হোম অনুবাদ ধূসর বুধবার

ধূসর বুধবার

ধূসর বুধবার
733
0

১.
যেহেতু ঘুরে তাকানোর ইচ্ছে নেই আবারও আমার
যেহেতু আমার আর ইচ্ছে নেই
যেহেতু ঘুরে তাকানোর ইচ্ছে নেই আমার
এই মানুষের উপহার আর ঐ মানুষের সম্ভাবনার
ক্লান্তির পর ক্লান্তিকর চেষ্টা নেই এসবের প্রতি আমার আর
(কেনইবা বয়সী ইগল মেলে ধরবে তার ডানা?)
কেনইবা আমি বিলাপ করব
অদৃশ্য হয়ে যাওয়া অলীক রাজত্বের জন্যে?

যেহেতু আমার আর মোহ নেই
ভালো সময়ের রুগ্‌ণ আনন্দের
যেহেতু আমি আর ভাবি না
যেহেতু আমি জানি আমি আর জানব না
সেই সত্য অনিত্য শক্তিটাকে
যেহেতু আমি পান করতে পারি না
বৃক্ষ, ফুল আর বসন্তের বাতাস, সেখানে
যেখানে আর কিছুই ফিরে আসবে না

যেহেতু আমি জেনে গেছি সময় সর্বদাই সময়
এবং স্থান সর্বদাই স্থান মাত্র
এবং যা চিরন্তন তা কেবল চিরন্তনই
সময় আর স্থানে
আমার আনন্দ এই সেগুলো আসলেই তাই এবং
আমি পরিত্যাগ করছি সেই পবিত্র মুখ
এবং সেই দরাজ কণ্ঠ
যেহেতু ঘুরে তাকানোর ইচ্ছে নেই আমার আর
সুতরাং আমার আনন্দ আবার নতুন ক’রে
আনন্দ নির্মাণের অহংকারে

এবং ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা আমাদের দয়া করুন
এবং আমি প্রার্থনা করি যে আমি ভুলে যেতে পারব
এইসব ঘটনা—ঘটনার অনুষঙ্গ
তার যুক্তি ও ব্যথার আলোকে
যেহেতু ঘুরে তাকানোর ইচ্ছে নেই আবারও আমার
তবে তাই হোক সেইসব প্রশ্নের উত্তরে
কী করেছি কিংবা কী করতে পারব না
তবে কি সেইসব প্রশ্নের উত্তর খুব বেশি
ভারি নয় আমাদের জন্যে

যেহেতু এইসব বয়সী পাখিরা আর উড়বার সামর্থ্য রাখে না
কেবলই বাতাসে ঢেউ খেলায়
বাতাস যা এখন খুবই ক্ষীণ আর বিশুষ্ক
খুবই ক্ষীণতর আর বিশুষ্কতম ইচ্ছের চাইতেও
তা আমাদের শিক্ষা দেয় পাথর হয়ে বসে থাকার।

আমাদের জন্যে প্রার্থনা করুন যারা পাপী
এবং আমাদের মৃত্যু-মুহূর্তের জন্যে প্রার্থনা করুন
আমাদের জন্যে প্রার্থনা করুন এখন
এবং আমাদের মৃত্যু-মুহূর্তের জন্যে প্রার্থনা করুন।

 

২.
ওগো নারী, তিনটে শাদা চিতা বসে আছে জলপাই গাছের নিচে
দিনের শীতের গভীরে, তৃপ্ততায় এসেছে বিরক্তি
আমার পায়ে, হৃদয়ে এবং যকৃতে তার যা কিছু
ধারণ করে আছে
আমার শূন্য-গর্ভ মাথার খুলি। এবং ঈশ্বর বলেছেন
এইসব হাড়গুলো কি বেঁচে থাকবে?
এইসব হাড়গুলো কি বেঁচে থাকবে? এবং যা কিছু হাড়ে পরিপূর্ণ
(যেগুলো ইতোমধ্যে প্রায় বিশুদ্ধ)
ফিসফিস করে ঈশ্বর বলেছেন:
যেহেতু এই নারীর ভালোত্বের জন্যে
এবং যেহেতু তার ভালোবাসার জন্যে এবং যেহেতু সে
সতীত্বের ধ্যান করে থাকেন,
আমরা উজ্জ্বলায় প্রখর হয়ে উঠলাম। এবং যে আমি
গোপন করে গেছি আমার বিস্মৃতির দলিল এবং আমার ভালোবাসা
জনহীন অনাগত ভবিষ্যতের জন্যে এবং ফলের পরিমাণের জন্যে।
এই যে তা—যা পরিপূর্ণ করে আছে
আমার নাড়ি যা আমার চোখকে পেঁচিয়ে আছে এবং
অজীর্ণতার অংশকেও
যা কিনা চিতাও করেছে পরিত্যাগ। নারী এক শাদা
গাউন পরিধান করেছে, গভীর ধ্যানের জন্যে নারী
এক শাদা গাউন পরিধান করেছে।
তবে শাদা হাড়দের প্রায়শ্চিত্ত করতে দেখা হোক
বিস্মৃতিপ্রবণতার জন্যে।
সেখানে কোনোই জীবন নেই। এই যে আমি ভুলে গেছি
এবং এই যে আমি ভুলে যাচ্ছি, এই যে আমি ভুলে ভুলে যাবো
তা উৎসর্গ করা হলো গভীর মনোযোগের অভিপ্রায়ে এবং
ঈশ্বর বলেছেন—
ভবিষ্যৎবাণী বাতাসের প্রতি কেবলই বাতাসের জন্যে
বাতাস কথা শুনবে। এবং হাড়েরা ফিসফিস করে গাইবে গান
লাল ফড়িংদের সঙ্গে এবং আরো বললেন:

নীরবতার নারী
শান্ত এবং ক্লেশাক্ত
কান্না এবং ক্লেশাক্ত
কান্না এবং সম্ভাব্য সমস্ত
স্মৃতির গোলাপ
নিঃশেষিত এবং প্রাঞ্জল
বিরক্তকরা শান্তিপূর্ণ
একটি মাত্র গোলাপ
সেই এখন বাগান
যেখানে সব ভালোবাসার শেষ
সীমাবদ্ধ করে দেয় মনোদৈহিক যন্ত্রণার
পরিপূর্ণহীন ভালোবাসার
অসীম মনোদৈহিক যন্ত্রণার
পরিপূর্ণহীন ভালোবাসার
অসীম মনোদৈহিক যন্ত্রণার
পরিপূর্ণ ভালোবাসার
কেবলই শেষহীন শেষের
দীর্ঘ যাত্রা অসীমের
মীমাংসা সব কিছুর
আর কেবলই অমীমাংসা
শব্দহীন ভাষা এবং
ভাষাহীন শব্দ
মায়ের লাবণ্য
বাগানের জন্যে
যেখানে সব ভালোবাসার শেষ।

জলপাই গাছের নিচে হাড়েরা গান গাইছে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে
উজ্জ্বল হয়ে
আমরা বিচ্ছিন্ন হতে পেরে আনন্দিত, আমরা আমাদের
জন্যে অল্প যা কিছু করব,
দিনের শীতের গভীরে একটি গাছের নিচে, ধুলো প্রবাহের সঙ্গে
ভুলে যাচ্ছি তাদের এবং একে অপরকে, সংযুক্ত
করা হয়েছে প্রশান্তময় জনহীন অরণ্যে। এই সেই জমি
যা তোমার ভাগ্য দ্বারা বিভক্ত করতে পারো, এবং হয়
সংযুক্তি না হয় বিভাজন। এই সেই জমি। যা আমাদের উত্তরাধিকার।

 

৩.
দ্বিতীয় সিঁড়ির প্রথম বাঁকে
আমি ঘুরে দাঁড়ালাম এবং নিচে দেখলাম
একইভাবে রেলিংয়ের পিল্পা জড়িয়ে আছে
তীব্র গন্ধময় বাষ্পের আড়ালে
সেখানে বিবাদ চলে শয়তানের সাথে
যে কিনা পরিধান করে আছে আশা আর নিরাশার
মুখ-অবয়ব।

দ্বিতীয় সিঁড়ির দ্বিতীয় বাঁকে
আমি তাদের পেছনে রেখে এলাম এবং দেখলাম
আর কোনো ভূতুড়ে মুখ নেই, সিঁড়িতে আলো নেই
তা ভীষণ স্যাঁতস্যাঁতে এবড়ো-থেবড়ো, যেন এক বুড়ো
এবড়ো-থেবড়ো লালাগ্রস্ত মুখ হা-করে আছে
মেরামতের অপেক্ষায়
কিংবা এ যেন কোন এক বয়সী হাঙ্গরের দাঁত আর পাকস্থলি
পড়ে আছে অনাদরে।

তৃতীয় সিঁড়ির প্রথম বাঁকে
দেখলাম এক অলস স্থির জানালা ডুমুর ফলের মতো ফেটে
স্ফীত হয়ে আছে
এবং কাঁটা বেগুনের পুষ্পমুকুলে ঘেরা তারও আরও
গভীর দূরে—চারণভূমির দৃশ্যের ভেতরে
কেউ একজন কি বিশাল সবুজ পোশাকে
শীতের এই সময়ে যেন এক যাদুকর হাতে তার প্রাচীন বাঁশি
সুন্দর বাদামি চুল বাতাসে উড়ে উপচে পড়ে মুখের উপরে
রজনীগন্ধা ফুলে এবং বাদামি চুল
উন্মত্ত তার বাঁশির সুরে
হৃদয় আর পা নিশ্চল করে দেয় তৃতীয় সিঁড়িতে
আহা! তুচ্ছ তুচ্ছ মনে হয় আশা আর নিরাশায়
আশা আর নিরাশায় পার হয়ে যাই তৃতীয় সিঁড়ি

ঈশ্বর, আমি তো যোগ্য নই
ঈশ্বর, আমি তো যোগ্য নই

কিন্তু একবার তো কথা বলো
অন্তত একবার!

 

৪.
কে হাঁটে? কে হেঁটে যায় বেগুনি রঙে
কে হেঁটে যায়
সারি সারি বৈচিত্র্যে ভরা সবুজের গভীরে
শাদা আর নীলের ভেতরে, মরিয়ম রঙে
কথার কাকলি তুলে তুচ্ছ বিষয়ে
অজ্ঞতা আর শাশ্বত দুঃখ-কষ্টের স্বজ্ঞানে
কে ঘুরে অন্য সকলের ভেতরে, তারা যেমন হেঁটে গেছে,
তারপর কে ঝর্নাকে স্রোতস্বিনী করল এবং বসন্তকে নির্মল পরিপূর্ণ
তপ্ত পাথরকে করেছে শীতল আর মসৃণ বালিকে করেছে কঠিন

নীলকণ্ঠের নীলে, নীল মরিয়ম রঙে
‘স্বাগতম’

এখানে বছরেরা হেঁটে যায়, হেঁটে যায়
বেহালা আর বাঁশির সুরে সুরে সে একজন কেবলই ঘুরে
সময়ের গভীরে ঘুম আর জাগরণের পোশাকে।

শাদা আলো, আলোর কোষে ভাঁজ করা হয়ে গেছে।
নতুন বছরেরা হেঁটে যায়, ঘুরে যায়
স্বচ্ছ মেঘের কান্নার জলে, বছরেরা ঘুরে যায়
নতুন কাব্যের প্রাচীন শব্দের অন্ত্যমিল। সময়
ফিরে আসে। ফিরে আসে
না পড়া দৃষ্টির শুভ স্বপ্নের ভেতরে
যেখানে সাজানো অর্বাচীন ঘোড়া যাত্রা করে মৃত্যু-যানে।

নীরবতার বোন অবগাহন করে শাদা আর নীলে
চিরসবুজ বৃক্ষদের গভীরে, ঈশ্বরের বাগানে
যার বাঁশি মৃত্যুহীন মস্তিষ্ক জড়িয়ে আছে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় অথচ
কোনোই সুর তুললো না।

কিন্তু ঝর্নাধারা বয়ে চলল আর পাখিরা গাইল গান
সময়ের স্রোতে, স্বপ্নের স্রোতে
শব্দের অর্থরা রয়ে গেল, না শোনা, না বলা কথায়

তখনও পর্যন্ত চিরসবুজ বনভূমির বাতাসেরা দুলে দুলে
ফিসফিস করতে থাকল

এবং তা চলতে থাকল আমাদের নির্বাসনের আগ পর্যন্ত।

 

৫.
যদি হারানোর শব্দ হারিয়ে যায়, যদি ব্যয়িত শব্দও ব্যয় হয়ে যায়
যদি না শোনা; না বলা শব্দ
সেও না বলা; না শোনা শব্দই রয়ে যায়,

না শোনা, না বলা শব্দ স্থির নিশ্চল
শব্দহীন শব্দ
শব্দময় পৃথিবী এবং কেবলই পৃথিবীর;
এবং অন্ধকারের গভীরে আলো ছড়ায় এবং
শব্দের পেছনে শব্দ অশান্ত ঘূর্ণপাকে
ক্রমাগত এগিয়ে যায় নিশ্চুপ, শব্দহীন শব্দের কেন্দ্র অভিমুখে।

ও আমার দেশবাসী, আমি তোমাদের জন্য কী করতে পেরেছি?

কোথায় পাওয়া যাবে আবারও সেই শব্দ, কোথায় শোনা যাবে
আবারও সেই শব্দ? এখানে নয়,
এখানেও পর্যাপ্ত নীরবতা নেই
না সমুদ্রে, না কোনো দ্বীপে
না কোনো মূল জমি অথবা মরুভূমি কিংবা বৃষ্টি ভূমিতে,
কেবলই তাদের জন্যে যারা অন্ধকারে হেঁটে যায়
দিনে অথবা রাতে
এখানে কোনো সঠিক সময় আর স্থান নেই
কোনোই মাধুর্য নেই তাদের যারা পরিত্যাগ করেছে আলোর মুখ
কোনোই সময় নেই আনন্দ উৎসবের কেবল তাদের জন্যে
যারা কোলাহলের ভেতরে হেঁটে যায় গুজবের বিশ্বাসে
আর সত্যকে পরিহার করে

তবে কি অবগুণ্ঠিত বোন প্রার্থনা করবে
তাদের জন্যে যারা অন্ধকারে হেঁটে যায়
কারা তোমাকে পছন্দ অথবা অপছন্দ করে?
যারা মোষের শিঙে কান্নার জল ফেলে যায় বছরের পর
বছর, সময়ের পর সময়
ঘণ্টার পর ঘণ্টা, শব্দের পর শব্দ, ক্ষমতার পর ক্ষমতা
যারা কেবলই অন্ধকারে অপেক্ষা করে? তবে কি অবগুণ্ঠিত বোন
প্রার্থনা করবে সেই সব শিশুদের জন্যে যারা
সদর দরজায় অপেক্ষমাণ
যারা কোথাও যাবে না এবং প্রার্থনা করতে পারে না;
প্রার্থনা করো তাদের জন্যে যারা পছন্দ অথবা অপছন্দ করে

ও আমার দেশবাসী, আমি তোমাদের জন্যে কী করতে পেরেছি?

চিরসবুজ, সরু বনভূমির ভেতরে অবগুণ্ঠিত বোন
সে কি প্রার্থনা করবে তাদের জন্যে যারা তাকে পীড়া দেয়
আর ভয় দেখায় এবং সে কি পারবে না
খোদার নামে হলফ করে তাদের পরাস্ত করতে
পৃথিবীর কাছে এবং পারবে না অস্বীকার করতে পাহাড়ের মধ্যে থেকে
শেষ মরুভূমির শেষ লাল পাহাড়ের মধ্যে থেকে
বাগানে মরুভূমি, মরুভূমির বাগান
তার মুখ থেকে ফেলে দেওয়া বিশুষ্ক থুথু সেও বিবর্ণ হয়ে যাওয়া
আপেলের বীজ।

ও আমার দেশবাসী

 

৬.
যদিও ঘুরে তাকানোর ইচ্ছে নেই আবারও আমার
যদিও আমার আর ইচ্ছে নেই
যদিও ঘুরে তাকানোর ইচ্ছে নেই আমার

লাভ আর লোকসানের মধ্যবর্তী স্থানে কম্পিত হয়ে
এবং সংক্ষিপ্তসার পরিবৃত্তে যেখানে স্বপ্নেরা অতিক্রম করে
স্বপ্নেরা অতিক্রম করে গোধূলিবেলায় জন্ম আমার মৃত্যুর ভেতরে
(আর্শীবাদ করো পিতা) যদিও অমি এবং সব কামনা করি না
সেই প্রশস্ত মুখ জানালার অনুকূলে কঠিন শিলার সমুদ্রসৈকত
যেখানে শাদা পাল সমুদ্রাভিমুখে উড়ছে, আর
সমুদ্রাভিমুখও উড়ছে বিশাল প্রশস্তময় অভঙ্গুর পাখায়

এবং হারানো হৃদয় অনমনীয় কঠিন আর আনন্দ-উৎসবে
মেতে ওঠে শেষ রজনীগন্ধায়, শেষ সমুদ্রের কণ্ঠস্বরে
আর দুর্বল আত্মা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে বিদ্রোহের জন্যে
আনমিত সোনার কাঠির জন্যে এবং হারানো সমুদ্র
খুঁজে ফেরে প্রাণবন্ততা
তিতির পাখি আর ঘূর্ণ্যমান টিয়াদের কান্নার গভীরে
এবং অন্ধ চোখ তৈরি করে
শূন্যতা—আইভরি-দরজায়
আর বালুময় পৃথিবীর লবণের স্বাদও ভরে ওঠে নতুন গন্ধে
এই সেই সময় জন্ম আর মৃত্যুর উত্তেজনার
এই সেই নির্জনতার জায়গা যেখানে স্বপ্নরা অতিক্রম করে
নীল পাহাড়ের গায়
কিন্তু যখন কণ্ঠস্বর কম্পিত হয় সবুজ বনানী থেকে
তা প্রবাহিত করে
অন্য সুবজ বৃক্ষদের—কম্পিত আর প্রতি-উত্তর দিতে দাও

ওগো আশীর্বাদপ্রাপ্ত বোন, পবিত্র মা, ঝর্নার আত্মা আর
বাগানের হৃদয়
আমাকে মিথ্যার বিদ্রূপে কষ্ট দিয়ো না
আমাদের শিক্ষা দাও যত্নের এবং অযত্নের
আমাদের শিক্ষা দাও এমন স্থির বসে থাকার
এ সব পাহাড়ের গায়
আমাদের শান্তি তার ইচ্ছায়
এবং এইসব পাহাড়ের গায়
বোন, মা
আর নদীর আত্মা, সমুদ্রের আত্মা
আমাকে বিচ্ছিন্নতার কষ্ট দিয়ো না

এবং আমার কান্নার জল গড়াতে দাও তোমাদের জন্যে।

 


কৃতজ্ঞতা : কারুজ [দীর্ঘকবিতা সংখ্যা, সম্পাদক: শিমুল মাহমুদ]
masudulhuq@gmail.com'
masudulhuq@gmail.com'

Latest posts by মাসুদুল হক (see all)