হোম গদ্য উপন্যাস অন্যজন : ১৬

অন্যজন : ১৬

অন্যজন : ১৬
100
0

১৫ পর্বের লিংক

পর্ব- ১৬

২৭.
মা, আমাকে দেখে হয়তো তোমার ঘুম আসবে। স্বপ্ন দেখবে, কোনো এক সাহেব এসে আমার বাহুতে টিকা মারছে। খুশি হয়ে আমি মগজের বারো আনা বিক্রি করে দেবো। চমকে উঠে তুমি চিৎকার করবে। কিন্তু সেই সাবধান বাণী শুনতে পাব না।

সাহেব বলবে, ভর দুপুরে পুকুরে ডুব দিয়ে মাছ হয়ে যা। একসময় ডিয়ামসি হবি।

ডিয়ামসি হলো সেই মাছ, পুকুরে থাকতে থাকতে অনেক বড় হয়ে গেছে। হয়তো একসময় জিন হয়ে যায়। গায়ে লম্বা লম্বা চুল গজায়। চুল থেকে জন্ম হয় ভুলের। সাহেব ভুল দিয়ে তাবিজ বানিয়ে আমাকে দেয়। কালো তাগা দিয়ে গলায় পরি।

তাবিজের গুণে ভুলে যাই ইতিহাস। ইতিহাস যেন বাম্বুর বউয়ের মুখ। যত পারে হাছা-মিছা বলে যায়। আমি ডিয়ামসি থেকে ডামিশ হয়ে যাই। দেখি, আমার সামনে বাম্বু। বলেন, তুই জমিদাস।

কেঁদে কেঁদে ঘরে ফিরি। ঘুমাতে গিয়ে রাক্ষসের কথা মনে পড়ে। মায়ের কাছে রাক্ষসের গল্প শোনার সময় রাক্ষসপুরীতে চলে যেতে ইচ্ছে করত। আমার হাতে ধারালো তলোয়ার দেখে রাক্ষসের চেহারা পাতলা পায়খানার মতো হয়ে যাবে। একেক লাফে একেকটা রাক্ষসের জিহ্বা কাটব। তারা আর মানুষের রক্ত খেতে পারবে না।

আমার কান্না শুনে বুবু সাজু বিবির কবিতা পড়ার বায়না ধরে। সাজু বিবির কবিতার প্রথম লাইন এ রকম, ও মা তোর পরাণ কই? বইয়ের পেছনে লেখা আছে : শর্ষেখেতের উপরে টিয়ে উড়ছে। এখনো হলুদ ফুল ফোটেনি, তাই ভুলের দেরি আছে। বারো রাস্তা ঘুরে এত কষ্টে সন্তান বড় করেছ। মরবে কেন? মরা তো শোভা পায় না।

মরার কথা শুনে বুবু বলে, মা, আমি আনারকলির কাহিনি বলব।

আসমানের বিলে নুয়ে পড়া ধানের ছড়া দেখে মা বলে, আনারকলি তো আনারসের ফুল হয়ে গেছে।

বুবুর চোখে-মুখে আনারস ফুলের রং। বুবু পড়ে, জাহাজে করে ডাকাতেরা আবার আসছে। বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে কর্ণফুলী দিয়ে হালদায় ঢুকেছে। তারা আমাদের তাগড়া জোয়ানগুলোকে খোঁয়াড়ে ঢোকাবে। চিপে রস বের করে আমের আঁটি বানাবে। রস দিয়ে ভাত খেয়ে ঢেঁকুর তুলে আমআঁটির ভেঁপু বাজাবে।

ভেঁপু শুনে জোয়ানেরা বুড়ির পিঠাগাছের কাছে যায়। বলে, অ বুড়ি বুড়ি, একটা পিঠা দাও না। বুড়ি হেসে বলে, গুয়ে পড়েছে। আবার পিঠা চাইলে বলে, মুতে পড়েছে। আরো কয়েকবার বলার পর বুড়ি একটা পিঠা ছিঁড়ে বলে, নাও।


খোঁয়াড়ের জোয়ানগুলো এ সময় দাদার দিকে তাকায়। তারা সৌভাগ্যের ইতিহাস শুনতে চায়।


পিঠা নেওয়ার জন্য কয়েকজন কাছে গেলে বুড়ি তাদের ধরে থলেয় ভরে। বুড়ির লোকেরা তাদেরকে দিয়ে মাটি কাটায়। তারা বড় একটা দিঘি কাটে। কিন্তু শ্রমের দাম পায় না, তাই ভাতও খাওয়া হয় না। তারা হাড্ডিসার হতে থাকে। দিঘি তাদের নিয়ে নেয়।

এক দুপুরে বুড়ির ছেলে মুখে হুক্কার নল নিয়ে কী যেন ভাবছে। আনারকলি এসে বলে, আমার ভাই কোথায়?

সে যখন প্রশ্ন করে তখন তুফান্যে লতায় শ্যামা পাখি বসে অস্থিরভাবে লেজ নাড়ে। হুক্কায় ধোঁয়া ওড়ে, বাতাসে টিক্কের আগুন বড় হয়। সেই আগুনে তার মুখ দেখা যায়।

বুবু বলে, মা, তোমার মনে আছে? সেবার আমরা নানাবাড়ি গেলাম। গিয়ে দেখি, নানা জমিদারের মতো বসে হুক্কা টানছে। আমরা সেই কথা বললে নানা হুক্কা ফেলে মোষের কাছে যায়। মোষের পিঠে হাত বুলিয়ে বলে, দিল ঠিক রাখতে হয়রে নাতিন। দিল ঠিক না থাকলে কোনো ঢিলে কাজ হয় না।

মা ফেদা পুকুরের কাহিনি বলে বুবুকে উজ্জীবিত রাখতে চায়। ওই পুকুরের নিচে ছিল সাতটি পুকুর। প্রতি শুক্রবার জুমার আগে পুকুরে সোনার পেয়ালা ভেসে উঠত। মানুষ সেই পেয়ালায় মসজিদে শিরনি নিত। একদিন এক শয়তান লোভে পড়ে পেয়ালাটা নিয়ে যায়। তারপর আর কখনো সোনার পেয়ালা দেখা যায়নি।

মার দাদা বলত, ব্রিটিশ আমলের আগে এই পুকুরে সোনার থালা ভেসে উঠত। মানুষের মন যত খাঁটি ছিল, তত বেশি ছিল ঐশ্বর্যের গল্প। গল্প রূপকথার পাখির মতো উড়ত আর সমৃদ্ধির কথা ছড়িয়ে দিত।

মা বলে, অথচ আমরা সব ভুলে গেছি।

বুবু বলে, ভুখে পেট ডাক ছাড়ছে।

আনারকলির গল্প বলবি না?

আগে ভাত খাব।

মা ও বুবু বুড়ির পিঠাগাছের কাছে যায়। দেখে, বুড়ির হাতে একটা থলে। বুবু বলে, বুড়ি, তোর থলেয় কী?

ধানের গোলা, চালের কোলা।

আমাদের দুটা চাল দে।

বুড়ি বলে, চাল দেবো, ডাল দেবো, দেবো বোয়াল মাছের মুড়িঘণ্ট। এ কথা বলে সে বুবু ও মাকে বস্তায় ভরে। তারপর মাথায় বস্তা নিয়ে হাঁটে।

রাস্তার পাশে কামলারা গান গেয়ে ধান কাটছে। বুড়ি পেশাব করবে, তাই তাদের কাছে বস্তাটা রেখে জঙ্গলে যায়। ভেতরে নড়াচড়া দেখে কামলারা জিজ্ঞেস করে, ওখানে কে রে?

বুবু বলে, কামলা ভাই! কামলা ভাই! বস্তার মুখটা খুলে দাও না।

তারা মুখ খুলে দেয়। মা ও বুবু বেরিয়ে বস্তায় কাঁটা, দলা ঢুকিয়ে মুখ বেঁধে দেয়।

বুড়ি আবার হাঁটা ধরে। কাঁটা ফুটলে বলে, ও দুষ্টু দুষ্টু চিমটি কেন? দলার চাপ পড়লে বলে, ও বগার মা কিল কেন? কিন্তু কোনো জবাব পায় না। তার সন্দেহ হয়। এক জায়গায় রেখে বস্তা খোলে।

বুবুরা ধানগাছের আড়ালে লুকিয়ে দেখে, প্রথমে বুড়ি হতবাক হয়, তারপর রেগে মাথার পরচুলা ও পরনের শাদা শাড়িটা খুলে ফেলে। শেষে মুখোশটাও খোলে। তারা অবাক হয়। বুড়ি টুড়ি কেউ নয়, মুখে ছাগল দাড়ি, এ যে বাম্বু!

২৮.
দিঘি নেওয়া ভুখা সন্তান বেদমা হয়ে গিয়েছিল। বেদমা এক সকালে কলার কাঁধি কাঁধে নিয়ে হাটে যায়। বাম্বুর লোকেরা একজোট হয়ে তার পেছনে হাঁটে। সে টের পায় না। বাজারে গিয়ে বেদমা দেখে, কাঁধিতে একটা কলাও নাই।

সেই সকালে বাম্বু নতুন বস্তা নিয়ে হাজির হন। এবার আর ছদ্মবেশ নেন নি। কেউ কেউ বলে, রাস্তার পাশে তাদের বড় জমিতে একটা টাকাগাছ লাগিয়েছেন। গাছ দেখতে লোকে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। সেখান থেকে তরুণদের ধরে কামলা বানিয়ে খোঁয়াড়ে ঢোকায় তার লোকজন।

গল্পদাদা নদীর স্রোতের মতো এসে বাম্বুর সামনে দাঁড়ায়। বলে, বয়সে তুমি আমার ছোট। একটা কথা বলব?

বাম্বু মাথা নাড়েন। দাদা বলে, জোয়ান ছেলেরা হলো আগুন। আগুন নিয়ে খেলা কি ঠিক?

খোঁয়াড়ের জোয়ানগুলো এ সময় দাদার দিকে তাকায়। তারা সৌভাগ্যের ইতিহাস শুনতে চায়।

কেয়ারটেকার কালাম লম্বা বাঁশিটা এনে বাম্বুর হাতে দেয়। একদলা কফ ফেলে বাঁশি নেন তিনি। ফুঁ দেওয়ার সাথে সাথে একেকজন জোয়ান বাঁশি থেকে ছিটকে পড়ে আর ভিক্ষুক হয়ে যায়।

আমিও যেন ভিক্ষুক হয়ে গেছি। ভিক্ষুক হওয়ার দুঃখ কার ওপর ঝাড়ব? আমার দুঃখের জন্য কে দায়ী? বাঁশির ভেতর থেকে পড়ে সব ভুলে গেছি।

এ সময় মুন্না ভাই দৌড়ে আসে। চিৎকার করে বলে, অপুষ্টির কারণেই তোর এ অবস্থা। তোর ভেতরে মৃত্যুর ছায়া। ইতিহাসের রক্তপাতা, দস্যুপাতা, নীলপাতা—কোনো পাতাই ভালো করে দেখতে পারলি না। অথচ দেখ, জারুল, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া—সব ফুলে মিশে আছে ইতিহাসের রং।

মুন্না ভাইয়ের কথার মাঝখানে কালবৈশাখী শুরু হয়। চারপাশ আঁধারে ছেয়ে গেছে। বিজলির চমকে দেখি, মুড়িঘণ্ট দিয়ে বাম্বু ভাত খাচ্ছেন। তার খাওয়া দেখে যন্ত্রণা আরো বাড়ে। ভাবি, সময় নিশ্চয় পাল্টাবে।

যন্ত্রণার মধ্যেই হালুয়া নিয়ে আসে বাম্বুর বউ। বলি, খাব না।

বলে, জনমের মতো খাওয়াব।

পুকুরে চুবানোর মতো হালুয়া খাইয়ে দেয় বাম্বুর লোকেরা। তারা আমাকে গরুর গাড়িতে তুলে দেয়। মনে হয় অনেক দূরে পৌঁছে গেছি। সেখানে বিশাল একটা দিঘি।

বেঁচে থাকলে মানুষ আশায় বুক বাঁধে। আমিও একটা আশায় রূপকথার দিঘিতে ডুব দিই। মাঝ দিঘি থেকে এক নিশ্বাসে কৌটা তুলে রাক্ষসকে বধ করব। কিন্তু কৌটা খুঁজে পাই না।

কৌটার বদলে দিঘির তলে একটা মঞ্চ। মঞ্চে আমি ও রাক্ষস। রাক্ষসটা মানুষের আশা গিলে খায়। তাই তার চোখ-মুখ ভয়ংকর, গায়ে দুর্গন্ধ। আমার ঘাড়ে তলোয়ার রেখে রাক্ষস খুকখুক কাশে।

আমার পরনে ছেঁড়া লুঙ্গি। কিছু রাক্ষস জাদু দেখায়। তাদের জাদুতে পেট ফুলে ঢোলের মতো হয় আর লুঙ্গি খুলে পড়ে যায়। সবাই হাততালি দেয়। আমি নাচি। বাম্বু যেভাবে পানের পিক ফেলেন, সেভাবে নাচতে হয়।

এক রাক্ষস রিকশার জং ধরা রিং আমার দিকে ছুড়ে মারে। বলে, গাড়ি চালা। পাটিপাতার বেত দিয়ে রিং চালিয়ে রাক্ষসের পেটে ঢুকে যাই। দেখি, সেখানে একটা বাজার বসেছে। বাজারে সারিবদ্ধ হালুয়ার গাড়ি। ছড়া কাটি, হালুয়ার গাড়ি ঠেলতে ভালো/ আটার রুটি বেলতে ভালো।


এ মন কোনো বাধা মানবে না। ধান কেটে যেভাবে সাজিয়ে রাখি, সেভাবে স্বপ্নও সাজাব।


হালুয়ার গাড়ি ঠেলতে ঠেলতে উঠানে চলে আসি। উঠানের পাশে পুকুরপাড়ে ফুটেছে বেলি ফুল। রাতে ফুলে জিন আসে। জিনটা নাকি আমাকে খুঁজছে। চাচিদের ঢেঁকিঘরে মা চাল ছাঁটছে। দৌড়ে মার কাছে যাই।

মা বলে, সবুর ল।

গুড় ও নারকেল দিয়ে বানানো ভাপাপিঠার ধোঁয়ার মতো আমার ঘুম উড়ে উড়ে ফ্যাকাসে হয়ে যায়।

কোকিলের ডাকে কুয়াশার মতো ভোর হয়। মা ডেকে দেয়। হাতে ধরিয়ে দেয় ধারালো কাস্তে। লুঙ্গি শক্ত করে গোছ দিয়ে, হাফ শার্টটা পরে জমিতে যাই। পুব আকাশে সকালটা ফাটছে। যেন গাছ থেকে পড়ে ফেটে যাওয়া আম। ছেলেমেয়েরা দৌড়ে আসে আর একজন সেই আম পেয়ে যেভাবে হাসে, সূর্যের মুখ তেমন।

জমিতে গিয়ে কাস্তের ধার দেখি। কয়েকদিন আগে বাবা কামারের কাছ থেকে নুন-পানির ধার দিয়েছে। ফজা বাঁশ দিয়ে ধান কাত করে দেয়, আমি কাটতে শুরু করি। মনটা কাস্তের মতো ধারালো হয়। এ মন কোনো বাধা মানবে না। ধান কেটে যেভাবে সাজিয়ে রাখি, সেভাবে স্বপ্নও সাজাব।

গত রাতে চাচিদের ঘরে চোর ঢুকে ভাত খেয়ে ডেকচির ভেতর পায়খানা করেছে। ভোরে এ নিয়ে খুব রাগারাগি, হাসাহাসি। চোর বেটাকে পেলে চাচা নাকি গু খাইয়ে দিত।

ধান কাটতে কাটতে গত রাতের স্বপ্নের কথা মনে পড়ে। বড় একটা মঞ্চ বানিয়েছিল রাক্ষসেরা। মঞ্চের মাঝখানে মাকড়সার জাল ঘেরা ছোট্ট নোংরা কক্ষ। সেখানে পাশের বাড়ির বাদশার মা কুঁজো হয়ে বসে আছে। লিটা দুধের টিনে বুটাপেন, হিসটাসিন, কয়েকটা প্যারাসিটামল, এনজিস্ট আর এক পাতা ভেনটোলিন। বুড়ি বলে, চউখ খোবা খোবা। কনমতে লেচের ফেচের বাঁচি আছি বাপ। শরম লাগে।

দাঁড়াতে পারে না। বিষ খেয়ে মরে যাওয়ার কথা কত ভেবেছে! কিন্তু বিষ কেনার পয়সা নেই। ছেলে তো সরকারি চাকরি করে। এক রাক্ষস এ কথা জানালে বুড়ি বলে, য়িতের কতা আর ন কইও।

মেঝেতে মুড়ি নিয়ে পিঁপড়া হাঁটে। বুড়ি রাক্ষসকে বলে, বাপ, অ্যাককান বেলা বিস্কুট খাইবে না?

বুড়ি জানায়, ছোট ছেলে বাপ-দাদার ভিটা বেচে দিয়েছে। পাখাওয়ালা ঘোড়ায় চড়ে রূপের দেশে যাবে। কিন্তু ঘোড়াটা আদম ব্যাপারির বাড়িতে ঘাস খাচ্ছে। তার চোখে পানি। সেই পানিতে চলার জন্য একটা নৌকা দরকার। কিন্তু নৌকা আরবান আলী সওদাগরের ঘাটে বাঁধা।

অ্যালুমিনিয়ামের গ্লাসে মশা ভাসছে। বুড়ি জিহ্বার নিচে এনজিস্ট রেখে কথা বলছিল। বুকটা নাকি নড়বড়ে। গভীর রাতে একা একা বসে কাঁদে। আল্লাহর কাছে বলে তাকে তাড়াতাড়ি তুলে নেওয়ার জন্য। দুনিয়ার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। এ কথা বলতে বলতে চোখ দিয়ে পানি গড়ায়। দুঃখের পানিতে রাক্ষসেরা পিরানহা ছেড়ে দেয়।

তখন পাশের সোলতান ডাক্তারের বাড়িতে শোনা যায় কুকুরের কান্না। চোর এসেছে নাকি? পিরানহা ঘাই মারে। বুড়ি বলে, ও রাক্ষস, আঁরে ছুরি মারি দে, আঁর কইলজে পানি অক।


১৭ পর্বের লিংক

জাহেদ মোতালেব

জাহেদ মোতালেব

জন্ম ৪ জানুয়ারি ১৯৭৪; হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। পেশা : সাংবাদিকতা।

প্রকাশিত বই :
খেলাবুড়া [গল্প, ২০১১]
লাল পা [গল্প, ২০১৩]
বিকেল অথবা বাঘের গল্প [অনুগল্প, ২০১৫]
রক্তরেখা [উপন্যাস; বেহুলা বাংলা, ২০১৭]

শিশুদের বই—
লা লা পা পা [গল্প, ২০০৯]
মুড়ি বুড়ি [গল্প, ২০১৪]
বক মানুষের দেশে [গল্প, ২০১৭]

ই-মেইল : jahedmotaleb@yahoo.co.uk
জাহেদ মোতালেব

Latest posts by জাহেদ মোতালেব (see all)