অন্যজন : ৯

অন্যজন : ৯
109
0

৮ম পর্বের লিংক

পর্ব- ৯ম

 ১৫.
মন খারাপ থাকলে গুরা মামা মনে মনে জিলাপি বানায়। গামছায় কায় ভরে কড়াইয়ে জিলাপির প্যাঁচ দেয়, তেলের মধ্যে গল্প সাজায়। সেই গল্পে নাচে তার মন। মনে হয় পৃথিবীতে সুখের শেষ নেই, তবে সুখ পেতে জানতে হয়।

গরম রসালো জিলাপির মতো আপনমনে হাসে। শ্যামলা বউটার আদর পাওয়ার মতো তার ভালো লাগে। যখন পা ছিল, মাঝেমধ্যে বিলে ফুটবল খেলত। এখনো খেলতে ইচ্ছে করে। পায়ের শেষ অংশ নিশপিশ করে। ভাবে, যার স্বাস্থ্য ভালো, সে-ই সুখী মানুষ।


যেসব মানুষের মন বিস্তৃত ওই পাহাড়ের মতো, তাদের সঙ্গে মিশে যাবে।


মামার ছোট্ট আশা ছিল। কিন্তু বর্ষার একটা হোঁচট গিলে খেয়েছে তা। সে আগে ছিল সবুজ ধানপাতা। এখন পাতাটা পোকায় খাওয়া। কারিগর শব্দটার মধ্যে অহংকার ছিল। তা আজ কোথায় মিশে গেল!

বেকার হলে অথবা বয়স হলে মানুষ তাকে এড়িয়ে চলে। আর শারীরিকভাবে অকেজো হলে! মামার মনে ধন্দ। তার শ্বশুর বলত, জীবনে তিনটা জিনিসের পরশ লাগে—মাটি, পানি ও মানুষ। মাটি ও পানির পরশ পেলেও কোথাও মানুষ নেই। মানুষ তাকে আর সমান চোখে দেখে না। এটা পীড়া দেয়। কোথাও চলে যেতে ইচ্ছে করে। অনেক দূরে, পাহাড়ের পথ ধরে হাঁটবে। যেসব মানুষের মন বিস্তৃত ওই পাহাড়ের মতো, তাদের সঙ্গে মিশে যাবে।

জীবনে সুখ তো কম ছিল না। এখন ক্রাচ হাতে কুঁজো বুড়ার মতো হাঁটতে হয়। গায়ে বহুদিনের পুরনো চেক কোট। রং হারা লুঙ্গির নিচে কাঠির মতো একটা পা। সরু দাড়ির রেখা নখের ময়লার মতো কালো, যেন বহুদূরের কোনো আলপথ।

আমাদের বাড়ির কাছে এসে মামা দেখে, সেকেন্ড হ্যান্ড জাপানি গাড়িতে সেকেন্ড হ্যান্ড সাহেব হান্নান শাহ বসে আছেন। গায়ে কোট। শহরে যাবেন। মনে হয় কারো সর্বনাশ করার জন্য কোর্ট বিল্ডিং যাচ্ছেন।

পশ্চিমে সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে ধোঁয়া ওড়ে। তা দেখে হাত বাড়াতে গিয়েও থেমে যায় মামা। নিজেকে মনে হয় রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বহুদিনের পুরনো জিপ। হাতুড়ি পিটিয়ে ঝালাই করে, রং লাগিয়ে নিজেকে নতুন গাড়ি বানাতে চায়।

নিয়তি মেনে নিয়ে মামা হাঁটে। ভাবে, সে সুস্থ। জিলাপি ও আমৃতি বানিয়ে দিন শেষে ঘরে ফিরে দেখল, ফুটফুটে একটি মেয়ে হয়েছে তার।

ঘরে ঢোকার সময় কালামের সঙ্গে দেখা। সে ইশারায় কেমন আছে জিজ্ঞেস করে। মামাও ইশারায় জানায়, ভালো আছি।

বাম্বুদের দারোয়ান-কাম কেয়ারটেকার কালাম গোসলের আগে কাউকে গল্প শোনানোর মতো গায়ে শর্ষের তেল মাখে। ভুঁড়িতে তেল ঘষে বলে, রসিক খাওয়ার সময় ভুঁড়ি ভাজে।

বলে, গত রাতে এক কাণ্ড হইছে। রাত তখন দুইটা, বাম্বু সাবের শালীর জামাই আইছে। এসে বলে, দুলাভাই, দুলাভাই। বাম্বু ঘুমচোখে দরজা খুলে বলে, হানিফ ভাই আসেন। হানিফ বলে, আপনারা ভাই ঝামেলায় ফেলে দিছেন। বাম্বু কয়, কী? হানিফ কয়, মার্সিডিজ। তারপর কাত হয়ে পড়ে যায়। বাইরে টেক্সিওয়ালা ভাড়ার জন্য চিৎকার করে।

রাগত কণ্ঠে বলে, শালার পুত শালা, শালায় টানিছে হেভি। মাইনষে ঠিক মতন খাইতে পায় না, তুই হাজার ট্যাকার রস খাছ।

তেল মাখা দেখে ক্রাচে শব্দ করে মামা ঘরে ঢোকে।

লম্বা দাড়িতে হাত বুলিয়ে কালাম অনুচ্চ স্বরে গায়, বাইন্ধা রাখমু মনডারে সোনার দড়ি দিয়া। সিঁড়িঘরের নিচে ছোট্ট জায়গায় বিছানা। দেয়ালটা তার আয়না। দুপুরে গোসলের পর সেদিকে তাকিয়ে ছোট চিরুনি দিয়ে তরুণদের মতো স্টাইল করে চুল আঁচড়ায়, চুলে ভাঁজ বসায়। ওই সময় সে খুব নরম থাকে। মুখ সামান্য হাঁ, অনুচ্চ স্বরে গায়, অচিন পাখি হয়ে ওড়ে।

চাচা ও চাচা, আছনি? কুঁজো হাঁটা ভাতিজা ডাক দেয়।

কালাম নিস্পৃহ চোখে তাকায়। ছেলেটার সবসময় ইতস্তত ভাব। বোকা মুখ, ঠোঁটের উপর গোঁফের চিকন রেখা। লম্বা শরীরের সাথে তা মানানসই। চাচার দিকে তাকিয়ে নতুন জামাইয়ের মতো হাসল।

কালামের বাড়ি কুমিল্লা। সে বাড়ির খবর জানতে চায়। আগে চাষবাস করত। ছেড়ে দিয়েছে কয়েক বছর হলো। ফসলের কথা মনে পড়লে ঘোড়ার মতো নাক ঝাড়ে। ভাবে, চাষ ছাইড়া ভালাই করছি। কে মইরবু পতি সনে? মন আবার ধানফুল হয়। ধানের গন্ধ মগজে ঢেউ তোলে। পোকার খোঁজে শালিক যেভাবে লাঙলের পেছনে ওড়ে, সেভাবে মনে মনে ধান রুয়। ভাবে, এবার উডান ভরামু। একডা গোলাও বাঁধুম। দুই-চাইরডা বড় গাই থাকব। মেয়ে দুইডারে বলব, দুধে-ভাতে ডুইবা থাক।

মশার ভেনভেনানির মতো বাম্বুর বউ ডাকে। ভাতিজাকে বলে, আইচ্ছে এহন যা, পরে দ্যাহা করিছ।

গতকাল সন্ধ্যায় ঘণ্টাখানেকের ছুটি নিয়ে গিয়েছিল মতিউর রহমান শাহ’র ওরশে। হরেক রকম মানুষ, হাজার শব্দ, ধুলার ওড়াউড়ি। মাইকে কাওয়ালি চলছে। এবার সার্কাসও এসেছে। দুটা বানর আর একটা হাতি আছে। হাতির খেলা দেখতে সার্কাসে ঢোকেছিল।

সূত্রধর এসে বলে, এক লোকের একটা পুতুল মেয়ে হয়েছিল। এক দুই করে বিশ বছর হয়ে গেল। এবার মেয়ের বিয়ে দিতে হবে। বিয়ে দেওয়া হলো, কিন্তু তিন দিনের দিন মারা গেল তার স্বামী। ঘোমটা দিয়ে মেয়ে যায় বাপের বাড়ি। যেতে যেতে পুতুল শরীর রক্তমাংসের রূপ পায়। আহারে মাইয়া! স্বামী সোহাগ পাইল না।


জীবন পিঁপড়া ধরা ঠান্ডা ভাত নয়, জীবন হলো গটগট করে সিদ্ধ হওয়া আউশ ধানের লাল ভাত।


কে যেন ডুকরে কাঁদে। সিংহের মুখোশ পরে একটা লোক আসে। বলে, পাইল।

সূত্রধর বলে, কিভাবে?

তখন মঞ্চে কয়েকটা মহিষ ঢোকে। মহিষের পিঠে সুন্দর পোশাক পরা কয়েকটা পুতুল ছেলেমেয়ে। তারা বলল, পুতুল মেয়েকে মানুষ বানানোর জন্য তার স্বামী মরার ভান ধরেছে। আরে দেখ দেখ, পুতুল মেয়ে হেঁটে হেঁটে বাপের বাড়ি যায়/ যেতে যেতে মানুষ হয়ে যায়।

সূত্রধর বলল, মা হাসে, বাবা হাসে, হাসে সকল লোক/ দেখরে আজ দেখ তাদের ঘরে সুখ।

এ সময় হাতি এসে দর্শককে সালাম দেয়। হাতির পিঠ থেকে মাহুত বলে, ভাইয়েরা, আপনারা কি রূপ রঙ্গিলার দেশে যাইতে চান? তখন ছাদের রশিতে ঝুলে বানর ডাকে।

মুখোশ পরা মোটা লোকটা এসে চিকন কণ্ঠে বলে, ভাইয়েরা, মানুষ হারায় গ্যাছে। সহৃদয় ব্যক্তি খোঁজ পাইলে যোগাযোগ করবেন। আচ্ছা, মানুষ হারায় যায় ক্যান? দ্যাখেন ক্যামুন একটা দ্যাশ, ভেজালের নাই তো শ্যাষ।

লোকটা দর্শকের কাছে এসে বলে, ভাইয়েরা এদিকে আসেন। দেখেন, চাইরপাশে কত রং! রং দিয়া গরু আর লাঙল বানামু। লাঙল দিয়া মানুষ কী করে? হেই দর্শক, কথা কন না ক্যান? জমি চষে, বুঝছেন? আমরা মনের জমিনে লাঙল চালামু।

মুখোশ খুলে দর্শকের দিকে ছুড়ে মেরে গায় : ঝিলিক দিয়েছে আশার আলো/ ভরে উঠেছে মনের কোনা।

মেলার একপাশে লোকটার সামনে সারিবদ্ধ বোতলে বনাজি ওষুধ। ওষুধের গুণাগুণ বর্ণনার ফাঁকে সে বলে, রসে রসে রসিক হইয়া যামু/ টাক ডুম টাক ডুম বাজামু।

মাজারে মহিষ ঢোকে। রাস্তার পাশে বসা ভিক্ষুক তেল মাখা মোষের গাঢ় কালো কেশ ও শিঙে জড়ানো রঙিন কাগজ দেখে।

অদূরে চার-পাঁচটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। পাশ দিয়ে মেয়ে গেলে ‘কু’ ডাকে, শয়তানে পাওয়া ভঙ্গিতে হাসে।

সোনামণিদের বেতের ছোট চেয়ার একশ পঁচাত্তর টাকা। খয়েরি কৌটার ক্রিম ক্লিয়ার ক্রিমের দাম বিশ টাকা। মুখ ফরসা করে। একটা কিনলে চেইন ফ্রি। মাফলার একদাম বিশ টাকা। একপাশে জুয়ার আসর। চিকনা ছেলেটা চেঁচাচ্ছে, দশ টিঁয়া, দশ টিঁয়া। চাকতিটা ঘোরায়, ওখানে নানারকম চিহ্ন। একেকজন একেক চিহ্নে বাজি ধরে।

কালাম ভাবে, মেয়ের জন্য ক্রিমটা কিনবে।

লোকের চাপে বিরক্ত ফরসা ছেলেটা ছুঁচোর মতো চিঁচিঁ করে বলে, উহ, গ্যানজাম, মা-বাপেরা শুধু বাড়াইছে।

বাবা ফাতেমাকে নিয়ে মেলায় ঘুরছিল। কালামের সঙ্গে দেখা হয়, ছেলেটার কথাও শোনে। লম্বা জুলফিওয়ালার দিকে তাকায়। বাবার মনে হয়, গরুর লেজে লেগে থাকা শুকনা গোবরের মতো ছেলেটার চোখ।

মহিষ আসছে, সবাই দৌড়ে এদিক-ওদিক সরে যায়। মাজারের পাশে লম্বা সুরে বাঁশি ও জোরে ঢোল বাজে। জরি ও তেলে মহিষের গা চকচক করছে। পুকুরের উত্তর পাশে রান্না চলছে। মাংসের গন্ধে বাতাস ম-ম।

ছোট রসগোল্লা বিক্রি করা বুড়াটার মুখ গোমড়া। ফাতেমা বাবার দিকে তাকায়। বাবা হেসে রসগোল্লা দেওয়ার জন্য ইশারা করে। শীর্ণ হাতে বুড়া দুই প্লেট দেয়। এক প্লেটে পাঁচ-ছয়টা করে ধরেছে। পানসে, তারপরও ফাতেমা তৃপ্তি নিয়ে খায়। চরাঞ্চলের কোনো মানুষ তার খাওয়া দেখলে ভাবত, মেয়েটা মোষের পিঠে চড়ে কোথাও বেড়াতে যাচ্ছে।

১৬.
কিশোরকালে প্রায় একটা স্বপ্ন দেখতাম। বিশাল এক জমিদার বাড়ি। সেখানে অনেক জমিদার। সবাই খেতে বসেছে। কোর্মা পোলাও থেকে শুরু করে হাজার রকম খাবার। একটু খায়, বাকিটা নালায় ফেলে দেয়। কতগুলো মানুষ নালার পাশে কাড়াকাড়ি করছে।

বিকালে স্কুলের মাঠে গেলে খেলার সাথীদের বলতাম স্বপ্নের কথা। ফরিদা, হাছনবানু, খোদেজা, রহিম, আলতাফ ও ধলা হাসাহাসি করত। বলত, তুই মনে হয় হাতির মাহুত। তাদের হট্টগোলে স্বপ্নের হাতি শুঁড় নেড়ে চলে যেত। মইয়ে লেগে থাকা কাদা, লাঙলের ফলায় আসা মরিচা, বাছুরের দৌড়াদৌড়ি, ওই পাড়ার পোয়াতি বউয়ের মুখ, আতাগাছ, পাহাড়ের কাছে চলে যাওয়া সূর্য—সব আমাকে টানত। বলত, জীবন পিঁপড়া ধরা ঠান্ডা ভাত নয়, জীবন হলো গটগট করে সিদ্ধ হওয়া আউশ ধানের লাল ভাত। খুব মজা ও ভিটামিন সমৃদ্ধ। তোকে যদি কেউ গত রাতের ভাত, পেয়ালায় বাসি তরকারি ও একটু ডাল দেয়, ডালে আবার কয়েকটা পিঁপড়া; কেমন লাগবে?

হয়তো তখন কানাইলালের কাছে ধার দেওয়া কাস্তেটা দেখব। ও হলো সেরা কারিগর। এলাকার সবার হাতিয়ার তার ইশারায় চলে। লবণ-পানিতে একটু ধার দিলেই হয়ে যায়। ষাটের উপর বয়স, অথচ বাহুগুলো গনগনে আগুনের মতো।

বাবা ধান কাটছে, বাড়ছে রোদের তেজ। ঘামে তার দেহ জবজব। অদূরে নদীতে জেলেরা জাল ফেলেছে। মাছের পাত্তা নেই। এক জেলে নিজেকে গালি দেয়। আরেকজন বলে, ওই ত মাছ ধায় যার। তারা দ্রুত জাল টানে।


জেলেরা যাওয়ার সময় বাবা মাছের গন্ধ পায়। এর সাথে মিশে সোনালি ধানের গন্ধ।


নদীর পাড় লাগোয়া জমি। বাবা জমি থেকে চিৎকার দেয়, ডুব দি বোয়াল মাছ ধর।

তেলতেলে জেলেটা মুখ কুঁচকায়, হাইল্যের পোয়া, বাইচালি রাখ।

আয়, আঁর ধান কাডি দে।

জেলেরা যাওয়ার সময় বাবা মাছের গন্ধ পায়। এর সাথে মিশে সোনালি ধানের গন্ধ। তার হাত দ্রুত চলে। জমিনের পিঠে জমা হতে থাকে অগ্রহায়ণের সোনার ধান। এই ধানেই তো নবান্ন উৎসব হয়।

রোদ চিলের মতো চক্কর দিয়ে মাথার উপর উঠেছে। বাবা পিঠের দিকে লুঙ্গির কোঁচায় কাস্তেটা আড়াআড়ি রাখে। জামগাছের হাতল চামড়ায় ঘষা খায়। নদীর পাড়ে উঠে মনে মনে বলে, নদীটা অনেক ভরাট হয়ে গেছে। পাড়ে পল্লী বিদ্যুতের খাম্বা। ওই পাড়ে পাম্প মেশিন বসানো হচ্ছে।

অনেক বছর আগের এক স্বপ্নের কথা মনে পড়ে তার। ওই সময় বর্ষার প্রায় শেষ। বাবা দেখে, নদীতে একটা জাহাজ এসেছে। সবাই বলাবলি করে, এটা ডাকাতদের জাহাজ। জাহাজ থেকে তারা নামার আগেই বাবা চিৎকার করে কোদালটা ছুড়ে মারে।

নদীর পাড় ধরে বিশ্বরোডে উঠে রাস্তার পাশে দূর্বাঘাসে বসে। রাস্তায় সব সাপের চামড়া। একেকটা চামড়ার উপর কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে আছে চাচার গল্পের কালসাপ। ঝোপে শেয়ালগুলো হুক্কা হুয়া ডাকছে। ওই সময় প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম। আমার বাঘা নামে একটা কুকুর ছিল। কয়েকটা ছেলেমেয়ে বাবার পাশে বসে বলে, আমিনের বাঘাটা থাকলে খেদিয়ে কোথায় নিয়ে যেত! শেষমেশ শেয়ালের পাদের গন্ধে হয়তো পিছ ফিরত।

তাদের কথার মাঝে বাবা ঘুমিয়ে পড়ে। তার ঘুম মাড়িয়ে লোকজন বিলের দিকে যায়। তারা লাঠি দিয়ে শেয়াল পিটাচ্ছে। ঘুমের ভেতর বাবাও লাঠি খোঁজে। একটু পর সবাই অবাক হয়ে দেখে, লোকের পিটা খেয়ে শিয়ালটা বাম্বুর বাবা কোব্বাদ আলী হয়ে গেছে।


১০ম পর্বের লিংক

জাহেদ মোতালেব

জাহেদ মোতালেব

জন্ম ৪ জানুয়ারি ১৯৭৪; হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। পেশা : সাংবাদিকতা।

প্রকাশিত বই :
খেলাবুড়া [গল্প, ২০১১]
লাল পা [গল্প, ২০১৩]
বিকেল অথবা বাঘের গল্প [অনুগল্প, ২০১৫]
রক্তরেখা [উপন্যাস; বেহুলা বাংলা, ২০১৭]

শিশুদের বই—
লা লা পা পা [গল্প, ২০০৯]
মুড়ি বুড়ি [গল্প, ২০১৪]
বক মানুষের দেশে [গল্প, ২০১৭]

ই-মেইল : jahedmotaleb@yahoo.co.uk
জাহেদ মোতালেব

Latest posts by জাহেদ মোতালেব (see all)