হোম অনুবাদ নিজেকে যা বলতে হবে

নিজেকে যা বলতে হবে

নিজেকে যা বলতে হবে
229
0

ডেভিড হোয়াইটের জন্ম ১৯৫৫ সালে, ইংল্যান্ডের এক পাহাড় আর উপত্যকার ঢেউ-ওঠা মানচিত্রে। ইয়র্কশায়ারে বড় হয়েছেন। প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার বাড়ি। সেখানকার রং-পাল্টানো আকাশ তার ফেলে-আসা অন্য স্বদেশ আয়ারল্যান্ড, ইয়র্কশায়ার আর ওয়েলসের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কবি, লেখক, প্রকৃতিবিদ এবং বক্তা; তিনিই সম্ভবত একমাত্র কবি যিনি প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে সৃজনশীলতার প্রয়োগে তার অন্তর্দৃষ্টি কাজে লাগাতে পেরেছেন।

ডেভিড হোয়াইটের কবিতার বই সাতটি—ঘরে ফেরার গান (Song of Coming Home, ১৯৮৪), নানা নদীর মোহনা (Where Many Rivers Meet, ১৯৯০), মাটির ভিতর আগুন (Fire in the Earth, ১৯৯২), গৃহের মতো ঘর (The House of Belonging, ১৯৯৬), সবকিছু তোমার অপেক্ষায় (Everything is Waiting for You, ২০০৩), পথিক (Pilgrim, ২০১২) এবং তোমার অতল জল (The Sea in You, ২০১৫)।

এ ছাড়াও চারটি বিপুলখ্যাত গদ্যের বই আছে হোয়াইটের—হৃদয় থেকে জেগে : কবিতা ও কর্পোরেট আমেরিকায় আত্মার সংরক্ষণ  (The Heart Aroused : Poetry and the Preservation of Soul in Corporate America, ১৯৯৪), অজানা সাগরপাড়ি : কাজ যেখানে আত্মপরিচয়ের পথ (Crossing the Unknown Sea : Work as a Pilgrimage of Identity, ২০০১), তিন পরিণয় : কাজ, আত্ম ও সম্পর্কের পুনর্ভাবনা  (The Three Marriages : Re-imagining Work, Self and Relationship, ২০০৯) এবং সান্ত্বনা : দৈনন্দিন শব্দের আশ্বাস, পুষ্টি ও অন্তর্লীন অর্থময়তা (Consolations: The Solace, Nourishment & Underlying Meaning of Everyday Words, ২০০৫)।  এই বইগুলি এবং তার বিখ্যাত অডিও ও ভিডিও বক্তব্যের সিডি এখন মেনি রিভার্স প্রেস থেকে পাওয়া যাচ্ছে। সমুদ্র প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে তার ডিগ্রি আছে, আছে পেনসিলভেনিয়ার নয়ম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা সম্মানসূচক ডিগ্রি, এ ছাড়া তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইদ স্কুল অব বিজনেসের একজন অ্যাসোসিয়েট ফেলো।

ডেভিড হোয়াইট সারা পৃথিবী ঘুরে তার কবিতা ও বক্তব্য পরিবেশন করে থাকেন। অনুবাদক তার অনেকগুলি আলোচনার ভিডিও দেখেছেন। বক্তা হিশেবে কেন তিনি এমন সর্বজনপ্রিয় সেই সব আলোচনা থেকে কিছুটা যেন উপলব্ধি করা যায়। এবং অনুভব করা যায়, কেন নিজের ভুঁই থেকে বিচ্ছিন্ন, প্রযুক্তিনির্ভর আজকের নাগরিক মানুষের এমন এক কবিকে প্রয়োজন। এবং আত্মিক, মানসিক সংকট থেকে স্বাধীন হবার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়, সামাজিক ও সাহিত্যিক সমাবেশ, এমনকি বোয়িংয়ের মতো বহুজাতিক কোম্পানির ওয়ার্কশপ ও আলোচনায় বক্তব্য রাখার জন্য তার মতো একজন লেখক কেনই-বা জরুরি।


ডেভিড হোয়াইটের কবিতা
❑❑


নিজেকে  যা বলতে হবে
❑❑

জলের উপর
পাহাড়ের গা ঘেঁষে
অন্ধকারের ছায়ারেখা ধরে
রাজহাঁস ভেসে যায়
ভোরে
আলোর দিকে

আমার স্থবির আস্তানার উপর
তাদের ডানা
গভীর আস্থার একাত্মতায়
পরম বিশ্বাসে ভর দিয়ে
দখিনপানে পতপত ওড়ে

পাহাড়ের মাথা
মহাদেশের তল ছুঁয়ে

ফি বছর
এমন কোনো দিগন্তে বাসা বাঁধে
যাকে আপন বলে চেনে তারা।

এই গৃহ চিনি আমি
এই দিগন্তরেখা
নিজের হাতে গড়েপিটে নেওয়া
এই আমার নিজস্ব ভুবন
এই নিরিবিলি নিঝুম দাওয়া
কিছু কিছু নিভৃত গুপ্তধন
আর ভয়াল গভীরতা
কিন্তু চিনতে কি পারি
সেই আনকোরা নতুন ভুবন
যেখানে আমি চলেছি
প্রতিদিন?

আমার কাছে এ লহমার
এই শ্বাস
একমাত্র ডানার মতন
আমার শরীরের ভিতর এই আমাকে
আমার কাজকে
উড়িয়ে নেয় চুপিসারে, এক মুহূর্ত থেকে
অন্য পলকে।

আমার এই সরলতা আমি জানি

কিন্তু সাফল্য যা-ই থাক
আমি বাহিত হই এক অন্ধ শিশুর মতন
হাত দুটো ছড়ানো
মনের ভিতর নিজের ভুবন গড়ে গড়ে

আর পৃথিবী যেন সাবধানে
আমাকে আগলায়—
ধরে ফেলে বেশি দূরে চলে গেলে।

কিভাবে অর্জন করলাম এই বিশ্বাস?
আমি কি জানি?

বাকিদেরও এমনটাই ঘটে?
সেইসব তিক্ত প্রেমিক
আর মানুষ, যাদের
আগলে রাখে নি কেউ?

জীবন এক ধীর নদীপথ
হঠাৎ দেখবে জলের কিনারে
সকলের সঙ্গে তুমিও দাঁড়িয়ে আছ
আর আগুন বয়ে আনা সেইসব
তুমুল উৎসব, হাসির দমক,
আর আগুন থেকে দূর
সেইসব অনুচ্চারিত শোক
যা এখনো একজোট করে মানুষকে

তারপর হঠাৎ করে
সবকিছু আগুননেভা বন্ধুহীন রাত হয়ে যায়
আর তুমি দেখো, তুমি একা
হয়তো—নক্ষত্রের সঙ্গে কথা বলতে হবে
অথবা বৃষ্টিভরা মেঘ
অথবা যাকে সামনে পাও—তার সঙ্গেই
তার কাছে ঠাঁই খুঁজতে গিয়ে

যখন আমরা একা
বিশ্বাস রাখতে হলে
কিছু একটা উপায় বের করতে হয়
আর যখন আমরা পরিত্যক্ত
তখন সবকিছুর সঙ্গে
আমাদের কথা কইতে হয়
তাদের আপন হলে।

যখন কেউ কোথাও নেই
আমি তখন আমার নিঃসঙ্গতাকে
ভর করি।

যখন কেউ কথা বলার নেই
আমি ভর করি এই শরীরী কারাগার।

যখন আঁধার আমাকে ঘেরে
তখন আমি রাত্রিকে আশ্রয় করি।

আর তারপর
নিকষ অন্ধকারেও
পৃথিবী আমাকে খুঁজে নেয়।

আর যে ধূলিকণায় দাঁড়িয়ে আছি
তার জন্য আমার সম্মান
থাকে যদি,
বুঝি
সে বিন্দু কী বলছে আমাকে,
কানে কানে
শুনতে পারি
কোথায় যেতে হবে।

রাজহাঁসের পালক
দখিনপানে উড়তে দেখে
আমি অনুভব করি
এতখানি নৈঃশব্দ্য থেকে এসে
গৃহকোণ থেকে না সরে এক পল
এক পা না হেঁটে
ভাবনাহীনভাবে
আমি এক তামাম অভিবাসনের মিছিলে
ভেসে চলেছি অন্য কোথাও।

আর আমি যা ভালোবাসি
তা যদিও শেষ হয়ে যাবে,
সব সামগ্রী, সব মানুষ, পরিবার—
যা-কিছু
পরিপাটি সাজিয়ে রেখেছি নিজেকে ঘিরে
তারা যদিও চেয়ে চেয়ে দেখবে আমার
চলে যাওয়া,
তাদের আমি নিজের গভীরে টের পাই
যেন এক বিশাল পরিবার
আরো বড় গৃহকোণে
যাবে বলে প্রস্তুত পরিপাটি।

যখন কিছু মরে যায়
তখন তার সাথে তামাম সব মরে
তারপর আবার তারা শ্বাস নেয়
অন্য আঙ্গিকে।
যখন কিছু হারায়
সবকিছু হারায় সেই সাথে
তারপর আবার সেসব
খুঁজে নিতে হয়
নতুন আদলে।

সবকিছু নিটোল হতে চায়
সবকিছু চায় গৃহকোণ
দখিনপানে ভেসে যাওয়া রাজহাঁস-ডানা
আমার শ্বাসের ভাসমান ছায়ার মতন
আঁধারপথে
নিরুদ্দেশ দেশের উড়ালে
ধুকপুক ঘাই মারে

আজ  ভোরে
তারা খুঁজে পেয়েছে আমাকে
অথই বিশ্বাসে
অন্ধ শিশুর মতন,
তাদের পালকে আশ্রয় নেওয়া
পিছু ধরা
বাতাসের অগাধ উজানে গা ভাসানো,
এমন কোনো গৃহের সন্ধানে
যা আমি চোখেও দেখি নি কখনো।


বিদায়ী  চিঠি
❑❑

মা আমাকে লিখেছিল
মৃত্যুর পর
আর মনে আছে
গোলাপ গাছের নিচে
খিড়কি দরজার পাশে বসে
তার পুরনো বেঞ্চিতে
সেই খামের উপর
এক ধরনের সুখ সুখ আলো
এসে পড়ছিল—
আমি খামটা হাতে পাবার বিস্ময়ে
না খুলে ভাবলাম কী লিখলেন তিনি
আকাশের দিকে তাকালাম
আর নিজের মনে হাসলাম
এক গভীর বিশ্বাসে।

পুত্র আমার,
তোকে ছেড়ে
যাবার সময় হলো।
কী বলব, বল? এত দিন যেসব শব্দ
আমার কাছে শুনে এসেছিস
সেসবের কানাকড়িও
আমার হাতে নেই এই বেলা
তারা বেবাক ফিরে গেছে—মিশে গেছে পৃথিবীতে,
তাদের উপর আমার অধিকারবোধ
শেষ হয়ে গেছে,
যেহেতু তাদের প্রথম লেখক
অথবা
শেষ স্নেহময় বাহক
আমি নই।

এখন থেকে
মায়ের ভালোবাসার উচ্চারণ
তুই শুনতে পাবি
তোর নিজেরই গলায়
যারা তোর সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে
মাতৃহীন,
তাদের সঙ্গে কথা বলার সময়।

আর আমাকে আমার
বয়েসের ভার ঝেড়ে ফেলে
বাঁধা পড়তে হবে সানন্দে
নতুন শৈশবে।
বুঝতেই পারছিস
আমার এই নতুন পথচলায়
সব বিষয়েই
আমাকে কতটা সরল হতে হবে।

জানি আমি—
তোর দরাজ হৃদয়
আমাকে চলে যেতে দেবে;
আর শেষে
এও জানিয়ে রাখি—
খুশি হবি শুনে,
আমার ঈশ্বর ছিল একান্ত নিখাদ।
এতগুলি বছর
তোদের ভালোবেসে
ফের আমি এক অপার অঢেল
মধুর মাতৃত্বের
ঠাঁই খুঁজে পেলাম।

পুনশ্চ : তোর যত সহজাত অনুভব—সত্যি ছিল সব


প্রতিশ্রুতি  ভাঙতে  হলে

(কুঙ্গা ফেইচিন)

❑❑

প্রার্থনার জন্য এক চিলতে মাটি দরকার,
ব্যস্ত হয়ো না, দুর্দান্ত সফেদ উজ্জ্বলতায়
হেলান দিয়ে বলো, যা বলবার ছিল এত দিন।
বেশি কিছু নয়, শব্দ যেন সহজ, আপন হয়,
কানে আসে মাথার উপরে পাখির গান
অথবা পাশের ওই ঝিরঝিরে শান্ত নদীর মতো।
শব্দগুলি একে অপরের সঙ্গে মিলুক
যেভাবে নুড়ির গায়ে নুড়ি এসে পড়ে,
যেভাবে জলধারা এগিয়ে যায় সাগরে,
যেভাবে তোমার প্রতিজ্ঞারা
পৃথিবীর আবহমানকালের আর সব প্রতিশ্রুতির
দোসর হয়ে শ্বাস নেয়।
তারপর ওদের রেখে যাও।
তোমার শব্দগুলি নিজেদের মতো করে
বাঁচুক—তোমাকে ছাড়াই।
নদীর স্রোত বয়ে নিয়ে যাক প্রতিশ্রুতিকে।
বিশ্বাস রাখো। চলে যাও।


প্রায়-নিঃশব্দ
❑❑

প্রায়-নিঃশব্দ বৃষ্টি
আমাকে শুশ্রূষা দেয়
যেন সে মৃদু শব্দ
নিজেই এক বিছানা
যেখানে আমি
তোমার দু’বাহুর কাছে
সমর্পিত।
জীবনের বেগ যখন শান্ত
সহজ,
যেমন তোমার সঙ্গে থাকা—
যখন চাই প্রহরগুলি
দীর্ঘ হোক
আর আকাশ থেকে
মহাপৃথিবীর সব জল
আমার ভিতর দিয়ে
বাহিত
তোমার স্মৃতিময়
স্রোতধারা
সজাগ শরীরের গভীরে
ঘুরে ঘুরে কথা-বলা
ভালোবাসার ভার—
আমাকে
যা বাঁচিয়ে তোলে
এই ভোরে,
নিয়ে যায়
সেই রাত্তিরে
যখন আমরা একে অপরের ভিতর
এক শরীর
এক তপ্ত উপস্থিতি
আর তোমার মুখ
তখন এত দ্রুত
সামান্য স্পর্শে
মধ্যরাতের
রুপালি জলের
নিবিড়
আলোয়
এমন চেনা হয়ে ওঠে
আমার কাছে।
এইখানে শুয়ে
প্রায়-নিঃশব্দ বৃষ্টির শব্দ
শুনতে গিয়ে
আমি জানতে পারি
আমার সঙ্গে তোমারও
শোনা হলো
এই শব্দ—
ঊর্ধ্বমুখ তোমার
হাসির কাছে ফিরে
আমি
একটা আঙুল
তোমার ঠোঁটে রাখি
যা এবার সামান্য
ফাঁক হবে।
যেন নৈঃশব্দ্য আসে,
যেন ভালোবেসে
তোমাকে
স্পন্দনহীন করতে পারি,
দেখতে পারি ফের;
শুনতে পারি
বৃষ্টি
সবকিছু
একসঙ্গে
তবু শুধু এইটুকু
জানাতে চাই
তোমার কানের কাছে এসে
খুব মৃদুস্বরে—
আমি কত খুশি,
জীবন
কত সদয়—
আমাদের একাত্ম-করা রাত
কত সুন্দর,
কতটা পথ পার হয়ে
তোমাকে ভালোবাসা যায়,
তার গভীর অনুভব
কতখানি অপেক্ষা
আমাকে প্রস্তুত করেছে
তিলে তিলে
আর আজ পর্যন্ত
আমার কাছ থেকে তোমাকে
লুকিয়ে রেখেছে বলেই
জীবন
কতটা উদার।

আনন্দময়ী মজুমদার

আনন্দময়ী মজুমদারের ছোটবেলা কেটেছে স্বদেশে ও আফ্রিকায়। উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজে এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউটে। পরিসংখ্যানে পিএইচডি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সতের বছর বয়সে তার প্রথম অনুবাদ পাবলো নেরুদার ‘স্মৃতিকথা’ হাসান আজিজুল হক সম্পাদিত ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘প্রাকৃত’-তে প্রকাশিত হয়। অধ্যাপনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

প্রকাশিত ও প্রকাশিতব্য বই—

সূর্যোদয়ের গান [অনুবাদ; জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ১৯১৯]
দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ [অনুবাদ,জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী, ২০০১]
স্মৃতিকথা [অনুবাদ; সময়, ২০১৩]
ভালোবাসার শত সনেট’ [অনুবাদ; ইত্যাদি, ২০১৫]
ছোট্ট রাজপুত্র [অনুবাদ; প্রকৃতি পরিচয়, ২০১৬]
এছাড়া ছোটদের জন্য আরো কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

তার অনুবাদে ডেভিড হোয়াইটের কবিতার একটি বাছাই সঙ্কলন কয়েক মাসের মধ্যে প্রকাশিত হওয়ার কথা [বেঙ্গল পাবলিকেশন, ২০১৮]

‘Gitabitan in English’ নামের একটি ব্লগে রুমেলা সেনগুপ্ত ও আনন্দময়ী মজুমদার রবীন্দ্রনাথের ‘গীতবিতান’-এর প্রায় এক হাজার গানের অনুবাদ করেছেন। আনন্দময়ী মজুমদার এক জন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও প্রশিক্ষক। রবীন্দ্রগানের ইংলিশ অনুবাদগুলোও তিনি পরিবেশন করে থাকেন।

ই-মেইল : anandamayee.majumdar@gmail.com

Latest posts by আনন্দময়ী মজুমদার (see all)