হোম কবিতা পাণ্ডুলিপির কবিতা : কফিনভর্তি মেঘ

পাণ্ডুলিপির কবিতা : কফিনভর্তি মেঘ

পাণ্ডুলিপির কবিতা : কফিনভর্তি মেঘ
1.48K
0

বছর ঘুরে আবারও ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। ফের হাজির অমর একুশে গ্রন্থমেলা। প্রতিবছর এই মেলাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয় কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, গবেষণাসহ বিভিন্ন ধরনের কয়েক হাজার বই। কোন বই কিনবেন আর কোনটি কিনবেন না, সেই ভাবনায় গলদ্‌ঘর্ম পাঠকরা। তাদের একটু স্বস্তি দিতে পরস্পরের বিশেষ আয়োজন ‘পাণ্ডুলিপির কবিতা’। এর মাধ্যমে পাঠকরা বইটি সম্পর্কে যেমন ধারণা পাবেন, তেমনি জানতে পারবেন লেখকের শক্তিমত্তা সম্পর্কেও।

আজ প্রকাশিত হলো কবি শামীম আরেফীন-এর কবিতাগ্রন্থ কফিনভর্তি মেঘ-এর কয়েকটি কবিতা। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন কবি নিজেই। বইটি প্রকাশ করছে ঘাসফুল প্রকাশনী



ভেঙে যাওয়াই শিল্পসম্মত


কিভাবে যে হাত থেকে ফসকে যায় গ্লাস। ভাঙা টুকরোগুলো হাতে নিয়ে তুমি ভাবো প্রেম। আমি সেই কাচের ভেতর দেখি নিগূঢ় চাতুর্য ধার হয়ে আছে। আমার এইসব বিভ্রান্তিতে ভেঙে যায় মহাকাল। যেকোনো ভেঙে যাওয়াই শিল্পসম্মত। তাই হাতুড়ির কাছে নত হয়ে  থাকি, আর টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়ি তোমার ঘুমের ভেতর। তবুও ভাঙে না ঘুম।

এত যে প্রতীক্ষা আনো, দেয়ালবিদ্ধ পেরেকের দুঃখ জানো না তবু। হেরে যাওয়া দাবার মাঠ এত বেশি ফাঁকা হয় বলেই ক্রাচে ভর করে হেঁটে আসে স্মৃতি। এসব জেনেও যেদিন পৃথিবীতে প্রথম বৃষ্টি নামল, সেদিনও ভাঙতে চেয়েছিলে বুকের সন্ত্রাস। বেয়াড়া রাতগুলো আরো বেড়ে উঠেছিল কিনা জানি না। প্রাচীন রাজহাঁস ঘরে না ফিরে ঘুমিয়ে পড়েছিল ভাঙা ডানার কাছে।


ক্লাসরুমের গুঞ্জন


ঘণ্টা বাজার শব্দ শুনতেই হাওয়াদের তুমুল হর্ষ। স্কুলব্যাগ কাঁধে বাড়ি ফিরছে মাছরাঙা। ফিরে যাচ্ছে অন্ধ শামুক। দল বেঁধে মাঠ ও মৌমাছি। মাঠেদের মুঠো ভরা যাত্রা প্যান্ডেল। বাড়ি ফিরছে। কার বাড়ি কতদূর। কারা কোন পথে যাবে। বিস্তারিত লেখা ছিল পাঠ্য বইয়ে। আমি তো ঘুম কিনতে গিয়ে খরচ করে ফেলেছি সমস্ত পুস্তক। ফলে ভুলে গেছি কোন দিকে ক্লাসরুমের দরজা। ব্যাকরণের জটিল চোখ ফাঁকি দিয়ে কিভাবে বের হব এখন? কতকাল বসে আছি এই ক্লাসরুমে? আমার সমস্ত গায়ে ঠাট্টা মাখিয়ে দিচ্ছে সারি সারি বেঞ্চ। ফলে ক্রমশ কালো হতে হতে আমি এখন ঝুলে আছি ব্লাকবোর্ড হয়ে।

ইতিহাস ম্যাম, আমার গায়ে লিখে দাও শাদা ভাতের বংশ পরিচয়। লিখে দাও ব্রার ফিতে খুলতেই কিভাবে আবিষ্কৃত হয় প্রাচীন রাজমহল। যার চারপাশে টহলরত একুশ হাজার অশ্বারোহী। ভেতরে জল ও আগুনের হারেমে ছড়ানো ঘুঙুরতাল গলে পড়ে রুপোর গ্লাসে। আর অফ হোয়াইট মখমলের উপর শুয়ে থাকে ঘুমঘুম নেশা। ইতিহাস ম্যাম, বাজপাখির মাথায় ঝুলানো মুকুটের নাম কি মৃত্যু? তুমি তো বলেছিলে মৃত্যু এক উম্মাদ জাদুবিদ্যা। অন্ধকারগ্রস্ত পোকাদের সম্মোহন। আমি তাই দেহকে দুইভাগ করে ডুবুরি বানিয়ে এক ভাগ ছুঁড়ে দিয়েছি গভীর জলাশয়ে। আরেক ভাগে দেশলাই পুরে পোড়াচ্ছি অন্ধকার। ভস্মরেখাই যদি ইতিহাস হয়, তবে আমিই কি সেই পুরোনো ক্লাসরুম যার শরীরে লিখে দিচ্ছ সিমেন্ট এবং বালুর যৌনতা? আমিই কি সেই বাড়ি না ফেরা সবুজ বোতাম; দাঁতে আটকে রেখেছি স্তনের বাহুল্য ভার?

আমি কে তবে?
ব্ল্যাকে কেনা নীল সিনেমার টিকিট?
কিংবা লুডোর গুটিতে একফোটা একাকিত্ব?
কিংবা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চাঁদ চিহ্ন?
কিংবা…

ইতিহাস ম্যাম, বরং ঘুমিয়ে পড়ো তেরো নম্বর পৃষ্ঠার উপর। আর দেখো, ক্লাসরুমের ভেতরে আমি কিভাবে ছোট হয়ে যাচ্ছি ক্রমশ। ছোট হতে হতে ছোট হতে হতে একবিন্দু চকের গুড়ো এখন। উড়ে যাচ্ছি ঘুমের ভেতর। উড়ে যাচ্ছি নাভিচক্রের নিচে। ওই দেখো গোলগোল শূন্যতা। ক্ষুধার মৌসুমে কামড়ে খেয়েছিলাম আপেল ভেবে। আপেলদের পৃথিবীতে আমি তাই ক্ষুধার্ত পোকা ছাড়া আর কিছুই নই। আমাকে ঠোঁটে করে নিয়ে যাচ্ছে শ্মশান পাখি। ভ্রূণের ভিড় ভেঙে মোটর বাইক হাকিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কোথায়? আমি কি বাড়ি ফিরছি তবে? বাড়ি মানেই তো ঘুমশিল্পের ধ্বনি। পুনর্জন্মের বাজারে নতুন সবজিগন্ধ।


মৃত্যু এবং মর্গের মাঝখানে


হসপিটালে আমাকে না পেয়ে তুমি মর্গে গেলে খুঁজতে। মর্গের ফ্রিজে শুয়ে থাকা জলপাই গাছ তোমাকে দেখে হেসে ফেলল। তোমার রাগ হলো খুব। মর্গের ডোম চিন্তিত হয়ে পড়ল তোমার রাগ কে ভাঙাবে এটা ভেবে। কেননা আমি তখন মর্গ থেকে বেরিয়ে মাথায় হসপিটাল নিয়ে হেঁটে পার হচ্ছি বাংলা মটর। আমার গলায় ঝোলানো অ্যালার্ম ঘড়িতে তখন ঘুরে বেড়াচ্ছে ক্ষুধা। আমি চোখ বন্ধ করে হাঁটছি, চোখ মেললেই তোমার সাথে হঠাৎ দেখা হয়ে যাবে এই আশংকায়। শুনেছি শহরের সমস্ত ল্যাম্পপোস্টের নিচে তুমি দাঁড়িয়ে থাকো নগ্ন হয়ে। অথচ তোমার উদ্দেশ্যে কখনও ট্রাফিক পুলিশকে বাঁশি বাজাতে দেখি নি। আমাকে তুমি খুঁজতে বেরিয়েছ এই সংবাদ শুনে বিয়ের আসর ছেড়ে সুন্দরবন থেকে পালিয়ে এসেছে সেই হরিণশাবক, যাকে আমি জলপাই পাতা খেতে দিলে সে কেঁদে ফেলেছিল। আর বলেছিল, এই শহরেও একটা পশুর নদী থাকলে মানুষ হত্যা কমে যেত অনেকাংশে।

মানুষের জন্য তোমার নাকি কোনো দিন কান্না আসে নি, ফলে সারাক্ষণ তুমি চোখ মেলে থাকো। তোমার চোখের ভেতরে গুড়ো হয়ে বাতাসে ওড়ে মানুষের আয়ু। অথচ আমার সম্ভাব্য মৃত্যু তারিখ তুমি ভুলে গিয়েছ। এখন কোথায় খুঁজবে আমাকে? আমার শৈশবের ড্রয়িং খাতাটা যদি খুঁজে পাও, সেখানে হয়তো লেখা আছে আমার আয়ুষ্কাল। যারা আমাকে জলপাই গাছ ভেবে ঢিল ছুড়েছিল একদিন, তাদের কাছেও জিজ্ঞেস করতে পারো। জন্ম নিবন্ধনের পাতায় কে যেন আমার নাম মুছে দিয়ে লিখেছে সমুদ্রের নাম। তোমার কি ডুবে যাওয়ার ভয়? বহুদিন আগে ডুবে যাওয়া জাহাজের সেই কাপ্তানকে নাম ধরে ডাক দিও। যদিও সে নাকি দেখতে আমার মতোই, আমাকে প্রেমপত্র লিখতে গিয়ে এই তথ্য দিয়েছিল তার কনিষ্ঠ কন্যা। আমি তার কন্যার ঠোঁটে চুমু খেতে গিয়ে মুখে পুরে নিয়েছিলাম বিধ্বস্ত একটি শহর, যার ভেতর কেবলই মানুষের চিৎকার আর ভাঙা বিল্ডিংয়ের কান্না। সেই শহরের গল্প তুমিও জানো। সেখানে খুঁজতে গিয়েছিলে আমাকেই।

বহুবার আমি তোমার সামনে দিয়ে ভুল করে হেঁটে গেছি। বেওয়ারিশ ভেবে তুমি তাকাও নি। বহুবার জানতে চেয়েছি, ব্যাংকের ভাঙা লকার থেকে উড়ে যাওয়া কাগজের পাখিগুলো কেমন আছে, তুমি জবাব দাও নি। জানতে চেয়েছি, হাইকোর্টের দেয়ালে একজন মৃত শিক্ষক কেন প্রস্রাব করতে দাঁড়ালেন, কিংবা পুলিশভ্যানের সামনে দাঁতাল হাঙর কেন হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছে, তুমি জবাব দাও নি। যে কারণে হাঙরকে মাছ নাকি মাংসাশী বলা হবে সেই তর্কে সেদিন উত্তপ্ত ছিল সংসদ ভবন। আমাকে চিঠি লেখা সেই নাবিক-কন্যা আত্মহত্যার আগে লিখেছিল, তার শরীরেও ছিল অনেকগুলো হাঙর-দাঁতের মাংসাশী চিহ্ন। সেইসব চিহ্ন বাতাসে উড়িয়ে হসপিটালের বেড আমাকে নিয়ে ফুল কিনতে যায় শাহবাগ। শবযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমি ফুলেদের কানে কানে বলি, কাউকে বলো না এসব। তারা হাসে। কেননা তাদের স্মৃতিতে প্রজাপতি ছাড়া আর থাকে না কেউ।

শাহবাগে বিব্রত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা তালগাছটি বলল, তার মতো পথ ভুল করে এক অন্ধ শামুক এ শহরে এসে কুঁকড়ে আছে ভীষণ। সে এখন নিজের ভেতরেই ঢুকে বসে থাকে প্রতিদিন। আমি সেই শামুকটাকে খুঁজছি, নিজের ভেতরে ঢোকার এবং ঢুকে বসে থাকার কৌশল জানার জন্য। শহরের কোনো সিসি ক্যামেরায় তার সন্ধান নেই।


পাখির জন্য স্মরণসভা


আকাশে ধাক্কা লেগে যে পাখি ভুলে গিয়েছিল ক্লাসরুমের হুল্লোড়, আমরা এখন তার কথা স্মরণ করছি। এই ইলেকট্রন গাছের নিচে তার নামে রেখে দিলাম স্মরণসভা। পাতারা নুয়ে এসে যদি পাঠ করতে চায় উড়ার স্বরলিপি, যদি বাতাসে বাঁধা বিকেল কিংবা বহিরাগত বেলুন ছেঁড়া পালকের মিউজিক ছেড়ে উড়তে চায়, তবে আমাদের আপত্তি নেই। আমরা মাইক্রোফোন তুলে দিয়েছি ঘুমের হাতে। ঘুম আমাদের গল্প শোনাচ্ছে।

ক্ষুধার্ত গল্প
নেশাখোর গল্প
সেলাইবিহীন গল্প
ভাতের থালায় চিত হয়ে শুয়ে থাকা গল্প।

এইসব গল্প বটির দুইপাশে ফালি হয়ে পড়েছিল দীর্ঘকাল। ডেঁয়ো পিঁপড়ারা সেসব কাঁধে নিয়ে বিক্রি করতে যাচ্ছে চিনি শহরে। গত শীতে আমরা চিনি শহরে একটি ব্রিজকে ভিক্ষে করতে দেখেছিলাম রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে। ব্রিজের নিচে ছিল মধ্য বয়স্ক এক চিত্রশালা। তার ভেতরে ঢুকতেই আমাদের শৈশব শিখে নিল কতিপয় রঙের ব্যবহার। আমরা জানতে পারলাম, একদল রঙ উইন্টার ট্যুরে গিয়ে ফিরে আসে নি আর। এমনকি তাদের সম্পর্কে যথেষ্ট ফাইল মজুদ ছিল না তখন। তাই ডিশ এন্টিনার মাথায় বসে থাকা নীল পাখিটা অনেকক্ষণ ধরে কান্না প্রাকটিস করতে করতে উড়ে গেল রোদ ভেঙে, মেঘ ফুটো করে, বাদামি নাভির ভেতর। ঠিক তখন থেকেই শুরু হলো বৃষ্টি।

ঘর পালানো বৃষ্টি
পরকীয়া বৃষ্টি
শামুকে কাটা পায়ের বৃষ্টি
নুন মাখানো বৃষ্টি

আমরা বৃষ্টি বিষয়ক রান্নাঘরে ঢুকে জানতে পারলাম মেঘের রেসিপি। জানতে পারলাম, আকাশে ধাক্কা লাগার আগে কোনো পাখিই ফিরতে পারে না তার প্রকৃত নীড়ে। এমনকি যে পাখিটির জন্য আমাদের এই স্মরণ যাত্রা, ঘুমের টুর্নামেন্টে সে ছিল একমাত্র উইনার। যাকে ঘিরে সাতশো মৌমাছি মিছিল করেছিল সারারাত। মিছিলের নিচে ডুবে গিয়েছিল অরণ্যরাগ। সেতারে তখন বেজে চলেছে শীতকাল। আর কুয়াশারা ঠুমরির কাছে সমস্ত নাচের মুদ্রা খুলে রেখে সাঁতার কাটছে ক্লাসিক্যাল সুইমিংপুলে।


হাড়ের কারখানা


কারাখানার পাশ দিয়ে কারা যায় ছপ ছপ শব্দ তুলে? হামাগুড়ি অথবা গড়িয়ে গড়িয়ে কারা যায়? যেন এই যাত্রার ভেতরে ঠিকরে পড়ছে গাছেদের অট্টহাসি। যেন গভীর কোনো শূন্যতা থেকে কিংবা ঘূর্ণায়মান অন্ধকার থেকে কিংবা সূর্যাস্তের উগরানো বিদ্রূপ থেকে ছুটে আসছে অজস্র মাদি ঘোড়া। পথের দুই পাশে টানটান শুয়ে আছে ঘড়ির ফসিল। খুলির ভেতরে উল্টে আছে রক্তাক্ত ক্যালেন্ডার। একদিন গুলতি বানিয়ে তারিখগুলো ছুঁড়ে দিয়েছিলাম মৃত্যুদণ্ডের গায়ে। আর পৃথিবীর নাড়ি ছেকে বের করে এনেছিলাম কালো বসন্তের ভ্রূণ। সেই তখন থেকেই তো কারখানার ভেতরে তৈরি হচ্ছে হাড়ের ভাস্কর্য।

—হাড়, তোমার পূর্বপুরুষের নাম?
—হাড়, তুমি স্ত্রী না পুরুষ?
—হাড় তুমি জুয়া খেলতে জানো?

হাত পা বেঁধে রাখা ক্যামেরার সাথে আমারও কথা হয়েছিল দু-একবার। লেন্স থেকে চোখের দূরত্ব মাপতে মাপতে ভুলে গিয়েছিলাম হত্যাকারীদের নাম। ওই তো, লম্বা পা ফেলে ফেলে কুয়াশা বনের দিকে হেঁটে যাচ্ছে দরজা। ওপাশে শীতার্ত পাখিরা ফ্রিজ খুলে বেরিয়ে পড়েছে সূর্য শিকারে। সূর্য ছুটছে। সূর্য পালাচ্ছে। তার পিছুপিছু দৌড়াচ্ছে কারখানা। ঠিক এই মুহূর্তে যারা কারখানা থেকে পিছিয়ে পড়েছে অনেক দূর, তারা হয়তো জানে না রাত গভীর হলে কিভাবে বেড়ে ওঠে রাস্তার অসুখ। জানে না প্রাপ্তবয়স্ক মৃত্যুরা ছিল ঘুমন্ত নাইটগার্ড। নয়তো শুনতে পেত চাকার চিৎকার।

হ্যা, আমি দেখতে পাচ্ছি, অসুখ ভরা ট্রাক ছুটে আসছে এদিকেই। লিঙ্গহীন সোসাইটিকে এবার ডেকে তোলা যাক। পৃথিবীর ডান চোখে লাথি দিয়ে যারা ভাঙতে চেয়েছিল আগুনের কারফিউ, তারাও শুনুক পোড়া মাংসের সাইরেন।

শামীম আরেফীন

জন্ম ১৯ নভেম্বর, ১৯৯০; রূপদিয়া, যশোর।

অর্থনীতিতে অধ্যয়নরত।

প্রকাশিত বই :
তৃতীয় চোখের কোরাস [ঘাসফুল প্রকাশনী, ২০১৫]
মানুষ কেনো ফুলের নাম নয় [ঘাসফুল প্রকাশনী, ২০১৬]

ই-মেইল : shamim.arefin19@gmail.com

Latest posts by শামীম আরেফীন (see all)