হোম গদ্য উপন্যাস অন্যজন : ১৭

অন্যজন : ১৭

অন্যজন : ১৭
131
0

১৬ পর্বের লিংক

পর্ব- ১৭

২৯.
গল্পদাদা স্বপ্নের কথা বলত। তার প্রায় মনে পড়ে, রাউজানের এক বিপ্লবী কৃষক বলেছিলেন, চাষে হৃদয় হাসে। দাদা বলে, কই, হাসতে তো দেখলাম না।

ঘাটাপুকুরে ভাসা তেলাপিয়া মাছের দিকে চেয়ে বলে, রাউজান, পটিয়া, বোয়ালখালীর দিকে কৃষক বিদ্রোহ কিছুটা সংগঠিত হয়েছিল। কিন্তু এদিকে সব ছিল ঠান্ডা। তাই তো আমরা রয়ে গেছি পচা আণ্ডা।

রাউজানের লাম্বুরহাটে সেই ছেষট্টি সালে কৃষক সম্মেলন হয়েছিল। নানা জায়গা থেকে দলে দলে কৃষকেরা এসেছিল। দুদিন ধরে চলেছিল সম্মেলন। সারা রাত কবিগান হয়েছে। কী উৎসাহ! ভাবলে কেশ খাড়া হয়ে যায়।


একা বাঁচা ভালো নয়রে। সবার সাথে না বাঁচলে মানুষ ছোট হয়ে যায়।


আমাদের চোখে চোখ রেখে বলে, তখন মানুষ বর্ষার হালদার মতো ছিল। মানুষের মধ্যে ছিল প্রাণ। কৃষক কৃষকের প্রাণের ভেতর ছিল। সবাই সবার খোঁজখবর রাখত। বড় বড় নেতা ছিলেন। তারা সবকিছু সুন্দরভাবে গুছিয়েছেন। তারপর সব কোথায় হারিয়ে গেল! বুড়া হলে কপালে যে রকম ভাঁজ পড়ে, এখন মানুষ হয়ে গেছে সে রকম।

দাদা আফসোস করে, বাঁচতে আর ভালো লাগে নারে। গম্ভীর স্বরে বলে, এখন মানুষ বেঁচে থাকে একা একা। কিন্তু একা বাঁচা ভালো নয়রে। সবার সাথে না বাঁচলে মানুষ ছোট হয়ে যায়।

আমরা তার কথা কিছু বুঝি, কিছু সন্ধ্যার হাওয়ায় মিশে যায়। দাদা জানায়, পাকিস্তান আমলে বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা, পটিয়ার কেলিশহর, রাউজানের দেওয়ানপুর, বাগোয়ান, রাঙ্গুনিয়ার শরফভাটা, হোসনাবাদে কৃষক আন্দোলন নিয়ে খুব তৎপরতা ছিল।

উৎসাহে গল্পদাদা স্বাস্থ্যবান মহিষ হয়ে যায়। তার লম্বা দুটা শিং। শিং নেড়ে বলে, মানুষ যেমন হাঁটুতে বাঁকিয়ে শুকনা বাঁশ ভাঙে, সেভাবে বাম্বুর মতো মানুষকে ভেঙে ফেলা যায়। রাউজানে কৃষক সম্মেলনে গিয়ে তা প্রথম জানলাম। ওরে মানুষকে মানুষ! কাছ থেকে না দেখলে কেউ তা টের পাবে না।

দাদার স্বর অক্লান্ত। এবার যেন বোয়াল মাছ। ঘাটাপুকুরে সাঁতার কেটে বলছে, মানুষ কেন স্বপ্ন দেখে, সেদিন জানলাম। তোদের একটা কথা বলি, ধান আসার সময় বা আসার পর ধানগাছ সমান হয়ে যায়। দুয়েকটা হয়তো উঁচু-নিচু থাকে। মানুষকেও তেমন সমান হতে হবে। সেদিন থেকে আমার ভয়ডর চলে গেছে। আমি কাউকে পরোয়া করি না।

আমি ভাবি, নানাদের তিনটা মহিষ আছে। ছোটখাটো হাতির মতো। নানা-নানির হাতে ওগুলো মাখন। তারা মহিষকে বুঝে আর অনেক কথা হয় ইশারায়।

নানা বলে, মানুষের ভেতর বুনো মহিষ লুকিয়ে থাকে। তাকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়।

একবার নানি বলেছিল, মহিষের দুধের বাঁট কখনো ধরেছিস?

বললাম, না।

গরু বা মহিষের বাঁটে হাত দেওয়ার আগে কী করতে হয় জানিস? নিজের খারাপ যা কিছু আছে সব একত্র করে ফেলে দিতে হয়। তারপর বিসমিল্লাহ বলে হাত দিবি, দেখবি সুখ পাচ্ছিস। সুখের মতো দুধ ঝরে পড়ছে বাঁট থেকে।

নানি বাঁটে হাত দেয়। আমি তার মেহেদি মাখা হাতের দিকে চেয়ে থাকি। নানি দুধের মতো শুভ্র। তার অনেক ক্ষমতা। বলে, ধরে দেখ।

ধরলাম। মনে হলো, বহু কালের ওপার হতে সংগ্রাম ও স্বপ্নের ধ্বনি শুনছি। বুবুর চোখের মতো নরম, আবার বাবার লাঙলের মতো ধারালো। যেন পাহাড়ি পথে হাঁটছি। হাঁটতে হাঁটতে দেখছি, আকাশ ফুঁড়ে সূর্য উঠছে। সূর্যের সাথে আমিও উঠি।

এসব কথা কাউকে বলি না। দাদার মুখের দিকে চেয়ে থাকি। মানুষের সাথে মিশে যেতে ইচ্ছে করে আমার।

৩০.
বাড়ির পর বিল, তারপর জুগিপাড়া। ওখানে পরেশদের বাড়ি। বাড়ির লাগোয়া হালদা নদী। মাইকে কীর্তন বাজছে। ছোটবেলায় দুর্গাপূজায় প্রতিদিন তাদের বাড়ি চলে যেতাম। নদীর পাড়ে, পুকুরপাড়ের জঙ্গলে ও বাজারে কত ঘুরেছি!

মায়ের বকা খেয়ে পরেশ একদিন রেগে বলেছিল, সে নদীতে ডুবে মরবে। সেই কথা শুনে দিদিমা পাটিপাতার বেত ভেঙে দিল দুই ঘা। বলে, বাঁদর ছা, বাঁচি থাকিবু কনে?

একবার অষ্টমীর দিন ধূসর বকরঙা থলে হাতে বড় শিমুলগাছটা পেরিয়ে বাজারে যায় পরেশ, সঙ্গে আমি। বাজারে তার বাবার দোকান আছে। কাঁচি, চিরুনি, ক্রিম, ফিটকিরি, লোশন ও ক্ষুর সাজানো। বাবা টুলে পা তুলে বসে ঝিমাচ্ছে।

নাপিত সুখের তাপ নিতে চেষ্টা করছিল। ছেলেকে দেখে তেড়ে আসে। গালি দিয়ে তার পেট কাটে। সেখানে নিজের পেটটা জমা রেখে নিশ্চিন্ত হতে চায়। বলে, যা বাড়ি যা, বাড়ি গিয়ে গর্ত খুঁড়বি। আজ তোদের সবাইকে গর্তে ঢোকাব।

ছেলে কাঁদতে কাঁদতে নদীর পাড়ে ওঠে। বাবুই পাখি তালগাছে বাসা বেঁধেছে। গাছটার নিচে বসে দিদিমা ও মায়ের কথা ভাবে। ঠিক করে, খাবার জোগাড় করতে না পারলে বাড়ি যাবে না।

মায়ের এক চোখ নষ্ট। মা যখন তার দিকে তাকায়, খুব কষ্ট হয়। এখন তার চেয়েও বেশি কষ্ট।


জীবন যেন ও রকম। জীবন ভাঙা সেতু। সেতুটা পার হলেই মৃত্যু।


এদিকে পরেশের বাবার ড্রয়ারে পঞ্চাশ টাকা আছে। চুল কাটা বিশ টাকা ও তিন শেভ ত্রিশ টাকা। এক সের ইরি চাল ত্রিশ টাকা। আলু আধা কেজি ও বেগুন আধা কেজি মিলে বিশ টাকা। তারপর কী কিনবে? ধুস শালা বলে বিড়ি ধরায়। ধোঁয়া টেনে মানুষের মুখ দেখে। মনে মনে ডাকে, ভাইয়েরা, আসেন, চুল-দাড়ি কাটেন। আজ মায়ের জন্য আধা কেজি রিকশা মাছ কিনব।

মাছের পিঠে চড়ে যেন মা আসে। মা তুমি এসেছ? আহ মা! শিল্পীর হাত বেয়ে ভুখা ভূমিতে এসেছ? তোমায় প্রণাম করি। তোমার শক্তিতে ভূমি পূর্ণ হোক।

মা! তুমি চলে যেও না। বছরের প্রতিটা দিন ভাতের চিন্তায় অস্থির থাকা সন্তান কিভাবে লড়াই করে, তোমাকে দেখতে হবে না! কিভাবে মানুষের মন গড়ে ওঠে, সে কেমন হয়, তার আত্মাটা ধানফুলের মতো কেন নয়—তুমি হয়তো তা জানবে। শঙ্খের সুর, লাল টকটকে জবা বা বেলি ফুলের মতো সম্ভবত তারা ফুটে থাকবে। তুমি খুঁজে পাবে তোমার সন্তানকে।

মা, তুমি মঙ্গল গাইবে আর নীল অপরাজিতা হয়ে আমরা দুঃখের ইতিহাস বলব। কত মানুষ মরেছে; চিল, শকুন ও শেয়ালের মতো কত মানুষ খেয়েছে মানুষের মাংস, তার কথা বলব। বলব মানুষের শেয়াল হয়ে যাওয়ার কথাও।

রাতের আঁধারে একদিন কোত্থেকে শাঁ করে একটা তির এসে তোমার মনে গেঁথে যাবে। তিরন্দাজদের ধাওয়া না করে আমরা সময় নয়-ছয় করব। মনে ময়লা নিয়ে ঘুমাতে যাব। ঘুমের মধ্যে বাজিকর বাজি ফুটাবে। তখন বাদশার মা এসে স্বপ্নের থলে খুলবে।

বনের রাজা বুড়া সিংহ মামার মতো হেঁটে আসে লালবুড়া। বাজারে নিবারণ ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল। বাদশার মার সঙ্গে দেখা হয়। পুকুরের উত্তর-পূর্ব কোণে একটি হাঁস আরেকটিকে আদর করার চেষ্টা করছে। বাদশার মায়ের চোখ যায় সেদিকে। বহুদিন আগে মারা যাওয়া স্বামী কবরস্থানের বরইগাছের পাশ থেকে উঠে এসে শাদা প্রজাপতি হয়ে তার মাথায় বসে।

বাদশার মা প্রজাপতিকে বলে, শরীরে এখন রোগের ছিদ্র, ওষুধে কুলায় না। আমাকে তোমার কাছে নিয়ে যাও।

দুঃখের দাগ লাগা যে জীবন, কিনে রাখা কাফনের কাপড়ের হলদে দাগের মতো তা। কেউ পাঁচ হাজার টাকার ঋণ দেওয়ার সময় পাঁচশ টাকা

কেটে রাখে। জীবন যেন ও রকম। জীবন ভাঙা সেতু। সেতুটা পার হলেই মৃত্যু।

সেতুর কথা বলতে চায় লালবুড়া। বাদশার মা চিৎকার করে, ওরে ঠেলাওয়ালা, জীবনে কিছু আছে?

লালবুড়া জীবনকে একটা গালি দেয়। বিছানায় বসে জ্বরের ঘোরে সাগু খেতে খেতে মা তা শোনে। দুদিন ধরে শফির খবর নেই। ভাবে, শফি ড্রাইভার কোথায়? আমি চড়তাম, গাড়ি দ্রুত এগিয়ে যেত। নরম বাতাস খেতাম, শস্য ভরা মাঠ দেখে চোখ জুড়াতাম।

দুদিন পর সেই রাতে মদ খেয়ে এসে সফি ভাই বলে, সার্কাস আছে, মহারাজার সার্কাস। কত খেলা দেখানো হয়!

ঢুলতে ঢুলতে নিজের ঘরে যায়। ঘুমচোখে বড় ভাবি এসে মায়ের মতো বলে, ভাত খেতে আসো।

জীবনের সবকিছু পলিথিন পোড়ানো গন্ধের মতো। নিজেকে ভুলে থাকতেই মদ খাওয়া। এ রকম কৈফিয়ত দেওয়ার জন্য ভাবির দিকে তাকায়। ভাবিকে বলবে, ভেজাল যা কিছু আছে সব ব্রাশফায়ার করে শিমুল তুলার মতো উড়িয়ে দেবো। নতুনভাবে বাঁচতে ভেতরে একটা চেরাগ জ্বালাব। সেটা হবে আলোর ঘর। সেই ঘরের সবকিছু হবে সমৃদ্ধ। শাক খাওয়া ভালো, তাই ঘরের শিশুরা শাক খাবে। তাদের জ্ঞান বাড়বে। বড় হয়ে তারা বাজারে যাবে। ভেঙে-চুরে সুষম একটি বাজার গড়বে। সেই বাজারে সওদাপাতি করে ঘরে ফিরব।

সফি ভাই ভাবির কাছে ম্যাচ খোঁজে। ম্যাচ জ্বালালে দেখে, তার ভেতর যে মানুষটি আছে সে হলো একটা শুয়োর। পলিথিন পোড়া গন্ধটা হাড়ের রসে ঢুকে গেছে। খাটের পাশে বেড়ায় হেলান দিয়ে বসে সিগারেট জ্বালায়। সিগারেটে টান দিয়ে আল্লাহর কাছে শক্তি চায়। জীবন সুন্দর একটি পাখি হোক। পাখির মতো উড়ে তির-বর্ম বানাবে। মনের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা শক্তি খুঁজে বের করবে। তারপর তির মেরে অন্ধ করে দেবে ভেতরের শত্রুদের।

এ সময় মায়ের মুখটা মনে পড়ে। দেখতে পায়, তার চোখে দুঃখের পর্দা। সেই পর্দায় দেখা যায় সার্কাসের দৃশ্য। ঢাক বাজে আর নূপুর পায়ে কেউ নাচে। চিতে পড়া পাঞ্জাবি, ছেঁড়া লুঙ্গি পরা সার্কাসের বুড়া খেলা দেখায়। চোখে সুতা বাঁধা চশমা। হাতে সাজু বিবি ও আনারকলির বই। হাসলে দেখা যায়, একটা দাঁতও নেই।

সার্কাসের বাঘ হালুম হুলুম করে। ডেকচির তলার কালো ও অপুষ্ট ছেলেটার ঘা হয়ে বুড়া আদর্শ নারীশিক্ষা হাতে নেয়। দাড়ি চুলকে পুঁথির সুরে পড়ে, শুনুন শুনুন মনোযোগ দিয়া মা-বোনেরা সব/ বর্ণন করি আদর্শকালের কাহিনি সেসব।/ সকাল বিকাল রাত দুপুরে/ হাছা মিছা নরম সুরে/ মা-বোনেরা পালন করুন/ পুরাকালের রীতি কানুন।

পড়তে পড়তে চলে যায় আগের কালে। ঝোলায় ভরে নিয়ে আসে কুসংস্কার।


চাষবাস হলো তোর অস্তিত্ব। তোর বাপের সঙ্গে জমিতে যা। শক্ত একজন মানুষ হয়ে আমার মান রাখ।


সার্কাসের একমাত্র দর্শক সফি। বুড়া তাকে বলে, বো করো বা করো, চিন্তা করো না। বেশি বেশি মদ খাও। জিজ্ঞেস করে, সিনেমার মোটা নায়িকাদের দেখেছ না? তোমার মন ময়দার বস্তা নায়িকাদের মতো হয়ে গেছে। বিলাইছড়ির বিড়াল তোমার মুখে থুতু দেবে।

পরদিন সন্ধ্যায় দেখা যায় লাল মুরগিটা ফেরেনি। মা বলে, খুঁজে দেখ। খুঁজতে বেরিয়ে সফি দেখে, লোকজন সন্ধ্যার মতো হাঁটছে। সে বুড়া হওয়ার বায়না ধরে। মা বোঝাতে চেষ্টা করে, ড্রাইভারি ছেড়ে দে। চাষবাস হলো তোর অস্তিত্ব। তোর বাপের সঙ্গে জমিতে যা। শক্ত একজন মানুষ হয়ে আমার মান রাখ।

সফি জিজ্ঞেস করে, ফসল ফলিয়ে খাব কী?

মা কোনো জবাব দিতে পারে না। কেননা বাবার ফসল ফলানোর পরও আমাদের অনেক উপোস, আধা উপোস দিন যায়। তবুও একটা পথরেখা এঁকে দেয়। মনে করে, এ পথ দিয়ে সন্তান সুসময়ে পৌঁছে যাবে। বলে, বুড়া হওয়ার বায়নাটা বমি করে দে।

লাজুক বালকের মতো কাঁচা রাস্তা ধরে হেঁটে যায় সফি। পুবের বিলের মাঝখানে খেজুরগাছের নিচে বসে। সন্ধ্যার পাখিদের দিকে তাকিয়ে বুঝে, মন চুলকাচ্ছে। সার্কাসের বুড়াটার মতো আদর্শ নারীশিক্ষা বিক্রির চিন্তা করে।

রাতে মায়ের সামনে এসে বুড়াকে নকল করে বলে, আগের কালের নারীরা মাথার চুল আঁচড়ে ছেঁড়া চুলগুলো জড়ো করে মাটির নিচে পুতে ফেলত। তারা ছিল লক্ষ্মীমতি। এখনকার নারীরা বেড়ার ফাঁকে বা ঘরের চালে গুঁজে রাখে। এতে তাদের স্বামীরা ব্যধিগ্রস্ত হয়। এখনকার মেয়েরা গোসল করে কী করে? কাপড়ের পানি চিপে নিজের পায়ের উপর ফেলে। শোনেন শোনেন ভাইসবেরা শোনেন দিয়া মন/ কাপড়ের পানি পার উফর ফেললে হায়/ মা-বোনেরা জায়না রাখেন বংশ নিপাট যায়।

সফির কথা শুনে মা বলে, দুুর হারামজাদা।

মা ছেঁড়া চুলে ফুঁ দেয় আর চুল ফুল হয়ে ওড়ে, উড়ে উড়ে উড়োজাহাজ হয়। সফি সেই জাহাজে চড়ে মায়ের জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসার কথা ভাবে।


১৮ পর্বের লিংক

জাহেদ মোতালেব

জাহেদ মোতালেব

জন্ম ৪ জানুয়ারি ১৯৭৪; হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। পেশা : সাংবাদিকতা।

প্রকাশিত বই :
খেলাবুড়া [গল্প, ২০১১]
লাল পা [গল্প, ২০১৩]
বিকেল অথবা বাঘের গল্প [অনুগল্প, ২০১৫]
রক্তরেখা [উপন্যাস; বেহুলা বাংলা, ২০১৭]

শিশুদের বই—
লা লা পা পা [গল্প, ২০০৯]
মুড়ি বুড়ি [গল্প, ২০১৪]
বক মানুষের দেশে [গল্প, ২০১৭]

ই-মেইল : jahedmotaleb@yahoo.co.uk
জাহেদ মোতালেব

Latest posts by জাহেদ মোতালেব (see all)