হোম অনুবাদ রাসেল এডসন : দি আইডিয়া জেনারেটর

রাসেল এডসন : দি আইডিয়া জেনারেটর

রাসেল এডসন : দি আইডিয়া জেনারেটর
703
0

রাসেল এডসন- কবি, গল্পকার ঔপন্যাসিক, ফেবলস রচয়িতা, নাট্যকার, কার্টুনিস্ট, ইলাস্ট্রেটর। এক কথায় ককটেল। সবচেয়ে বড় পরিচয়, মিস্টার লিটল প্রোস পোয়েম। হ্যা মিস্টার টানাগদ্য কবিতা—এই তাঁর পরিচয়। কবিতা বলতে শুধু টানাগদ্যই লিখেছেন রাসেল। আর তাঁর কাছে কবিতা এক আইডিয়া, শব্দ সমবায়।

১৯৩৫-তে যুক্তরাষ্ট্রে কানেকটিকাটে জন্ম। বাবা গাশ এডসন ছিলেন কার্টুনিস্ট ও স্ক্রিন রাইটার। গাশ হচ্ছেন বিখ্যাত মার্কিন কার্টুন দ্যা গাম্প ও ডোন্ডির স্রষ্টা। বাবার কাছ থেকেই রাসেল পেয়েছিলেন কার্টুনের নেশা। বলতে গেলে ছেলেবেলা থেকে রাসেলের মধ্যে শিল্পী সত্তার উন্মেষ ঘটে। কিন্তু তিনি ছিলেন অসম্ভব ঘরকুনো। কানেকটিকাটেই তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত থেকেছেন স্ত্রী ফ্রান্সিসের সাথে।

ষাটের দশকে তিনি নিউইয়র্কে আর্ট স্টুডেন্ট লিগে অংশ নিয়েছিলেন। এটাই তার স্টামফোর্ড, কানেকটিকাটের বাইরে যাবার ঘটনা। এর বাইরে কবিতার বা সাহিত্য ফাংশন, ওয়ার্কশপে কালেভদ্রে এদিক সেদিক যাওয়া, সেগুলো বাদ দিলে পুরোটা জীবন রাসেল কাটিয়েছেন কানেকটিকাটে; তার ভাষায় টানেলের ভেতরে। তার নির্বাচিত কবিতা সঙ্কলনের নামও দ্য টানেল। মার্ক টার্সি এক সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করেছিলেন, টানেলের বাইরে কী আছে? উনি পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, টানেলের বাইরে বলে কিছু কি আছে?

১৯৫১ সাথে প্রকাশিত হয় প্রথম পূর্ণাঙ্গ টানাগদ্য কবিতাগ্রন্থ Ceremonies in Bachelor Space. শুরু হয় টানাগদ্য গডফাদারের যাত্রা। এরপর বেশ লম্বা বিরতি। পরের টানাগদ্য কবিতার বই বের হতে লেগে গেছে ২২ বছরেরও বেশি সময়। মূলত এই সময়টাতে নিজের ইলাস্ট্রেশন সত্তার লালন ও উপদেশমূলক ফেবলস লিখেছেন এডসন। মূলত এই লেখাগুলোই তার যুক্তি পরম্পরার পুনর্বিন্যাস ও কল্পনাশক্তিকে ঢেলে সাজায়। যার প্রতিফল দেখা যায় তার পরবর্তী কবিতাগ্রন্থগুলোতে। এমনও দেখা যায়, যে নামে উপদেশমূলক গ্রন্থ লিখেছেন, সেই একই নামে পরে কবিতাও লিখেছেন তিনি। এটা যুগপৎ প্রক্রিয়া কিনা জানা যায় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় হোয়াট এ ম্যান ক্যান সি বা পুরুষ যা দেখে’র কথা। এই নামে বিখ্যাত কবিতা আছে রাসেলের। আছে উপদেশমূলক গ্রন্থও।

২০১৪’র ২৯ এপ্রিল যখন রাসেল এডসন মারা যান হাসপাতালের বিছানায়, বাইরে তখন ঝকঝকে বসন্ত দিন। কিন্তু তিনি রেখে যান তার ইঁদুর, বাঁদর, বনমানুষ আর হ্যাঁ… বহুবিধ স্তন। এসব ফেলে তিনি যেন ঢুকে যান তার ট্রেডমার্ক ক্লজেটে। তার ভাষায়, ক্লজেট ম্যান ইজ নেভার স্যাড…

 


পরি

তাদের উপযোগিতা নগণ্য। তবে মনোদৈহিক উৎপীড়নের বেলায়
তারাই আবার দুর্দান্ত। ওদের সাথে তুমি যা-ই করো, কোনো সরকার
সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবে না। পাখির মতো, উপমানবের মতো…
কেবল চোখের দেখায় তারা অন্যের সাথে মিলিত হয়
তাদের ডিমগুলো সাদা জিলাপির মতো।
বলা হয়, সচরাচর এক জীবনে যা কিছু অসম্ভব, তাদের অনুপ্রেরণায়
পুরুষরা নাকি তার থেকেও অসাধ্য কাজ করে ফেলতে পারে।
কিন্তু একটা জীবন দিয়ে মানুষের আদতে কী-বা করার থাকে?
…মানুষ, প্রজাপতি পোড়ায় নীল আগুনে।

ছোট্ট একটা হাঁসুলির জন্য পরিরা কাঁদে। বাদুর কাঁদে। কেউ তা শুনতে পায় না…

 

 

স্বপ্ন ও রাত্রিভোজের সময়ের ভেতর
ডব্লিউ সি ডব্লিউ’র জন্য

লোকটার মাথাটা একটা যন্ত্র… না না, ওকে ঘুমোতে দাও।
ঝামেলায় গজিয়েছে চুল। চুল গজিয়েছে মৃত্যুভাবনা থেকে।
মাথাটা ভাবনার ওপর গজিয়ে ওঠা চুল। সেই সাথে এমন
একটা গাড়ি যাতে চড়ে ঘুরে আসা যায় স্বপ্ন ও রাত্রিভোজের
সময়।দেখতে পাচ্ছো চীন কীভাবে অভ্যন্তরীণ ব্যাপারস্যাপারে
পরিপূর্ণ? শিগগিরই, খুব শিগগিরই,
নিজের ভাবনা-ই খেয়ে ফ্যালে পোকার নরম মুখ…

 

পরির মৃত্যু

 নির্বোধ বলে করেনি প্রার্থনা। শুদ্ধ বলেই ফুলের মতো
পরিম্লান। ও ছেলে নাকি মেয়ে বলা যাচ্ছে না। ছিল না
পায়ু কিংবা জননেন্দ্রিয়র খোঁজ। ময়নাতদন্তে পাওয়া
গ্যালো না নাড়িভুঁড়ি, না হাড়গোড়, না মাংস; ওর ভেতর
ঠাসা ছিল তুলো আর পুরনো বাইবেলের পৃষ্ঠা। মাথার
খুপরি খুলতেই বেজে উঠলো ভিয়েনা শব্দমালার কিচ্ছা;
মগজের বদলে মিললো একটা যোনি আর একটা শিশ্ন,
অণ্ডকোষ আর পোঁদ, যৌনকেশে ঠাসা।
আহ, এটা যথেষ্ট ভালো! উচ্ছ্বাসে চেঁচিয়ে উঠলো চিকিৎসক।

 

পুরুষ যা দেখে

 একটা টাওয়ার যা দেখে পুরুষ বলেছিল ওখানে থাকা যায়।
তীব্র দুঃখ-ভাসানের পর সেথায় এসেছিল সে। তারপর দেখল
গ্রীষ্ম এবং গ্রীষ্মের মাঠ এবং ডালপালা গ্রীষ্মের। সে শুনেছিল
অনিল আর দেখেছিল একটি জলমুক।

 

ইঁদুরের পা

 ব্রিজের তলায় দেখা হলো ইঁদুরের সাথে। আর ইঁদুরের সৌন্দর্য
নিয়ে আলোচনা করতে করতে আমরা বসে পড়লাম কাদায়।
জিজ্ঞেস করলাম, কী এমন আছে তোদের যা মানুষকে কবি বানিয়ে ছাড়ে?
ইঁদুর বলল, আমার পা। এর জন্যই মানুষ আমার চিপায়
গোপনাঙ্গ হাতাতে ভালোবাসে; এটা জৈবিক …

 

 

প্রেমিক

 প্রেমিকের চার পা আর সে ভালোবাসে নিজের হাতপায়ের লোমকূপ।
প্রেমের চার হাত এবং তারা দলা পাকিয়ে ঘুমায় এর ভেতরকার
মানুষগুলোর মধ্যে, হাতে ত্বকের স্পর্শ, উদ্বেলত রোমশ নাভিমূলে
পিঠের উদ্বেলতা মুঠোভর্তি স্তন, মিষ্টি ঘাড়, চুম্বনসিক্ত কান, চুম্বনসিক্ত
চোখ এবং লীঢ় ওষ্ঠো।
তারপর এসবে বিরক্ত হয়ে পাখির গান, একলা ফুলের একঘেয়েমি নিয়ে
গুনগুন করে দেয়ালের পোস্টার; একঘেয়েমি ছড়িয়ে পড়ে পুরো দেয়ালে।
প্রেম হলো মধ্য গ্রীষ্মে জানালার ধারে দুজনের কফি খাওয়া;
একদা নগ্ন বিকেলে আলোর ডালপালা, জানালার পাশে গাছ।


স্তন

 কোনো এক রাতে একটি স্তন এসে হাজির হলো পুরুষের ঘরে।
সে তার যমজ-বোনের কথা বলতে শুরু করলো।
তার যমজ বোন এই করে, তার যমজ বোন অই করে, এইসব।
শেষমেশ লোকটিই বলল, প্রিয় স্তন, তোমার নিজের খবর কি?
এরপর বেচারা স্তন পুরো রাত কেবল নিজের কথাই বলে গ্যালো।
আসলে সে তার নিজের সম্পর্কেও একই কথা বলছিল।
আমি হেন আমি তেন, এই রকম আরকি।
অবশেষে, লোকটি স্তনবৃন্তে চুম্বন এঁকে দিয়ে বলল, আমি দুঃখিত।

তারপর সে ঘুমের মধ্যে তলিয়ে গ্যালো…

 

আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে

 আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে সেই কৃষকের কথা, যে খড়ের মাথালকে
বানিয়েছে প্রেমিকা, অথবা সেই বৃদ্ধা যে কিনা ফ্লোর ল্যাম্পকে মনে করে
নিজের ছেলে, অথবা সেই যুবতী নারী যে দেয়ালে নিজের ছায়ার সাথে
খেলে কাটাকুটি…
আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে সেই বৃদ্ধার কথা, যে গরুর ধূমায়িত জিহ্বার
জুতো পরে হেঁটে যায় তৃণভূমিতে, আর অ্যাপ্রোনে ভরে নেয় গরুর বিষ্ঠা;
অথবা একটা আয়না বয়সের ভারে কালো হয়ে গ্যাছে, তাই দেয়া হলো
এক অন্ধ মানুষকে, এখন তার রাত কাটে আয়না দেখে দেখে,
তাই দেখে মনমরা মা, তার ছেলে সাজগোজে এমন মজেছে…
আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে সেই মানুষটার কথা, যে ডিনারে
গোলাপ ফ্রাই করে, যার রান্নাঘরে জ্বলন্ত গোলাপকুঞ্জের ঘ্রাণ;
অথবা সেই মানুষটি যে মথের ছদ্মবেশে খেয়ে ফেলে নিজেরই ওভারকোট
আর ডেজার্ট হিসেবে পড়ে থাকে হিমঠাণ্ডা ফেডোরা হ্যাট…

 

রূপকথা

 প্রত্যেকটা মুরগির বাচ্চার পেছনে আছে একটা ভাঙা ডিমের কিচ্ছা।
আর প্রত্যেকটা ভাঙা ডিমের পেছনে আছে একটা ডিমপাড়া মুরগির গল্প।
এবং প্রতিটা ডিমপাড়া মুরগির পেছনে আছে আরেকটা ভাঙা ডিম…
দূর অন্তরাল থেকে ওরা আসে পুরোভূমিতে,
ঠিক তখনই হ্যানসেল আর গ্রেটেলরা ছুড়তে থাকে ডিমের গোলা…

 

কনসার্টের পর

কনসার্টের পর চেলোবাদক তার চেলো নিয়ে বাড়ি ফিরল
আর সেটিকে নিয়েই ঘুমাতে গেলো বিছানায়।
সে জানে, সহযোগী মিউজিশিয়ানরা যদি জানতে পারে
প্রপিতামহীর বয়সী এই চেলোর সাথে ও কি করেছে, তবে
ওরা নালিশ জানাবে সুধী সমাজে।
কিন্তু ওরা তো জানে না, ভাবতেই ঘুমিয়ে পড়লো সে,
তার মুখ ডুবে গ্যালো চেলোর সুপ্রাচীন বক্ষে…

 

সুপারমাঙ্কি

 মৃত তোতার সাথে আফিমখোর বানরের কলম করে সুপারমাঙ্কি তৈরি করলো লোকটা।

সুপারমাঙ্কি জাগনা পেয়ে দেখলো ওর শরীরজুড়ে সবুজ পালক আর পেছনে একটা লেজ। ওর প্রথম কথা, পলি একটা ক্রেকার্স চায়। এটা ঐতিহাসিক! কোনো বানর আর কখনো এমনটা বলেনি!

আর তাই সুপারমাঙ্কিকে দেয়া হলো সব ক্রেকার্স যতোটা সুপারমাঙ্কি খেতে পারে, যতোক্ষণ পর্যন্ত না অসুস্থ হয়ে পড়লো সুপারমাঙ্কি আর বলল, পলি একটা কলা চায়। সেটাও হবে আরেকটা ঐতিহাসিক উদ্ধৃতি!

তারপর লোকটা শুরু করবে সুপারডুপার মাঙ্কি তৈরির কাজ, সঠিক কলমের ফলে যে কিনা ক্যানারি পাখির মতো গাইতে পারবে গান…

 

টানেল

 সুড়ঙ্গ করে চলে গেলাম পৃথিবীর ভেতর…

আমার বৌ আর আমি, কার্যকারণের একটা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যেতে যেতে, আমরা শ্রমের যথাযথ মূল্য পেলাম না।

তারপরেও, বৌয়ের সম্মতি, আমারই মতো, একদা শুরু হয়েছিল যাত্রা, যেমন কামনা; এবং কাম্য হবার কামনা, যুগপৎ সম্মতিতে জ্বলে ওঠে, কারণের কোনো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ ছাড়া অভিযাত্রীকে যে টেনে নেয় শেষ সীমানায়…

এখনো, দক্ষিণের শেষ দিগন্তের পথ কি উত্তরের বলে মনে হচ্ছে না, এমনকি এর উত্তরে, খুঁজে পাওয়া চূড়ান্ত মেরুবিন্দু কি ভুল করা ক্লান্তিকর উত্তর?

তাই পৃথিবীর ভেতরে সুড়ঙ্গ করে গেলাম আমি, অন্ধকার থেকে আরও ঘোর অন্ধকার, বলা হয়, আলোর প্রতি আস্থাশীল, সুড়ঙ্গের শেষে সর্বদাই দেখা মেলে তার; হয়তো এখনো ফোটেনি আলোর আভাস, কিন্তু পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাতের আশায় ছুটে চলেছে ব্রহ্মাণ্ডে, এভাবেই শেষ বেলচার মাটির নিচে জ্বলে ওঠে স্ফুলিঙ্গ…

 

রাসেল এডসনের গ্রন্থ তালিকা :

Book of Edson

১৯৬১ : থিংক প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় ২টি উপদেশমূলক গল্পগ্রন্থ A Stone Is Nobody’s: Fables and Drawings এবং Appearances: Fables and Drawings।

১৯৬৪ : নিউ ডিরেকশনস পাবলিকেশন থেকে বের হয় নতুন উপদেশমূলক গল্পগ্রন্থ The Very Thing That Happens: Fables and Drawings।

১৯৬৫ : আবারও থিংক প্রেস থেকে বের হয় নতুন ফেবলস The Brain Kitchen: Writings and Woodcuts।

১৯৬৯ : রে জনসনের ড্রইং সম্বলিত ফেবেলস What a Man Can See: Fables বের হয় এ বছর। (প্রকাশনী অজ্ঞাত)

১৯৭৩: ২২ বছর পর টানা গদ্যের পসরা নিয়ে হাজির হন রাসেল। একটি নয়, এ বছর প্রকাশিত হয় দুটো টানাগদ্য কাব্যগ্রন্থ। ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে The Clam Theater এবং হার্পার এন্ড র’ পাবলিকেশন থেকে The Childhood Of An Equestrian।

১৯৭৫ : নিউ ডিরেকশনস পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত হয় নাটকের কালেকশন The Falling Sickness: A Book of Plays।

১৯৭৬ : হার্পার এন্ড র’ পাবলিকেশন থেকে বের হয় কবিতাগ্রন্থ The Intuitive Journey and Other Works।

১৯৭৭ : এ বছরেও বের হয় দুটো কাব্যগ্রন্থ। ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে The Reason Why the Closet-Man Is Never Sad এবং ওইন্ক প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় Edson’s Mentality।

১৯৮০ : বার্নিং ডাক প্রেস থেকে বের হয় With Sincerest Regrets। ১৯৮৪ : কবিতা গ্রন্থের পাশাপাশি এবছর একটি চ্যাপবুকও বের হয় রাসেল এডসনের। Gulping’s Recital নামের কবিতাগ্রন্থটি বের হয় গুইগনল বুকস থেকে । আর চ্যাপ বুক Wuck Wuck Wuck! বের হয় রেড ওজিয়ার প্রেস থেকে। এই বইয়ে রাসেলের সহলেখক রিচার্ড মক।

এছাড়া এ বছরেই গুইগনল বুকস থেকে বের হয় রাসেলে প্রথম উপন্যাস Gulping’s Recital।

১৯৮৫ : ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় টানাগদ্য কবিতাগ্রন্থ The Wounded Breakfast।

১৯৯২ : The Song of Percival Peacock: A Novel উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় কফি হাউজ প্রেস থেকে।

একই বছর বের হয় ছোটগল্পের সংকলন Tick Tock: Short Stories । কফি হাউজ প্রেস থেকে প্রকাশিত এই বইয়ে উডকাটস-এর পাশাপাশি রাসেল নিজেও ইলাস্ট্রেশন করেন।

১৯৯৪ : এ বছর ওবেরলিন কলেজ প্রেস থেকে বের হয় রাসেলের নির্বাচিত টানাগদ্য কবিতার সংকলন The Tunnel: Selected Poems of Russell Edson।

২০০১ : The Tormented Mirror কবিতাগ্রন্থ বের হয় ইউনিভার্সিটি অফ পিটসবার্গ প্রেস থেকে।

২০০৫ : বিওএ এডিশনস লিঃ থেকে প্রকাশিত হয় The Rooster’s Wife: Poems।

২০০৯ : ইউনিভার্সিটি অফ পিটসবার্গ প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় টানাগদ্য কবিতাগ্রন্থ See Jack।

২০১৪ : ২৯ এপ্রিল, যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটেই মৃত্যুবরণ করেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রাসেল এডসন। দীর্ঘ রোগভোগের পর স্থানীয় স্টামফোর্ড হাসপাতালে। ৭৯ বছর বয়সে।

সম্মাননা :

পুরস্কারের পেছনে ছোটেন নি রাসেল । অথবা পুরস্কারদাতারা তাকে যোগ্য মনে করেন নি। যাই হোক। তবে বেশ কিছু সম্মাননা তিনি পেয়েছেন ফেলোশিপ আকারে। এর মধ্যে আছে : National Endowment for the Arts Creative Writing Fellowship, ১৯৯২; National Endowment for the Arts Creative Writing Fellowship, ১৯৮১; National Endowment for the Arts Creative Writing Fellowship, ১৯৭৬; Guggenheim Fellowship, ১৯৭৪।

মাজুল হাসান
মাজুল হাসান

মাজুল হাসান

কবি ও গল্পকার
জন্ম : ২৯ জুলাই ১৯৮০, দিনাজপুর।
পড়াশুনা করেছেন দিনাজপুর জিলা স্কুল, নটরডেম কলেজ
ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অর্নাস।।

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ:
বাতাসের বাইনোকুলার ● বাঙলায়ন প্রকাশনী, ২০১০।
মালিনী মধুমক্ষিকাগণ ● বাঙলায়ন প্রকাশনী, ২০১৪।
ইরাশা ভাষার জলমুক ● চৈতন্য, ২০১৬।

প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ:
টিয়ামন্ত্র ● ভাষাচিত্র প্রকাশনী, ২০০৯।
নাগর ও নাগলিঙ্গম ● বাঙলায়ন প্রকাশনী, ২০১২।

অনুবাদগ্রন্থ:
টানাগদ্যের গডফাদার, রাসেল এডসনের কবিতা ● চৈতন্য, ২০১৬।

মাজুল হাসান পেশায় সাংবাদিক। বর্তমানে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বার্তা বিভাগে কর্মরত।
মাজুল হাসান
মাজুল হাসান