হোম অনুষ্ঠান দ্বৈত ও অদ্বৈতের আখ্যান : গহনযাত্রা

দ্বৈত ও অদ্বৈতের আখ্যান : গহনযাত্রা

দ্বৈত ও অদ্বৈতের আখ্যান : গহনযাত্রা
343
0

আগামী ১৫ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরীক্ষণ থিয়েটার হলে ‘গহনযাত্রা’ নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়ন—

 

গল্প-সংক্ষেপ

এই ভূখণ্ডের কোনো এক স্থানে জন্ম নেয় উগ্রপন্থার। সেই উগ্রপন্থার অনুসারীরা বিপরীত সব মতবাদ প্রত্যাখ্যান করে শুধুমাত্র একটি মতবাদকেই প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এজন্যে তারা চালায় ধ্বংসলীলা, বইয়ে দেয় রক্তগঙ্গা, হত্যা করে অগণিত মানুষ, ধর্ষিত হয় অসংখ্য নারী। ভিন্ন মতাদর্শের এক ক্ষুদ্র সম্প্রদায়ের মানুষদের তারা ধরে নিয়ে বন্দি করে রাখে। বন্দিদশা থেকে পালাতে চায় অনেকে। কিন্তু মারা পড়ে তারা। শুধু একজন বেঁচে যায়। সালমা। কিন্তু বেঁচে গিয়ে ফিরে আসে সালমা। খোলা প্রান্তরে পড়ে থাকা লাশগুলো সমাহিত করবে বলে। এই সময়ে সালমা নিজের অভ্যন্তরে টের পায় অপর কারো অস্তিত্ব। সেই অস্তিত্ব হয়তো তারই বর্ধিত কোনো রূপ কিংবা অপররূপে সে নিজেই অথবা অন্যকিছু। আমরা জানি না। সেই অস্তিত্ব সঙ্গী হয় তার। মৃতদের কবর দেবার পর সালমা খোঁজ করে তার প্রার্থিত পুরুষের। খুঁজে পায় ল্যাম্পপোস্টে ছিন্নমস্তক ঝুলে আছে সেই পুরুষ। সালমা ধরা পড়ে উগ্রপন্থিদের হাতে। তাকে ধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় বধ্যভূমিতে। আগুনে দগ্ধ হওয়ার পূর্বে সালমা যাচনা করে পরমের সান্নিধ্য। ক্ষমা চায় তাদের জন্য যারা এই পরিণতির কুশীলব। নিজের অন্তর্ধানের মধ্য দিয়ে সব অনাচার আর বিভেদ যেন লুপ্ত হয় পৃথিবী থেকে সেই প্রার্থনায় নত হয় সালমা।

 

প্রযোজনা

পদাতিক নাট্য সংসদ (টিএসসি)

কলাকুশলী

আখ্যান : রুবাইয়াৎ আহমেদ
নির্দেশনা : সুদীপ চক্রবর্তী
অভিনয় : শামছি আরা সায়েকা

নির্দেশনা সহযোগ : সঞ্জীব কুমার দে
সংগীত পরিকল্পনা : সাইম রানা
সংগীত সঞ্চালন : মেহেদী হাসান মেধা
মঞ্চ পরিকল্পনা : সুদীপ চক্রবর্তী
আলোক পরিকল্পনা : আতিকুল ইসলাম জয়
দ্রব্য ও মুখোশ পরিকল্পনা : সঞ্জীব কুমার দে
মঞ্চ ও মুখোশ নির্মাণ : তৈমুর হান্নান
পোশাক ও রূপসজ্জা পরিকল্পনা : শামছি আরা সায়েকা
আলোকচিত্র: বারীণ ঘোষ
প্রকাশনা : রুবাইয়াৎ আহমেদ
বিন্যাস : অশেষ সাহা
মহড়া সহযোগিতা : আফরিন হুদা, শাহারুল ইসলাম ও ইশতিয়াক খান পাঠান
মঞ্চ ব্যবস্থাপনা : মমিনুল হক দীপু