অন্যজন : ৭

অন্যজন : ৭
101
0

৬ষ্ঠ পর্বের লিংক

পর্ব- ৭

১২.
গত বৃহস্পতিবারের কথা মনে পড়ে। চারজন কামলা দ্রুত কাজ করছিল। জমিতে পানি, পানিতে আসমান।

ধান রোপণের সময় আঙুল মাটিতে ডুবে যায়। ডুব দিয়ে বলে, এতদিন আগাছা নিয়ে ছিলে, এবার তোমাকে বন্ধু দিলাম। ওকে ভালোবাস, তোমার নিঃসঙ্গতা ঘুচবে।

কাল যদি বৃষ্টি না পড়ে পানি আরো কমে যাবে। কিছু টেনে নেবে চারাগাছ আর কিছু আশপাশের জমিতে চলে যাবে। রশি ধরে রোপণ করা হচ্ছে না। রশি বাঁধোরে, চারা রোপণ করোরে, অনেক ঝামেলা। রশি ধরে রোপণ করলে লাইন সোজা থাকে বলে ধানগাছ যথেষ্ট আলো-বাতাস পায়, নিড়ানি দিতেও সুবিধা। এখন মোটামুটি লাইন করে রোপণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি চারার দূরত্ব প্রায় আট আঙুল। উপরে-নিচে আট আঙুল ফাঁক। এই চারাগুলোর বয়স পঁচিশ দিন। সার দেওয়ায় তাড়াতাড়ি বড় হয়ে গেছে।

আশপাশে অনেক জমিতে এখনো চাষও দেওয়া হয় নি। আমাদেরটা আগে রোপণ করা হচ্ছে। রোপণের ফাঁকে আকাশের দিকে তাকাই। শেষ বিকাল। প্রায় সারা দিন বৃষ্টি পড়েছে। আকাশ-বাতাস, গাছপালা সব ধোয়া-মোছা। সাতজন চৌদ্দ হাতে একযোগে রোপণ করছি। ছপছপ একটা আওয়াজ হচ্ছে।

কয়েকটা ব্যাঙ ধীরে ডাকছে। ওই যে বকটা দক্ষিণে উড়ে যাচ্ছে, তার মতো আমাদের হাতগুলোও জমিতে উড়ছে। উড়ে উড়ে পানিতে নড়তে থাকা আসমানকে প্রায় ধরে ফেলছি, আবার ছেড়ে দিচ্ছি। আসমান এত কোমল ও ভঙ্গুর, দেখে মজা পাই। পরিশ্রম আর পরিশ্রম থাকে না, খেলার মতো হয়ে যায়। সেই খেলায় রোপণ করা ধানের চারা নিরীহ বালিকার মতো একটু কাত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। দুদিনেই তারা মাটি আঁকড়ে ধরবে।

ছোটকালে টাইফয়েডে রাঙামাটিয়ার লোকটার ডান চোখ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কাজ করেছে এক বেলা। এখন আলে বসে বিড়ি টানে। তার চোখে কেমন উদাসীনতা।

জমি থেকে উঠে সন্ধ্যার রং দেখে আমার মনেও উদাসীনতার ছায়া পড়ে। পশ্চিমাকাশে ঘন মেঘ জমেছে। আকাশ ফাটিয়ে বৃষ্টি নামতে পারে। চারাগাছ কিভাবে মাটির সাথে সম্পর্ক পাতায় তা দেখতে ইচ্ছে করছিল। ভাবি, কাল ভোরে পাখিরা যখন গান গেয়ে দিনটাকে জাগিয়ে দেবে, তখন আলে বসে চারা দেখব।


ধানগাছ থেকে চাল ছিঁড়ে খায়। এতে চাল খুব লজ্জা পেল। এরপর থেকে চালে পোশাকের মতো খোসা হয়ে গেছে।


ভাবনা পাল্টে দেয় ব্যাঙ। অঝোর বৃষ্টির মতো চারপাশে ডাকছে। একটাকেও দেখা যায় না। ব্যাঙগুলো গল্প করছে না গান গাইছে? আজ কি ব্যাঙের বিয়ে? মানুষ যদি ব্যাঙের ভাষা বুঝত, কেমন হতো? ব্যাঙের মতো ছোট হয়ে একবার তাদের কাছে বেড়াতে যেতে পারতাম! হাত থেকে কাদাপানি গড়িয়ে পড়ার মতো ভাবনা গড়িয়ে আলের দূর্বাঘাসে মিশে যায়। পাশের জমির পানিতে আসমানের ছায়া। সেই ছায়ায় হাত-পায়ের কাদা ধুই।

দুটা খাঁচা একটার নিচে আরেকটা রেখে বৌঁকের এক মাথায় বেঁধে বৌঁক কাঁধে বাড়ি যাই। তখন মাগরিবের আজান দিচ্ছে। মুখ-হাত ধুয়ে লুঙ্গিটা পাল্টে বাবা যাবে মসজিদে। মসজিদ থেকে এসে বিড়ি ধরাবে। তারপর দোকানে গিয়ে চা খাবে। টিভিতে খবর দেখে, গল্পগুজবে সময় কাটাবে।

পরদিন শুক্রবারও নরম মাটির সাথে হাতগুটি খেলেছি। হাতগুটি খেলায় গর্ত থাকে ছয়+ছয়টি। এখানে গর্তের পর গর্ত করায় হাতগুটির অনেক দল দাঁড়িয়ে গেছে। প্রত্যেক গর্তে চার-পাঁচটি করে ধানগাছ ছড়িয়ে দিই। অপর পক্ষ খুশি হয়ে বলে, খেলার সাথী পেলাম। খেলায় বিকালের মেঘ ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ল।

শেষ রাতের দিকে নামাজ পড়তে উঠে মা দেখে জোরে বৃষ্টি পড়ছে। শনিবার দিনভর ইচ্ছেমতো ঢালল। কাজের ফাঁকে বাবা আলে বসে বিড়ি খায়। বৃষ্টিও সে রকম ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিচ্ছে। রাতে ভাত খাওয়ার সময় রান্নাঘরের শণ বেয়ে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি পড়ে। হয়তো ভাতপাতেও ছিটকা পড়েছে। আমরা তখন করলা ও কাঁঠাল বিচি দিয়ে ভাত খাচ্ছিলাম। কয়েকটা ইছা শুঁটকি দেওয়া হয়েছিল বিচিতে। কাঁঠালের বিচি যা মজা হয়েছে!

বৃষ্টির পানিতে পুকুর টইটম্বুর। পুকুর যেন রসে ভরা বড্ডা গাছের আম। একটু চেপেচুপে পোঁদায় দাঁত দিয়ে ছিদ্র করে উপ্‌ছ উপ্‌ছ করে চুষব। চুষে খাব একেকটা আমপুকুর।

সকালে উঠে পানিভাত খেলাম। বাবা বিলে চলে গেছে। ফজা ও বড় ভাইও গেল। আলসেমি লাগছিল, ঘণ্টাখানেক পরে যাব ভেবে মার পাশে বসে থাকি। মা কচুর ডোগা কাটছিল। বড় ভাবি ও ফাতেমা চাল থেকে ধান বাছে।

হঠাৎ হেসে বড় ভাবি বলে, আচ্ছা মা, মানুষ কুঁড়া খেলে কী হতো?

মা বলে, আল্লাহ একেকজনের জন্য একেক খাবার দিয়েছে। ডোগার চামড়া ছুলে ছোট টুকরা করে হাতায় রেখে বলল, চাল তো আগে চালই ছিল, ধানের মতো ছিল না।

ভাবি ও ফাতেমা মার দিকে তাকায়। মা বলে, অনেক বছর আগের কথা।

কত বছর হবে? আমি জানতে চাই।

মা মাথা নাড়ে। বলে, ছোটকালে শুনেছি। তখন ধানগাছে চালই হতো। একবার এক লোক আলে পায়খানা করতে বসেছে। সে ধানগাছ থেকে চাল ছিঁড়ে খায়। এতে চাল খুব লজ্জা পেল। এরপর থেকে চালে পোশাকের মতো খোসা হয়ে গেছে।

চাল পোশাক পরে! মার কথায় আমরা গলা ফাটিয়ে হাসি। সেই হাসিতে আলসেমি উড়ে যায়।

বিলে গিয়ে খবর পাই কুম্ভার পাড়ার দিকে হালদা নদী ভেঙেছে। বিলে বিলে পানি চলে আসছে। পানি আসার খবরে বাবা দুশ্চিন্তায় পড়ে। শেষে ঠিক হলো, অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যাক। তুলে ফেলা জালা পানিতে রাখা হবে।

বাড়ি এসে গোসল করলাম। ভাত খেলাম কাঁঠাল বিচি ও পাটশাক দিয়ে। দেখলাম, পাটশাকের আঠাল ঝোলের মতো সবার মনে দুশ্চিন্তা।

১৩.
কাচারি ঘরে শুয়ে আছি। ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি পড়ছে। খুব একা একা লাগে। বৃষ্টির পথ ধরে চলে যেতে চাই বহু দূরে। টাকার দরকার, অনেক টাকা। এই ভাঙা ঘর, মার বিষণ্ন মুখ দেখতে আর ভালো লাগছে না। এ দেশে থেকে পরিশ্রম করে টাকা কামানো যাবে না। বিদেশ যেতে হবে, কিন্তু টাকা নাই। কী করব? প্রশ্নটা যেন বৃষ্টিকেই করি।

আরেকটি ভেজা দুপুরের কথা মনে পড়ল। সেদিনের মতো বৃষ্টি জীবনে দেখি নি। ওহ! বৃষ্টিরে বৃষ্টি, একেবারে দুনিয়া ভাসানো। আমিও ভেসে গিয়েছিলাম।

দুপুরে ভাত খেয়ে কাচারিতে শুয়েছি। ঘাটার দিকে দরজা আধখোলা ছিল। খালেদা এসে দরজার সামনে দাঁড়িয়েছে। কাক ভেজা হয়ে গেছে সে। তার পিঠ দেখছি।

কি রে?

হাঁস খুঁজছি।

হাঁস কোথায়? সে পুকুরের দিকে ইশারা করে। কপালের পানি মুছে আমার দিকে তাকাল। ভিজে যাওয়ায় তাকে অন্যরকম লাগছে। শুয়েছিলাম, ইতোমধ্যে উঠে দাঁড়িয়েছি। তার হাত ধরে ঘরের ভেতর টান দিই।

সে হাত ছাড়িয়ে নিতে চায়, আমি ছাড়ি না। আরেক টানে বৃষ্টির ফোঁটার মতো কাছে চলে আসে। চোখ মাটির দিকে। সেই চোখে আমার ঠোঁট মেঘ এঁকে দেয়। ধীরে ধীরে বৃষ্টি হতে থাকি। বৃষ্টিতে গলে সে কাদামাটি। মই দেওয়ার পর জমির যে অবস্থা, সে এখন তেমন। আমি ধান রোপণ করি।

এর মাসখানেক আগে ঘটেছিল আরেক ঘটনা। সেই রাতে হাসনাহেনা ফুলের সুবাসের মতো জোছনা ঝরে পড়ছিল। জোছনায় মানুষ পাগল হয়ে যায়। আমারও হয়েছিল একই অবস্থা। গভীর এক শক্তি নিজের মধ্যে ভর করেছিল। যা চাইব তাই পাব, পৃথিবীর কেউই আমাকে থামাতে পারবে না।

হ্যাঁ, সেদিন আমি লাঙলের ফলা হয়ে গিয়েছিলাম। খালেদাকে আসমানের বিলের বড় কোটা বানিয়েছি। অবশ্য তার জন্য জোর খাটাতে হয়েছে।

সেই রাতের কথা মনে এলে গায়ে কাঁটা দেয়। আমি বাঁধভাঙা নদী হয়ে যাই। আচ্ছা, ওই দিন খালেদাকে ধর্ষণ করেছিলাম? বলতে পারব না। একটা সন্দেহ লাঙলের ফলা হয়ে ফালা ফালা করে। আবার মনে হয়, খালেদা ওই দিন কৃষিজমি হতে প্রস্তুত ছিল। আমার জোরাজুরিতে তাই তার জমিতে লাঙল চলেছে। ভয় ছিল সে সবাইকে বলে দেবে। প্রায় এক সপ্তাহ নানাবাড়িতে ছিলাম। এক রকম লুকিয়ে থাকার মতোই। পাহাড়ে হাঁটতাম, আকাশের নীল-শাদা, গরুর ভুরুতে লেগে থাকা কাদা দেখে নানির বুড়ি দাঁতের মতো নড়বড়ে হয়ে ঘুরে বেড়াতাম।

ওই রাতের কথা ভাবলেই মনা ভাইয়ের ঝাঁকড়া চুল ও গভীর রাতে একা একা গান গাওয়ার কথা মনে পড়ে। ইচ্ছে করে চাঁদের আলোয় হেঁটে কোথাও চলে যাই।

আমাদের পাঁচ ঘর পর তাদের ঘর। ওরা তিন বোন, কোনো ভাই নাই। এক আত্মীয় মারা যাওয়ায় সন্ধ্যায় তার মা-বাবা ও এক বোন চলে গিয়েছিল শাহনগর। ঘরে ছিল তারা দুই বোন। ছোটটার বয়স ছয় বছর। তারা ভয় পেতে পারে, তাই দুই রাত আমাকে থাকতে হয়। দ্বিতীয় রাতে ওই ঘটনা ঘটে। তখন আমার বয়স ছিল আঠার বছর, খালেদার ষোল।

বিপদ আসে এর পর। খালেদার সন্তান এসে যায়। প্রথম দিকে সে বুঝতে পারে নি। তাছাড়া অনেকদিন লুকিয়েও রেখেছিল। দুই পরিবারের মধ্যে বিষয়টা জানাজানি হয়। পাঁচ মাস হয়ে যাওয়ায় কিছু করা যায় নি। তার সঙ্গে আমার বিয়ে দেওয়ার তোড়জোড় চালায় তাদের পরিবার। পালিয়ে আমি শহরে চলে যাই।


পানি যে কালো পিঁপড়ার মতো হেঁটে ঘরে ঢুকে গেছে তা জানতে পারি ভোরে মার ডাকাডাকিতে। ঘরে পানির মধ্যে হাঁটার সময় নিজেকে চোর মনে হয়।


বিকালেও অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ে। সন্ধ্যা হতে হতে চলে আসে পানি। খাল-বিল পানিতে সয়লাব, রাস্তায় পানি গড়ায়। তার মধ্যে গান ধরে মনা ভাই : মা তুই জগতের মাতা/ সৃষ্টির জন্য হসরে জুদা/ আমায় জুদা করিস না/ মনরে তুই হাল ছাড়িস না।

সুর পানিতে ভিজে গেলে স্বস্তি পাই না। কাতলা মাছ যেভাবে পুকুর থেকে বেরিয়ে পড়ে আমিও সেভাবে বেরোই। মঈন ভাই টর্চলাইট নিয়ে বের হয়। ফজা জাল নিয়ে বেরিয়েছে সেই বিকালে। সাথে লোটা নিয়ে গেছে তারেক।

আল্লাহ আল্লাহ করে মার মুখের পানি শুকিয়ে গেছে। আল্লাহ তুই রহমত কর, ও আল্লাহ বৃষ্টি দিস না, তোর দুনিয়ারে তুই ঠান্ডা রাখ।

দুনিয়া ঠান্ডা হয়, আবার থেমে থেমে বৃষ্টি পড়ে। মা বারবার পানি দেখে আসতে বলে। আমরা বিলের পানি দেখি, চারপাশে খোঁজখবর নিই, তারপর ঘুমিয়ে পড়ি।

পানি যে কালো পিঁপড়ার মতো হেঁটে ঘরে ঢুকে গেছে তা জানতে পারি ভোরে মার ডাকাডাকিতে। ঘরে পানির মধ্যে হাঁটার সময় নিজেকে চোর মনে হয়। দুদিন ছিল সেই পানি। উথলে উঠা শোকের মতো ফুলে উঠেছে মাটি। বহুদিনের বুভুক্ষু মাটি এত পানি খেয়েছে, ঘর একেবারে চদর-ভদর। যদিও কিছু জিনিস আগেই খাটের উপর তোলা ছিল।

রাতে ঘুমের মধ্যে আরো চদর-ভদর হয়ে যাই। পানিতে হাবুডুবু খাওয়ার মতো অনেক স্বপ্ন দেখি। সকালে উঠে কিছু মনে করতে পারি। হারুন সওদাগরের দোকানে গেছি চা ও পরোটা খেতে। চারপাশ থেকে আমেরিকার লোকজন এসে ঢুকছে। কী ব্যাপার! লোকজন অনুচ্চ কণ্ঠে বলে, তারা সব খাবার খেয়ে ফেলবে।

সওদাগর বলল, এরা সবাই বুশ হয়ে গেছে।

একজন জানতে চাইল, কেন?

ছালাম ভাই বলল, আমেরিকার লোকজন ডামিশ, তুই জানিস না?

মানে?

মানে ওরা নিজের ছাড়া আর কারো কথা চিন্তা করে না।

না করলে আমাদের কী?

আমাদের ঘি, বলদ কোথাকার। ছালাম ভাই রেগে এ কথা বলার সাথে সাথে দুর্গন্ধওয়ালা মোটা এক বিদেশি এসে তার পরোটা খেয়ে ফেলে।

তারা খাবারের দোকানগুলো দখল করে। তাদের কেউ কেউ হোন্ডা নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

এক জমিদার হাতি নিয়ে বেরিয়েছেন আমেরিকানদের খোঁজার জন্য। নদীর পাড় দিয়ে হাতিটা দুলকি চালে চলে। তারা এসে হাতিটাকে অন্ধ করে দেয়।

দৌড়ে নানার বাড়ি যাই। আরেকটু হলে কাপড়ে-চোপড়ে হতো। পায়খানায় ঢুকি। প্রথম ঘূর্ণি সামলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলব, ওমা! লোটা নিই নি। দরজা খুলে উঁকি দিয়ে দেখি কেউ নাই।


৮ম পর্বের লিংক

জাহেদ মোতালেব

জাহেদ মোতালেব

জন্ম ৪ জানুয়ারি ১৯৭৪; হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। পেশা : সাংবাদিকতা।

প্রকাশিত বই :
খেলাবুড়া [গল্প, ২০১১]
লাল পা [গল্প, ২০১৩]
বিকেল অথবা বাঘের গল্প [অনুগল্প, ২০১৫]
রক্তরেখা [উপন্যাস; বেহুলা বাংলা, ২০১৭]

শিশুদের বই—
লা লা পা পা [গল্প, ২০০৯]
মুড়ি বুড়ি [গল্প, ২০১৪]
বক মানুষের দেশে [গল্প, ২০১৭]

ই-মেইল : jahedmotaleb@yahoo.co.uk
জাহেদ মোতালেব

Latest posts by জাহেদ মোতালেব (see all)