হোম গদ্য উপন্যাস অন্যজন : ১৪

অন্যজন : ১৪

অন্যজন : ১৪
131
0

১৩ পর্বের লিংক

পর্ব- ১৪

২৩.
আইসক্রিমওয়ালা মালাই বরফ বিক্রি করছে। ঢাকনার ধুমধাম আওয়াজে চারপাশ কেঁপে ওঠে। রাস্তার পাশে বসে আছে ফজা। তার চোখ অস্তায়মান সূর্যের দিকে। মুখে আইসক্রিম। সূর্যের ম্লান আলো ধানের উপর পড়েছে। খেতের উপর দিয়ে অদ্ভুতভাবে বাদুড় উড়ে যায়। লম্বা আবু বাজার থেকে আসছে। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলে, দেশের নাট-বল্টু তো খুলে গেছে।

খুলে গেলে আবার লাগবে।

দেশ নাকি পানিতে পড়েছে!

ফজা হেসে বলে, খাল-বিলের দেশ, পানিতেই তো পড়বে।

ধানখেতে সন্ধ্যার আশ্চর্য গন্ধ। সে নিজের মধ্যে ডুবে থাকে। তার মনে হয়, এই অবারিত সন্ধ্যা ঘোড়া হয়ে গেছে। ঘোড়াটা কাছে এসে ঘাড় নাড়ে। সে লাফিয়ে চড়ে, ঘোড়া ওড়ে। পশ্চিম দিকেই যায়। সূর্যটা ধরবে।

ছোটবেলায় শীতকালে খড়ের টালে বসে মনা ভাই গল্প বলত। গল্পে পঙ্খিরাজ ঘোড়া থাকত। তার ঘোড়াটা কি পঙ্খিরাজ!


জলের জিন জইক্যে ফজাকে যে মহিষটা দিয়েছে সেটা এগিয়ে আসে। তার পিছে পিছে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরাও আসে। বাজনার তালে তারা নাচে।


ঘোড়া দেখে সূর্যের ম্লান আলো থেকে বেরিয়ে আসে এক বুড়ি। মুচকি হেসে বলে, অ চাষার পোলা, ভালো মানুষের পোলা, বাহুতে শক্তি ধরো। সৌভাগ্য তোমার সাথেই থাকবে।

জোহার চাচা মাটি কেটে জমিতে গর্ত করে ফেলেছে। ওখানে পানি। পানিতে জলের জিন ভাসছে। তাকে বলে, চল, যে দেশে কৃষকের সৌভাগ্য সেই দেশে তোকে নিয়ে যাব। মোষের মতো শিং নেড়ে চাষ করবি, ফসল ফলাবি আর গান গাইবি। হেসে-খেলে জীবনটা কাটিয়ে দিবি।

জলের জিন জইক্যে ফজাকে যে মহিষটা দিয়েছে সেটা এগিয়ে আসে। তার পিছে পিছে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরাও আসে। বাজনার তালে তারা নাচে।

ফজা ঘোড়া থেকে নেমে মহিষের পিঠে চড়ল। মহিষটা রাগী, কিন্তু তাকে ফেলে দেয় না। সবাই গায় : পুরনো দিন গেছে/ নতুন দিনের পথে/ সবাই নেমেছে।

মানুষের দিকে সে নতুন চোখে তাকায়। মহিষটা ডাকে। মহিষের ডাক শুনে হাফিজ কাকা ঘণ্টা বাজায়। কাঠের হাতুড়ির আঘাত পিতলের চ্যাপটা পাতে পড়ে। আওয়াজ ছড়িয়ে পড়ে।

কোনো মতে কাপড় পরে দৌড়ে স্কুলে যায়। পেছনের টুলে বসে ঝিমায়। স্যার রোল ডাকার সময় বলেন, চাষার বেটা, রেগুলার স্কুলে আসিস না কেন?

ছাত্রছাত্রীরা জবাব দেয়, ব্যাঙেরা তার বই নিয়ে গেছে।

তোরা ওকে সাহায্য করতে পারিস না?

সবাই চুপ। কিছুক্ষণ পর বলে, আমাদেরগুলোও নিয়ে গেছে স্যার।

স্যার বিস্মিত হয়ে বলেন, তোদের সামনে ওগুলো কী?

ভুতের ডিম স্যার।

পিটুনি দেবেন ভেবে জায়েদ বেত হাতে নেওয়ার সাথে সাথেই স্যার মাদারগাছ হয়ে যান। পোকারা গাছের ভেতর থেকে লাল লাল ভেজা গুঁড়ি বের করে।

স্যার বলেন, হাঁ কর।

ফজারা হাঁ করে। তিনি গুঁড়িগুলো খাইয়ে দেন। তারা নাচতে নাচতে বাড়ি যায়। বাড়ি গিয়ে খুব ঘুম পায়। সকালে উঠে দেখে, তারাও মাদারগাছ হয়ে গেছে। কাঁটায় সারা গা ভর্তি। শালিকেরা মাদার ফুল ঠোকরায়। পোকারা ভেতরে ভেতরে খেয়ে ফেলে। বাম্বু বলেন, বেকাজের গাছ, কেটে ফেল।

মাদার ফুলে রাস্তা ও পুকুরপাড় ভরে গেছে। তখন গল্পদাদা বলে, চৈত মাসটা যাক।

তারা স্কুলমাঠে জড়ো হয়। স্কুল আজ বন্ধ। ফাঁকা স্কুলটাকে মনে হয় পাম্প ছাড়া বল। ভাবে, চক দিয়ে দেয়ালে স্যারের মুখে একটা গরু আঁকবে।

ঠেলাগাড়িতে করে ইউনিয়ন পরিষদের গম আসছে। বাম্বুর কাছারি ঘরে রাখা হবে। কয়েক বস্তা গম কাল গ্রামের গরিবদের দেওয়া হবে।দাদা বলে, অর্ধেক গম গরিব বাম্বুর পেটে যাবে।

তারা কাকাকে খোঁজে। তার কাছে লতিফ স্যারের কথা শুনবে। লতিফ স্যার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের খোঁজখবর নিতেন, পড়া দেখিয়ে দিতেন।

কাকাকে পায় না। কাকি রেগে বলে, মদ খেয়ে সিনেমা হলের পাশে পড়ে আছে হয়তো।

যেদিন মন খুব খারাপ থাকে, কাকা মদ খেয়ে মানুষকে গালি দেয়। বলে, আমাদের এত গোঁজামিল কেন জানিস? আমরা চোর-ডাকাতের বংশধর। জানিস না, নানা জাত-অজাতের লোকে দেশটা খাইছে!

২৪.
ছেলেবেলায় খেলাচ্ছলে ফজা একবার পেয়ারা পাতায় মুড়িয়ে মাটি খেয়েছিল। সেই মাটি সম্ভবত তার মনে মিশে গেছে। তাই তো এখনো সে মাটির মানুষ। তবে প্রয়োজনে নানাদের মহিষের মতো তেজি হয়ে যায়।

মা! কাঁদ কেন? মার চোখে পানি দেখে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে।

মা ফজার দিকে তাকায়। তার মনে ঝিঁঝিঁ ডাকে। দেখে, এত্তটুকু একটা ফজা, হারিকেনের আলোয় মাথা দুলিয়ে পড়ছে।

পড়ালেখা করতে করতে কত মানুষ বড় হয়, কত মানুষ চোর-ডাকাত ও ঘুষখোর হয়। আমরা মাঝপথে থেমে জমিতে যাই। জমি তৈরি করি, ধান রোপণ করি, সবজির চাষ করি। বাজারে যাই, চারা বা সবজি বিক্রি করি।

উঠানে জারুলপাতার টাল। গাঢ় খয়েরি পাতায় জেগে উঠে নানার মুখ। নানা মানুষ ছিল বটে—যেমন সৌখিন তেমন তেজি। মহিষ ছিল তার সারা জীবনের সাধনা। গল্পদাদা কিংবা হাফিজ কাকা গাছতলে পা মেলে বসে গল্পের পর গল্প বলতে পারে। নানার কাছে মহিষ ছিল বড় একটা গল্প। ছোটবেলা থেকেই দেখেছি, তা কখনো শেষ হতো না। মহিষের কেশে ছড়িয়ে থাকত তার স্বপ্ন ও আশা। সন্ধ্যায় দেখতাম সেখানে জোনাকি ফুটে আছে।

সারাবেলা রোদ নানা রঙের ফুল হয়ে মোষের গায়ে ছড়িয়ে থাকত। বৃষ্টির ফোঁটা মোষের গায়ে পড়লে বেলি ফুল হয়ে যেত। নানা এসে তা নানি অথবা মামাত বোনদের মাথায় ছড়িয়ে দিত। নানি কপট রাগ দেখাত আর বোনেরা হেসে ফুলের মালা গাঁথত। সেই মালায় ছোটকালে কত খেলেছি!

বেড়ানোর সময় কখনো বাবা-মা, কখনো বড় বুবু থাকত। মালা খুলে তাদের দিকে ছুড়ে মারতাম। তারা মনে করত খই বা মুড়ি উড়ছে। নানি বলত, পাটি বিছা। উঠানে পাটিতে বসে যেতাম সবাই। নানি শুরু করত গল্প।

গল্পের প্রথমে থাকত শক্ত সমর্থ এক চাষা। তার রাগ ছিল পাহাড়ের মতো আর শক্তি ছিল মোষের রাগের মতো। নানির গল্পে দেখি, দুটা মহিষ হাঁটছে। তাদের পায়ে কাদা মাখা। পেছনে এক চাষি, চাষির পাশে একটা কুকুর। লাল মাটিতে চাষি লাঙল রাখে। চাষির মতো কুকুরটাও নরম চোখে চারপাশে তাকায়।

উঠানের গাছে পাকা কামরাঙা। তার গন্ধের মতো নানির গল্প খুশবু ছড়ায়। লাঙল ও কাদায় মাখামাখি হয়ে খুশবু মোষের পায়ের কাছে এসে লুকায়। গল্প যেন পাখির ঠোঁটে আসা বীজ। কোথায় পড়ে গেছে পাখি তা জানে না।

নানার জন্য পানিভাত নিয়ে যাই। বলি, তাড়াতাড়ি খাও। নানা আলে বসে ভাত খায়। আমি বড় বড় দুটি মোষের লাঙল চালাতে শুরু করি।

নানা বারবার সাবধান করে। ভাত খেয়ে হাল হাতে নেয়। তার হাল চালানো যেন বর্ষার ধুরুংয়ের স্রোত।

অনেকদিন পর এক দুপুরে নানার কথা ভাবতে গিয়ে মনে পড়ে বাবার কথা। তখন আমি গার্মেন্টসে চাকরি করি। দুপুরের সামান্য অবসরে বাবার মুখটা রোদের মতো এসে গায়ে লাগে। বাবা সেবার খবরটা শোনার পর বাঁশঝাড়ের বুড়া বাঁশের মতো নেতিয়ে পড়েছিল। শালিকের মতো ঝগড়া করার চেষ্টাও করেছিল। কিন্তু কোনো ফল হয় নি।

জোহার চাচা ভূমি অফিসের কেরানি। তার সহায়তায় বাম্বু তিন গন্ডা ধানি জমি ও ভিটার আধ গন্ডা নিজের নামে জরিপ করে নিয়েছে। আলাদা খতিয়ানও বের করেছে। এই ঘা শুকায় না। ঘা দেখতে দেখতে বড় হয়েছি।

চাষে চাষে খতিয়ান নম্বর মুছে দিতে চাইতাম। কিন্তু স্মৃতি ভাদ্র মাসের কুকুরের মতো কামড় দিত। বড় চাচির গুড় পড়া খেয়ে কাজ হতো না। লালমোহন ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর ইনজেকশন মেরে নাভি জালি করে দিয়েছিল।

জালি নাভি নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে লালমাটির মানুষ হয়ে যাই। রাগ হাতে সঞ্চারিত হয়। ধান রুই, আম-কাঁঠালগাছ লাগাই। হ্যাঁ-না করে শেষে পেঁপেগাছও লাগাই। সবাই পেট পুরে খাবে। স্মৃতিতে জমা হবে সৌভাগ্যের গল্প। সেই গল্প নিয়ে নানাবাড়ি বেড়াতে যাব। নানা আমাদের তির চালানো শেখাবে। তিরের আগায় থাকবে নদীর স্রোত। সেই স্রোতে তলিয়ে যাবে বাম্বুর কূটকৌশল।

বাম্বুর কূটকৌশলের পাশে বাঁচতে ভালো লাগছিল না। এসব চাষবাস, প্রতিদিনের সংগ্রাম থেকে আরো বেশি কিছু পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জীবন খরায় পোড়া ধানগাছের মতো হয়ে গেছে।

নানাভাবে চেষ্টা করেও দেশের বাইরে যেতে পারছি না। বর্ষার দুপুরটা তাই বন্যা হয়ে আমার মধ্যে রয়ে গেছে। সন্তান এসে যাওয়ার পর খালেদার সঙ্গে আমার বিয়ে দিতে চেয়েছিল তাদের পরিবার। কোনো বন্ধনে জড়ানো সম্ভব নয়—এমন ভাবনায় পালিয়ে শহরে চলে যাই। অনেক গালাগালির পরও মুন্না ভাই সহায়তা করেছে। চাকরি নিয়েছি গার্মেন্টসে। প্রায় আট মাস করেছি।

সেবার দশ মাস ছিলাম। কোনো কোনো দুপুরে খালেদা শোল মাছের বাচ্চার মতো এসে আমার হৃদয়ে ডুব দিত। তখন তার পাশে ঘুরতাম। মনে হতো, খালেদা কাঁদছে আর তার চোখের পানিতে বেড়ে যাচ্ছে পুকুরের পানি। কিচ্ছু ভালো লাগত না।

গার্মেন্টসের মেয়েদের মনে হতো খালেদার বোন। আমার মন ধানফুলের মতো কোমল ও শাদাটে হয়ে যাচ্ছিল। ইচ্ছে হতো গলা ফাটিয়ে কাঁদি।


আমি মরব না। হয়তো তখন বড় বুবুর কথা ভাবব। শ্বশুরবাড়িতে তার দুঃখ ছিল শাশুড়ি। তাতে লবণ যোগাত দুলাভাই।


দেওয়ানহাটের দিকে একটা মেসে থাকতাম। সাথে থাকত কানুনাথ। হাসলে তার মাড়ি দেখা যেত। কপালটাও বড় ছিল। বলত, যত বড় কপাল দেখছেন তত ভাগ্য আমার নেই। একটা হাসপাতালে ওয়ার্ড বয়ের কাজ করত। যেদিন নাইট ডিউটি থাকত না, রাতে কপাল চাপড়িয়ে বলত, জীবনটা নালার পানির মতো হয়ে গেছে।

গার্মেন্টসের পাশে কামিনী ফুলের গাছ ছিল। ফুল ঝরে পড়ত নালায়। মাঝে মাঝে তাকে ওই রকম ফুল মনে হতো। কখনো খুব বিরক্তিকর হয়ে উঠত। আমার হাত ঝাঁকি দিয়ে একটা কথা বারবার বলত।

তার নাকের মাঝখানে বড় কালো একটা দাগ। কখনো মন খারাপ থাকলে কালো দাগটার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। মনে হতো, ওটা হাল চষা গরুর কাঁধ। জোয়ালের ঘষায় দাগ পড়ে গেছে। কথা বলার সময় তার বড় বড় ঠোঁট থেকে থুতু ছিটকে পড়ত আর তা হয়ে যেত মাছি। মনে মনে গরুর ডাক্তারকে ডাকতাম। ডাক্তার এসে ওষুধ লাগিয়ে দিত।

ভাবতাম, আমি বাড়ি গেছি। সকালবেলা চুলার পাশে বসে আছি। উত্তাপে তামাটে মার মুখ ও ভাবির ব্যস্ততা দেখছি, বলছি কানুর কথা। শুনে মা বলছে, আহারে! ছেলেটা বড় দুঃখে আছে।

আমি তার সম্পর্কে বিরক্তি প্রকাশ করলে মা বলে, সব মানুষ একরকম হয় না। সহ্য করতে হয়, সহ্য করলে দেখবি তাকে তত খারাপ লাগছে না।

চুলা থেকে তরকারি নামানোর পর বলে, অগ্রহায়ণ মাসে নিয়ে আসিস। ভালো করে পিঠা খাওয়াব।

সন্ধ্যা আমপাতায় অন্ধকারের জাল বুনবে। উঠানের এক কোনায় বালি দিয়ে বাচ্চাদের ভাপা পিঠা বানানো দেখব। ছেলেমেয়েরা মার্বেল খেলবে, পুকুরে পড়বে আকাশের ছায়া। কয়েকটি হাঁস ঠোঁট ডুবিয়ে ছায়া ভেঙে দেবে। ছায়া থেকে বেরিয়ে আসব আমি—চাষার বেটা আমিন।

অথবা মাঘের শীতে কুয়াশা মেখে এক কিশোর এক খাঁচা মাটির ঢাকনা বিক্রি করতে আসবে। মা পাঁচটা ছোট ও একটা মাঝিলা সাইজ বরুনা কিনবে। তারপর আলু ভর্তায় কাঁচা মরিচ কেটে দিয়ে সর্ষের তেল মাখবে। এ সময় মার কাছে যাব। আমাকে দেখে তার খালেদার কথা মনে পড়বে। বলবে, কী জন্যে এসেছিস? মানুষ হতে না পারলে বেঁচে থেকে লাভ আছে? মরে যা।

আমি মরব না। হয়তো তখন বড় বুবুর কথা ভাবব। শ্বশুরবাড়িতে তার দুঃখ ছিল শাশুড়ি। তাতে লবণ যোগাত দুলাভাই। কয়েকটা সন্তান হওয়ার পর শাশুড়ির তেজ কমে আসে। অনেকদিন একসাথে থাকলে মানুষ মানুষকে সহ্য করে।

একটা ব্যাপার ভালো লাগত না। মাউই ও দুলাভাই আপাকে তুই করে বলত। মনে হতো তারা আপাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে। সকালের দূর্বাঘাসে ‘তুই’কে রেখে শিশিরের সাথে কথা বলতাম। বলতাম, শিশিরের ক্ষণস্থায়িত্বের মতোই আপার দুঃখ ছোট হোক। আপা সবসময় ছেলেবেলার মতো থাকুক। তার কাছে যেন সারা জীবন মায়ের গন্ধ পাই।


১৫ পর্বের লিংক

জাহেদ মোতালেব

জাহেদ মোতালেব

জন্ম ৪ জানুয়ারি ১৯৭৪; হাটহাজারী, চট্টগ্রাম। পেশা : সাংবাদিকতা।

প্রকাশিত বই :
খেলাবুড়া [গল্প, ২০১১]
লাল পা [গল্প, ২০১৩]
বিকেল অথবা বাঘের গল্প [অনুগল্প, ২০১৫]
রক্তরেখা [উপন্যাস; বেহুলা বাংলা, ২০১৭]

শিশুদের বই—
লা লা পা পা [গল্প, ২০০৯]
মুড়ি বুড়ি [গল্প, ২০১৪]
বক মানুষের দেশে [গল্প, ২০১৭]

ই-মেইল : jahedmotaleb@yahoo.co.uk
জাহেদ মোতালেব

Latest posts by জাহেদ মোতালেব (see all)