হোম গদ্য উপন্যাস বিল্লাল হুসেন ওরফে বিল্যাই মিঞা

বিল্লাল হুসেন ওরফে বিল্যাই মিঞা

বিল্লাল হুসেন ওরফে বিল্যাই মিঞা
644
0

১ম পর্বের লিংক

পর্ব-২

গতকালই ধানমণ্ডি লেকে বিল্যাই মিঞার সাথে পরিচয়। ইদানীং বেশ মুটিয়ে যাওয়ায় ডাক্তার বন্ধু আশুতোষ ঘরামী নিয়মিত জগিং করার জন্য কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। সে-কারণেই ধানমণ্ডি লেকে যাওয়া। অনেকক্ষণ দৌড়ানোর পর বেঞ্চিতে বসে আরাম করছি এমন সময় এক কান খাউজানিকরের আগমন। সে আমার কান চুলকে দেবে কিন্তু আমি মোটেও রাজি না। কারণ আমার মনে হচ্ছিল, লোকটার মনে ভয়ঙ্কর কোনো ফন্দি থাকতে পারে। যাকে বলে মানুষের চোখে ধুলা দেওয়া। তাই রাজি হচ্ছিলাম না। কিন্তু লোকটা কিভাবে যেন আমার মনের কথা বুঝে ফেলল।

‘ছার, আমি কারো চোখে ধুলা দেই না। মানুষের চোখে ধুলা দেওয়া আমার কাজ না। আমি একজন ভালো মানুষ। বিশ্বাস না হলে আপনি আমাকে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।’

আমি বললাম, ‘পরীক্ষা করে দেখব মানে? তুমি আলু না পটল যে, টিপে টিপে পরীক্ষা করে দেখব?’

লোকটা হাসতে হাসতে বলল, ‘ছার, আমি মানুষ চেনার সূত্র জানি। চাইলে আপনিও শিখে নিতে পারেন।’

তার কথায় আমার রাগ হলো। যদিও তাকে তা বুঝতে দিলাম না। শুধু মেকি হাসলাম।


গুরুজনরা বলেছেন, হাসি আসলেই হো হো করে হেসে ফেলতে হয় না স্থান-কাল-পাত্র বুঝে হাসতে হয়। না হলে স্ট্যাটাস রক্ষা হয় না।


লোকটা হয়তো মনে করল, তার কথা শুনে আমি খুব মজা পেয়েছি। কিন্তু ঘটনা যে একেবারেই সেরকম কিছু নয়, আশা করি একটু পরেই টের পাবে। যাই হোক, সৌজন্যবশত তার কাছে মানুষ চেনার সূত্রটি জানতে চাইলাম।

লোকটা সপ্রতিভ হয়ে বলল, ‘তাহলে প্রথমেই আমার নাম জিজ্ঞাসা করেন?’

আমি রীতিমতো বিস্মিত হলাম, ‘মানে? তুমি বলবে মানুষ চেনার সূত্র। তোমার নাম জিজ্ঞেস করতে বলছ কেন?’

‘কারণ আছে, ছার। কারণ ছাড়া গাছের পাতাও নড়ে না। ধরেন, আপনি আমেরিকা যাবেন। আগামী মাসের ১০ তারিখ দিবাগত রাত সাড়ে বার ঘটিকায় আপনার ফ্লাইট। তো আপনি কিভাবে যাবেন? মানে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যাওয়ার উপায় কী?’

আমি বললাম, ‘কেন বিমান! বিমানে যাব।’

সে বলল, ‘উত্তর সঠিক। হান্ড্রেড পারসেন্ট সঠিক হয়েছে, ছার। বেয়াদবি নিবেন না, এখন যদি আমি আপনাকে পাল্টা প্রশ্ন করি, আপনি বিমানে কেন যাবেন? কী উত্তর দিবেন?’

আমি বিরক্ত ভঙ্গিতে বললাম, ‘বুঝতে পেরেছি, তুমি একজন পেজ্‌গি টাইপের মানুষ। শোনো, এই জীবনে ‘এ প্লাস বি হোল স্কয়ার’ থেকে শুরু করে অনেক সূত্র জেনেছি। আর কোনো সূত্র না জানলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে না। তুমি এবার আসতে পার।’

‘ছার, আমি কিন্তু রাগ করার মতো কিছু বলি নি। আমি শুধু বলতে চেয়েছি, বিমান ছাড়া যেমন আমরিকা যাওয়া যাবে না তেমনি তিনটা নাম না জেনেও আপনি মানুষ চেনার সূত্র শিখতে পারবেন না।’ লোকটার যুক্তির কাছে আমি কিঞ্চিৎ পরাস্ত হলাম।

‘আচ্ছা ঠিক আছে। বলো, ‘তোমার নাম কী?’

‘আমার নাম মোঃ বিল্লাল হুসেন ওরফে বিল্যাই মিয়া।’

‘অ্যাঁ!’ আমি রীতিমতো আঁৎকে ওঠলাম, ‘কি বললে?’

‘জি, মোঃ বিল্লাল হুসেন ওরফে বিল্যাই মিয়া।’

মানুষের জীবনে এমন কিছু দুর্লভ হাসির মুহূর্ত আসে যখন না হেসে থাকা যায় না। আমার জন্য বর্তমান মুহূর্তটিও তেমন। কিন্তু হাসি দমিয়ে রাখতে হচ্ছে। মানে সিচ্যুয়েশান ডিমান্ড। এখন ফিক করে হেসে ফেললে লোকটার কাছে আমি হালকা মেজাজের সাধারণ একজন মানুষে পরিণত হয়ে যাব। তা হবে আমার জন্য মারাত্মক লজ্জার ব্যাপার। গুরুজনরা বলেছেন, হাসি আসলেই হো হো করে হেসে ফেলতে হয় না স্থান-কাল-পাত্র বুঝে হাসতে হয়। না হলে স্ট্যাটাস রক্ষা হয় না। হাসি যতই আসুক তা দমিয়ে রাখার মধ্যেও নাকি বীরত্ব আছে। এইসব মনে করে অতি কষ্টে হাসি দমিয়ে রেখে মনকে নানাভাবে বোঝালাম, শোনো মন! এখন হাসা যাবে না! হাসলেই বিপদ! মন আমার কথা শুনল। পেটের হাসি পেটের মধ্যেই দাপাদাপি করে এক সময় শান্ত হয়ে গেল। নিজের মনের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা দেখে খুব বিস্মিত হলাম।

চোখে-মুখে বাড়তি গম্ভীরতার রেশ টেনে বললাম, ‘মানুষের নাম আবার বিল্যাই মিয়া হয় কিভাবে?’

বিল্যাই মিঞা বলল, ‘সেই ব্যাখ্যা পরে জানবেন। তার আগে আমার পিতার নাম জিজ্ঞাসা করেন?’

আমি নির্মোহভাবে বললাম, ‘তোমার পিতার নাম কী?’

বিল্যাই মিঞা বলল, ‘আমার পিতা মৃত মোঃ আবেদালী মোল্লা ওরফে ঢ্যাঙ্গা চেয়ারম্যান।’

‘ঢ্যাঙ্গা চেয়ারম্যান!’ আমি দ্বিতীয়বার আঁৎকে ওঠলাম, ‘মানে কী?’

বিল্যাই মিঞা বলল, ‘সেই ব্যাখ্যাও পরে জানবেন। এইবার আমার দাদার নাম জিজ্ঞাসা করেন?’

‘আচ্ছা করলাম।’

বিল্যাই মিঞা বলল, ‘উঁহু! ‘করলাম’ বললে হবে না, ছার। বলতে হবে, বিল্যাই মিয়া, তোমার দাদার নাম কী?’

‘বিল্যাই মিঞা, তোমার দাদার নাম কী?’

‘আমার দাদা মৃত. মোঃ ছবেদালী মোল্লা, ওরফে জমিদার।’


এখন যদি একটা বিড়াল দেখা যেত তাহলে বিল্যাই মিয়াকে বলতে পারতাম, ওই যে দেখ, তোমার মিতা যাচ্ছে। কিন্তু তা সম্ভব নয়। কারণ পার্কে যেই হারে কাক বা কুকুর দেখা যায় সেই হারে বিড়াল দেখা যায় না।


‘জমিদার!’ তৃতীয়বারের মতো আঁতকে ওঠলাম। একেকবার আঁতকে উঠি আর মনে হয়, আমার মনের ভেতর বিশাল এক কম্পন বয়ে যাচ্ছে। অনেকটা ভূমিকম্পের মতো সেই কম্পন। শেষবার আঁৎকে ওঠে আমার মাথা চক্কর দিয়ে ওঠল। নামগুলো অদ্ভুত। প্রথমজন বিল্যাই মিয়া। দ্বিতীয়জন ঢ্যাঙ্গা চেয়ারম্যান। আর তৃতীয়জন জমিদার। শুনে যে কারো মাথা চক্কর দিয়ে পড়ে যাওয়ার কথা। আমি বরং এখনো ঠিকঠাক আছি। ভূমিকম্পে গণ্ডার টাইপ লোকেরা নির্বিকার থাকে। কিছুই টের পায় না। আমিও গণ্ডার টাইপ মানুষের অভিনয় করে যাচ্ছি। বিল্যাই মিয়াকে কিছুই বুঝতে দিচ্ছি না।

তিনটে অতি সহজ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বিল্যাই মিয়া আমার দিকে এমনভাবে তাকাল, যেন সে এইমাত্র বিশাল এক রাজ্য জয় করে এসেছে। অথবা ঢাউস সাইজের একখানা মহাভারত রচনা করে ফেলেছে। কিংবা সাড়ে চার হাত লম্বা একটা বিষধর গোখরা সাপ মেরেছে। কিন্তু আমি নিশ্চুপ। মাথা চক্করের ঝক্কি সামলানোর চেষ্টা করছি। অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলে খুব বিপদ হয়ে যাবে। হয়তো সে হরিলুট করে নিয়ে যাবে আমার সবকিছু।  কোনোভাবেই এটা হতে দেওয়া যাবে না। যেভাবেই হোক, নিজেকে রক্ষা করতে হবে।

বিল্যাই মিঞা আমার বাম পাশে দাঁড়ানো। আমি তার দিকে না তাকিয়ে ডান দিকে তাকালাম। পাখি দেখতে লাগলাম। পাখি মানে— কাক। একটা গরুর লেজের অংশ বিশেষ নিয়ে ৭/৮টা কাক কামড়াকামড়ি করছে। মনে মনে ভাবলাম, যেই কসাইয়ের লেজ খোয়া গেছে, আজ তার মাথায় হাত। ক্রেতার মাংসের সাথে গরুর লেজের টুকরা দিতে পারবে না। নিরঙ্কুশ ব্যবসায়িক ক্ষতি।

এরইমধ্যে হালকা দৌড়ে ছাই রঙের একটি কুকুর এল। কুকুরদের ঘ্রাণ-শক্তি প্রখর। গরুর লেজের গন্ধে থেমে পড়ল। লোভী দৃষ্টিতে দেখতে লাগল কাকদের গরুর লেজ নিয়ে কামড়াকামড়ি। বুঝতে পারল, গরুর লেজ দেখে তার ন্যালনেলে লম্বা জিহবায় পানি এলেও ওখানে তার ভাগ বসানো ঠিক হবে না। কারণ কাকগুলো তাকে ঠোকরে দেবে। ফলে সে বট গাছের দিকে দৌড় দিলো। আমিও কাকের কামড়াকামড়ি দেখা রেখে মস্তবড় বট গাছের দিকে তাকালাম। সেখানে দুটো কুকুর আরামসে ঘুমাচ্ছিল।

তৃতীয় কুকুরটা লেজ দোলাতে দোলাতে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পাতলা ঘুম ভেঙে গেল। কাঁচা ঘুম ভাঙায় খুব বিরক্ত হলো তারা। আগন্তুক কুকুরটা কুঁইকুঁই শব্দ করে খাতির জমানোর চেষ্টা করল! কিন্তু কাজ হলো না। দুটো কুকুরের কাঁচা ঘুম ভাঙিয়ে মহা অন্যায় করেছে সে। তাই তারা দুজনে মিলে এমন এক দাবড়ানি দিলো যে, সে ভিড়মি খেয়ে দৌড়ে পালাল। আশা করা যাচ্ছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ভুলেও এ মুখে পা বাড়াবে না। দৃশ্যটা দেখে খুব মজা পেলাম। একেই বলে আধিপত্য!

বিল্যাই মিঞাকে অ্যাভয়েড করছি। কুকুর এবং কাকেরা এ-ব্যাপারে দারুণভাবে সহায়তা করছে। থ্যাঙ্ক ইউ কাক, থ্যাঙ্ক ইউ কুকুর। এখন যদি একটা বিড়াল দেখা যেত তাহলে বিল্যাই মিয়াকে বলতে পারতাম, ওই যে দেখ, তোমার মিতা যাচ্ছে। কিন্তু তা সম্ভব নয়। কারণ পার্কে যেই হারে কাক বা কুকুর দেখা যায় সেই হারে বিড়াল দেখা যায় না।

বিল্যাই মিঞাকে এ্যাভোয়েড করতে ভালোলাগছে। এভাবে আর কিছুটা সময় কাটিয়ে দিতে পারলে আশা করি সে বিরক্ত হয়ে চলে যাবে। আমিও বেঁচে যাব। কিন্তু ঘটনা ঘটলো তার উল্টো।

বিল্যাই মিঞা বললো, ‘ছার, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।’

যাক বাবা! আমি যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। দেরিতে হলেও সে বুঝতে পেরেছে যে, আমি তার সঙ্গে আর কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। তার দিকে তাকিয়ে বিদায়সুলভ মেকি হাসি দিতে যাব এমন সময় সে বলে উঠল, ‘আশাকরি আপনার মনে আর কোনো সন্দেহ নাই যে, আমি একজন ভালো মানুষ।’


বিল্যাই মিঞা মিনমিনে কণ্ঠে বলল, ‘বেয়াদবি নিবেন না, ছার। ছোট মুখে একটা বড় কথা বলি। মানুষের মনের ভাব তার চেহারায় ফুটে ওঠে। চেহারা হলো মনের আয়না। মিরর অব মাইন্ড।


বলে কি পাগলটা! মনে মনে আওড়ালাম। রাগে আমার ঘাড়ের শিরা-উপশিরা টনটন করে ওঠল। তারপরও অতি কষ্টে রাগ সাময়িক দমন করে বললাম, ‘হ্যাঁ, আমার মনে আর কোনো সন্দেহ নেই যে, তুমি একজন ভালো মানুষ। তুমি শুধু ভালো মানুষ নও, তুমি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানুষ। মানব ইতিহাসে তোমার মতো ব্যক্তিত্ব আর একজনও নাই। তুমি অদ্বিতীয়। আরো কিছু বলতে হবে?’

বিল্যাই মিয়া মৃদু হেসে শান্তভঙ্গিতে বলল, ‘না ছার। শুধু একটা কথার জবাব দিলেই হবে।’

‘কি কথা?’

‘আমি কি এখন আপনার কান খাউজায়া দিতে পারি?’

আমি দৃঢ় কণ্ঠে বললাম, ‘না।’

বিল্যাই মিঞা মিনমিনে কণ্ঠে বলল, ‘বেয়াদবি নিবেন না, ছার। ছোট মুখে একটা বড় কথা বলি। মানুষের মনের ভাব তার চেহারায় ফুটে ওঠে। চেহারা হলো মনের আয়না। মিরর অব মাইন্ড। রাগের সব আলামতই আপনার মুখে পাইটুপাই ফুটে ওঠেছে। তবে চিন্তার কিছু নাই। কান খাউজালে রাগ কমে। ঘুমঘুম ভাব হয়। অনুমতি দিলে শুরু করি। আপনি অনেক আরাম পাবেন। কান খাউজানোর আরাম অতুলনীয়। লাখ টাকা দিয়েও এই আরাম কিনতে পাওয়া যায় না।’

আমার রাগ আরো বেড়ে গেল। বললাম, ‘আমি দুঃখিত।’

আমার ভাব-মূর্তি দেখে চুপ হয়ে যাওয়া ছাড়া তার আর কোনো উপায় রইল না। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে আমাকে দেখে নিল এবং কী যেন ভাবল। তারপর হালকা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্রসঙ্গ পাল্টানের চেষ্টা করে বলল, ‘ছার, এখন কি আমি বলতে পারি আমার নাম বিল্যাই মিয়া কিভাবে হলো?’

‘না।’

সে খুবই বিস্মিত হয়ে বলল, ‘আপনি শুনবেন না?’

‘বললাম তো, না। কানে সমস্যা তোমার? নিজে অন্যের কান পরিষ্কার কর অথচ নিজের কানের এই দশা?’

‘না ইয়ে মানে, ছার…’

‘শোনো, তোমার নাম বিল্যাই মিঞা না বাঘ মিয়া সেটা শুনে আমার কোনো কাজ নেই। তুমি এখন আসতে পার, আন্ডারস্ট্যান্ড?’ আমি তার দিক থেকে পুরোপুরি মুখ ফিরিয়ে নিলাম।

বিল্যাই মিঞা বলল, ‘ঠিক আছে, ছার। ভালো থাকবেন। কানের যত্ন নিবেন। কান অমূল্য সম্পদ। আসি। খোদা হাফেজ।’ সে হনহন করে হেঁটে যেতে লাগল।

জানা আছে, এই কিসিমের লোকেরা কিছু দূর গিয়ে প্রত্যাশিত ক্লাইন্টকে কব্জা করার জন্য কৃত্রিম মায়াবী চোখে পেছন ফিরে তাকায়। আমি নিশ্চিত সে-ও কিছু দূর গিয়ে ফিরে তাকাবে। তখন তাকে ইশারা করলেও কাছে আসবে, ইশারা না করলেও আসবে। কিন্তু লোকটা সেরকম কিছু করল না। সোজা চলে গেল। আমিই বরং তার দিকে তাকিয়ে রইলাম যতক্ষণ-না সে অদৃশ্য হয়ে গেল। বিল্যাই মিঞার অটল ব্যক্তিত্ত্বের কাছে আমি পরাজিত হয়ে গেলাম।

৩য় পর্বের লিংক

মহিউদ্দীন আহ্‌মেদ

জন্ম ১ জুলাই ১৯৭৮, ধামরাই, ঢাকা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। পেশায় স্ক্রিপ্ট-রাইটার।

সম্পাদিত ছোটকাগজ : জলসিঁড়ি।

ই-মেইল : mohiuddin_neil@yahoo.com