলেট দিত। এভাবে চলতে থাকলে একদিন আমি সত্যিকার অর্থেই ভয়ানক নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। আমার চেহারা আর স্বাস্থ্য ভেঙে পড়তে শুরু করে। যখন আমি এমন একটা অবস্থার মধ্যে সময় পার করতে থাকি তখন তার মধ্যে একটা পরিবর্তন আসে। হয়তোবা সে আমাকে সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসত আর এমন একটা কাজ করার ফলে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে পড়ে কিংবা দিনকে দিন আমার চেহারা খারাপ হওয়ার ব্যাপারটা মানতে তার কষ্ট হয়। কিন্তু ব্যাপারটা তেমন ছিল না। এক দিন রাতে পুরো ঘটনাটা যখন সে বলা শুরু করে তখন সে আবার কামাসক্ত হয়ে ওঠে। আর তখন আমাকে প্রলুব্ধ করতে থাকে। কিন্তু আমার মধ্যে তখন অনীহা। এভাবে প্রতি রাতে তার মধ্যে যখন বিকার উঠে তখন আমার ভেতর-বাহির চরম এক অনীহা দ্বারা আচ্ছন্ন হতে থাকে। ওই সব দিনে সে আমাকে যে-ট্যাবলেটগুলো গোপনে খাওয়াতো স্বীকারোক্তির পর তা বন্ধ করে দেয়। আর তখন এত দিন ধরে নেশার ঘোরে যে-জগৎটার মধ্যে আমি ছিলাম তা ভেঙে যেতে থাকে। কিন্তু ওই জগৎটাই আমার কাছে পরিশুদ্ধ মনে হয়। কারণ সেখানে বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাসের কোনো বালাই নাই। নাই কোনো গোপনীয়তা। সেই জগতে আমি সবাইকে সব বলি কিন্তু আমাকে কেউ বলতে পারে না।

Masud Parvaj

মাসুদ পারভেজ

জন্ম ২১ জানুয়ারি, ১৯৮৫; দিনাজপুর।

শিক্ষা : স্নাতক ও স্নাতকোত্তর, বাংলা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

পেশা : শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, শাবিপ্রবি, সিলেট।

প্রকাশিত বই—

জীবনানন্দের ট্রাঙ্ক [কবিতা, চৈতন্য, ২০১৬]
বিচ্ছেদের মৌসুম [গল্প, দেশ পাবলিকেশন্স, ২০১৫]
ঘটন অঘটনের গল্প [গল্প, বটতলা, ২০১১]

ই-মেইল : parvajm@gmail.com
Masud Parvaj