হোম গদ্য ঐতিহাসিক উপন্যাসের পক্ষে

ঐতিহাসিক উপন্যাসের পক্ষে

ঐতিহাসিক উপন্যাসের পক্ষে
418
0

২০১২ সালে ঔপন্যাসিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একবার ঢাকায় এলে আমি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘আচ্ছা, সমকালীনতা উপন্যাসের বিষয় হিসেবে কতটা উপজীব্য?’ উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘দেখুন, সমকালীন একটা ঘটনার শুরুটা আমরা জানি, মধ্যের অংশটাও হয়ত জানি, কিন্তু তার শেষটা অর্থাৎ পরিণতিটা আমরা জানি না।’ তার কথাটা অযৌক্তিক মনে হয় নি, আংশিক সত্য বটে। আধুনিক উপন্যাস তো বাস্তবতাকে কেন্দ্র করেই

‘বঙ্কিম সম্পর্কে বলা হয় তিনি সরকারের রোষানল এড়াতে ইতিহাসভিত্তিক কাহিনি নিয়ে উপন্যাস লিখতেন। তাঁর কালের গল্প নিয়ে লিখেছিলেন ‘আনন্দমঠ’। পরে তাঁকে আপত্তির মুখে দু-দুবার গল্পে পরিবর্তন আনতে হয়। এভাবে তিনি নিজেকে ও নিজের ডেপুুটি ম্যাজিস্ট্রেটের চাকরিটা বাঁচান। আমাদের সময়ের অনেক খ্যাতিমান লেখককে দেখা যাচ্ছে ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস লিখতে। তাঁদের মাঝেও কি এক ধরনের পলায়নপরতা কাজ করে? নাকি নিজের সময়টাকে ভালো বোঝেন না? নাকি সময়ের এক ধরনের হিড়িকে গা ভাসিয়ে দিচ্ছেন? নাকি সাহসের ঘাটতি?’

এই কথাগুলো আমার নয়, তরুণ কবি শিমুল সালাহ্‌উদ্দিনের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিকদের ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস রচনার প্রবণতা প্রসঙ্গে তিনি এই কথাগুলো লিখলেন। ‘ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের পক্ষে’ শিরোনাম দেখে মনে হতে পারে, আমি বুঝি সমকালীন বিষয় নিয়ে উপন্যাস লেখার বিপক্ষে। না, তা মোটেই নয়। শিমুলের ঐ লেখায় ‘পলায়নপরতা’, ‘নিজের সময়টাকে ভালো বোঝেন না’, ‘সময়ের এক ধরনের হিড়িকে গা ভাসিয়ে দিচ্ছেন’ ও ‘সাহসের ঘাটতি’―এ কয়টি উক্তিই আমাকে প্ররোচিত করেছে তার উত্থাপিত প্রসঙ্গটির একটা জবাব লেখার ব্যাপারে। তিনি ‘খ্যাতিমান লেখক’ ও ‘আমাদের কাল’―এ দুটি কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি কি বাংলাদেশের উপন্যাস সম্পর্কে বলেছেন, নাকি পৃথিবীর অন্য ভাষার উপন্যাস সম্পর্কেও বলতে চেয়েছেন, সে বিষয়ে আমি স্পষ্ট নই।

ধরা যাক তিনি বাংলাদেশের উপন্যাস প্রসঙ্গেই বলেছেন এবং ‘আমাদের কাল’ বলতে আমরা নব্বইয়ের দশক থেকে বর্তমান সময়টাকে ধরতে পারি। ‘খ্যাতিমান’ বা ‘অখ্যাতিমানে’র হিসেবে না গিয়ে এ সময়কালে রচিত বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কিছু উপন্যাসের তালিকা করা যাক। যেমন, হাসান আজিজুল হকের ‘আগুনপাখি’, ‘সাবিত্রী উপাখ্যান’, শওকত আলীর ‘মাদারডাঙার কথা’, ‘নাঢ়াই’, সৈয়দ শামসুল হকের ‘গুপ্ত জীবন প্রকাশ্য মৃত্যু’, ‘কেরানিও দৌড়ে ছিল’, হুমায়ূন আহমেদের ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘মাতাল হাওয়া’, শহীদুল জহিরের ‘মুখের দিকে দেখি’, ‘জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা’, ‘সে রাতে পূর্ণিমা ছিল’, মঈনুল আহসান সাবেরের ‘এই দেখা যায় বাংলাদেশ’, ‘একদিন পরিমল’, জাকির তালুকদারের ‘মুসলমান মঙ্গল’, ‘পিতৃগণ’, আনিসুল হকের ‘মা’, ‘যারা ভোর এনেছিল’, সেলিনা হোসেনের ‘যমুনা নদীর মুশায়েরা’, ‘ভূমি ও কুসুম’, হরিশঙ্কর জলদাসের ‘জলপুত্র’, ‘দহনকাল’, ‘আমি মৃণালিনী নই’, শাহীন আখতারের ‘তালাশ’, ‘সখী রঙ্গমালা’, ‘ময়ূর সিংহাসন’, আহমাদ মোস্তফা কামালের ‘কান্নাপর্ব’, ‘অন্ধ জাদুকর’, শাহাদুজ্জামানের ‘ক্রাচের কর্নেল’, মামুন হুসাইনের ‘নিক্রপলিস’, পাপড়ি রহমানের ‘বয়ন’, ‘পালাটিয়া’, প্রশান্ত মৃধার ‘জল ও জালের তরঙ্গ’, মোহিত কামালের ‘পথভ্রষ্ট ঘূর্ণি ও কৃষ্ণগহ্বর, ‘চন্দন রোশনি’, ইমতিয়ার শামীমের ‘আমাদের চিঠিযুগ কুউউ ঝিকঝিক’, হামীম কামরুল হকের ‘গোপনীয়তার মালিকানা’, ‘রাত্রি এখনো যৌবনে’, কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীরের ‘দেশবাড়ি : শাহবাগ শাহবাগ’, ‘যখন তারা যুদ্ধে’, মাহবুব রেজার ‘জল বলে ঘোলা হই’, মোজাম্মেল হক নিয়োগীর ‘জলের লিখন’, ‘প্রান্তিকী’, স্বকৃত নোমানের ‘রাজনটী’, ‘বেগানা’, ‘হীরকডানা’ বা ‘কালকেউটের সুখ’ (গোনায় না ধরলেও চলবে), কামাল রাহমানের ‘তাজতন্দুরি’, কাজী রাফির ‘ধূসর স্বপ্নের সাসান্দ্রা’, তারেক খানের ‘বান্ধাল’ ইত্যাদি ।

মোটামুটি দীর্ঘ এই তালিকার বাইরে আরো উপন্যাস থাকতে পারে, যেগুলো আমার জানা বা পড়ার বাইরে। উপন্যাসগুলোর গুণগতমান অন্য প্রসঙ্গ, আমার আলোচনা ঐ প্রসঙ্গে নয়। এগুলোকে বাংলাদেশের সমকালীন বা সম্প্রতিক সময়ে রচিত উপন্যাস হিসেবে ধরা যেতে পারে। স্বীকার করি, এই তালিকায় ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের সংখ্যা একেবারে কম নয়। আবার, খেয়াল করা দরকার, সমকালীন বিষয় নিয়ে রচিত উপন্যাসের সংখ্যাও কিন্তু কম নয়। প্রায় সমান সমান বলা যেতে পারে।

উপন্যাসের তো আসলে ধরাবাঁধা কোনো বিষয় নেই। এমন কোনো কথা নেই যে, এই বিষয় নিয়ে উপন্যাস লিখলে উপন্যাস হবে, নইলে উপন্যাস হবে না। যে কোনো ঔপন্যাসিক যে কোনো বিষয়ে উপন্যাস লিখতে পারেন। বিষয় নির্বাচনে তিনি স্বাধীন। নানা বিষয় নিয়ে উপন্যাস লেখা হতে পারে। হচ্ছেও। নানা বিষয়ের মধ্যে ইতিহাসও একটা বিষয় এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। পৃথিবীর চিরায়ত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের তালিকাটি কিন্তু হ্রস্ব নয়। চিরায়ত উপন্যাসগুলো থেকে বাছাই করে এক শ উপন্যাসের একটা তালিকা যদি তৈরি করি, দেখা যাবে, অর্ধেকেরও বেশি ইতিহাসভিত্তিক। তার কারণ? ২০১২ সালে ঔপন্যাসিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একবার ঢাকায় এলে আমি তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘আচ্ছা, সমকালীনতা উপন্যাসের বিষয় হিসেবে কতটা উপজীব্য?’ উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘দেখুন, সমকালীন একটা ঘটনার শুরুটা আমরা জানি, মধ্যের অংশটাও হয়ত জানি, কিন্তু তার শেষটা অর্থাৎ পরিণতিটা আমরা জানি না।’ তার কথাটা অযৌক্তিক মনে হয়নি, আংশিক সত্য বটে। আধুনিক উপন্যাস তো বাস্তবতাকে কেন্দ্র করেই, বাস্তব মানুষই উপন্যাসের উপজীব্য। সুতরাং যে বাস্তবতার ইতি আমরা জানি না, তা নিয়ে উপন্যাস লিখতে গেলে উপন্যাসের পরিণতিটা বায়বীয় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কিন্তু তৈরি হয়। আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বলতেন, ‘কোনো বিষয় ঘটে যাওয়ার পরপরই যেমন তা নিয়ে লেখা উচিত নয়, তেমনি খুব বেশি দেরি করাও বাঞ্ছিত নয়।’ তার বক্তব্যটা কিন্তু ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের পক্ষেই যাচ্ছে।

সমকালীন বিষয় নিয়ে উপন্যাস লেখার চেয়ে ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস লেখা কিন্তু অনেক বেশি জটিল। দিনের পর দিন ইতিহাসের পাতায় মুখ গুঁজে পড়ে থাকতে হয়; পাছে কোনো তথ্য ভুল হয়ে যায়! কেননা তথ্যবিকৃতির কোনো অধিকার ঔপন্যাসিকের নেই

তাই বলে সমকালীন বিষয় নিয়ে উপন্যাস লেখা যাবে না? সমকালীনতা উপন্যাসের বিষয় হতে পারে না? অবশ্যই যাবে, অবশ্যই পারে। সমকালীন বিষয় নিয়ে উপন্যাস কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের চেয়েও শক্তিশালী হয়। গ্রাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের ‘লাভ ইন দ্যা টাইম অব কলেরা’র কথাই ধরুন। এটা কিন্তু ‘হান্ড্রেড ইয়ারস অব সলিসিউডের’ চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস নয়। কিংবা ‘ওয়ার এন্ড পীসের’ চেয়ে ‘আনা কারেনিনা’ কিন্তু কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের দেশে সমকালীন বিষয় নিয়ে উপন্যাস লেখা হচ্ছে না? হচ্ছে তো বটেই। উপরে যে তালিকা দেওয়া হলো তার মধ্যে প্রায় ২৬টি সমকালীন বিষয় নিয়েই রচিত। তাহলে শিমুলের অভিযোগের যৌক্তিকতা কোথায়? না, কোনো যৌক্তিকতা নেই। অন্তত আমি দেখতে পাচ্ছি না। আমি ধারণা করতে পারি, সমকালীন বিষয় নিয়ে রচিত উপন্যাসগুলো শিমুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে নি, যতটা পেরেছে ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসগুলো। সে কারণেই হয়ত ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস নিয়ে তার ‘অভিযোগ’। তিনি সমকালীন বিষয় নিয়ে রচিত উপন্যাসগুলো দেখলেন না, সেগুলোর কথা বললেন না, বললেন ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসগুলোর কথা। এখানেই কিন্তু ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাসের একটা শক্তি টের পাওয়া যাচ্ছে।

আসলে ইতিহাস হচ্ছে বর্তমানের ভিত বা ফাউন্ডেশন বা শেকড়। এই ফাউন্ডেশনকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের ইতিহাস এত বেশি সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় যে, ইতিহাসকে বিষয় হিসেবে নিয়ে হাজার হাজার উপন্যাস লেখা সম্ভব। সেই তুলনায় বাংলাদেশে ইতিহাসভিত্তিক কয়টি উপন্যাস লেখা হয়েছে? খুব বেশি নয় কিন্তু। আপনি আঙুলের কড়ায় গুনতে পারবেন। আপাতত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে, ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস লেখা খুবই সহজ। মোটেই তা নয়। শুধু ঐতিহাসিক তথ্য ও ঘটনাপঞ্জি সাজিয়ে দিলেই ‘ঐতিহাসিক উপন্যাস’ হয়ে যায় না। ঐতিহাসিকের মুখ্য কাজ ঐতিহাসিক তথ্যকে উপস্থাপিত করা, ব্যাখ্যা করা। কিন্তু ঐতিহাসিক উপন্যাস রচনার প্রধান কর্তব্য ঐতিহাসিক কল্পনাবোধের দ্বারা বিশেষ যুগের সর্বস্তরের নর-নারী, তাদের বিপুল সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনের বেগ, দৃশ্য ও ঘটনাকে জীবন্ত করে তোলা। নিজেকে বর্তমানের পটভূমি থেকে সরিয়ে নিয়ে সেই অতীত যুগের সংবেদনশীল দর্শকে রূপান্তরিত হওয়া। সেই হিসেবে সমকালীন বিষয় নিয়ে উপন্যাস লেখার চেয়ে ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস লেখা কিন্তু অনেক বেশি জটিল। দিনের পর দিন ইতিহাসের পাতায় মুখ গুঁজে পড়ে থাকতে হয়; পাছে কোনো তথ্য ভুল হয়ে যায়! কেননা তথ্যবিকৃতির কোনো অধিকার ঔপন্যাসিকের নেই। ফলে ইতিহাসের পাতায় মুখ গুঁজে বসে থাকতে থাকতে ঔপন্যাসিকের মেরুদণ্ডে ব্যথা ধরে যায়। তিনি আর বাস্তবের মানুষ থাকেন না, তার আবাস হয়ে উঠে ইতিহাসের কানাগলি।

সেই তুলনায় সমকালীন বিষয় নিয়ে উপন্যাস লেখাটা সহজই বলব। কেননা ঘটনাপ্রবাহগুলো আমাদের স্মৃতিতে থাকে। আমরা স্মৃতিগুলোকে মোটামুটি সহজভাবেই লেখ্যরূপ দিতে পারি। সুতরাং ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস রচনার এই প্রচেষ্টাকে কোনোভাবেই ‘পলায়নপরতা’ বা ‘নিজের সময়টাকে ভালো না বোঝা’ বা ‘সময়ের এক ধরনের হিড়িকে গা ভাসিয়ে দেওয়া’ কিংবা ‘সাহসের ঘাটতি’ নয়। এটা দায়বদ্ধতা। ইতিহাসের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা। বর্তমানকে বুঝতে হলে ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকাতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আমাদের তো এখনো ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকানোটা, ইতিহাসটাকে দেখে ওঠাটাই শেষ হয় নি; বর্তমানকে নিয়ে উপন্যাস লেখার কথা আমরা আশা করতে পারি কীভাবে? বর্তমানকে বুঝতে হলে ইতিহাসকে বোঝা জরুরি। ইতিহাসের পুনর্মূল্যায়ন ও পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এটা সময়ের দাবি। ইতিহাসের প্রচলিত মতকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে হবে। গতানুগতিক ইতিহাস শুধু সামনে থেকে আলো ফেলেছে। এখন শুধু সামনে থেকে নয়, আলো ফেলতে হবে পেছন থেকে, উপর থেকে, নিচ থেকে, ডান থেকে, বাঁ থেকে। ইতিহাস যে বাজে বিষয়গুলোকে মহৎ করে তুলে ধরেছে, যে বিষয়গুলোকে গোপন করেছে বা এড়িয়ে গেছে, সেগুলোকে খুঁড়িয়ে বের করে আনতে হবে। আপনি বলতে পারেন, এটা তো ঐতিহাসিকের কাজ, ঔপন্যাসিকের নয়। আমি বলব, ঐতিহাসিক উপন্যাস ইতিহাসের প্রতিপক্ষ নয়, ইতিহাসের পরিপূরক।

সুতরাং ইতিহাসের ফায়সালাটা আগে করতে হবে। ইতিহাসের ফায়সালা আমরা এখনো করে উঠতে পারি নি। ইতিহাসের ফায়সালা না করলে আমাদের মেরুদণ্ডটা সিধা হবে না। কোনোভাবেই না। যেদিন ইতিহাসের ফায়সালা শেষ হবে সেদিন রচিত হবে সমকালের ভিত এবং সেদিনই শুরু হবে আমাদের বর্তমানের জয়যাত্রা। তখন হয়ত আর ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস রচনার প্রয়োজন নাও থাকতে পারে।

স্বকৃত নোমান

স্বকৃত নোমান

জন্ম ৮ নভেম্বর, ১৯৮০, বিলোনিয়া, পরশুরাম, ফেনী। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে তিনি কামিল পাস করেন। বিএ পাশ করেন সোনাগাজী ডিগ্রি কলেজ, ফেনী থেকে। পেশায় সাংবাদিক।

উল্লেখযোগ্য বই :
নাভি (উপন্যাস), ২০০৮, ধাবমান ও বনলতা পাবলিকেশন্স।
রাজনটী (উপন্যাস), ২০১১, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ।
বেগানা (উপন্যাস) ২০১২, বিদ্যাপ্রকাশ।
হীরকডানা (উপন্যাস) ২০১৩, বিদ্যাপ্রকাশ।
নিশিরঙ্গিনী (গল্পগ্রন্থ) ২০১৪, জাগৃতি প্রকাশনী।
কালকেউটের সুখ (উপন্যাস) ২০১৫, জাগৃতি প্রকাশনী
বালিহাঁসের ডাক (গল্প), ২০১৬, অনিন্দ্য প্রকাশ

আবদুশ শাকুরের জীবনী, বাংলা একাডেমি, ২০১৫
প্রাচ্যের ভাব আন্দোলনের গতিধারা (প্রবন্ধ), ২০০৯, বাঙলায়ন।
খ্যাতিমানদের শৈশব (গবেষণা), ২০১০, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ।
আবদুশ শাকুরের বয়ান, শ্রোতা স্বকৃত নোমান (সম্পাদনা) ২০১২, রোদেলা প্রকাশনী।
গুণীজন কহেন (সাক্ষাৎকার সংকলন) ২০১২, অন্বেষা প্রকাশন।
বহুমাত্রিক আলাপ (সাক্ষাৎকার সংকলন), ২০১৫, বিদ্যাপ্রকাশ।

ই-মেইল : swakritonoman@gmail.com
স্বকৃত নোমান

Latest posts by স্বকৃত নোমান (see all)